ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রক্ত পরীক্ষায় ৫ বছর আগেই মিলতে পারে ক্যানসারের আভাস: গবেষণা


রক্ত পরীক্ষায় ৫ বছর আগেই মিলতে পারে ক্যানসারের আভাস: গবেষণা

গবেষণা বলছে, রক্ত পরীক্ষায় ৫ বছর আগেই মিলতে পারে ক্যানসারের ইঙ্গিত।

ফুসফুসের ক্যানসার বিশ্বজুড়ে ক্যানসারজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগটি দেরিতে শনাক্ত হওয়ায় চিকিৎসার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে। তবে নতুন এক আন্তর্জাতিক গবেষণা আশা জাগিয়েছে যে, ভবিষ্যতে উপসর্গ দেখা দেওয়ার অনেক আগেই এ রোগের ঝুঁকি শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

গবেষণায় বিজ্ঞানীরা রক্তে থাকা ১৪ ধরনের বিশেষ প্রোটিনের একটি স্বতন্ত্র ‘ব্লাড সিগনেচার’ শনাক্ত করেছেন, যা ফুসফুস ক্যানসার ধরা পড়ার পাঁচ বছরেরও বেশি সময় আগে একজন ব্যক্তির ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি বৈজ্ঞানিক সাময়িকী সেল-এ প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেত্রকোণায় হেমন্তের শিশিরে শীতের আগাম বার্তা প্রকাশিত

গবেষকদের মতে, ক্যানসার ও প্রদাহের সঙ্গে সম্পর্কিত সূক্ষ্ম জৈবিক পরিবর্তন টিউমার দৃশ্যমান হওয়ার বা কোনো উপসর্গ দেখা দেওয়ার বহু আগেই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ফুসফুস ক্যানসার বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যানসারগুলোর একটি এবং ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ। রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসায় সফলতার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ের ফুসফুস ক্যানসারে পাঁচ বছর বেঁচে থাকার হার ৬০ শতাংশের বেশি হতে পারে। কিন্তু ক্যানসার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়লে এই হার নেমে আসতে পারে মাত্র ৬ শতাংশে।

অস্ট্রেলিয়ার ওয়াল্টার অ্যান্ড এলাইজা হল ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল রিসার্চ-এর নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪৮ হাজার রক্তের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৪টি নির্দিষ্ট প্রোটিনের একটি ধরণ দীর্ঘ সময় আগে থেকেই ফুসফুস ক্যানসারের বাড়তি ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই প্রোটিনগুলো বিদ্যমান কোনো টিউমারের উপস্থিতি নয়, বরং ক্যানসার সৃষ্টির প্রাথমিক জৈবিক প্রক্রিয়ার প্রতিফলন বলে মনে করছেন গবেষকরা।

দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞানীরা মনে করেন, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ ক্যানসার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে। শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে প্রদাহ কাজ করলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হলে কোষের ক্ষতি, অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধি এবং ক্যানসারবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে পারে। গবেষণায় পাওয়া নতুন প্রোটিন সিগনেচারের সঙ্গে ইন্টারলিউকিন-১ বিটা নামের একটি প্রদাহ সম্পর্কিত অণুর যোগসূত্র পাওয়া গেছে, যা আগে থেকেই ক্যানসার বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানা ছিল।

আরও পড়ুন: সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের এগিয়ে নেবে স্বপ্নবুনন

বর্তমানে ফুসফুস ক্যানসার শনাক্তে প্রধানত দীর্ঘদিন ধূমপান করেছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য লো-ডোজ সিটি স্ক্যান ব্যবহার করা হয়। তবে অনেক রোগীই বর্তমান স্ক্রিনিংয়ের আওতার বাইরে থেকে যান। গবেষকদের ধারণা, রক্তভিত্তিক ঝুঁকি নির্ধারণকারী পরীক্ষা চালু হলে কারা অতিরিক্ত স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজন তা আরও নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। এতে ক্যানসার আরও আগে শনাক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

