রিপোর্ট-শাহ্ জালাল সরদার, কালকিনি ও ডাসার(মাদারীপুর)
১০:৩৪ এম
শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি মন্দিরে নগদ অর্থ প্রদান করলেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলিনগর ইউনিয়ন পরিষদ সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সমাজসেবক কালকিনি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক কাওছার হাওলাদার।
সোমবার সন্ধ্যায় তার নিজ এলাকা আলিনগর ইউনিয়নে অবস্থিত রাজার চর এলাকায় বেশ কয়েকটি মন্দির পরিদর্শন করেন এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন।
এসময়ে তিনি বলেন, এই রাজার চর দীর্ঘ দিন ধরে অবহেলিত, আপনারা আমাকে সুযোগ দিলে আমি আপনাদের সেবা করতে চাই এবং এই এলাকার উন্নয়নের অংশীদার হতে চাই হতে চাই।
এছাড়াও তিনি আরো বলেন, আলিনগর একটি মারামারি ও সংঘাতময় এলাকা। আমি চাই এখানে কোন সংঘাত থাকবেনা। সবাই মিলেমিশে থাকবে।
এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন,আলিনগর ইউনিয়ন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনির তালুকদার,
আলিনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বেপারী, মাদারীপুর জেলা ছাত্রদলের সদস্য রুবেল খান, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নজরুল হাওলাদার,১ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদারসহ আলিনগর ইউনিয়ন ছাত্র নেতা শোয়েব অহিদ হাওলাদার এলাকার মান্যগন্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
॥ ওবাইদুর রহমান ॥
ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে স্থাপিত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৫ দশমিক শূন্য ৭ মেগাওয়াট।
এসব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে চালু হলে এবং নেট মিটারিং কার্যকর হলে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রয়োজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুন মাসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোতে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সক্ষমতা ৪ হাজার ৬৬৩ কিলোওয়াট।
অন্যদিকে, পাঁচটি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই সক্ষমতা ৪০৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট বা ৫ দশমিক শূন্য ৭ মেগাওয়াট। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারিভাবে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি কার্যালয়ের ভবনের ছাদগুলোতে ইতোমধ্যে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। তবে নেট মিটারিংয়ের অনুমোদনসহ কিছু প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে।
এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সৌরবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের সুযোগ বাড়বে। দিনের বেলায় নিজস্ব চাহিদার একটি অংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে পূরণ করা গেলে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রয়োজনও কমতে পারে।
বিভাগ ও জেলাভিত্তিক সক্ষমতা এবং বিভাগওয়ারি ব্যয়:
ঢাকা বিভাগের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে কিশোরগঞ্জে সর্বোচ্চ ৩৬০, মানিকগঞ্জে ৭৭, গোপালগঞ্জে ৭৩, ফরিদপুরে ৫৯, ঢাকা ও রাজবাড়ীতে ৫০ করে, শরীয়তপুরে ২৪ এবং গাজীপুরে ১০ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা বিভাগের জেলাগুলোতে এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৮৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা।
খুলনা বিভাগের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে খুলনায় সর্বোচ্চ ১৮০, মেহেরপুরে ৮০, ঝিনাইদহ ও নড়াইলে ৬০ করে এবং বাগেরহাটে ৫০ কিলোওয়াট সক্ষমতা রয়েছে। এই বিভাগে মোট ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৭৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। এছাড়া বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ২০০ কিলোওয়াট সক্ষমতা স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ৭৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
রংপুরের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে দিনাজপুরে ১৫১, গাইবান্ধায় ১২২, ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০, নীলফামারীতে ৪৮, কুড়িগ্রামে ৪৫, রংপুরে ২৯, পঞ্চগড়ে ২৫ এবং লালমনিরহাটে ২০ কিলোওয়াট সক্ষমতা রয়েছে। এই বিভাগে মোট ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ৭৭ দশমিক ৫ কিলোওয়াট সক্ষমতায় ব্যয় হয়েছে ৩৬ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
