মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি
০৮:৪৯ পি.এম
জামালপুরের মাদারগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত স্টিলের ড্রাম কাটার সময় বিস্ফোরণের ফলে নিহত হয়েছেন নুরনবী ফকির (৪৫), যিনি একজন ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ী। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে পৌর শহরের জোনাইল বাজারে।
নিহত নুরনবী ফকির ছিলেন জোনাইল পক্ষীমারী এলাকার মৃত মতিউর রহমান মতি ফকিরের পুত্র। তিনি জোনাইল বাজারে জনতা ব্যাংকের পাশে একটি ওয়ার্কশপ পরিচালনা করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেল আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে নুরনবী ফকির নিজের ওয়ার্কশপের জন্য কেমিক্যাল রাখার উদ্দেশ্যে একটি পরিত্যক্ত স্টিলের ড্রাম কাটছিলেন। হঠাৎ করেই ড্রামটিতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের ফলে ড্রামের একটি অংশের আঘাতে তাঁর মাথা ও মুখ গুরুতরভাবে জখম হয়।
বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের ব্যবসায়ীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আহত নুরনবী ফকিরকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মাদারগঞ্জ উপজেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু ঘটে।
নিহত নুরনবী ফকির স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ পরিবারের সদস্যদের রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে একটি অংশ নদীতে রাবিশ ও বর্জ্য ফেলে অবৈধভাবে ঘাট নির্মাণের অভিযোগে কাজী মোবারক করীম মেহেদী নামের ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, ভরাট করা অংশটি নিজ খরচে খনন করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে হবে এবং এ জন্য সাত দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) চাঁদপুর শহরের পৌর ঈদগাহ সংলগ্ন ১০ নম্বর চৌধুরীঘাট এলাকার কসাইখানার পাশে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬(ঙ) ধারা লঙ্ঘন করে নদীতে রাবিশ ও বর্জ্য ফেলে নদীর একটি অংশ ভরাট করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই স্থানটি পণ্য ওঠানামার ঘাট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই অপরাধের সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং আদায়কৃত অর্থ ঘটনাস্থলেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা। পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়া প্রসিকিউশন প্রদান করেন। এ ছাড়া অভিযানে জেলা পুলিশের একটি দল আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, নদী ও পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষায় আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিত তদারকি চলবে। নির্ধারিত সাত দিনের মধ্যে ভরাটকৃত অংশ খনন করা না হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের পুরান বাজারে ১৫০ জন গরিব ও দুস্থ রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা সেবা, ওষুধ, ড্রপ ও চশমা প্রদান করা হয়েছে। সামাজিক সংগঠন ‘বিজয়ী’ এর প্রতিষ্ঠাতা তানিয়া ইশতিয়াক খানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই চিকিৎসাসেবা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
চক্ষু ক্যাম্পে রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন আব্দুল্লাহ অপটিকস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ মিজানুর রহমান।
স্থানীয়দের মতে, তানিয়া ইশতিয়াক খান একজন মানবিক ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। তিনি মানুষের মৌলিক চাহিদার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গত ৬ বছর ধরে বিভিন্ন পাড়া, মহল্লা ও ওয়ার্ডে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি নিয়মিতভাবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ, চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণসহ অসহায় রোগীদের চোখের ছানি অপারেশন ও নেত্রনালী অপারেশনের ব্যবস্থা করে আসছেন।
বিনামূল্যে এই উন্নত চিকিৎসাসেবা, চশমা ও ওষুধ পেয়ে এলাকার দুস্থ ও অসহায় রোগীরা তানিয়া ইশতিয়াক খানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মানবিক এই স্বাস্থ্যসেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজয়ীর স্বপ্নদ্রষ্টা আশিক খান, তরুন সমাজ সেবক সাদ্দাম হোসেন, টিম বিজয়ী ভলেনটিয়ারবৃন্দসহ এলাকার সুধীজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পৃথক অভিযানের মাধ্যমে ১৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের হাতে একজন গ্রেফতার হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত রবিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার সময় বিজয়নগর থানা পুলিশ উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানের ফলে নৈদার চান দাশের বসতবাড়িতে ১১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে নৈদার চান দাশ (৬২) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া নৈদার চান দাশ কাশিনগর এলাকার মৃত নীল কান্ত দাশ ও মৃত কাদু বালা দাশের পুত্র।
উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের কামালপুর এলাকায় পুলিশ আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে। বিজয়নগর-আউলিয়া বাজারগামী পাকা সড়কের পাশে শান্তামুড়া গ্রামগামী কাঁচা রাস্তার মাথা থেকে ৮০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আহসান উল্লাহ জানান, পৃথক ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের উত্তর কুট্রাপাড়া (খুরশেদ ভবনের) ৩ এনজিও অফিসে ঘটে যাওয়া ডাকাতির মামলার প্রধান আসামী পেশাদার ডাকাত গাফ্ফার (৩৫) বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। গত ২৪ আগস্ট সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর এলাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় সরাইল থানার এস আই রাজিব বড়ুয়ার নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল গাফ্ফারকে গ্রেপ্তার করে। গাফ্ফার সদর উপজেলার খাঁটিহাতা গ্রামের কাদির মিয়ার পুত্র। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ ডাকাতির ঘটনায় তার জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে। পুলিশ ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে। গাফ্ফারের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সরাইল, ঢাকাসহ বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও দস্যুতার একাধিক মামলা রয়েছে। তবে তার একাধিক আত্মীয় এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বলছেন, প্রকৃত অপরাধীরা যেন পার পেয়ে না যায়।
