প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এ বিশ্বে প্রতিদিন ঘটে বিভিন্ন ঘটনা, যা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয়। অনেক কিছু উদ্ভাবন ও উন্মোচন হয়, জন্মের পাশাপাশি ঘটে মৃত্যুও। এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ীভাবে দাগ কাটে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এমন কিছু ঘটনার দিকে নজর দেওয়া যাক।
ঘটনাবলি
১৬৬৭ সালে অওরঙ্গজেব-এর সাম্রাজ্যে গোলকুণ্ডা সংযুক্ত হয়।
১৮৬০ সালে ব্রিটেনে প্রথমবারের মতো ট্রাম চালু হয়।
১৮৮২ সালে প্রথম থমাস এডিসনের উদ্ভাবিত হাইড্রো-ইলেকট্রিক পাওয়ার প্লান্ট কার্যকর হয়।
১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি ইতালিতে প্রথম ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯২৮ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কারের খবর প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়।
১৯২৯ সালে বিবিসি প্রথম পরীক্ষামূলক টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু করে।
১৯৩৮ সালে জার্মানিতে ঐতিহাসিক মিউনিখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৩৯ সালে জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পোল্যান্ডের বিভক্তি স্বীকার করে একটি চুক্তিতে উপনীত হয়।
১৯৩৯ সালে ব্রিটেনে পরিচয়পত্র প্রথা চালু হয়।
১৯৩৯ সালে পোল্যান্ডের বিভাজন নিয়ে জার্মানি ও রাশিয়া একমত হয়।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান ও ইয়েমেন জাতিসংঘে যোগ দেয়।
১৯৬৬ সালে বোতসোয়ানা ব্রিটিশ উপনিবেশের হাত থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে এবং এই দিনটিকে তারা জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করে।
১৯৯২ সালে বাংলাদেশে কার্ড ফোন ব্যবস্থা চালু হয়।
১৯৯৩ সালে ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
জন্ম
১২০৭ সালে জালালুদ্দিন রুমি, যিনি পারস্যের কবি ছিলেন।
১৪৪৪ সালে ডোনাটো ব্রামান্তে, ইতালির একজন প্রখ্যাত স্থাপত্যশিল্পী।
১৭০০ সালে স্টানিস্লাও কনারস্কি, যিনি পোলিশ সন্ন্যাসী, কবি ও নাট্যকার ছিলেন।
১৮৭০ সালে জঁ-বাতিস্ত পেরাঁ, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ।
১৯০৫ সালে নেভিল ফ্রান্সিস মট, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিদ।
১৯২৮ সালে এলি ওয়িইয়েসেল, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রোমানিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক, অধ্যাপক ও সমাজকর্মী।
১৯৩১ সালে জ্যাঁ মারি লেঁ, যিনি নোবেলজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।
১৯৩৩ সালে অজিতেশ বন্দোপাধ্যায়, যিনি বাঙালি নাট্যকার ও অভিনেতা।
১৯৩৯ সালে জাঁ মারি লেহন, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।
১৯৪৩ সালে যোহান ডেইসেনহফের, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান প্রাণরসায়নী।
১৯৪৪ সালে আবুল কাসেম ফজলুল হক, যিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ।
১৯৫১ সালে ব্যারি মার্শাল, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রেলিয়ান চিকিত্সক।
১৯৬২ সালে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিনি একজন বাঙালি চিত্রাভিনেতা।
১৯৭২ সালে শান্তনু মুখার্জী শান, যিনি একজন খ্যাতিমান ভারতীয় গায়ক।
১৯৮৫ সালে টি-পেইন, যিনি আমেরিকান রাপার, প্রযোজক ও অভিনেতা।
মৃত্যু
১৮৭৫ সালে শিক্ষাবিদ প্যারীচরণ সরকার, যিনি একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও উনিশ শতকের বাঙলার পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা।
১৯৪৩ সালে রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের, যিনি ব্রিটিশ ভারতীয় শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক।
১৯৫৩ সালে আবদুল করিম, যিনি সাহিত্য বিশারদ উপাধিতে ভূষিত পুঁথি সংগ্রাহক ও লেখক।
১৯৫৫ সালে জেমস ডিন, যিনি আমেরিকান অভিনেতা।
১৯৮৫ সালে সিমন সিগ্নরেট, যিনি জার্মান বংশোদ্ভূত ফরাসি অভিনেত্রী।
১৯৯০ সালে প্যাট্রিক হোয়াইট, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান লেখক।
১৯৯৮ সালে রবার্ট লুইস টেলর, যিনি আমেরিকান লেখক।
২০০৪ সালে মাইকেল রেলফ, যিনি ইংরেজ পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
-রাম্বলিন ‘টমি স্কট’, যিনি আমেরিকান গায়ক ও গিটার। ২০১৩ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন