জাহিদ হাসান নাটোর রাজশাহী প্রতিনিধি
০৪:৪৯ পি.এম
লালপুর ১০ নং কদিমচিলান আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, লালপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা মজনু পাটোয়ারী নির্বাচনের প্রচারণায় বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও বাজারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং কুশল বিনিময় অব্যাহত রেখেছেন। তিনি স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা এবং সম্ভাবনার কথা শুনছেন এবং নির্বাচিত হলে তার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন। স্থানীয় কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ বিদ্যমান। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ মানুষের আগ্রহও মজনু পাটোয়ারীকে কেন্দ্র করে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন। ভবানীপুর গ্রামের কৃষক আকছেদ আলী বলেন, “অল্প বয়সেই মজনু পাটোয়ারী নেতৃত্বের গুণাবলি দেখিয়েছেন। মানুষের প্রয়োজনে তাকে পাশে পাওয়া যায়। তাই অনেকেই তার ওপর আস্থা রাখছেন।” সাধারণ ভোটাররা বলেন, “আমরা একজন সৎ, কর্মঠ ও জনবান্ধব চেয়ারম্যান চাই। মজনু পাটোয়ারী সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন বলে মনে করি।” গোধরা গ্রামের রবিউল করিম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে আছেন। এ কারণে ইউনিয়নের অনেক ভোটারের কাছে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।” মাসুদ রানা মজনু পাটোয়ারী বলেন, “কদিমচিলান ইউনিয়নের মানুষ যদি আমাকে সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে একটি পরিচ্ছন্ন, দুর্নীতিমুক্ত ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তুলতেই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা ও যুবকদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করব। সরকারি সেবাগুলো মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং ইউনিয়ন পরিষদকে জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হতে চাই না। দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান উন্নয়ন ও সেবার মাধ্যমে দিতে চাই।” তবে নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের এই মূল্যায়ন তাদের নিজস্ব মতামত। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটাররাই দেবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী সৌদি আরব,পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে সরকারটি এখন প্রতিষ্ঠিত, সেই সরকারের ওপর সৌদি সরকার সম্পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করেছে। আলোচনা হয়েছে অত্যন্ত সফল এবং ফলপ্রসূ। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগ করতে অত্যন্ত আগ্রহী।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ফিশারিজ, ফুড, এনার্জি, রিনিউয়েবল এনার্জি, সোলার এনার্জি, আইটি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, এসব ধরনের বিভিন্ন সেক্টরে তাদের যে দক্ষতা রয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে সৌদি সরকার বাংলাদেশে ইনভেস্ট করতে আগ্রহী। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সৌদি আরবের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এল খেরেজি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সাথে যৌথ বৈঠক করেছেন।
বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশের বহু নাগরিক সৌদি আরবে বসবাস করছেন। যুদ্ধের সময় তাদের তিনজন নাগরিক সেখানে নিহত হয়েছেন, তাদের কথা প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। সৌদি সরকারের সম্পূর্ণ সহযোগিতার কারণেই আমরা আমাদের ভাইদের, যারা মৃত্যুবরণ করেছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি, এজন্য আমরা তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি। পাশাপাশি, তারা আরও বেশি দক্ষ শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, এ নিয়েও কথা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ইতোমধ্যেই আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং আমরাও তাদের ক্রাউন প্রিন্সকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা আশা করি, খুব শিগগিরই সৌদি আরবে একটি জয়েন্ট মিটিং অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আমাদের বিডা চেয়ারম্যানসহ অনেকে অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে এ বছরই একটি পলিটিক্যাল কনসালটেশন মিটিং এবং একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। এ যোগাযোগ ও আদান-প্রদান চলমান থাকবে।
তিনি বলেন, অবশ্যই এই সফরটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিল। প্রতিনিধি দল আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সৌদি-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও উন্নত অবস্থায় যাবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেছে। দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে উপযুক্ত সময়ে অবশ্যই এই ভিজিটগুলো হবে।
এক প্রশ্নের উত্তরে শামা ওবায়েদ বলেন, দেখুন, পাসপোর্ট সংক্রান্ত কনসুলার ইস্যুগুলো সব দেশেই প্রায় একই ধরনের সমস্যা। এই সমস্যাগুলো এখানে খুব একটা বিবেচ্য বা আলোচনার বিষয় ছিল না। তবে এই সমস্যাগুলো সমাধানে জেদ্দা ও রিয়াদে আমাদের বাংলাদেশ মিশন ইতোমধ্যেই সৌদি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে কাজ করছে। এই কাজ চলমান আছে।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পাসপোর্ট ইস্যু যারা দেখছেন, তাদের টেকনিক্যাল টিম এবং সৌদি আরবের ইন্টেরিয়র মিনিস্ট্রির টেকনিক্যাল টিম বসে বিষয়টি পর্যালোচনা করবে। এটি একটি মীমাংসিত বিষয়, আমাদের মিশন সৌদি কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে এর সমাধান করছে।
