সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৫৬ পি.এম
ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কাছে এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতিমূলক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ‘স্টেজ-সি’ বা ‘পাওয়ার স্টার্টআপে’ প্রবেশ করবে ইউনিটটি। এই পর্যায়ে কেন্দ্রটির বিভিন্ন ব্যবস্থার কার্যকারিতা ধারাবাহিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, ‘স্টেজ-সি’ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়ানোর মাধ্যমে কেন্দ্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ও ব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিরাপদ, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য পরিচালনা এবং জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা যাচাই করা সম্ভব হবে।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান এ বিষয়ে বলেন, ‘স্টেজ-সি’ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টর, প্রাথমিক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যবস্থা, টারবাইন-জেনারেটর, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, যন্ত্রপাতি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যক্রম পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে এসব ব্যবস্থার মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ও ব্যবস্থাগুলোর কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করা হবে। বিশেষ করে টারবাইনের নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা ব্যবস্থা, জেনারেটর এবং সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাগুলো স্বাভাবিক পরিচালন পরিস্থিতিতে সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করা হবে।
তিনি জানান, স্টেজ-সি পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলো জেনারেটরকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে সফলভাবে যুক্ত করা। এই প্রক্রিয়ায় গ্রিডের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে স্থিতিশীলভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা যাচাই করা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন ব্যবস্থার নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য কার্যক্রম নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন করা এবং কমিশনিং-সংক্রান্ত শর্ত পূরণের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে ইউনিটটিকে পরবর্তী ‘পাইলট অপারেশন’ বা পরীক্ষামূলক পরিচালনা পর্যায়ে নেওয়ার পথ তৈরি হবে বলে তিনি জানান।
তবে ‘স্টেজ-সি’ পর্যায়ে প্রবেশ, গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন-এই তিনটি পৃথক মাইলফলক।
বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরীক্ষা, কমিশনিং কার্যক্রম ও নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের নীতিনির্ধারণী বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন বা রদবদলের গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, কোর কমিটিকে পাশ কাটানো হয়নি এবং তাদের ক্ষমতা অন্য কোনো সংস্থায় হস্তান্তর করা হয়নি।
রোববার পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় তথ্য সচিব শেখ ওয়াকাস আকরাম এক বিবৃতিতে জানান, দলের কোর কমিটি, পলিটিক্যাল কমিটি এবং পার্লামেন্টারি পার্টি—প্রতিটি ফোরামের দায়িত্ব ও পরিধি সম্পূর্ণ আলাদা। রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল দায়িত্ব কোর ও পলিটিক্যাল কমিটির, আর সংসদীয় ও আইনি বিষয়গুলো দেখভাল করে পার্লামেন্টারি পার্টি। তিনি আরও জানান, দলের সমস্ত চূড়ান্ত ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান, যিনি এই কমিটিগুলোর কাছে ক্ষমতা অর্পণ করেছেন।
দলের অভ্যন্তরীণ কাঠামো বা সংসদীয় কমিটিকে শক্তিশালী করার বিষয়টি নিয়ে আগে আলোচনা হলেও পিটিআই নেতা নাঈম হায়দার পানজুথা পরিষ্কার করেছেন যে, এ বিষয়ে কেবল একটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, বড় আকারের কোর কমিটির কারণে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে, যা সহজ করতেই পলিটিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তবে দলের যাবতীয় আন্দোলন এবং আলোচনার মূল ম্যান্ডেট মাহমুদ খান আচাকজাই এবং রাজা নাছির আব্বাসের হাতে ন্যস্ত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এক পৃথক বিবৃতিতে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির দীর্ঘ কারাবাস ও মৌলিক অধিকার হরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দলটি। শেখ ওয়াকাস আকরাম দাবি করেন, ইমরান খান আদিয়ালা জেলে ১,১৭৭ দিন ধরে বন্দি আছেন, যার মধ্যে ৩১৫ দিনেরও বেশি সময় তিনি একাকী কারাবাসে কাটিয়েছেন। এছাড়া বুশরা বিবি ৯১১ দিনের বেশি সময় ধরে কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
দলটি অবিলম্বে ইমরান খান ও বুশরা বিবির আইনি এবং সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ইমরান খানের সঠিক চিকিৎসা ও সুনির্দিষ্ট স্বাস্থ্য পরীক্ষার জোর দাবি তুলেছে পিটিআই। দলের পক্ষ থেকে পিটিআইর নারী নেতাকর্মী ও আটক অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদেরও অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। সূত্র: ডন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় রাশিয়ার একটি বিশেষ বিমান ৪১ টন পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে পৌঁছেছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
