০৮:৪৯ পি.এম
চাঁদপুরে একটি অংশ নদীতে রাবিশ ও বর্জ্য ফেলে অবৈধভাবে ঘাট নির্মাণের অভিযোগে কাজী মোবারক করীম মেহেদী নামের ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, ভরাট করা অংশটি নিজ খরচে খনন করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে হবে এবং এ জন্য সাত দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) চাঁদপুর শহরের পৌর ঈদগাহ সংলগ্ন ১০ নম্বর চৌধুরীঘাট এলাকার কসাইখানার পাশে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে নতুন মুখ, সভাপতি আচ্ছু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মিলন
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬(ঙ) ধারা লঙ্ঘন করে নদীতে রাবিশ ও বর্জ্য ফেলে নদীর একটি অংশ ভরাট করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই স্থানটি পণ্য ওঠানামার ঘাট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই অপরাধের সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং আদায়কৃত অর্থ ঘটনাস্থলেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা। পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়া প্রসিকিউশন প্রদান করেন। এ ছাড়া অভিযানে জেলা পুলিশের একটি দল আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, নদী ও পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষায় আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিত তদারকি চলবে। নির্ধারিত সাত দিনের মধ্যে ভরাটকৃত অংশ খনন করা না হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: চুয়েট ভিসিকে না মানার ৬ কারণ দেখিয়ে বিএনপি মহাসচিবকে স্মারকলিপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন