মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৩ পি.এম
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান, দাইন্যা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ রফিকুল ইসলাম ফারুক চেয়ারম্যানের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি সংসদ ও পশ্চিম টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। তিনি বলেন, “শহীদ ফারুক চেয়ারম্যানকে যারা প্রকাশ্যে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে, তাদের আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শাস্তি দিতে হবে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”
এরপর বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী। তিনি শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ সময় টাঙ্গাইল বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আজগর আলীসহ জেলা বিএনপি, থানা বিএনপি, শহর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, শহীদ রফিকুল ইসলাম ফারুক চেয়ারম্যান হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জমি নিয়ে চলমান বিরোধ, মামলা-মোকদ্দমা এবং আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে আদালতের ডিক্রিপ্রাপ্ত ৬০ শতাংশ জমির দখল তিনি লাভ করেছেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গেরাপচা এলাকার খুজিউরা মৌজায় এ দখল হস্তান্তরের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্রে জানা যায়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে লিপি রাণী সরকার ২০১৫ সালে নালিতাবাড়ী সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মামলায় তার পক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়।
এ সময় নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, পুলিশের একটি দল এবং শেরপুর জজ কোর্টের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের ডিক্রি অনুযায়ী জমির দখল ফিরে পাওয়ায় লিপি রাণী সরকার ও তার পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা সংশ্লিষ্ট আদালতে দাখিল করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরাসি জাদুঘর থেকে ১০ মিলিয়ন ডলারের শিল্পকর্ম চুরিফ্রান্সের একটি জাদুঘরে, যা ফরাসি ইম্প্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী পিয়ের-অগস্ত রেনোয়াকে উৎসর্গ করা হয়েছে, দুই চোর চারটি শিল্পকর্ম চুরি করে। মঙ্গলবার, পালানোর সময় তারা একটি চুরি করা শিল্পকর্ম ফেলে দেয় বলে জানান শহরের মেয়র।
মেয়র জানিয়েছেন, শহরের ভিডিও নজরদারি ক্যামেরার সাহায্যে চোরদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। চোরদের পালানোর বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মেয়রের কার্যালয় জানিয়েছে, চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৯ মিলিয়ন ইউরো, যা প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলারের সমান। মেয়র জানান, মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৪৮ মিনিটে জাদুঘরের অ্যালার্ম বেজে ওঠে।
পুলিশ মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে, অর্থাৎ ৫টা ৫৩ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।
রেনোয়া জাদুঘরটি ১৯৬০ সালে শিল্পীর জীবনের শেষ সময়ের বাসভবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। রেনোয়া ১৯১৯ সালে মৃত্যুর আগে তার জীবনের শেষ বছরগুলো এই বাড়িতে কাটিয়েছিলেন। জাদুঘরটিতে রেনোয়ার ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র ও আসবাবপত্র সংরক্ষিত রয়েছে।
এর মধ্যে তার ইজেল ও হুইলচেয়ারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও, সেখানে তার আঁকা প্রতিকৃতি, প্রাকৃতিক দৃশ্য ও নগ্নচিত্র প্রদর্শিত হয়।
প্যারিসের লুভর জাদুঘরে দিনের বেলায় ডাকাতির মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি ডলার মূল্যের আটটি শিল্পবস্তু চুরির এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে রেনোয়া জাদুঘরে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে। লুভরের ওই ঘটনার পর চার সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও, চুরি হওয়া শিল্পবস্তুগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফরাসি তদন্তকারীরা প্যারিস অঞ্চলে ব্যাপক তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি বেলজিয়াম, ইতালি ও অন্যান্য দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনকারী একটি নতুন সেতু চালু হয়েছে। তুমেন নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন আরও সহজ হবে।
তবে ইউক্রেনভিত্তিক অনুসন্ধানী সংস্থা ট্রুথ হাউন্ডসের দাবি, বাণিজ্য ও পর্যটনের পাশাপাশি সেতুটি মূলত রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধে সহায়তার জন্য একটি গোপন সামরিক সরবরাহ করিডর হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
সোমবার সেতুটির উদ্বোধন করা হয়। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সেতুটি দুই দেশের মধ্যে ‘জনবল বিনিময়, পর্যটন ও বাণিজ্য’ সম্প্রসারণে ব্যবহার করা হবে।
রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন সেতুটিকে দুই দেশের বন্ধুত্বের ‘নতুন প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী পাক থায়ে সং একে ‘ঐতিহাসিক ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩০০টি যানবাহন এবং ২ হাজার ৩২৩ জন মানুষ এই সেতু দিয়ে পারাপার করতে পারবেন।
ইউক্রেন যুদ্ধে সামরিক সহযোগিতার নতুন পথ?