রাশিয়ার AviaCon ZiTrans দ্বারা পরিচালিত AZS-6713 ফ্লাইটটি রাশিয়া থেকে ভারতের দিল্লি হয়ে ঢাকায় আসে। বিমানটিতে মোট ৪১ টন পারমাণবিক জ্বালানি ১২টি টিপিএসে পরিবহন করা হয়েছে।
এই জ্বালানি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে। এর আগে, কয়েক দফায় রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণকাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ইউনিটটির জন্য প্রয়োজনীয় পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহের অংশ হিসেবে এসব চালান বাংলাদেশে আসছে।
পূর্বে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম জানিয়েছিল, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে কয়েকটি চালানে বাংলাদেশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। যেখানে অন্যান্য দলগুলো ৪০০ রানের লক্ষ্য নির্ধারণ করছে, সেখানে বাংলাদেশ এখনও ৩৫০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করতে পারেনি। শুধু ৩৫০ রানই নয়, গত এক বছরে ২০০ রানের বেশি রান তাড়া করতেও দলটি বারবার ব্যর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই ব্যাটারদের ব্যর্থতা নিয়ে চিন্তিত। বিসিবি নিয়মিতভাবে বড় রান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে এবং তা তাড়া করার জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। এই লক্ষ্যে নতুন অনুশীলন পদ্ধতি চালুর কথা ভাবছে বোর্ড।
গতকাল রাতে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটের বর্তমান সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভা শেষে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানান, বোর্ড খেলোয়াড়দের ব্যর্থতার জন্য একমাত্র তাদের দায়ী করতে চায় না। বরং নিজেদের ভুলগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে তারা।
তামিম এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “যে কোনো ব্যর্থতার জন্য শুধু খেলোয়াড়দের দিকে আঙুল তোলার আগে আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলে বুঝতে চেয়েছি, আমাদের কোনো ভুলের জন্য তারা খারাপ খেলছে কি না, তাদের ওয়ানডের জন্য প্রস্তুত করায় প্রক্রিয়াগত কোনো ভুল আছে কি না।”
বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটে বড় সংগ্রহ গড়ার সমস্যা নতুন নয়। একইভাবে, বড় লক্ষ্য তাড়া করেও দলটি নিয়মিতভাবে জয়ী হতে পারছে না। বিসিবি মনে করছে, এর পেছনে ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে।
তামিম ইকবাল বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, “ধরুন, আমরা চাই আমাদের জাতীয় দল ওয়ানডেতে ৩০০-৩৫০ করুক, ৩০০-৩৫০ রান তাড়া করুক। কিন্তু ঘরোয়া ৫০ ওভারের ক্রিকেটে কি তারা সেটা করছে? খুব বেশি হলে প্রতি মৌসুমে এ রকম দুই-তিনটা ম্যাচই হয়, যেখানে এত রান তাড়া করতে হয়। এখন ঘরোয়া ক্রিকেটেই যদি তাদের এই চর্চাটা না থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গিয়ে কীভাবে করবে!”
তাঁর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফলতা অর্জনের জন্য ঘরোয়া পর্যায় থেকেই বড় রান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। জাতীয় দলের অনুশীলনে এই ঘাটতি পূরণ করা কঠিন। তাই ক্রিকেটের সব পর্যায়ে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে বোর্ড।
বড় রান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে তামিম একটি বিশেষ অনুশীলন পদ্ধতির প্রস্তাব দিয়েছেন। এই পদ্ধতিতে ব্যাটসম্যান ও বোলারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকবে। ব্যাটসম্যানদের সামনে থাকবে বড় লক্ষ্য, অন্যদিকে বোলারদের কাজ হবে সেই লক্ষ্য পূরণে বাধা দেওয়া।
পরিকল্পনা সম্পর্কে তামিম বলেন, “আমরা যেমন আলোচনা করেছি, এমন একটা প্র্যাকটিস সেশনের ব্যবস্থা রাখার, যেখানে ৬-৭ জন করে বোলার ও ৬-৭ জন করে ব্যাটসম্যান থাকবে। ব্যাটসম্যানদের ৩২০-৩৫০ রানের লক্ষ্য দেওয়া হবে। তারা চেষ্টা করবে ৫০ ওভারের মধ্যে তা করার, বোলাররা চেষ্টা করবে তাদের সেটা করতে না দেওয়ার।”
এই অনুশীলনে ব্যাটসম্যানরা বড় লক্ষ্য তাড়া করার অভিজ্ঞতা লাভ করবে। বোলাররাও শিখবে কীভাবে বেশি রান আটকে রাখা যায়। এতে ম্যাচের চাপ সামলানোর অভ্যাস তৈরি হবে এবং দলের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার দক্ষতা বাড়তে পারে।
বিসিবি এই পদ্ধতিকে শুধু জাতীয় দলের জন্য সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না। ভবিষ্যতে বিভিন্ন পর্যায়ের দলের অনুশীলনে এমন সেশন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। খেলোয়াড়দের ম্যাচের পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত করানোই হবে এর মূল উদ্দেশ্য।
তবে এটি বোর্ডের একমাত্র পরিকল্পনা নয়। ওয়ানডে ক্রিকেটে সাফল্য অর্জনের জন্য আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়ার কথাও ভাবছে বিসিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কেরানীগঞ্জে অবস্থিত একটি প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে, যা বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট আগুন নিভানোর কাজে নিয়োজিত ছিল। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
আজ সোমবার দুপুরের দিকে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা তালহাবিন জসিম আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, নারিকেল বাগ এলাকার আমান প্লাস্টিক কারখানায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে খবর পেয়ে ১২টা ৩২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে পাঁচটি ইউনিট কাজ করছে এবং সহায়তার জন্য আরও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