রাজশাহী বিভাগের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে সিরাজগঞ্জে ১৫০, নওগাঁয় ১০৫, বগুড়ায় ১০০, রাজশাহীতে ৫০, পাবনায় ৪৭.২৬, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০ করে এবং জয়পুরহাটে ১৩.১২৫ কিলোওয়াট সক্ষমতা রয়েছে। এই বিভাগে মোট ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৪৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। আর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ৩৮ কিলোওয়াট সক্ষমতায় ব্যয় হয়েছে ১৮ লাখ ২১ হাজার টাকা।
সিলেট বিভাগের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে মৌলভীবাজারে ১৮০, সিলেটে ১০০, সুনামগঞ্জে ৯০ এবং হবিগঞ্জে ১০ কিলোওয়াট সক্ষমতা রয়েছে। এই বিভাগে মোট ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৮ হাজার টাকা।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ৭০ কিলোওয়াট সক্ষমতায় ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।
চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে নোয়াখালীতে ২২৫, কক্সবাজারে ৮৫, চাঁদপুরে ৫০, ফেনীতে ৪৫, বান্দরবানে ৪১ এবং চট্টগ্রাম জেলায় ৩৯ কিলোওয়াট সক্ষমতা রয়েছে। এই বিভাগে মোট ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।
বরিশাল বিভাগের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে বরগুনায় ৬০ এবং পিরোজপুর, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠিতে ৫০ কিলোওয়াট করে সক্ষমতা রয়েছে। এই বিভাগে মোট ৪১ লাখ ২১ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ২০ কিলোওয়াট সক্ষমতায় ব্যয় হয়েছে ৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে জামালপুর ও নেত্রকোনায় ১০০ করে, শেরপুরে ৬০ এবং ময়মনসিংহ জেলায় ৫০ কিলোওয়াট সক্ষমতা রয়েছে। তবে এই বিভাগে ব্যয়ের কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সক্ষমতা ও ব্যয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ভাড়া ভবনে পরিচালিত হওয়ায় সেখানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে দরপত্র আহ্বান করা হলেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা যায়নি। খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গায় বরাদ্দের তুলনায় দরপত্রের প্রস্তাবিত মূল্য বেশি হওয়ায় কাজ এগোয়নি। বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠিতে বরাদ্দ থাকলেও অর্থ ব্যয় করা হয়নি।
অন্যদিকে, বরিশাল ও ভোলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর ও রাঙামাটিতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সক্ষমতার তথ্য পাওয়া যায়নি।
ক্যাপেক্স মডেল ও বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়:
সরকার নিজস্ব অর্থায়নে অর্থাৎ ‘ক্যাপেক্স মডেল’-এ এই ব্যবস্থাগুলো স্থাপন করেছে। এর মাধ্যমে কার্যালয়গুলো দিনের বেলায় নিজস্ব চাহিদার একটি অংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে পূরণ করছে, যা গ্রিডের ওপর চাপ ও বিদ্যুৎ বিল কমাচ্ছে। নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোর নেট মিটারিংয়ের আবেদন এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) শরীয়তপুর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। তবে নেট মিটারিংয়ের আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকায় উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুতের বিপরীতে বিল সমন্বয় এখনো শুরু হয়নি।
ওজোপাডিকো আরও জানায়, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতি মাসে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৫ হাজার ইউনিট। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৮০০ ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রয়োজন কমছে এবং কার্যালয়টির বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখছে।
ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বাসসকে বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের ছাদে স্থাপিত ৫ মেগাওয়াটের বেশি সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা জাতীয় পর্যায়ে খুব বড় অবদান না হলেও এগুলোকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো গেলে অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে দৃষ্টান্ত তৈরি হবে।
তিনি বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রসারে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ পর্যায়ে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