গবেষণার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ক্যানসার প্রতিরোধের সম্ভাবনা। গবেষকরা ‘কানাকিনুম্যাব’ নামের একটি ব্যাথানাশক ওষুধের আগের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, যাদের মধ্যে এই প্রোটিন সিগনেচার বেশি ছিল, তাদের ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এটি এখনই ক্যানসার প্রতিরোধের কার্যকর পদ্ধতি প্রমাণ করে না। এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।

গবেষকরা জানিয়েছেন, পরীক্ষাটি এখনও গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ নয়। পাশাপাশি বিভিন্ন জনগোষ্ঠীতে এর কার্যকারিতা যাচাই, ভুল ফলাফলের হার নির্ধারণ এবং বিদ্যমান স্ক্রিনিং ব্যবস্থার সঙ্গে কীভাবে এটি যুক্ত করা হবে—এসব বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রক্ত পরীক্ষা ক্যানসার আছে কি না তা নিশ্চিত করবে না; বরং কারও ঝুঁকি বেশি কি না সে বিষয়ে আগাম সতর্কবার্তা দিতে পারে।

গবেষকদের ভাষ্য, রোগ নির্ণয়ের পাঁচ বছরেরও বেশি সময় আগে ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকি শনাক্ত করতে সক্ষম ১৪ প্রোটিনের এই ‘ব্লাড সিগনেচার’ ক্যানসার গবেষণায় একটি বড় অগ্রগতি। প্রযুক্তিটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও ভবিষ্যতে এটি ফুসফুস ক্যানসার স্ক্রিনিং, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ফিলাডেলফিয়ায় কবুতর দেখতে পর্যটকদের ৯০ মিনিটের ব্যতিক্রমী ভ্রমণে ভিড়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শৈশবে ডিম খেলে কমতে পারে অ্যালার্জির ঝুঁকি: গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ এম


শৈশবে ডিম খেলে কমতে পারে অ্যালার্জির ঝুঁকি: গবেষণা

শিশুদের ডিম খাওয়ানোর বিষয়ে নতুন গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, জীবনের শুরুতেই ডিম খাওয়ানো শুরু করলে ডিমে অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। গবেষণায় হারানো অ্যালার্জির ঝুঁকির সঙ্গে শিশুদের খাদ্য অভ্যাসের পরিবর্তনের একটি দিক হিসেবে অস্ট্রেলিয়া থেকে পাওয়া নতুন তথ্য কার্যকর হতে পারে। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড এবং মুরডক চিলড্রেনস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষকরা এ গবেষণা পরিচালনা করেছেন। তাদের মতে, শিশুকে দেরিতে অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাবার না দিয়ে, বরং নিয়ন্ত্রিতভাবে আগেভাগে এসব খাবার দেওয়া বেশি কার্যকর হতে পারে। প্রায় ৭ হাজার ২০০ অস্ট্রেলিয়ান শিশুর তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা শিশুর খাদ্য নির্দেশিকা বাস্তবায়নের প্রভাব নিয়ে তুলনা করেন। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শিশুকে প্রথম এক বছরের মধ্যে ডিম খাওয়ানো উচিত। গবেষকদের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৬ সালের জাতীয় শিশু খাদ্য নির্দেশিকার পরিবর্তনের পর ডিমে অ্যালার্জির হার ১৭ শতাংশ কমে গেছে। গবেষণায় গবেষকরা বলেন, আগে ধারণা ছিল যে, অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাবার দেরিতে দিলে ঝুঁকি কমে যায়, কিন্তু এখন তারা বলছেন, জীবনের শুরুতেই এসব খাবার শরীরে প্রবেশ করলে ইমিউন সিস্টেম সহজেই সেগুলোকে ‘নিরাপদ’ হিসেবে চিনতে পারে। নিয়মিত অল্প পরিমাণে ডিম খেলে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে শত্রু হিসেবে না দেখে সহনশীলতা তৈরি করতে পারে, যা ভবিষ্যতে অ্যালার্জির ঝুঁকিকে কমাতে সক্ষম। একজিমা আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রেও গবেষণায় দেখা গেছে, এই গোষ্ঠীতে ডিমের অ্যালার্জির হার ৩৫ শতাংশ থেকে কমে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজিমা থাকা শিশুদের ত্বকের মাধ্যমে অ্যালার্জেন প্রবেশের ঝুঁকি বেশি থাকে। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ান স্বাস্থ্য নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শিশুদের প্রায় ছয় মাস বয়স থেকে রান্না করা ডিমসহ অন্যান্য অ্যালার্জি-সৃষ্টিকারী খাবার ধীরে ধীরে খাওয়ানো যেতে পারে। তবে গবেষণায় শিশুদের স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে এক বছরের আগেই এসব খাবার পরিচয় করানোই মূল লক্ষ্য। গবেষকরা বলছেন, এই ফলাফল অভিভাবকদের জন্য ইতিবাচক বার্তা প্রদান করে। যদিও আগেভাগে ডিম খাওয়া অ্যালার্জি পুরোপুরি প্রতিরোধ করতে পারে না, তবে ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের মতে, সব শিশুর ক্ষেত্রে ফলাফল একই নাও হতে পারে, তবে সঠিক সময়ে খাদ্য পরিচয় করানো শিশুর খাদ্য অ্যালার্জি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসার ও ব্যবসা সামলে এবার নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন ক্যাটরিনা কাইফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ এম


