বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৫ পি.এম
পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মার চরে কৃষিকাজ করার সময় বজ্রাঘাতে রকিবুল ইসলাম সরদার (৩২) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শামসুল ইসলাম নামে আরেক কৃষক।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের দাদাপুর কুলশিমুলতলা চরের এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মৃত রকিবুল ইসলাম লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের কৈকুন্ডা মালিথাপাড়া মৃত মারজেন সরদারের ছেলে। আহত শামসুল ইসলামও একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জিয়াউল ইসলাম জিয়া ও পল্লী পশু চিকিৎসক মো. সানোয়ার হোসেন এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী কৃষক সামিদুল, এনারুল ও মিলন বিশ্বাস জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তারা ১০-১৫ জন কৃষক দাদাপুর কুলশিমুলতলা চরে কাজ করছিলেন। দুপুরে বৃষ্টি ও মেঘের গর্জন শুরু হলে সবাই বাড়ি ফিরছিলেন। এই সময় বজ্রাঘাতে রকিবুল ও শামসুল আহত হন। রকিবুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রকিবুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত ডাক্তার শহিদুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রকিবুল ইসলামের মৃত্যু ঘটে। বজ্রপাতে তার বুক ও পায়ের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিকৃত পশ্চিম তীরে (ওয়েস্ট ব্যাংক) ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ এবং ঘরবাড়ি ধ্বংসের কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে ইসরায়েল। গাজায় সামরিক অভিযানে এআই ব্যবহারের পর, এবার ওয়েস্ট ব্যাংকে এই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির প্রয়োগের খবর এসেছে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রাফায়েল (Rafael)-এর তৈরি ‘ইমিসাইট’ (ImiSight) নামের একটি এআই টুল ব্যবহার করে স্যাটেলাইট ও ড্রোনের মাধ্যমে বিশাল এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যখন কোনো এলাকায় ফিলিস্তিনিদের নির্মাণ কাজ বা জমির ব্যবহার পরিবর্তন চিহ্নিত হয়, তখন এআই অ্যালগরিদম তা দ্রুত সনাক্ত করে। এরপর সেই স্থাপনাগুলোকে দ্রুত ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে বুলডোজার পাঠিয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে।
গবেষক ও অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানব পর্যবেক্ষকের সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্ছেদের নোটিশ এবং ভাঙনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা ‘পিস নাউ’-এর তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে ওয়েস্ট ব্যাংকের ‘এরিয়া সি’ এবং পূর্ব জেরুজালেমে ঘরবাড়ি ধ্বংসের ঘটনা প্রায় ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এআই-ভিত্তিক এই নজরদারি প্রযুক্তি একদিকে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখলের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে, অন্যদিকে বিশ্ববাজারে নিজেদের সামরিক এআই প্রযুক্তি বিক্রির পরীক্ষাগার হিসেবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে ব্যবহার করছে ইসরায়েল। সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সিটি করপোরেশনের একক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। জনগণকে সম্পৃক্ত করে সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, "এডিস মশা দল-মত বা শ্রেণি-পেশা দেখে কামড়ায় না।" তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, চসিকের উদ্যোগে নগরীর ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ডে মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এ কর্মসূচির আওতায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং এডাল্টিসাইড ছিটানোর পাশাপাশি নগরবাসীকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করা হয়।
চসিকের মেয়র আরও জানান, "চসিকের পক্ষ থেকে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।" তিনি বলেন, "আমরা স্প্রে করছি, গণসচেতনতা বৃদ্ধি করছি, লিফলেট বিতরণ করছি এবং লার্ভিসাইড প্রয়োগ করছি।" সকালে লার্ভিসাইড এবং বিকেলে এডাল্টিসাইড স্প্রে করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি সতর্ক করেন, জনগণ সচেতন না হলে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, "জ্বর হলেই যে ডেঙ্গু হবে, বিষয়টি এমন নয়।" চিকুনগুনিয়া, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া, প্রস্রাবের সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে জ্বর হতে পারে। তবে তিনি পরামর্শ দেন, দুই-তিন দিন ধরে জ্বর অব্যাহত থাকলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো উচিত।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একার নয়। প্রধানমন্ত্রী, মেয়র কিংবা সিটি করপোরেশন এককভাবে এই সমস্যা সমাধান করতে পারবে না। নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করেই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সকলকে নিজ নিজ বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়ুর্গেন ক্লপ, জার্মান জাতীয় দলের নতুন কোচ হিসেবে প্রথমবার স্কোয়াড ঘোষণা করে চমক সৃষ্টি করেছেন। উয়েফা নেশন্স লিগের চারটি ম্যাচের জন্য তিনি দুটি আলাদা স্কোয়াডে মোট ৪৪ ফুটবলারকে ডাকেন। তবে এই বিশাল তালিকায় বিশ্বকাপে জার্মানির সর্বোচ্চ গোলদাতা দেনিজ উন্দাভের নাম নেই। বাদ পড়েছেন গালাতাসারেইয়ের উইঙ্গার লেরয় সানেও।