পুলিশ, মামলা ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত ২১ আগস্ট শুক্রবার গভীর রাতে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন সরাইল সদরের কুট্রাপাড়া এলাকায় সামছুদ্দিন মিয়ার বহুতল ভবনের (খুরশেদ ভবন) প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়তলায় ৩টি এনজিও অফিসে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মুখোশ পরা সংঘবদ্ধ ডাকাতদল দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে ওই অফিস থেকে নগদ ৫ লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন কর্মকর্তারা। বাঁধা দেওয়ায় রাব্বি মিয়া নামের এক হিসাব রক্ষককে মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে ডাকাতরা। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রাব্বি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। গার্কের ফিল্ড অফিসার স্বপন রাজবংশী, সারোয়ার ও এরিয়া ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা বলেন, "তালা কাটার শব্দে ঘুম থেকে উঠেছি। ডাকাতরা প্রথমেই বাহিরের দিকে আমাদের দরজার চিটকারি লাগিয়ে দিয়েছে। চিৎকার করছি কেউ খুলেনি। ভোর বেলা কাজের বোয়া এসে খুলে দিয়েছেন।" ডাকাতরা সিসি টিভির রেকর্ড বক্সটি নিয়ে গেছে। তবে আমাদের দক্ষিণ পাশের ভবনে সিসি টিভি আছে। এত বড় ভবনে কোন সিকিউরিটি গার্ডও নেই। পরের দিন সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরাইল থানার পুলিশ। উপজেলা সদরে হাইওয়ে থানা ও সরাইল থানার নিকটবর্তী স্থানে মহাসড়ক ঘেঁষা ভবনে এমন দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় সাধারণ লোকজন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। এমন জঘন্য ও ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত, গ্রেপ্তার এবং বিচার দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী। আহত রাব্বি মিয়া পুলিশকে জানায়, মুখোশ পরা ডাকাতরা ডাকাতি ও তাকে মারধর করার সময় হঠাৎ একজনের মুখোশ খুলে যায়। এ সময় দেখা ওই ডাকাতের শরীরের গঠন, রং, মুখের অবয়ব, মাথা ও চুলের অবস্থাসহ অন্যান্য সকল বিষয়ের ব্যাখ্যা দেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনজুর কাদেরের নেতৃত্বে পুলিশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে পুলিশের সন্দেহের তালিকায় আসে দুই ব্যক্তি। তাদের একজন খাঁটিহাতা গ্রামের প্রয়াত কাদির মিয়ার ছেলে গাফ্ফার। গত ২৩ আগস্ট রোববার রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার খাঁটিহাতা গ্রামে অভিযান চালান সরাইল থানার এস আই রাজিব বড়ুয়া। অভিযানকালে তিনি ডাকাত গাফ্ফারকে আটক করার সময় তার স্বজন ও এলাকাবাসী পুলিশের উপর চড়াও হয়। তারা ধস্তাধস্তি করে পুলিশের কাছ থেকে গাফ্ফারকে ছিনিয়ে নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই ব্যক্তিকে আটক করে। পরে স্থানীয় ও জেলার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় সমঝোতা ঘটনার নিস্পত্তি হয়। পরের দিন জেলা শহর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর মডেল থানার সহায়তায় সরাইল থানার পুলিশ ডাকাত গাফ্ফারকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, গাফ্ফারের অপকর্মের শিকর অনেক গভীরে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও দস্যুতার অভিযোগে ঢাকায় ১টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় ৩টি ও সরাইল থানায় ১টি সহ মোট ৫টি মামলা রয়েছে। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনজুর কাদের বলেন, "প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এনজিও অফিসে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা শিকার করেছে। বিস্তারিত জানতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। তাই আমরা আদালতের কাছে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছি। আগামী রোববার ওই আবেদনের শুনানি হতে পারে।"
যেভাবে দূর্ধর্ষ ডাকাত গাফ্ফার:
বিশ্বরোড মোড়ের পাশের খাঁটিহাতা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করা গাফ্ফার বেড়ে উঠেছে নানা অপকর্ম ও অপরাধীদের মাঝে। জীবনের প্রয়োজনে গাফ্ফার এক সময় চলে যায় প্রবাসে। কিছুদিন পরই আবার ফিরে আসে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও সরাইলের সীমানায় বিশ্বরোড মোড় ঘেঁষেই তাদের বসবাস। এ মোড়টি রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলার ট্রানজিট পয়েন্ট। ব্যস্ততম এই মোড়ে মাদকসেবন ও ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই, ফুটপাতের দোকানে চাঁদাবাজি, সড়কে যানবাহনে চাঁদাবাজি ডাকাতির ঘটনা ঘটছে অহরহ। দেখতে দেখতে এক সময় গাফ্ফারের বন্ধু মহলের আকার বৃদ্ধি পায়। মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে গাফ্ফার। সকাল দুপুর রাত শুধু টাকার সন্ধান করতে থাকে। মা বাবা শেষ করে সড়কের পাশের ফুটপাতের ব্যবসায়িদের কাছ থেকে দৈনিক চাঁদার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। মাদক ও জুয়ার ছোবলে গাফ্ফারের জীবন এলোমেলো হয়ে যায়। টাকার জন্য উশৃঙ্খল হয়ে ওঠে। জড়িয়ে পড়ে চুরি ছিনতাই আর ডাকাতির মত ঘটনায়। পরবর্তীতে তার অপরাধের শিকর শাখা প্রশাখা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তার রয়েছে বিশাল এক সিন্ডিকেট। গাফ্ফারের নাম শুনলেই চমকে উঠেন বিশ্বরোড মোড়ের ব্যবসায়ি ও যান চালকরা। পুলিশের দেয়া তথ্য মতে গাফ্ফারের ওই সিন্ডিকেটের সদস্যরাই এনজিও অফিসে দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