নতুন সেতুটি চালুর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক দ্রুত ঘনিষ্ঠ হয়েছে।
২০২৪ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফরের সময় দুই দেশ একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করে। ওই চুক্তিতে কোনও পক্ষ ‘আগ্রাসনের’ শিকার হলে একে অপরকে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
এই প্রেক্ষাপটে নতুন সড়ক যোগাযোগকে সামরিক ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ইউক্রেনভিত্তিক অনুসন্ধানী সংস্থা ট্রুথ হাউন্ডস এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০২৪ সালের কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে সেতুটি উত্তর কোরিয়ার সামরিক সদস্য, নির্মাণশ্রমিক এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের সরাসরি রাশিয়ায় পাঠাতে ব্যবহৃত হতে পারে।
সংস্থাটির মতে, একই পথে রাশিয়ার প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সম্পদ উত্তর কোরিয়ায় যাওয়ার সুযোগও তৈরি হবে।
উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র সরবরাহ বাড়তে পারে
সেতু চালুর পর সবচেয়ে তাৎক্ষণিক প্রভাব হতে পারে রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ আরও সহজ হওয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার গবেষকদের হিসাবে, উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে জাহাজের মাধ্যমে রাশিয়াকে প্রায় ৭ থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও কামানের গোলা সরবরাহ করেছে।
এছাড়া আনুমানিক ১১ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা বর্তমানে রাশিয়ায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে বলে বিভিন্ন গোয়েন্দা ও গবেষণা সূত্রের দাবি।
নতুন সড়ক সেতু চালুর ফলে এত দিন সমুদ্রপথে যেসব সরবরাহ পরিবহন করা হতো, তার একটি অংশ স্থলপথে আরও দ্রুত ও তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিতে স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি হতে পারে। যদিও সেতুটি সামরিক সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে—এমন কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা রাশিয়া বা উত্তর কোরিয়া দেয়নি।
দুই দেশের মধ্যে একমাত্র সড়ক যোগাযোগ ছিল অস্থায়ী
রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে আগে থেকেই আকাশ ও রেল যোগাযোগ রয়েছে। কিন্তু এত দিন দুই দেশের মধ্যে কোনও স্থায়ী সড়ক যোগাযোগ ছিল না।
রয়টার্সের তথ্যানুযায়ী, বিশেষ ব্যবস্থায় রেলসেতুর ওপর কাঠের পাটাতন বসিয়ে গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করা হতো। সেটিই ছিল কার্যত দুই দেশের মধ্যে একমাত্র সড়ক যোগাযোগ।
নতুন সেতু চালুর ফলে সেই অস্থায়ী ব্যবস্থার অবসান হলো।
স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিবিসি জানিয়েছিল, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন সেতুটির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নতুন সংযোগ সড়ক, সীমান্ত চৌকি, সহায়ক অবকাঠামো এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
রুশ সরকার জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে সেতুটি মূলত পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে যাত্রী পরিবহনও শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় শক্তিশালী গতি
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মিশুস্তিন বলেন, নতুন সেতু দুই দেশের বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার আরও বিকাশে ‘শক্তিশালী গতি’ সৃষ্টি করবে।
মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের বর্তমান সম্পর্ককে তিনি ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ানোই এই সেতুর গুরুত্বের একমাত্র কারণ নয়। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যে অস্ত্র, সেনা ও শ্রমিক বিনিময় গড়ে উঠেছে, নতুন সড়ক যোগাযোগ সেটিকে আরও কার্যকর করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) ভিক্টর চা মে মাসে বিবিসি ভেরিফাইকে বলেন, সেতু নির্মাণের গতি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের পরিমাণের একটি প্রতিফলন।
তার মতে, এই তৎপরতার বড় অংশই রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য উত্তর কোরিয়ার সেনা, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও শ্রমিক সরবরাহের সঙ্গে সম্পর্কিত।
ভিক্টর চা বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের আগে উত্তর কোরিয়া ও তার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে এই যোগাযোগ ছিল অন্যতম নিষ্ক্রিয় সীমান্ত সংযোগ।
রাশিয়ায় উত্তর কোরীয় শ্রমিকের উপস্থিতি
নতুন সড়কপথের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হতে পারে উত্তর কোরীয় শ্রমিকদের রাশিয়ায় যাতায়াত।
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি হিসাব অনুযায়ী, রাশিয়ার নির্মাণ প্রকল্প ও বনাঞ্চলের কাঠ কাটার কাজে প্রায় ১০ হাজার উত্তর কোরীয় নাগরিক কাজ করছেন।
উত্তর কোরিয়ার শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানোর ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু শ্রমিক শিক্ষার্থী ভিসাসহ বিভিন্ন বৈধ কাগজপত্রের আড়ালে রাশিয়ায় প্রবেশ করছেন।
নতুন সড়ক যোগাযোগ চালু হওয়ায় শ্রমিকদের যাতায়াত এবং দুই দেশের মধ্যে জনবল বিনিময় আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পর্যটনেও নতুন সম্ভাবনা
সেতুটি শুধু বাণিজ্য ও শ্রমিক পরিবহনের জন্য নয়, পর্যটন খাতেও নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।
২০২৪ সালে রাশিয়ার নাগরিকদের উত্তর কোরিয়া ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ার পর দেশটিতে ধীরে ধীরে রুশ পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে। উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং এবং উপকূলীয় পর্যটনকেন্দ্র ওয়ানসান-কালমায় তাদের জন্য পর্যটন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
তবে অন্যান্য দেশের পর্যটকদের ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার কঠোর বিধিনিষেধ এখনও বহাল রয়েছে।
৪৯৫ দিনে নির্মাণ শেষ
২০২৪ সালে পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে সেতু নির্মাণের চুক্তি হয়। ২৪ বছর পর সেটিই ছিল পুতিনের প্রথম উত্তর কোরিয়া সফর। ওই সফরেই দুই দেশ কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে পৌঁছায়।
এর পর ২০২৫ সালে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। কিছুটা বিলম্বের পর মাত্র ৪৯৫ দিনে এর নির্মাণ শেষ করা হয়েছে।
সেতুটি চালুর ফলে এখন রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে স্থলপথে পণ্য, মানুষ ও সম্ভাব্য শ্রমিক পরিবহনের একটি নতুন ও স্থায়ী রুট তৈরি হলো।
বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সীমান্ত যোগাযোগ কেবল বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ই খুলবে না; ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে মস্কো-পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতাকেও আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