বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৩ এম
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে ৪-২ গোলের চিত্তাকর্ষক জয় অর্জন করেছে ব্রাজিল। সানকর্প স্টেডিয়ামে এই জয় উদযাপনের জন্য প্রস্তুতি থাকলেও, সেলেসাওদের ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে বার্সেলোনা তারকা রাফিনিয়ার ইনজুরি। প্রথমার্ধের বিরতির পর চোটের কারণে মাঠ ছাড়ায় ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে, রাফিনিয়ার চোটের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন ইতালিয়ান কোচ আনচেলত্তি। রাফিনিয়াকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ‘রাফিনিয়া চোট পাননি, কেবল কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছিলেন। তাই বাড়তি ঝুঁকি না নিয়ে তাকে বিশ্রামের সুযোগ দিতেই তুলে নেওয়া হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পরেই সিদ্ধান্ত হবে তাকে বার্সেলোনায় ফেরানো হবে নাকি স্কোয়াডেই রাখা হবে। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি, সে জানিয়েছে—‘আমি ঠিক আছি।’
এদিকে পুরো ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে এবং চমৎকার গোল করে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের প্রতি কোচের উচ্ছ্বাস প্রকাশ পেয়েছে। কিছুদিন ধরে ভিনির ফর্ম নিয়ে উঠা সমালোচনার প্রেক্ষিতে সাবেক রিয়াল কোচ দর্শকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমি ভিনিকে খুব ভালোভাবেই চিনি। আমার ফুটবল-যাত্রাজুড়ে সে যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও ব্রাজিলের হয়ে সে তেমনই অপরিহার্য ভূমিকা পালন করবে। এটা সত্যি যে সে এখন নিজের সেরা ফর্মে নেই, তবুও একা ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তার আছে এবং আজকেও সেটাই করে দেখিয়েছে।’
ভিনির পেনাল্টি নেওয়ার বিষয়ে আনচেলত্তি বলেন, ‘যেহেতু সে ম্যাচে আগেই গোল পেয়েছিল, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিই পেনাল্টিটি তারই নেওয়া উচিত, কারণ এই গোলটি পাওয়ার যোগ্যতা তার ছিল। ব্যক্তিগতভাবে আমি তার প্রতি যথেষ্ট ধৈর্যশীল থাকব, কারণ সে এই ধৈর্যের দাবি রাখে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত অর্থপূর্ণ চার দিনের সফর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নিউইয়র্কে মাত্র চার কর্মদিবসের এই সফরে ৩০টিরও বেশি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ও অফিসিয়াল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে তিনি বহুপক্ষীয় সম্পর্কের সংস্কার, অর্থনৈতিক কূটনীতি এবং মানবাধিকারভিত্তিক বিশ্ব গড়ার প্রতিশ্রুতি বিশ্বমঞ্চে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন।
ওয়াল স্ট্রিটে নতুন বার্তা : ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত’
আন্তর্জাতিক মূলধন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সফরকালে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগ ব্যাংক ‘জেপি মরগান চেস’-এর সহযোগিতায় আয়োজিত ওয়াল স্ট্রিটের বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকে বৈশ্বিক অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনীতি ও স্বচ্ছ বিনিয়োগ পরিবেশের রূপরেখা তুলে ধরে ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগের (ব্যবসার) জন্য প্রস্তুত’ বার্তা পৌঁছে দেন।
এই সফরে বোয়িংয়ের মতো প্রধান মার্কিন অ্যারোস্পেস প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিমান ক্রয়ের বাণিজ্যিক আলোচনা বিশ্বব্যাপী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে দুটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। প্রথমত, বাংলাদেশের অ্যারোস্পেস ও পরিবহন খাতে বড় অঙ্কের বৈশ্বিক বাণিজ্যের সামর্থ্য রয়েছে। দ্বিতীয়ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের সাথে কৌশলগত ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা সাধারণত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বৃহৎ পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক দূরদর্শিতাকে বিনিয়োগের ইতিবাচক ক্ষেত্র হিসেবে দেখে থাকেন।
একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গের সঙ্গে বৈঠক দেশে কৌশলগত আর্থিক সংস্কার, বাজেটারি সহায়তা ও বৈদেশিক বাণিজ্যিক আস্থা ফিরিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। এ ছাড়া প্রযুক্তি ও জনস্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবনী অর্থায়নের জন্য বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি অর্জিত হয়।
মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক
মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী নেতৃত্ব- কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ আল-খালিদ, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোতে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই), জ্বালানি নিরাপত্তা এবং প্রবাসী কর্মীদের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে যৌথ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এর পাশাপাশি তুরস্ক, ইরান এবং প্রতিবেশী এশীয় ও ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
সাধারণ অধিবেশনে ‘৩-আর কৌশল’ ও জলবায়ু ন্যায়বিচার
