ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিরসরাইয়ে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ ও গণমিছিল


মিরসরাইয়ে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ ও গণমিছিল

জুলাইয়ের গণ-হত্যা, খুন, গুমসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিক্ষোভ ও গণমিছিল করেছে ১১ দলীয় জোট। শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জোটের উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই অংশে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন বিকেল ৫টায় মিরসরাই থানা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিশাল গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় ফুটওভার ব্রিজের নিচে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর আলাউদ্দিন শিকদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার। মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা নুরুল কবিরের সঞ্চালনায় সমাবেশে জোটের স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত জুলাইয়ের গণ-হত্যাসহ সকল গুম ও খুনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সাথে জনগণের ভোটের অধিকার সুসংহত করতে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে রহস্যময় গভীর গর্তের সৃষ্টি, কী হচ্ছে সেখানে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


তুরস্কে রহস্যময় গভীর গর্তের সৃষ্টি, কী হচ্ছে সেখানে?

তুরস্কের ‘শস্যভাণ্ডার’ হিসেবে পরিচিত কোনিয়া অঞ্চলে একের পর এক রহস্যময় গভীর গর্তের (সিঙ্কহোল) দেখা মিলছে। যদি বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্যানুযায়ী, কোনিয়া অববাহিকায় এ পর্যন্ত ৬৮৪টি সিঙ্কহোল সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়টির ব্যাস ২২৮ মিটার এবং গভীরতা ১৭১ মিটার।

স্থানীয় কৃষক মেহমেত আকিফ ইশিকলি জানান, প্রায় ২০ বছর আগে তার জমির মাঝখানে প্রথম বড় একটি গর্ত তৈরি হয় এবং পরে পাশের জমিতে একই ধরনের সিঙ্কহোল দেখা দেয়। তিনি আরো বলেন, যখন জমি ধসে পড়ছিল, তখন ভেতর থেকে পানি বুদবুদের মতো অ্যাসেন্ড করছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনিয়া একটি বন্ধ অববাহিকা হওয়ায় এখানকার নদী ও ভূগর্ভস্থ পানি সমুদ্রে পৌঁছায় না। এই পানি অঞ্চলের হ্রদ, জলাভূমি এবং কৃষি ব্যবস্থার প্রধান ভরসা। তবে, অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে, মাটির নিচের চুনাপাথরের স্তর দুর্বল হয়ে ধসে পড়ছে।

জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে তুরস্ক পানি-সংকটাপন্ন দেশে পরিণত হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘমেয়াদি খরা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিলের তুরস্ক শাখার তথ্য অনুযায়ী, কোনিয়া অঞ্চলে প্রায় এক লাখ নলকূপ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৬৬ হাজারই অবৈধ। ২০১৪ সালে এই অঞ্চলে পানির ব্যবহার প্রাপ্যতার তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি ছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষকরা বর্তমানে ফসল বাঁচাতে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহৃত করছেন, কিন্তু পর্যাপ্ত পুনঃপূরণ না হওয়ায় ভবিষ্যতে পানির মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সিঙ্কহোলের সংখ্যা বাড়ছে।

কোনিয়া টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ফেতুল্লাহ আরিক বলেন, এই গর্তগুলো খুবই বিপজ্জনক। এখন পর্যন্ত এতে প্রাণহানি ঘটেনি, তবে ভবিষ্যতে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, অনেক কৃষক আতঙ্কে গর্তগুলো মাটি দিয়ে ভরাট করার চেষ্টা করেন, যা আরও বড় ধসের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান কৃষিনীতিতে পরিবর্তন আনা অপরিহার্য। সরকার এখনো এমন সব ফসলের চাষে ভর্তুকি দিচ্ছে, যেগুলোতে প্রচুর পানি প্রয়োজন, যেমন ভুট্টা ও সুগার বিট। এর পরিবর্তে কম পানি প্রয়োজন এমন স্থানীয় গম বা আঙুরের মতো ফসল চাষে উৎসাহ দিলে পানির ওপর চাপ কমবে।

এদিকে, কোনিয়া টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা সিঙ্কহোলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করতে বিশেষ মানচিত্র প্রস্তুত করছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যদি ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষি নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন না আনা হয়, তাহলে আগামী বছরের মধ্যে কোনিয়া অঞ্চলের কৃষি ও জনজীবন আরও বড় সংকটে পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয় বিআইডব্লিউটিএ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


