শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৮ এম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমে গেছে। সবচেয়ে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। নতুন দাম সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমানোর পেছনে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা করা হয়েছিল। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণের গহনা বিক্রি হয়।
বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলেও জানিয়েছে বাজুস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের (বা অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের) দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে উঠে যায়। গত মে মাসের পর এই প্রথম ব্রেন্টের দাম ১০৮ ডলারে পৌঁছাল। ইরান যুদ্ধের কারণে তেল সরবরাহে সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এমন আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ই তেলের দাম বেড়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে লড়াই তীব্র হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের ওপর হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথিরা সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
বিশ্ববাজারে তেলের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে ৭ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে পৌঁছেছে। পরে কিছুটা কমে দিনশেষে ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে স্থির হয়। দিনের হিসাবে ব্রেন্টের দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ১৯ মের পর এটিই ব্রেন্টের সর্বোচ্চ দাম। একই সঙ্গে ছয় সপ্তাহের মধ্যে এক দিনে ব্রেন্টের সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধিও এটি।
যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দামও একপর্যায়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলারে পৌঁছায়। মে মাসের পর এই প্রথম মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ১০৩ ডলারে উঠল। পরে কিছুটা কমে দিনশেষে ১০২ দশমিক ৪৮ ডলারে স্থির হয়। দিনের হিসাবে দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। গত ১৯ মের পর এটিই মার্কিন অপরিশোধিত তেলের সর্বোচ্চ সমাপনী দাম। একই সঙ্গে দুই মাসের মধ্যে এক দিনে এটির সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধিও এটি।
আবারও সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহণ নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণী সংস্থা ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের ডেপুটি চিফ ইমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট জেসন টুভে এক নোটে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে এবং হুথিদের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে যে, ইরান ও তার মিত্ররা যুদ্ধে আবারও উদ্যোগ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে।’
টুভে বলেন, ‘এতে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।’
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি জানিয়েছে, আগামী বছরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে তারা আর আশা করছে না। প্রতিষ্ঠানটি এখন আর ধরে নিচ্ছে না যে যুদ্ধের একটি নিশ্চিত সমাপ্তি হবে কিংবা ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
এসঅ্যান্ডপি এখন ধারণা করছে, আগামী বছরজুড়েও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে এবং ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে।
এর বিপরীতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার রাতে দ্রুত সস্তা জ্বালানির পরিস্থিতি ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘৩ নভেম্বরের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের পরপরই দাম ব্যাপকভাবে কমে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে।’
এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জির ক্রুড অয়েল গবেষণার বৈশ্বিক প্রধান জিম বার্কহার্ড বলেন, বাজার ‘শান্ত অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে না।’
বার্কহার্ড ওই প্রতিবেদনে বলেন, ‘অমীমাংসিত সংঘাত এবং সমুদ্রপথে অব্যাহত ঝুঁকি যে নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, বাজার এখন তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার শেষে উপকূলে ফেরার পথে উত্তাল সাগরের প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে বরগুনার তালতলী উপজেলার ‘এফবি মায়ের দোয়া’ নামে একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ট্রলারে থাকা ১৪ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ফকিরঘাট অবতরণ উপকেন্দ্র এলাকা থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ভেসে ওঠা দুবলার চর এলাকায় এই ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে ১৩ জন তালতলী উপজেলার বাসিন্দা এবং ১ জন সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা।