ক্লপের এই ‘ডাবল স্কোয়াড’ নেদারল্যান্ডস, গ্রিস এবং সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচগুলোকে ২০২৮ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের আগে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত করতে পারে। ফ্লোরিয়ান ভির্টজ ও কাই হাভার্টজের মতো নিয়মিত তারকাদের সর্বোচ্চ দুটি ম্যাচে খেলানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে ক্লপের। এর ফলে নতুনদের নিজেদের প্রমাণের সুযোগ মিলবে এবং নিয়মিত খেলোয়াড়দের ওপর ম্যাচের চাপও কমবে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্লপের যাত্রার শুরু থেকেই ভিন্নধর্মী বার্তা ছিল। জার্মানির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি জানিয়েছিলেন, "সমালোচনা মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে কিংবা সংবাদমাধ্যমের হস্তক্ষেপ অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছালে পদত্যাগের কথাও বিবেচনা করতে পারেন।" এবার প্রথম স্কোয়াড ঘোষণাতেই তিনি আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সাবেক লিভারপুল কোচ।
বৃহস্পতিবার ঘোষিত তালিকায় এমন অনেক ফুটবলার রয়েছেন, যারা এখনও জার্মানির সিনিয়র জাতীয় দলে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন। তাদের মধ্যে এলভার্সবার্গের মিডফিল্ডার ফেলিক্স কেইডেল এবং আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের ফরোয়ার্ড ইউনেস এবনুতালিব উল্লেখযোগ্য। শীর্ষ বিভাগের ক্লাব ফুটবলেও তাদের অভিজ্ঞতা এখনো সীমিত।
নেশন্স লিগের লিগ পর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, প্রতিটি ম্যাচের আগে মধ্যরাতের মধ্যে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা জমা দিতে হয়। তবে এক ম্যাচের পর পরের ম্যাচে সেই তালিকায় পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে। এই নিয়মের মধ্যেই ৪৪ জনকে দুই স্কোয়াডে ভাগ করে পরীক্ষা করতে চাইছেন ক্লপ।
বিশ্বকাপে তিন গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে জার্মানির সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া দেনিজ উন্দাভের বাদ পড়াটিই সবচেয়ে বড় চমক। জাতীয় দলের হয়ে ৮০ ম্যাচ খেলা লেরয় সানেও এবার দলে না থাকায় আপাতত তার আন্তর্জাতিক ম্যাচসংখ্যা আর বাড়ছে না।
জার্মানি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নেশন্স লিগ অভিযান শুরু করবে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর গ্রিস এবং ১ অক্টোবর সার্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। ৪ অক্টোবর আবারও গ্রিসের বিপক্ষে মাঠে নামবে ক্লপের দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ময়মনসিংহ নগরীর ঐতিহ্যবাহী সিটি কলেজিয়েট স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮ জন শিক্ষার্থীকে গাছের চারা উপহার প্রদান করেন, স্থানীয় সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয়ের ৬ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা শেষে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বিদ্যালয়ে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে সভাপতি বরাবরে লিখিত আবেদন জানান।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বলেন, ১৪৩ বছর বয়সী ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট স্কুলটি ১৮৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ছিল এ অঞ্চলের শিক্ষা ক্ষেত্রের আলোর দিশারী। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
এ কারণে নতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশ এবং সুশিক্ষিত নাগরিক গড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টিতে এ প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণের দাবি রাখে। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এ দাবি শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ. মান্নান, অভিভাবক সদস্য আলী ইউসুফ, শিক্ষক প্রতিনিধি আ. হাকিম, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক টুটু, বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গোবিন্দ রায় প্রমুখ।
পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনের অভ্যন্তরে নবনির্মিত অভিভাবক ছাউনী উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য (এমপি) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এর আগে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