ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অনিশ্চয়তার অন্ধকারেই কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘আন্ধার’?


অনিশ্চয়তার অন্ধকারেই কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘আন্ধার’?

ভৌতিক গল্পের বড় আয়োজনের সিনেমা ‘আন্ধার’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের কোনো অভাব নেই। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রেক্ষাগৃহে আসছে না রায়হান রাফি পরিচালিত এই সিনেমাটি। মুক্তির তারিখ প্রায় পাঁচ মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ২৬ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্মাতা রায়হান রাফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নতুন মুক্তির তারিখের কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সিনেমাটির ভিএফএক্স এবং পরবর্তী নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে আরও সময় প্রয়োজন। ১৬ অক্টোবর মুক্তি দেওয়া সম্ভব হলেও, তিনি মনে করেন, তাড়াহুড়ো করলে কাজের মান প্রত্যাশা অনুযায়ী হবে না।

রায়হান রাফির মতে, ‘আন্ধার’ তার ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় ধরে শুট করা এবং সবচেয়ে যত্নসহকারে নির্মিত কাজগুলোর একটি। দর্শকদের নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্যে সিনেমাটির নির্মাণে অতিরিক্ত সময় নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: আরটিভিতে রাত ৮টায় সম্প্রচারিত হবে নাটক ‘মন দরজা’

মুক্তির নতুন তারিখ হিসেবে স্বাধীনতা দিবসকে বেছে নেওয়ার কারণও নির্মাতা জানিয়েছেন। তার মতে, অক্টোবরের নির্ধারিত তারিখ থেকে সরে আসার পর আবার মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করতে না হয়, সেদিকটি বিবেচনায় নিয়ে ২৬ মার্চকে উপযুক্ত সময় হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

‘আন্ধার’-এর মূল গল্প লিখেছেন শাকিব চৌধুরী ও বেজবাবা সুমন। চিত্রনাট্যে তাদের সঙ্গে রয়েছেন আদনান আদিব খান। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, নাজিফা তুষি, চঞ্চল চৌধুরী, আফসানা মিমি, গাজী রাকায়েত, মোস্তফা মনওয়ার ও তানজিকা আমিন। এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে ফররুখ আহমেদ রেহান ও স্বর্ণালী চৈতির।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আধুনিক নগরায়ণে বদলে যাচ্ছে পবিত্র মক্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ এম


আধুনিক নগরায়ণে বদলে যাচ্ছে পবিত্র মক্কা

পবিত্রতা অক্ষুণ্ন রেখে আধুনিক নগরায়ণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে মক্কা। অবকাঠামো, পরিবহন, আবাসন, আতিথেয়তা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও জনসেবার ব্যাপক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে পবিত্র মক্কা নগরী ধীরে ধীরে একটি আধুনিক, টেকসই ও হজবান্ধব বৈশ্বিক নগরীর রূপ নিচ্ছে। সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০-এর লক্ষ্য সামনে রেখে চলমান এসব প্রকল্পের মাধ্যমে হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের সেবা আরো সহজ, দ্রুত ও উন্নত করার পাশাপাশি মক্কার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও বিস্তৃত হচ্ছে।

উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন ড. মুসাব বিন কামাল আল-সুবহি বলেন, "মক্কার চলমান নগর উন্নয়ন একটি কৌশলগত অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রতিচ্ছবি।" তার মতে, বিনিয়োগ ও নগর উন্নয়নের মাধ্যমে শহরটি ধীরে ধীরে মৌসুমি অর্থনীতিনির্ভরতা থেকে আরো বৈচিত্র্যময় ও টেকসই অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, "এর ফলে আতিথেয়তা, সেবা, খুচরা ব্যবসা ও পরিবহন খাতের অবদান বাড়ছে।" একই সঙ্গে মক্কা বিনিয়োগের জন্য আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে এবং নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

মক্কার নগর উন্নয়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো আধুনিক নগরায়ণের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করার পাশাপাশি শহরটির অনন্য ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক পরিচয় সংরক্ষণ করা। উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও স্থাপত্য অনুষদের ডিন ড. ওমর আসরাহ বলেন, "মক্কার পার্বত্য ভূ-প্রকৃতি, ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং প্রতিবছর লাখো হজযাত্রীর আগমন—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে এখানে বিশেষায়িত প্রকৌশল ও নগর পরিকল্পনা প্রয়োজন।" তাঁর মতে, আধুনিক প্রকল্পগুলো অবকাঠামো, পরিবহন নেটওয়ার্ক ও জনসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মক্কার ইসলামী পরিচয় সংরক্ষণের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখছে।

হারামাইন হাই স্পিড রেলওয়ে, মাশায়ের মেট্রো, রিং রোড এবং বিভিন্ন প্রধান সড়ক ও গণপরিবহন প্রকল্প হজযাত্রীদের চলাচল সহজ করেছে। এসব ব্যবস্থার ফলে মক্কা, মদিনা ও পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে যাতায়াত আরো সহজ হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচল ব্যবস্থাপনা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবহন সক্ষমতাও বাড়ছে, বিশেষ করে হজের সময় পবিত্র স্থানগুলোতে বিপুল মানুষের একসঙ্গে চলাচল করতে হয়। তাই দ্রুত ও সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মক্কার উন্নয়ন শুধু তীর্থযাত্রীদের জন্য নয়; শহরের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রায়ও এর প্রভাব পড়ছে। পাড়া-মহল্লার উন্নয়ন, নগর সৌন্দর্যায়ন, গণপরিসর, হাঁটার পথ, পার্ক এবং পৌরসেবার সম্প্রসারণ শহরটিকে বসবাসের জন্য আরো উপযোগী করে তুলছে। পাশাপাশি পানি, বিদ্যুৎ, টেলিযোগাযোগ ও পয়োনিষ্কাশন নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন, সড়ক সম্প্রসারণ এবং লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়ন মক্কার ভবিষ্যৎ জনসংখ্যা ও হজযাত্রীর চাপ সামলানোর সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।

আজকের মক্কা তাই একই সঙ্গে পবিত্র ঐতিহ্যের ধারক এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আধুনিক নগরী। উন্নত পরিবহন, আধুনিক অবকাঠামো, ডিজিটাল প্রযুক্তি, নতুন বিনিয়োগ ও উন্নত হজযাত্রী সেবার সমন্বয়ে পবিত্র নগরী উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

দেশের বাজারে সোনার দাম আবার কমানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই হিসেবে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ নির্ধারিত দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে। এর আগে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমানোর কারণে এই দাম কমানো হয়েছে।

এর আগে, ২৬ সেপ্টেম্বর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছিল। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়। বর্তমানে, তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমেছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা।

এখন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২ হাজার ২১৬ টাকা কম। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, যা ২ হাজার ৯৯ টাকা কমানো হয়েছে।

এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ১ হাজার ৮০৮ টাকা কম। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা, যা ১ হাজার ১০৮ টাকা কমানো হয়েছে।

এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা ছিল, যা ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা ছিল, যা ২ হাজার ১০০ টাকা কমানো হয়েছে।

এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা ছিল, যা ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমানো হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা ছিল, যা ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমানো হয়েছে। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে।

সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৪ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


ইতিহাসে আজকের এই দিনে

এ বিশ্বে প্রতিদিন ঘটে বিভিন্ন ঘটনা, যা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয়। অনেক কিছু উদ্ভাবন ও উন্মোচন হয়, জন্মের পাশাপাশি ঘটে মৃত্যুও। এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ীভাবে দাগ কাটে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এমন কিছু ঘটনার দিকে নজর দেওয়া যাক।

ঘটনাবলি

১৬৬৭ সালে অওরঙ্গজেব-এর সাম্রাজ্যে গোলকুণ্ডা সংযুক্ত হয়।

 

১৮৬০ সালে ব্রিটেনে প্রথমবারের মতো ট্রাম চালু হয়।

১৮৮২ সালে প্রথম থমাস এডিসনের উদ্ভাবিত হাইড্রো-ইলেকট্রিক পাওয়ার প্লান্ট কার্যকর হয়।

১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি ইতালিতে প্রথম ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯২৮ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কারের খবর প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়।

১৯২৯ সালে বিবিসি প্রথম পরীক্ষামূলক টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু করে।

১৯৩৮ সালে জার্মানিতে ঐতিহাসিক মিউনিখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৩৯ সালে জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পোল্যান্ডের বিভক্তি স্বীকার করে একটি চুক্তিতে উপনীত হয়।

১৯৩৯ সালে ব্রিটেনে পরিচয়পত্র প্রথা চালু হয়।

১৯৩৯ সালে পোল্যান্ডের বিভাজন নিয়ে জার্মানি ও রাশিয়া একমত হয়।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান ও ইয়েমেন জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৬৬ সালে বোতসোয়ানা ব্রিটিশ উপনিবেশের হাত থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে এবং এই দিনটিকে তারা জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করে।

