১১:০২ পি.এম
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর একের পর এক বড় ধাক্কা খাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।
দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে বেশিরভাগই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন দল গড়েছেন।
লোকসভার সাংসদরাও আরেকটি ভাগ তৈরি করেছেন।
আরও পড়ুন: যশোরে মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় মা ও ছেলে নিহত
কে আসল তৃণমূল, তা নিয়ে দলের ভেতরে চলছে তুমুল লড়াই।
তবে এত কিছুর পরও দমে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্টো বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি।
মমতা বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে ডাকছেন।
আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেভাবে মিয়ানমারে পৌঁছায় ইরানের জ্বালানি
তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের দলীয় প্রতীক তার কাছেই থাকবে।
এর মানে হলো, বিদ্রোহীদের এখন দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়তে হবে।
মমতা বলেন, দলীয় প্রতীক কোথাও যাবে না।
আমাকে দমাতে হলে, আপনাদের আমাকে মারতে হবে।
আরও পড়ুন: গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আজ
এদিকে শনিবার দলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পদত্যাগ করলে নতুন সংকটে পড়েন মমতা।
মাত্র এক মাস আগে তাকে এই পদে বসানো হয়েছিল।
মমতার অল্প কয়েকজন বিশ্বস্ত নেতার মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।
পরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: সরকারি এলপিজি বিতরণে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের দাবি হামিদুর রহমান আযাদের
শুক্রবার ঋতব্রতের সমর্থকরা কলকাতায় দলের প্রধান কার্যালয় দখল করে নেন।
মমতা বলেন, চন্দ্রিমার ছেলে আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন।
তাহলে তিনি যে পদত্যাগ করতে পারেন, তা তিনি আগেই জানতেন।
তবে মমতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কোনোভাবেই বিদ্রোহীদের দলে যোগ দেবেন না।
আরও পড়ুন: রামগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত যুবক ওয়াসিমের মৃত্যু
তিনি দাবি করেন, দলের অনেকেই চাপে পড়ে দল ছেড়েছেন।
কিন্তু তিনি বা তার দল বিজেপির কাছে মাথা নত করবেন না।
নির্বাচনের মাত্র দুই মাস পর দলত্যাগ করাকে মমতা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলেছেন।
তিনি জানান, চন্দ্রিমার পদত্যাগের পর দলের সব দায়িত্ব তিনি নিজেই নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ভুসিচের পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা
এখন থেকে তার বাড়িই হবে তৃণমূলের প্রধান কার্যালয়।
এদিকে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষকেই আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের দাবি জানাতে বলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন