বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১৩ পি.এম
যুক্তরাজ্যের এক দমকলকর্মী আদালতে নিজের মামলা পরিচালনার জন্য চ্যাটজিপিটির সহায়তা গ্রহণ করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি সাবেক প্রেমিকার কাছ থেকে ৪০ হাজার পাউন্ড সফলভাবে ফেরত পেয়েছেন।
৪০ বছর বয়সী ক্রেইগ টিচেনার ২০১৯ সালের নভেম্বরে ‘উইন্টার ওয়ান্ডারলাইনস’ লটারি স্ক্র্যাচকার্ডে ২ লাখ পাউন্ড জিতেছিলেন। ২০২২ সালে তিনি তার তৎকালীন প্রেমিকা হিদার ডগলাসকে ৪০ হাজার পাউন্ড প্রদান করেন।
ডগলাস একজন সাইকিয়াট্রিক নার্স। তার আর্থিক বিষয়ে জ্ঞান থাকায় টিচেনার আশা করেছিলেন যে, তিনি ওই অর্থ তার পক্ষে বিনিয়োগ করবেন।
আদালতে জানানো হয়, তাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল যে, টাকাটি প্রিমিয়াম বন্ডে বিনিয়োগ করা হবে এবং সেখান থেকে অর্জিত মুনাফা তারা ভাগ করে নেবেন।
পরে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর টিচেনার তার দেওয়া ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত চান। কিন্তু ডগলাস টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।
টিচেনার প্রথমে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তাদের চাওয়া আইনজীবী ফি তার জন্য সামর্থ্যের বাইরে ছিল। এরপর তিনি আইনি সহায়তার জন্য চ্যাটজিপিটির সাহায্য নেন।
চ্যাটজিপিটি তাকে প্রয়োজনীয় ফর্ম পূরণ এবং আদালতে নিজেই কীভাবে মামলা পরিচালনা করবেন, সে বিষয়ে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। সেই সহায়তা নিয়ে টিচেনার সেন্ট্রাল লন্ডন কাউন্টি কোর্টে নিজেই মামলা পরিচালনা করেন।
আদালতে টিচেনার বলেন, নিজে মামলা পরিচালনা করা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে আইনজীবী নিয়োগের সামর্থ্য তার ছিল না। তিনি জানান, "চ্যাটজিপিটির সহায়তা ছাড়া আমি হয়তো মামলায় জয়ী হতে পারতাম না।"
অন্যদিকে, ডগলাসের দাবি ছিল যে, ৪০ হাজার পাউন্ড তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। এমনকি আদালতে নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্টও জমা দেননি। শেষ পর্যন্ত আদালত টিচেনারের পক্ষে রায় দেন এবং ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত পাওয়ার পথ খুলে যায়। এদিকে, ডগলাসের অভিযোগ ছিল যে, টিচেনার তাকে হয়রানি করার চেষ্টা করেছিলেন।
সূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরাকের তেল বিক্রির অর্থ একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই ব্যবস্থার কেন্দ্রস্থল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, যা দেশটির থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ইরাক যুদ্ধের পর এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের তেল আয়কে ঋণদাতাদের দাবির হাত থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে অর্থায়ন করা।
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই ব্যবস্থা ইরাকের জন্য নির্ভরতার একটি রূপ নিয়ে এসেছে। কারণ, দেশটির তেল থেকে আয় হওয়া অর্থের একটি বড় অংশ মার্কিন ডলারে আসে। এই অর্থ নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের মাধ্যমে ইরাকে পৌঁছায়। ফলে ইরাকের নিজস্ব অর্থে প্রবেশাধিকারের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।
ইরান এবং ইরান-ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সময়ে এই আর্থিক ব্যবস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এপ্রিল মাসে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিষয়ে ইরাক সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের সময় ওয়াশিংটন প্রায় ৫০ কোটি ডলারের নগদ অর্থ ইরাকে পাঠানো আটকে দেয়। পরে অবশ্য অর্থ পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়।
তৎকালীন পার্লামেন্টের অর্থ কমিটির সদস্য মুয়ায়েন আল-কাধিমি এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি মার্কিন নিয়ন্ত্রণকে দেশের আর্থিক ও রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইরাক কেন অর্থ অন্য দেশে সরিয়ে নেয় না, এই প্রশ্নের উত্তর হলো, ইরাকের তেল মূলত মার্কিন ডলারে মূল্য নির্ধারিত হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আমদানির ক্ষেত্রেও দেশটি ডলারের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
এছাড়া, ইরাকের প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ এখনো অনিষ্পন্ন রয়েছে। ফলে বর্তমান ব্যবস্থা থেকে অর্থ সরিয়ে নিলে বিভিন্ন ঋণদাতার দাবির মুখে ইরাকের সম্পদ পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব বসরার অর্থনীতির সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ সাদ্দামের মতে, নিউইয়র্কে ইরাকের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব রাখার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে।
তিনি বলেন, এর অন্যতম সুবিধা হলো সাবেক সরকারের ঋণদাতাদের কাছ থেকে ইরাকের তেল থেকে আয়কে সুরক্ষা দেওয়া। এছাড়া, এই হিসাব তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অর্থ পরিশোধ সহজ করে এবং অর্থ স্থানান্তরের খরচ কমায়। আন্তর্জাতিক লেনদেনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মুদ্রা হওয়ায় ডলারের ব্যবহারও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে সাদ্দামের মতে, এই ব্যবস্থার কারণে ইরাক মার্কিন চাপের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ডলার থেকে বের হওয়ার পথ কতটা সহজ, এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, ইরাক চাইলে ইউরো বা চীনা ইউয়ানে তেল বিক্রি করতে পারে, যদি তেল বিক্রির চুক্তিতে ডলারে লেনদেনের বাধ্যবাধকতা না থাকে। তবে এতে ডলারের ওপর নির্ভরতা পুরোপুরি শেষ হবে না।
সাদ্দাম বলেন, তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের সঙ্গে যুক্ত থাকায় অন্য মুদ্রায় অর্থ পরিশোধ করলেও শেষ পর্যন্ত ডলারের বিনিময় হার ধরেই হিসাব করতে হবে।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বড় অংশের জন্য ইরাকের ডলার প্রয়োজন হবে। অন্য মুদ্রায় দ্রুত স্থানান্তর করলে বিনিময় হারের কারণে আর্থিক ক্ষতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক চাপের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে একাধিক সার্বভৌম হিসাব খোলা যেতে পারে। পাশাপাশি নিউইয়র্কের বর্তমান হিসাবও রাখা যেতে পারে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে হিসাব খোলার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
ইরানকে ঘিরে আর্থিক চাপ
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো এবং ইরাকে তেহরান-ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করার মার্কিন প্রচেষ্টা জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইরাকের এই আর্থিক ব্যবস্থার গুরুত্বও বেড়েছে।
ইরাকের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক রয়েছে। দেশটির ভেতরেও বেশ কয়েকটি শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ইরাকের কিছু ব্যাংক, মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক নেটওয়ার্ক দেশটির আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে ডলার স্থানান্তর করছে।
ফলে ইরাকের তেল আয়ের অর্থ কোথায় রাখা হবে এবং কীভাবে তা আন্তর্জাতিক লেনদেনে ব্যবহার করা হবে—এটি এখন শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়; বরং ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন এ বিষয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য প্রদান করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মো. আমিনুল হক এবং সদস্য সচিব মো. মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে থাকা ৫১ সদস্যবিশিষ্ট বিদ্যমান আহ্বায়ক কমিটি নির্দেশক্রমে বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়েছে, শিগগিরই ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, একই দিনে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।
জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার ম্যাচে সেঞ্চুরির নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ভারত সফরের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তিনটি সেঞ্চুরির সাহায্যে ৪০৫ রান সংগ্রহ করে, যা তাদের ওয়ানডে ক্রিকেটে দলীয় সর্বোচ্চ রান। এর আগে ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তারা ৩৮৯ রান করেছিল।
গুয়াহাটিতে ৪০৬ রান টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভারত পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে। উদ্বোধনী জুটিতে দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল ১৬১ বলে ২৫৫ রানের জুটি গড়েন। এই জুটির মধ্যে দুজনেই সেঞ্চুরি অর্জন করেন।
রোহিত শর্মা ৭৫ বলে ১০টি চার এবং ৬টি ছক্কার সাহায্যে ১০১ রান করে ফিরে গেলেও অধিনায়ক শুভমান গিল ডাবল সেঞ্চুরির পথে রয়েছেন। তিনি ৬২ বলে তার ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।
ওয়ানডে ইতিহাসে এক ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি সেঞ্চুরি হওয়ার ঘটনা রয়েছে। প্রথমবার ১৯৯৮ সালে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে চারটি সেঞ্চুরি হয়েছিল। পাকিস্তানের ইজাজ আহমেদ, মোহাম্মদ ইউসুফ এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও রিকি পন্টিং সেঞ্চুরি করেন।
দীর্ঘ সময় পর ২০১৩ সালে নাগপুরে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের ম্যাচে আবারও চারটি সেঞ্চুরি হয়। ওই ম্যাচে শেন ওয়াটসন, জর্জ বেইলি এবং ভারতের শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি সেঞ্চুরি করেন।
২০২৩ সালে হায়দরাবাদে শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচে আবারও এক ম্যাচে চারটি সেঞ্চুরি হয়েছিল। শ্রীলংকার কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমা এবং পাকিস্তানের আব্দুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ রিজওয়ান তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান।
ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচে সেই পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হলো। উইন্ডিজের হয়ে তিনটি সেঞ্চুরি হাঁকান জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ ও আমির জাঙ্গু। তাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৪০৫ রান করে উইন্ডিজ।
শুভমান গিল ৬২ বলে সেঞ্চুরি করার পর রোহিত শর্মা ৭২ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন। তাদের এই সেঞ্চুরির ফলে ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে পাঁচটি সেঞ্চুরির ইতিহাসের পাতায় নাম লেখায় ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭’-এ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) ‘রিপোর্টার’ তালিকায় স্থান অর্জন করেছে।
ডিআইইউ মূল র্যাঙ্কিংয়ে স্থান পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে না পারায় সংখ্যাগত অবস্থান পায়নি। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার এবং গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্ত জমা দেওয়ার কারণে ‘রিপোর্টার’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
র্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্ত জমা দেয়, কিন্তু চূড়ান্ত সংখ্যাগত র্যাঙ্ক পাওয়ার শর্ত পূরণ করে না, তাদের ‘রিপোর্টার’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। এই কারণে, এটি মূল র্যাঙ্কিংয়ে কোনো অবস্থান নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয়টির বৈশ্বিক র্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের স্বীকৃতি।
এবারের তালিকায় ডিআইইউসহ বাংলাদেশের মোট ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ‘রিপোর্টার’ হিসেবে স্থান পেয়েছে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি এবং ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে পাঁচটি প্রধান ক্ষেত্রে মূল্যায়ন করা হয়। এই ক্ষেত্রগুলো হলো শিক্ষার মান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার শ্রেষ্ঠত্ব, শিল্পখাতের সঙ্গে সংযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সম্ভাবনা।
এসব ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাত, গবেষণার মান, গবেষণাপত্রের উদ্ধৃতি, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি সহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনায় নেওয়া হয়।
এবারের র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের ১১৮টি দেশের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়নের আওতায় এসেছে।
ডিআইইউর ‘রিপোর্টার’ তালিকায় অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের একটি ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে মূল র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান পাওয়ার ক্ষেত্রে এ অংশগ্রহণ তথ্য ও উপাত্ত প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজে আসতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