একই সঙ্গে নেট মিটারিং সংযোগ দিতে দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও নেট মিটারিং সংযোগের কার্যক্রম সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় বাসস’কে বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগের আওতায় মেহেরপুরে ইতোমধ্যে ৮০ কিলোওয়াট সক্ষমতার ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো গেলে জাতীয় গ্রিডের ওপর বিদ্যুতের চাহিদাজনিত চাপ কমাতে সহায়তা করবে। বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগিয়ে যাওয়ার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সরকারি ভবনের ছাদ কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ গ্রহণ করেছে। কৌশলপত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে সাড়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াট আসবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে।
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের মোট সক্ষমতা ১ হাজার ৯৩৫ মেগাওয়াট।
এর মধ্যে সৌরবিদ্যুতের অবদান ১ হাজার ৬৪২ মেগাওয়াট, যা নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের মোট সক্ষমতার বড় অংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ১৮ অক্টোবর অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর প্রাণঘাতী হামলার পর থেকে পুরো বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এক ভীতি বিরাজ করছে। এই আতঙ্কের প্রেক্ষাপটে, ভারী অস্ত্রধারী বিশেষ নিরাপত্তার পাহারায় মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি বিমানবন্দরে দেখা গেছে বলিউডের ‘ভাইজান’ সালমান খানকে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে বিমানবন্দর থেকে সালমান বের হওয়ার সময় তার চারপাশে ছিলেন স্পেশাল প্রোটেকশন ইউনিটের ভারী অস্ত্রধারী কমান্ডোরা। গাঢ় খয়েরি বা নীল রঙের শার্ট, ডেনিম জিন্স, কালো বুট এবং অ্যাভিয়েটর সানগ্লাস পরিহিত সালমানকে সতর্ক ভঙ্গিতে দেখা যায়।
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের অব্যাহত হুমকির কারণে তার নিরাপত্তা এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আরও জোরদার করা হয়েছে।
সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা শেষে, টাইগার শ্রফের বাসভবনে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করার পর মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে চলচ্চিত্র জগতের তারকাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনা করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এর ফলস্বরূপ, সালমানের নিরাপত্তায় এই বাড়তি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত তিনজনকে আটক করেছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম জড়িয়ে নতুন করে হুমকি আসার পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। হামলার পরপরই গ্যাংয়ের দুই সহযোগী অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু এক্সে পোস্ট দিয়ে দায় স্বীকার করে।
ওই পোস্টে তারা উল্লেখ করে, ‘আজ টাইগার শ্রফের সঙ্গে হওয়া ঘটনার দায় অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু নিচ্ছি। আমরা তাকে আগে ফোন করে সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু সে বোঝেনি; তাই আজ তাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হলো।’
এদিকে, মুম্বাইয়ে টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ‘অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন’। সংগঠনের পক্ষ থেকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের কাছে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—শহরের বুকে এমন একের পর এক হামলার ঘটনায় বলিউডের তারকারা কীভাবে নিজেদের নিরাপদ ভাববেন?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর একটি সামরিক শিবিরে হুতি বিদ্রোহীদের দ্বারা পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ জনে পৌঁছেছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার হামলার পর হতাহতের নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে। বর্তমানে ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের সন্ধানে তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং সৌদি আরব-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘকালীন যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সংঘাতের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।