১৯৯২ সালে বাংলাদেশে কার্ড ফোন ব্যবস্থা চালু হয়।

১৯৯৩ সালে ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

জন্ম

১২০৭ সালে জালালুদ্দিন রুমি, যিনি পারস্যের কবি ছিলেন।

১৪৪৪ সালে ডোনাটো ব্রামান্তে, ইতালির একজন প্রখ্যাত স্থাপত্যশিল্পী।

১৭০০ সালে স্টানিস্লাও কনারস্কি, যিনি পোলিশ সন্ন্যাসী, কবি ও নাট্যকার ছিলেন।

১৮৭০ সালে জঁ-বাতিস্ত পেরাঁ, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ।

১৯০৫ সালে নেভিল ফ্রান্সিস মট, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিদ।

১৯২৮ সালে এলি ওয়িইয়েসেল, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রোমানিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক, অধ্যাপক ও সমাজকর্মী।

১৯৩১ সালে জ্যাঁ মারি লেঁ, যিনি নোবেলজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।

১৯৩৩ সালে অজিতেশ বন্দোপাধ্যায়, যিনি বাঙালি নাট্যকার ও অভিনেতা।

১৯৩৯ সালে জাঁ মারি লেহন, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।

১৯৪৩ সালে যোহান ডেইসেনহফের, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান প্রাণরসায়নী।

১৯৪৪ সালে আবুল কাসেম ফজলুল হক, যিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ।

১৯৫১ সালে ব্যারি মার্শাল, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রেলিয়ান চিকিত্সক।

১৯৬২ সালে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিনি একজন বাঙালি চিত্রাভিনেতা।

১৯৭২ সালে শান্তনু মুখার্জী শান, যিনি একজন খ্যাতিমান ভারতীয় গায়ক।

১৯৮৫ সালে টি-পেইন, যিনি আমেরিকান রাপার, প্রযোজক ও অভিনেতা।

মৃত্যু

১৮৭৫ সালে শিক্ষাবিদ প্যারীচরণ সরকার, যিনি একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও উনিশ শতকের বাঙলার পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা।

১৯৪৩ সালে রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের, যিনি ব্রিটিশ ভারতীয় শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক।

১৯৫৩ সালে আবদুল করিম, যিনি সাহিত্য বিশারদ উপাধিতে ভূষিত পুঁথি সংগ্রাহক ও লেখক।

১৯৫৫ সালে জেমস ডিন, যিনি আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৮৫ সালে সিমন সিগ্নরেট, যিনি জার্মান বংশোদ্ভূত ফরাসি অভিনেত্রী।

১৯৯০ সালে প্যাট্রিক হোয়াইট, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান লেখক।

১৯৯৮ সালে রবার্ট লুইস টেলর, যিনি আমেরিকান লেখক।

২০০৪ সালে মাইকেল রেলফ, যিনি ইংরেজ পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

-রাম্বলিন ‘টমি স্কট’, যিনি আমেরিকান গায়ক ও গিটার। ২০১৩ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগান ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের অভিযোগে পাকিস্তানি কূটনীতিককে ডেকে পাঠাল কাবুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


আফগান ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের অভিযোগে পাকিস্তানি কূটনীতিককে ডেকে পাঠাল কাবুল

আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ডুরান্ড লাইন অতিক্রম করে আফগান ভূখণ্ডে সশস্ত্র গোষ্ঠী পাঠানোর অভিযোগে কাবুলে নিযুক্ত পাকিস্তানি দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে ডেকে পাঠিয়েছে। এই ঘটনার বিরুদ্ধে আফগানিস্তান তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সরাসরি সহায়তায় এই অনুপ্রবেশের চেষ্টা দেশের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর নুরিস্তান প্রদেশের কামদেশ জেলার ইস্তিকলালে ডুরান্ড লাইন অতিক্রম করে কিছু ধ্বংসাত্মক সশস্ত্র দল আফগান ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা চালায়।

ডুরান্ড লাইন হলো আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্তরেখা। আফগানিস্তানের দাবি, পাকিস্তানি সামরিক শাসনের সরাসরি নির্দেশনা ও সহায়তায় ‘দায়েশ’ এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আফগান ভূখণ্ডে প্রবেশ করে অশান্তি সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছিল। তবে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী সফলভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে এবং সেই অনুপ্রবেশ পরিকল্পনা পুরোপুরি ব্যর্থ করে দেয়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সংগঠিত করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং অস্ত্রসজ্জিত করার সুযোগ দিচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের সরাসরি নেতৃত্বে আফগানিস্তানে পাঠানো হচ্ছে।

আফগানিস্তান এই পদক্ষেপকে তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে। তালেবান সরকার সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে তার যাবতীয় পরিণতি ও দায়ভার পাকিস্তানকেই বহন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%