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে মাতৃভাষা বাংলায় দেওয়া দূরদর্শী ভাষণে দেশ পুনর্গঠন ও টেকসই অগ্রগতির জন্য ‘৩-আর কৌশল’ (পুনরুদ্ধার, পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণ) ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈশ্বিক ডিজিটাল বিভাজন নিরসন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের একটি বিশ্বস্ত দলিল হিসেবে এই ভাষণ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদলের নজর কাড়ে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর পক্ষে কথা বলতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য জলবায়ু তহবিল ছাড় এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানান তিনি।
রোহিঙ্গা সংকট ও মানবাধিকার সুরক্ষা
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক এবং শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) বারহাম সালিহের সঙ্গে আয়োজিত বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশে আশ্রিত ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বিশ্ব সম্প্রদায় ও জাতিসংঘের ওপর পুনরায় তীব্র কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা এই সফরের অন্যতম প্রধান কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
কূটনৈতিক দক্ষতার নেপথ্যে ‘টিম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারপ্রধান তারেক রহমানের এই অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে তার সাত মাস বয়সী সরকারের ‘টিম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’।
এই টিমের সমন্বয়ক ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মি. হুমায়ূন কবিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শান্তি, অহিংসা, মানবাধিকার ও পরিবেশগত ভারসাম্যের মূল চেতনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘে বাংলাদেশের যে সময়োপযোগী বার্তা এবং অর্থনৈতিক-মানবিক রূপরেখা তুলে ধরেছেন, তা বিশ্বমঞ্চে ন্যায়ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা উন্মোচনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’
সূত্র : প্রেসেনজা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নতুনভাবে চালু করা ‘ডমেস্টিক থ্রি’ ট্রফির জন্য ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি মঙ্গলবার অভিজ্ঞ সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার ও প্রতিষ্ঠিত ঘরোয়া কোচদের নিয়ে তাদের কোচিং প্যানেল চূড়ান্ত করেছে।
ডি থ্রি ট্রফি একটি নতুন ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, যেখানে একই ফ্র্যাঞ্চাইজির অধীনে তিনটি ভিন্ন ফরম্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই ফরম্যাটগুলো হলো চার দিনের প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেট, ৫০ ওভারের ক্রিকেট এবং টি-টোয়েন্টি।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ঘরোয়া ক্রিকেটকে আরও সুসংহত ও পেশাদার কাঠামোয় নিয়ে আসা।
‘এইচ ব্লুস্টার’-এর প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সোহেল ইসলাম, এবং ‘একমির’ দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ।
‘সিটিজেনস ব্যাংক’-এর প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মিজানুর রহমান বাবুল। অন্যদিকে, ‘ফরচুন’-এর দায়িত্ব পেয়েছেন অভিজ্ঞ কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
‘সেভেন রিংস সিমেন্ট’-এর প্রধান কোচ করা হয়েছে জাতীয় দলের সাবেক পেসার তালহা জুবায়েরকে এবং ‘ওয়ালটন’-এর দায়িত্বে থাকবেন বাংলাদেশের সাবেক স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক।
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সহায়ক কর্মীদের তালিকাও চূড়ান্ত করেছে। এতে সহকারী কোচ হিসেবে সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার ও ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিচিতরা যুক্ত হয়েছেন।
ওয়ালটনের কোচিং প্যানেলে রয়েছেন তুষার ইমরান ও ডলার মাহমুদ। সেভেন রিংস সিমেন্ট দলে যোগ দিয়েছেন হান্নান সরকার ও হুমায়ুন কবির শাহিন।
ফরচুন দলে সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করবেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল এবং আব্দুল কাইয়ুম জুয়েল।
এইচ ব্লুস্টার নিয়োগ দিয়েছে সালাউদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল ও আশিক মজুমদারকে।
সিটিজেনস ব্যাংকের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাজমুল হোসেন ও মোহাম্মদ সেলিম।
অন্যদিকে, একমি একই পদে তারেক আজিজ খান ও ফয়সাল হোসেন ডিকেন্সকে নিয়োগ দিয়েছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্তকরণ ও আইকন-প্লেয়ার ড্রাফটের পরপরই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং এরপর দলগুলো ম্যানেজমেন্ট ড্রাফটের মাধ্যমে তাদের সাপোর্ট স্টাফদের বেছে নেয়।
‘ডি থ্রি’ ট্রফির আওতায় এমন সব প্রতিযোগিতা একত্রিত করা হয়েছে যা আগে পৃথকভাবে আয়োজন করা হতো।
এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চার দিনের ও ৫০ ওভারের সংস্করণ এবং জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা।
নতুন কাঠামোর অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারী কর্পোরেট ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে বিসিবি।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক ভর্তুকি বা সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কারা পাবেন, তা স্পষ্ট করে নতুন নিয়ম নির্ধারণ করেছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার ‘সমগ্র বাংলাদেশে টিসিবির উপকারভোগী নির্বাচন এবং ভর্তুকি/সাশ্রয়ীমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে।