তিত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয় বিআইডব্লিউটিএ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এ পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন সংস্থাটির আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সুলতান আহমেদ খান। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর ভাটারা থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড সংশ্লিষ্ট মামলা থাকলেও রহস্যজনক কারণে এখনো তাকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, হত্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রায় ৫ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে তদবির ও প্রভাব খাটানোর মিশনে নেমেছেন সুলতান খান। নিজেকে “সৎ, দক্ষ ও বিএনপি-ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা” হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মহলে সহানুভূতি আদায়েরও চেষ্টা করছেন তিনি।

সূত্র বলছে, বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ–এর ভাগ্নে পরিচয়ে বিআইডব্লিউটিএতে একক আধিপত্য বিস্তার করেন সুলতান আহমেদ খান। বদলি, নিয়োগ, টেন্ডার ও ড্রেজিং প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করে গড়ে তোলেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। তার অনুমতি ছাড়া সংস্থায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতো না বলেও অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

‘সৎ কর্মকর্তাদের টার্গেট, দুর্নীতিবাজদের ছত্রচ্ছায়া’
অভিযোগ রয়েছে, সুলতানের ঘনিষ্ঠ শ্রমিক লীগ নেতা সনজিব কুমার দাসকে ব্যবহার করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সৎ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হতো। ফলে অনেক কর্মকর্তা দীর্ঘদিন কোণঠাসা অবস্থায় ছিলেন।

গত বছরের ২ অক্টোবর সুলতান আহমেদ খানকে বিআইডব্লিউটিএ থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি দিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে প্রেষণে পাঠানো হলেও তার প্রভাবএখনো কমেনি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। অভিযোগ রয়েছে, তার অনুসারীরা এখনো সংস্থার ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএতে শ্রমিক দলের সভাপতি মাজহারুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায়ও সুলতান খানের অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় মামলাও হয়েছে।

১২০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ‘লুটপাট’ অভিযোগ
অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাবনা ও কুষ্টিয়ার ড্রেজিং প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রায় ১২০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে সুলতান আহমেদ খানের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নদী খননের মাটি বিক্রি করে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রকল্পের রাজস্ব রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে তা ব্যক্তিগতভাবে ভোগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী হয়েও ভুয়া সনদের মাধ্যমে পদোন্নতি নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হন। এমনকি ১৯৯৬ সালে তার চাকরিতে প্রবেশও ছিল সম্পূর্ণ অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবনির্ভর।

“মামার প্রভাবেই ছিল অপ্রতিরোধ্য দাপট”
বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–ঘনিষ্ঠ মহলের আশীর্বাদে সুলতান আহমেদ খান বছরের পর বছর ধরেই ছিলেন বেপরোয়া। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বলতেন—“আওয়ামী লীগ ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে, আমাকে কেউ ছুঁতে পারবে না।

সুলতানের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি পাবনা জেলার শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে চাকরি দিয়েছেন। বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি উত্তরার একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

তদন্ত চলছে, ক্ষোভ বাড়ছে এনিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বর্তমান চেয়ারম্যান,নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সুলতান আহমেদ খানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের একটি টিমও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এখনো বিভিন্ন দফতরে বেনামি চিঠি পাঠিয়ে সৎ কর্মকর্তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। এতে অনেক কর্মকর্তা সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন এবং কর্মস্পৃহা হারাচ্ছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে বাধা?বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নৌখাত সংস্কার উদ্যোগকে ব্যাহত করতেই একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নৌপথের নাব্যতা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে তারা বিআইডব্লিউটিএকে অকার্যকর করার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নৌখাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বিআইডব্লিউটিএতে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব, টেন্ডার সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলা না গেলে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা কঠিন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মমতা বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বললেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


মমতা বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বললেন

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর একের পর এক বড় ধাক্কা খাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে বেশিরভাগই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন দল গড়েছেন।

লোকসভার সাংসদরাও আরেকটি ভাগ তৈরি করেছেন।

কে আসল তৃণমূল, তা নিয়ে দলের ভেতরে চলছে তুমুল লড়াই।

তবে এত কিছুর পরও দমে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উল্টো বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি।

মমতা বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে ডাকছেন।

তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের দলীয় প্রতীক তার কাছেই থাকবে।

এর মানে হলো, বিদ্রোহীদের এখন দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়তে হবে।

মমতা বলেন, দলীয় প্রতীক কোথাও যাবে না।

আমাকে দমাতে হলে, আপনাদের আমাকে মারতে হবে।

এদিকে শনিবার দলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পদত্যাগ করলে নতুন সংকটে পড়েন মমতা।