সংসার ও ব্যবসা সামলে এবার নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন ক্যাটরিনা কাইফ

ক্যাটরিনাকে আমরা শেষ বড় পর্দায় দেখতে পেয়েছিলাম ২০২৪ সালের সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’ ছবিতে। সেখানে তিনি বিজয় সেতুপতির বিপরীতে ছিলেন। অভিনয়ের জন্য প্রশংসাও পেয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু গত বছর ক্যাটরিনা কইফ মা হয়েছেন। তবে তার বেশ কিছু আগে অভিনয় থেকে সন্তর্পণে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তার সময় কাটছিল সংসার, সন্তান ও ব্যবসা— এই তিনটি বিষয় নিয়ে। এবার তিনি কি নতুন একটি সিদ্ধান্ত নিলেন?

শীর্ষ বড় পর্দায় ক্যাটরিনাকে দেখি ২০২৪ সালের ছবি ‘মেরি ক্রিসমাস’ ছবির জন্য। বিজয় সেতুপতির বিপরীতে তাঁর উপস্থিতি ছিল। অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠতর প্রশংসাও তিনি অর্জন করেছিলেন। কিন্তু এরপর থেকে তিনি আর নতুন কোনও ছবির কাজ গ্রহণ করেননি। কিছুটা সময় তিনি আড়ালে ছিলেন। ২০২৫ সালের নভেম্বরে ক্যাটরিনা মা হন এবং কোলে আসে তার পুত্রসন্তান। দীর্ঘদিন ধরে আড়ালে থাকার পর, এখন ফের অভিনয়ে ফিরতে চলেছেন তিনি। তবে, বড় পর্দার জন্য নয়। খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, তিনি ওটিটি-র কোনও কাজের মাধ্যমে প্রত্যাবর্তন করতে চলেছেন।

বলিউডের এক সূত্র জানিয়েছে, “কয়েক দিন ধরে ক্যাটরিনা কইফ নানান ছবির চিত্রনাট্য পড়তে শুরু করেছেন। শোনা যাচ্ছে, তিনি ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে আবার শুটিং ফ্লোরে ফিরতে চান। তবে তিনি এমন একটি গল্প খুঁজছেন, যেখানে সময় দিলে প্রকৃতপক্ষে তার জন্য ভাল হবে। সেজন্য তিনি ওটিটি-র কাজের দিকে নজর দিচ্ছেন। কারণ, সেখানে অভিনয় করার অনেক ভাল সুযোগ পাওয়া যায়।”