আগে শুধু ‘নিম্ন আয়ের মানুষ’ বলা হলেও নতুন নির্দেশিকায় সুবিধাভোগীদের তালিকা ও যোগ্যতা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কারা পাবেন টিসিবির কার্ড
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, টিসিবির কার্ডধারী হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করবেন—হতদরিদ্র পরিবার, নিম্ন আয়ের ব্যক্তি, ভূমিহীন, কৃষিশ্রমিক, দিনমজুর, চা-শ্রমিক, চাতালশ্রমিক, কারখানার শ্রমিক এবং উপার্জনে অক্ষম ব্যক্তিরা।
অগ্রাধিকার হিসেবে বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত, স্বামী পরিত্যক্তা ও অসচ্ছল বয়স্ক নারীপ্রধান পরিবার এবং যেসব দুস্থ পরিবারে শিশু বা প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে, তারা বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন।
শর্তাবলি হিসেবে, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি উপকারভোগী হতে পারবেন না। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। এছাড়া, কার্ডের জন্য উপকারভোগীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), প্রয়োজনে স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি এবং নিজস্ব এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর আবশ্যক।
কতটুকু ও কী কী পণ্য মিলবে
টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার নিয়মিতভাবে ২ লিটার ভোজ্যতেল (প্রতি লিটার ১০০ টাকা), মসুর ডাল ২ কেজি (প্রতি কেজি ৬০ টাকা), চিনি ১ কেজি (প্রতি কেজি ৭০ টাকা), এবং চাল খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ সাপেক্ষে ৫ কেজি পাবে।
পবিত্র রমজান ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাধারণ মানুষের জন্য ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে পারবে টিসিবি। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২ লাখ টন ভোজ্যতেল, ২ লাখ ২০ হাজার টন মসুর ডাল ও ১ লাখ ১০ হাজার টন চিনি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডিলারের দোকানে সিসিটিভি এবং মাঠ পর্যায়ে কঠোর নজরদারি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্তরে মনিটরিং কমিটি এবং নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।
১. নিরাপত্তা ও জালিয়াতি রোধে ডিলারকে তাঁর নিজস্ব দোকানে বাধ্যতামূলক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। সামনে মূল্যতালিকা টাঙাতে হবে।
২. জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসককে সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা করে কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে পুলিশ সুপার, ইউএনও, মেয়র, খাদ্য ও সমাজসেবা কর্মকর্তারা থাকবেন। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় এবং বিক্রয়কেন্দ্র মনিটরিংয়ে থাকবে ‘ট্যাগ টিম’।
৩. সব উপকারভোগীর তথ্য ‘টিসিবি সেবা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল ডেটাবেইস সংরক্ষণ করা হবে।
এছাড়া, সম্প্রতি অনিয়মের অভিযোগে ভূয়া বা ভুয়া প্রক্রিয়ায় সংগৃহীত প্রায় ৫৯ লাখ কার্ড বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। এসব কার্ড নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। বিগত অর্থবছরে টিসিবিকে ২,৭০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হলেও চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা কমে ২,৪০০ কোটি টাকা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভৌতিক গল্পের বড় আয়োজনের সিনেমা ‘আন্ধার’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের কোনো অভাব নেই। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রেক্ষাগৃহে আসছে না রায়হান রাফি পরিচালিত এই সিনেমাটি। মুক্তির তারিখ প্রায় পাঁচ মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ২৬ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্মাতা রায়হান রাফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নতুন মুক্তির তারিখের কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সিনেমাটির ভিএফএক্স এবং পরবর্তী নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে আরও সময় প্রয়োজন। ১৬ অক্টোবর মুক্তি দেওয়া সম্ভব হলেও, তিনি মনে করেন, তাড়াহুড়ো করলে কাজের মান প্রত্যাশা অনুযায়ী হবে না।
রায়হান রাফির মতে, ‘আন্ধার’ তার ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় ধরে শুট করা এবং সবচেয়ে যত্নসহকারে নির্মিত কাজগুলোর একটি। দর্শকদের নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্যে সিনেমাটির নির্মাণে অতিরিক্ত সময় নেওয়া হচ্ছে।
মুক্তির নতুন তারিখ হিসেবে স্বাধীনতা দিবসকে বেছে নেওয়ার কারণও নির্মাতা জানিয়েছেন। তার মতে, অক্টোবরের নির্ধারিত তারিখ থেকে সরে আসার পর আবার মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করতে না হয়, সেদিকটি বিবেচনায় নিয়ে ২৬ মার্চকে উপযুক্ত সময় হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
‘আন্ধার’-এর মূল গল্প লিখেছেন শাকিব চৌধুরী ও বেজবাবা সুমন। চিত্রনাট্যে তাদের সঙ্গে রয়েছেন আদনান আদিব খান। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, নাজিফা তুষি, চঞ্চল চৌধুরী, আফসানা মিমি, গাজী রাকায়েত, মোস্তফা মনওয়ার ও তানজিকা আমিন। এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে ফররুখ আহমেদ রেহান ও স্বর্ণালী চৈতির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