সৌদি প্রতিনিধি দলের এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করা এবং তারা বারবার একটি কথাই বলেছেন, আমরা শুধু একটি সেক্টরে থাকতে চাই না, আমরা অনেকগুলো সেক্টরে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে চাই। সেই জায়গাতেই তারা আজ প্রাধান্য দিয়েছেন এবং আজ রাতেই তারা চলে যাবেন।
এর আগে সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এল খেরেজি। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের ভিসা, ট্রানজিট এবং ক্রু চেঞ্জ-সংক্রান্ত বিদ্যমান জটিলতা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি এ বিষয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক শিপিং খাতে বাংলাদেশি নাবিকদের কর্মসংস্থানের সম্প্রসারণ এবং তাদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত। এ লক্ষ্যে, প্রয়োজনে কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে হবে। মঙ্গলবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় মেরিটাইম কাউন্সিলের প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধি এবং মেরিটাইম শিল্প খাতের অংশীজনরা। সভায় বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে ট্রানজিট ভিসা, ক্রু চেঞ্জ ভিসা, শোর পাস এবং এন্ট্রি ক্লিয়ারেন্স পেতে বিদ্যমান জটিলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনায় বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাবিক সরবরাহকারী দেশ হলেও সম্প্রতি এসব জটিলতার কারণে আন্তর্জাতিক জাহাজে নিয়োগ, ক্রু রিলিফ এবং কর্মসংস্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে, বাংলাদেশি নাবিকদের চাকরির বাজার সংকুচিত হচ্ছে, এবং একই সঙ্গে এ খাত থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ থেকেও দেশ বঞ্চিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি নাবিকদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করা এবং আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও দুবাইস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় ২০২৮ সালের আইএমও মেম্বার স্টেট অডিট স্কিম (আইএমএসএএস)-এর প্রস্তুতির বিষয়, ২০১৭ সালের অডিটে চিহ্নিত বিষয়গুলোর নিষ্পত্তির অগ্রগতি এবং একটি সমন্বিত জাতীয় প্রস্তুতি পরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া হংকং কনভেনশন বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলা, ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) স্থাপনের রোডম্যাপ এবং সংশ্লিষ্ট নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর নেট-জিরো ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাহাজের জ্বালানি ব্যবহার সংক্রান্ত জাতীয় তথ্যভাণ্ডার প্রতিষ্ঠা, কার্বন নির্গমন বেইজলাইন প্রণয়ন এবং বাঙ্কার ফুয়েল মনিটরিং ফ্রেমওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দরে বিপজ্জনক পণ্য পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, আইএমডিজি কোড বাস্তবায়ন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ‘অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে ডেঞ্জারাস গুডস ভ্যালিডেশন মডিউল’ সংযোজনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় দেশের সামুদ্রিক খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণের জন্য একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল মেরিটাইম পলিসি’ প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব প্রদান করা হয়। এ নীতিমালার মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, আন্তর্জাতিক কনভেনশন বাস্তবায়ন, ব্লু ইকোনমির বিকাশ, বন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নাবিকদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণসহ সামুদ্রিক খাতের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করার বিষয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকমুক্ত, নিরাপদ এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে মাদক নির্মূল এবং কিশোর অপরাধ দমনের বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে মাদক এবং কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
একইসঙ্গে উল্লেখ করা হয় যে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন, দায়িত্বশীল ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির, পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান, এবং আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
গলাচিপা, কলেজ রোড, নারায়ণগঞ্জ || ০৪ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন। কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কৃষক কার্ড সম্পর্কিত একটি সভায় এই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তিনি নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন, ছবি ও কিউআর কোড সংবলিত এই কার্ডে কৃষকের পরিচয়সহ কৃষি উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বাজারসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকতে হবে। বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সংশ্লিষ্টদের কার্ড তৈরি করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
সভায় জানানো হয় যে ইতোমধ্যে কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
সরকারের দেওয়া ভর্তুকি, সহজ শর্তের ঋণ, প্রণোদনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা প্রকৃত কৃষকের কাছে দ্রুত ও সহজে পৌঁছানোর জন্য কৃষক কার্ডটি চালু করা হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন। এছাড়া, আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের কমবেশি দুই কোটি কৃষককে এই কর্মসূচির আওতায় আনতে পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