মাত্র এক মাস আগে তাকে এই পদে বসানো হয়েছিল।

মমতার অল্প কয়েকজন বিশ্বস্ত নেতার মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।

পরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে দেখা গেছে।

শুক্রবার ঋতব্রতের সমর্থকরা কলকাতায় দলের প্রধান কার্যালয় দখল করে নেন।

মমতা বলেন, চন্দ্রিমার ছেলে আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন।

তাহলে তিনি যে পদত্যাগ করতে পারেন, তা তিনি আগেই জানতেন।

তবে মমতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কোনোভাবেই বিদ্রোহীদের দলে যোগ দেবেন না।

তিনি দাবি করেন, দলের অনেকেই চাপে পড়ে দল ছেড়েছেন।

কিন্তু তিনি বা তার দল বিজেপির কাছে মাথা নত করবেন না।

নির্বাচনের মাত্র দুই মাস পর দলত্যাগ করাকে মমতা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলেছেন।

তিনি জানান, চন্দ্রিমার পদত্যাগের পর দলের সব দায়িত্ব তিনি নিজেই নিয়েছেন।

এখন থেকে তার বাড়িই হবে তৃণমূলের প্রধান কার্যালয়।

এদিকে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষকেই আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের দাবি জানাতে বলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যাচ শেষে ওরা জার্সি চাইলেও মাঠে জোরেশোরেই লাথি মেরেছে : মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৭ পি.এম


ম্যাচ শেষে ওরা জার্সি চাইলেও মাঠে জোরেশোরেই লাথি মেরেছে : মেসি

লিওনেল মেসির প্রতিপক্ষ হওয়াটা অনেকের জন্য অবিশ্বাস্য স্বপ্ন হলেও সেই স্বপ্ন এখন বাস্তব। কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

মায়ামিতে আজ অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে গিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও কেপ ভার্দে দুর্দান্ত লড়াই করেছে। তারা ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা শেষ ষোলোতে চলে গেছে।

ম্যাচ শেষে হাসিমুখ নিয়ে কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ছবি তোলেন মেসি। আফ্রিকার দলটির ফুটবলাররা আর্জেন্টাইন অধিনায়কের কাছে তাদের জার্সি চেয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ম্যাচ শেষে মিক্সড জোন দিয়ে যাওয়ার সময় কেপ ভার্দের কয়েকজন ফুটবলার মেসির সঙ্গে ছবি তুলতে এবং স্মারক হিসেবে তার জার্সির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

মেসি কাউকে হতাশ করেননি এবং সবার চাওয়া পূরণ করেছেন। পরে রসিকতা করে তিনি বলেছেন, 'ওরা আমার জার্সি চাইল, সবই চাইল...অথচ মাঠে ওরাই আমাকে জোরেশোরে লাথি মারল (ফাউল করল)!'

আজ ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক ছিলেন মেসি। প্রথমার্ধে দলের জন্য গোল করে বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা ২০-এ নিয়ে যান। একটি গোলের পাশাপাশি লিসান্দ্রো মার্তিনেজের গোল ও ডিজনির আত্মঘাতী গোলের ক্ষেত্রে তার ক্রস থেকেই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

নিজেদের নিয়ে মেসি বলেন, 'এই দল অনেক দিন ধরেই প্রমাণ করে আসছে যে, তারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে। আজ আমরা সেট পিস থেকে সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছি। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে এ দিকটায় সফল হতে পারছিলাম না। এমন ম্যাচে সেট পিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভালো হেড দিতে পারে এবং বল বাতাসে থাকা অবস্থায় শক্তিশালী—আমাদের দলে এমন অনেক ফুটবলার আছে।'

আত্মসমালোচনা করতেও ভোলেননি মেসি। তিনি বলেন, 'আমরা জানতাম ম্যাচটি খুব কঠিন হবে। ওরা (কেপ ভার্ডে) এর আগে স্পেন ও উরুগুয়েকে জিততে দেয়নি। আমরা প্রথম গোল করে সবচেয়ে কঠিন কাজটি করেছিলাম এবং ভেবেছিলাম এরপর ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। কিন্তু হয়েছে ঠিক উল্টো। আমরা বলের দখল হারিয়েছি, অনেক নিচে নেমে গেছি এবং কার্যকরভাবে প্রেসিংও করতে পারিনি।'

শেষ ষোলোতে মেসির আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে মোহাম্মদ সালাহর মিশর। আটলান্টায় ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় ৭ জুলাই রাত ১০টায় শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%