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, ক্যাটরিনা নতুন কাজ গ্রহণে তাড়াহুড়ো করতে চান না। তার বর্তমান অগ্রাধিকার হলো তার ব্যক্তিগত জীবন। তিনি তার সন্তানকেও যথেষ্ট সময় দিতে চান। এর পাশাপাশি, ভালো কোনো ছবিতে কাজ করতে তিনি ইচ্ছুকও রয়েছেন। এখন ক্যাটরিনা তার মাতৃত্বের সময়টা উপভোগ করছেন। স্বামী ভিকি কৌশল এবং তার ছেলেকে নিয়ে পারিবারিক সময় কাটাতেই তিনি ব্যস্ত রয়েছেন।

কিছুদিন আগে, পরিবার নিয়ে ছুটির ছবি তিনি সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছিলেন। প্রতিদিন কফি খেতে খেতে নিজের একরত্তি পুত্রের সঙ্গে সময় কাটাতে, ভিকির সঙ্গে খুনসুটি করার মধ্যে কাটছে তার দিন। একাধিক ছবিতে তিনি তার লম্বা কালো চুলের প্রদর্শনও করেছেন। এইভাবে তার জীবনযাপন দেখে অনুরাগীরা মুগ্ধ হয়ে যান। ক্যাটরিনা গোপনীয়তা বজায় রাখতে পছন্দ করেন, এবং তাই তার জীবন নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহও বেশী। সে কারণেই ছবিগুলি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি।

অনুরাগীদের বহুদিন ধরে প্রশ্ন, কবে আবার অভিনয়ে ফিরবেন ক্যাটরিনা? যদি তিনি ওটিটি-তে ফেরেন, তবে তারা যে খুবই খুশি হবেন, সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না। ‘মেরি ক্রিসমাস’ ছাড়াও ক্যাটরিনার উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘জ়িন্দেগি না মিলেগি দোবারা’, ‘নিউ ইয়র্ক’, ‘টাইগার জ়িন্দা হ্যায়’, ‘জব তক হ্যায় জান’, ‘রাজনীতি’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেই কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মুখে নেইমাররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ এম


যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেই কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মুখে নেইমাররা

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবতরণের পর, সেনেগাল ও উজবেকিস্তানের পরে এবার ব্রাজিল ফুটবল দলকেও অভূতপূর্ব ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের "অপমানজনক" ও "কঠোর তল্লাশি" নামের এই হয়রানি বিশ্বব্যাপী নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

গ্লোবো জানিয়েছে, পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা একটি ব্যাপক অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। মার্কিন সীমান্ত কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা পরিষেবাগুলো তারকা ফুটবলার নেইমারসহ কাউকে ব্যতিক্রম করেনি এবং পুরো টিমকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিদর্শন করেছে।

এই সময় ফুটবলার, কোচিং স্টাফ এবং সহায়ক কর্মীসহ প্রত্যেককে মেটাল ডিটেক্টরের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। স্ক্যানিংয়ের জন্য তাদের সমস্ত লাগেজ ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র জমা দিতে হয়েছে। পরিদর্শনের জন্য তাদের জুতোও খুলতে হয়েছে, ঠিক অন্য সবার মতোই।

অন্যদিকে মেট্রোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সান আন্তোনিও, টেক্সাস এবং নিউইয়র্কসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অবতরণের পর দলগুলোকে কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।

এর আগে ১৬ জুন ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগে সেনেগাল দলের ফুটবলারদের ব্যাগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি করা হয়েছিল। এছাড়াও উজবেকিস্তানের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা তল্লাশি পার হওয়া সত্ত্বেও তাদের শুঁকে শনাক্তকারী কুকুর এবং মেটাল ডিটেক্টরের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এমনকি কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দোহাই দিয়ে বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও একজন সোমালি রেফারিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওজন কমানোর পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর হতে পারে অ্যাস্ট্রাজেনেকার নতুন ওষুধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ এম


ওজন কমানোর পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর হতে পারে অ্যাস্ট্রাজেনেকার নতুন ওষুধ

ওজন কমানোর সঙ্গে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার নতুন ওষুধ।

ওজন কমানোর সঙ্গে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার নতুন ওষুধ। সংগৃহীত ছবির মাধ্যমে তথ্যটি জানানো হয়।