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, বুধবার উপজেলার নিদ্রা এলাকার জাফর মিয়ার মালিকানাধীন ‘এফবি মায়ের দোয়া’ ট্রলারটি ১৪ জন জেলে নিয়ে সাগরে মাছ শিকার করতে যায়। বৃহস্পতিবার সাগরের আবহাওয়া খারাপ হলে উত্তাল ঢেউয়ে জেলেরা ট্রলার নিয়ে উপকূলে ফিরতে শুরু করেন। এ সময় ফকিরঘাট মৎস্য অবতরণ উপকেন্দ্র থেকে ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউয়ে ট্রলারটি উলটে ডুবে যায়।
ট্রলারডুবির খবর পেয়ে ফকিরঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও স্থানীয় জেলেরা দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। রাত ১০টার দিকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ‘সেলিম মাঝির’ ট্রলারের সহায়তায় ১৪ জেলেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তারা ওই ট্রলারে নিরাপদে অবস্থান নেন। তবে উদ্ধার হওয়া জেলেরা এখনো উপকূলে ফিরে আসেননি।
উদ্ধারকারী ট্রলারের মাঝি রাজু মিয়া বলেন, "খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং রাত ১০টার দিকে সাগরে ভাসতে থাকা ১৪ জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করি। তবে সাগর উত্তাল থাকায় ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।"
ফকিরঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. মজিবর ফরাজী বলেন, "সাগর উত্তাল থাকায় ফকিরঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ফেরার পথে ট্রলারটি ডুবে যায়। খবর পাওয়ার পরপরই ঘাটে থাকা জেলেদের ট্রলার পাঠিয়ে তাদের সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে।"
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার বলেন, "ট্রলারডুবির ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। বঙ্গোপসাগরে উদ্ধারকারী ট্রলারে সব জেলে বর্তমানে নিরাপদে আছেন এবং তাদের দ্রুত উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকৃত জেলেদের সহায়তায় শুকনো খাবার ও চাল বিতরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যতই দিন ঘনিয়ে আসছে হেলথ জেনারেল হসপিটাল এন্ড ডায়গনিস্ট সেন্টার এর মালিক আবুল বাশার মোল্লা নামে নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা উঠে আসছে, ঘটনা জাপা দেওয়ার জন্য, বিভিন্ন আইন প্রশাসন কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদ সহ ক্লিলারের সহযোগিতা নিয়ে যাচ্ছেন, ভুক্তভোগী নারীর সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে, আমলাপাড়া কে বি সাহা রোড নারায়ণগঞ্জ সদরের একটি রুমে ভাড়া করে ওইখানে একদিন, ভুক্তিভোগী নারীর সহ আবুল বাশার মোল্লা এলাকাবাসীর নজরে আসে , তখন এলাকাবাসীর দেরকে টাকার বিনিময়ে ওখান থেকে ছুটে আসে, আসার পর থেকে ভক্তভোগী নারী আবুল বাশার মোল্লাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে, তিনি তার প্রস্তাবে রাজি হন নাই এমনকি তাকে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে পুলিশের সহযোগিতায়, উল্টো ভুক্তভোগী নারীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়, ভুক্তভোগী নারী আদালতে হইতে যাবিনি মুক্তি পেয়ে, আবুল বাশার নামে, যাবতীয় প্রমাণসহ, নারী ধর্ষণ শিশু আইনে একটি মামলা করলে, মামলা উঠানোর জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে তাকে নানান ভয় ভিত্তি ও মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছেন, গতকাল রাত্রে ভুক্তভোগী নারীর মোবাইলে বেশ কয়েকবার তাকে ফোন করে হুমকি প্রদান করেন পরবর্তীতে একটি মেসেজ এর মাধ্যমেই হুমকি প্রদান করে আসছে যেখানে দেখা যাচ্ছে একজন আইন শৃঙ্খলার বাহিনীর ছবিসহ মেসেজে পাওয়া গেছে, মেসেজে পাওয়া ছবির ব্যক্তিকে তালাশ বিডি প্রতিনিধি যোগাযোগ করলে তিনি ,এই বিষয়েপরে জানাবেন বলে তাকে অবহিত করেন, ভুক্তভোগী নারী উক্ত বিষয়ে দ্রুত আইনের সহযোগিতা কামনা করছেন, এমনকি ভুক্তভোগী নারী তাহার এলাকায়ও নির্দিষ্ট স্থানে বসবাস করার জন্য ভয়ের আতঙ্কায় আছেন, আবুল বাশার মোল্লার নামে মামলা থাকা সত্ত্বেও তিনি উক্ত মামলায় হাজির হন না, কোন ব্যক্তি আইনি অমান্য করলে এটা একটা বিরাট বড় অপরাধ, তাই আইন প্রশাসন এর কাছে অনুরোধ উক্ত বিষয়ে জরুরী ভিত্তিতে আবুল বাশার মোল্লাকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হোক, আবুল বাশার মোল্লা একজন প্রতারক ও মিথ্যাবাদী, ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসার নামে মেয়েদের নিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে সুন্দরী মেয়েদের সাথে দেখা করেন এবং তাদের সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মাদক সেবনের সময় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী পৌরসভার উত্তর বালাশীপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় নাগেশ্বরী থানা পুলিশ। এ সময় মাদক সেবনরত অবস্থায় চারজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—উত্তর বালাশীপাড়া এলাকার মো. বাদশা মিয়ার ছেলে গোলাম মাওলা (২৮), মো. আবুল হোসেনের ছেলে মো. ওমর ফারুক (২৬), মো. নুর ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম (১৮) এবং মনসুরের ছেলে নুরনবী (২৫)।
আটকের পর তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলাউদ্দিন। তিনি ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।
মোবাইল কোর্টে চার আসামির প্রত্যেককে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশ দেওয়া হয়।
নাগেশ্বরী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