প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সোমবার জ্বালানি সম্পদসমৃদ্ধ শাবওয়া প্রদেশের একটি সামরিক শিবিরে হামলার ফলে নিহতের সংখ্যা ৭৩ জনে পৌঁছেছে। নিখোঁজদের অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এর আগে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, হামলায় ৫৩ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ২০০ জনের বেশি। নিহত ও আহতদের মধ্যে সবাই অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর নবীন সদস্য, যারা হামলার সময় প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন।
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আল-নুজাইলি সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত পোস্টে জানিয়েছেন, হুতিরা শাবওয়া প্রদেশের দিকে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণকেন্দ্রে আঘাত হানে।
পরে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি হামলার দায় স্বীকার করে দাবি করেন, সৌদি আরবের এক কর্মকর্তার নেতৃত্বাধীন আল-আলাম শিবিরে অবস্থানরত সৌদি বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে এ হামলা করা হয়েছে।
শাবওয়া প্রদেশে ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত। দেশের সবচেয়ে বড় জ্বালানি স্থাপনা এবং অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বালহাফ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালও এ প্রদেশে রয়েছে।
প্রদেশটির এক সরকারি সামরিক সূত্র সোমবার জানিয়েছে, হামলার পর সেনাবাহিনী আশঙ্কা করছে যে, হুতিরা নতুন করে স্থল অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করতে পারে।
গত মাসে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লোহিত সাগর উপকূলের বন্দরনগরী মোখা দখলের মতো পরিস্থিতি পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সৌদি বিমান হামলায় আট জেলে নিহতের দাবি হুতিদের :
এদিকে, ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশের উপকূলে সৌদি আরবের বিমান হামলায় আট জেলে নিহত হওয়ার দাবি করেছে হুতিরা।
হুতি-সমর্থিত সংবাদমাধ্যম সাবা জানায়, ধুবাব জেলার আল-কাধা উপকূলে মাছ ধরার দু’টি নৌকায় সৌদি বিমান হামলায় ওই আট জেলে নিহত হন।
এলাকাটি ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিকটে অবস্থিত।
হুতিরা গত মাসে এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাজার বছর ধরে’ অবলম্বনে নির্মিত ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমায় টুনি চরিত্রে অভিনয় করে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন ঢালিউড অভিনেত্রী শারমিন জোহা শশী। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই কালজয়ী বাংলাদেশি সিনেমাটি সরকারি অনুদানে নির্মাণ করা হয়। কোহিনুর আক্তার সুচন্দা এই সিনেমাটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন।
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের জগতে রয়েছেন অভিনেত্রী শারমিন জোহা শশী। তবে তার ক্যারিয়ারে টুনি চরিত্রের সুনামকে ছাপিয়ে যেতে পারেননি। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন শারমিন জোহা শশী। ছবিগুলোর সঙ্গে তিনি জীবন, ইতিবাচকতা ও নিজের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে নানা কথা বলেছেন। ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি নিজের অভিনীত কাজের খবরও ভক্তদের সঙ্গে তিনি শেয়ার করেন।
সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা ছবিগুলোর মধ্যে একটি শাড়ি পরা ছবিতে জোহা শশী বলেছেন— কীভাবে কম বয়সী দেখাবে। অভিনেত্রী উল্লেখ করেছেন— ‘আপনাকে আপনার বয়সের তুলনায় কম বয়সী দেখায়। কারণ আপনি হিংসা বা খারাপ শক্তি বয়ে বেড়ান না।’ তার এই বক্তব্যে ইতিবাচক মানসিকতা ও নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকার একটি বড় বার্তা প্রতিফলিত হয়েছে।
জীবনকে সহজভাবে দেখার পরামর্শ দিয়ে আরেকটি পোস্টে জোহা শশী লিখেছেন— ‘জীবন সহজ হতে পারত, যদি না আমরাই ধরে ধরে পরিস্থিতিগুলোকে জটিল করতাম। চলুন জীবন সহজ করি। সবাইকে গোলাপি শুক্রবারের শুভেচ্ছা।’
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে অভিনেত্রীর এসব পোস্টে ইতিবাচক থাকার, জীবনকে সহজভাবে দেখার এবং নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়ার বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, অভিনেত্রী জোহা শশী ‘ঘরে বাইরে’ নাটকে এশা চরিত্রে অভিনয় করছেন। নাবিলের সঙ্গে জুটি হয়ে দর্শকদের সামনে এসেছেন। বর্তমানে নাটকটি একটি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