মেদভুঁড়ি বা স্থূলতা কমানোর ক্ষেত্রে গতকাল ব্রিটিশ-সুইডিশ প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকার কাছ থেকে একটি বড় সাফল্যের খবর এসেছে। তাদের পরীক্ষামূলক একটি ওবেসিটি পিল দ্বিতীয় ধাপের (মিড-স্টেজ) ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অসাধারণ ফলাফল প্রদর্শন করেছে। এই পিল সেবন করে রোগীরা ২৬ সপ্তাহে গড়ে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত ওজন কমাতে সক্ষম হয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, দিনে একবার সেবনযোগ্য এই ওষুধটির ট্রায়াল সফল হওয়ার ফলে স্থূলতার ওষুধের বিশ্ববাজারে তাদের অবস্থান এক ধাপ এগিয়ে গেল। এই মুহূর্তে তারা ওষুধটির চূড়ান্ত বা শেষ ধাপের ট্রায়াল শুরু করতে যাচ্ছে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার তথ্য অনুযায়ী, ‘ইলেকোগ্লিপ্রন’ নামের এই পরীক্ষামূলক বড়িটি গবেষণাকালীন সময়ে ওজন কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। সর্বোচ্চ ডোজের ওষুধ সেবনকারী অংশগ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে:

২৬ সপ্তাহে তাদের ওজন কমেছে ১০.৫ শতাংশ,

৩৬ সপ্তাহে তাদের ওজন কমেছে ১১.৮ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওজন কমার এই ধারা অব্যাহত ছিল এবং পুরো ট্রায়াল জুড়েই টেকসই ফলাফল লক্ষ্য করা গেছে।

চূড়ান্ত ধাপের ট্রায়ালের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রাথমিক ইতিবাচক ফল পাওয়ার পরে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ওষুধটিকে চূড়ান্ত ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এই ট্রায়ালে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন এমন ৩১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন, যাদের অনেকেরই ওজনজনিত অন্তত একটি স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল। সর্বোচ্চ ডোজ নেওয়া রোগীদের প্রায় ৮৯ শতাংশই অন্তত ৫ শতাংশ ওজন কমাতে সক্ষম হয়েছেন, যা এই গবেষণার একটি বড় লক্ষ্য ছিল।

এই সাফল্যের ফলে ওজন কমানোর ওষুধের বাজারে নভো নরডিস্ক, ইলাই লিলি এবং রোশের মতো বিশ্বখ্যাত ফার্মাসিউটিক্যালস জায়ান্টগুলোর সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামতে শুরু করেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। দ্রুত বর্ধনশীল এই বৈশ্বিক বাজারে আধিপত্য বিস্তারের দৌড় এখন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই ওষুধটি সেবনের ফলে সাধারণত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল বা পরিপাকতন্ত্রজনিত কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর মধ্যে রয়েছে—বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও বমি। সর্বোচ্চ ৭৫ মিলিগ্রামের ডোজের ক্ষেত্রে:

• ৫৫ শতাংশ রোগীর বমি বমি ভাব হয়েছে,

• ৪১ শতাংশ রোগীর কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিয়েছে,

• ৩৫ শতাংশ রোগীর ডায়রিয়া হয়েছে,

• ২৭ শতাংশ রোগীর বমি হয়েছে।

তবে এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও রোগীরা ওষুধ সেবন বন্ধ করে দেননি এবং ট্রায়াল ছেড়ে যাওয়ার হার ছিল খুবই কম।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ওপর করা পৃথক এক গবেষণায় দেখা গেছে, পিলটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সফল হয়েছে। সর্বোচ্চ ডোজে অংশ নেওয়া ডায়াবেটিস রোগীরা ২৬ সপ্তাহে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ ওজন কমাতে পেরেছেন।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা ২০২৩ সালে চীনের ‘ইকোজিন’ নামক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার চুক্তির বিনিময়ে এই ‘ইলেকোগ্লিপ্রন’ পিলের লাইসেন্স নিয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির কর্তাব্যক্তিরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই ওষুধটিকে স্থূলতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, কিডনি ও হৃদরোগের মতো ওজনজনিত অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা যাবে।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%