বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৬ পি.এম
ইয়ুর্গেন ক্লপ, জার্মান জাতীয় দলের নতুন কোচ হিসেবে প্রথমবার স্কোয়াড ঘোষণা করে চমক সৃষ্টি করেছেন। উয়েফা নেশন্স লিগের চারটি ম্যাচের জন্য তিনি দুটি আলাদা স্কোয়াডে মোট ৪৪ ফুটবলারকে ডাকেন। তবে এই বিশাল তালিকায় বিশ্বকাপে জার্মানির সর্বোচ্চ গোলদাতা দেনিজ উন্দাভের নাম নেই। বাদ পড়েছেন গালাতাসারেইয়ের উইঙ্গার লেরয় সানেও।
ক্লপের এই ‘ডাবল স্কোয়াড’ নেদারল্যান্ডস, গ্রিস এবং সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচগুলোকে ২০২৮ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের আগে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত করতে পারে। ফ্লোরিয়ান ভির্টজ ও কাই হাভার্টজের মতো নিয়মিত তারকাদের সর্বোচ্চ দুটি ম্যাচে খেলানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে ক্লপের। এর ফলে নতুনদের নিজেদের প্রমাণের সুযোগ মিলবে এবং নিয়মিত খেলোয়াড়দের ওপর ম্যাচের চাপও কমবে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্লপের যাত্রার শুরু থেকেই ভিন্নধর্মী বার্তা ছিল। জার্মানির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি জানিয়েছিলেন, "সমালোচনা মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে কিংবা সংবাদমাধ্যমের হস্তক্ষেপ অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছালে পদত্যাগের কথাও বিবেচনা করতে পারেন।" এবার প্রথম স্কোয়াড ঘোষণাতেই তিনি আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সাবেক লিভারপুল কোচ।
বৃহস্পতিবার ঘোষিত তালিকায় এমন অনেক ফুটবলার রয়েছেন, যারা এখনও জার্মানির সিনিয়র জাতীয় দলে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন। তাদের মধ্যে এলভার্সবার্গের মিডফিল্ডার ফেলিক্স কেইডেল এবং আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের ফরোয়ার্ড ইউনেস এবনুতালিব উল্লেখযোগ্য। শীর্ষ বিভাগের ক্লাব ফুটবলেও তাদের অভিজ্ঞতা এখনো সীমিত।
নেশন্স লিগের লিগ পর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, প্রতিটি ম্যাচের আগে মধ্যরাতের মধ্যে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা জমা দিতে হয়। তবে এক ম্যাচের পর পরের ম্যাচে সেই তালিকায় পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে। এই নিয়মের মধ্যেই ৪৪ জনকে দুই স্কোয়াডে ভাগ করে পরীক্ষা করতে চাইছেন ক্লপ।
বিশ্বকাপে তিন গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে জার্মানির সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া দেনিজ উন্দাভের বাদ পড়াটিই সবচেয়ে বড় চমক। জাতীয় দলের হয়ে ৮০ ম্যাচ খেলা লেরয় সানেও এবার দলে না থাকায় আপাতত তার আন্তর্জাতিক ম্যাচসংখ্যা আর বাড়ছে না।
জার্মানি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নেশন্স লিগ অভিযান শুরু করবে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর গ্রিস এবং ১ অক্টোবর সার্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। ৪ অক্টোবর আবারও গ্রিসের বিপক্ষে মাঠে নামবে ক্লপের দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ময়মনসিংহ নগরীর ঐতিহ্যবাহী সিটি কলেজিয়েট স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮ জন শিক্ষার্থীকে গাছের চারা উপহার প্রদান করেন, স্থানীয় সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয়ের ৬ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা শেষে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বিদ্যালয়ে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে সভাপতি বরাবরে লিখিত আবেদন জানান।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বলেন, ১৪৩ বছর বয়সী ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট স্কুলটি ১৮৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ছিল এ অঞ্চলের শিক্ষা ক্ষেত্রের আলোর দিশারী। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
এ কারণে নতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশ এবং সুশিক্ষিত নাগরিক গড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টিতে এ প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণের দাবি রাখে। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এ দাবি শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ. মান্নান, অভিভাবক সদস্য আলী ইউসুফ, শিক্ষক প্রতিনিধি আ. হাকিম, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক টুটু, বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গোবিন্দ রায় প্রমুখ।
পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনের অভ্যন্তরে নবনির্মিত অভিভাবক ছাউনী উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য (এমপি) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এর আগে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা ব্যবস্থা আরো সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং বিদায়ি সাক্ষাৎ করলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি মন্তব্য করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ভিসা ব্যবস্থা সহজ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, "দুই দেশের ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অংশীদারির ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারণ করার জন্য" এই উদ্যোগ জরুরি।
এ সময় রাষ্ট্রদূত দুই রাজধানীর মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন ও উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তার ভিয়েতনাম সফরকালে উষ্ণ আতিথেয়তার স্মৃতিচারণা করেন। তিনি দুই দেশের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, "দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যকে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।" তিনি বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিযোগ্য পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির জন্য ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বিদায়ি রাষ্ট্রদূতকে তার সফল কর্মকাল এবং বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরও তিনি দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবেন।
রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করেন এবং ভিয়েতনামের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিববৃন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মহসেন রেজায়ি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দেশটির বিন্দুমাত্র আস্থা বা বিশ্বাস নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তেহরানের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হলে ওয়াশিংটনকে কেবল কথার মাধ্যমে নয়, বরং বাস্তবমুখী এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
একটি বিবৃতিতে সাবেক রেভল্যুশনারি গার্ডস কমান্ডার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে চলা টানাপোড়েন এবং অবিশ্বাসের অবসান ঘটানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আচরণগত পরিবর্তন অপরিহার্য। তিনি সতর্ক করে দেন যে, ফাঁকা বুলি বা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে কোনো আলোচনা হতে পারে না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন এবং ইরানের ওপর অব্যাহত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে তেহরানের মনে গভীর সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে যেকোনো দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতা বা আলোচনা শুরু করার জন্য ওয়াশিংটনকে অবশ্যই নিজেদের সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে হবে এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং পরমাণু সমঝোতা নিয়ে চলমান অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে ইরানি শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকে এমন কঠোর বার্তা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক শীতলতা আরো স্পষ্ট করে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, "উন্নয়ন হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সবার জন্য।" তিনি উল্লেখ করেছেন, উন্নয়ন সম্ভব নয় যদি কাউকে পিছিয়ে রাখা হয়। সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছানো আবশ্যক। একই সঙ্গে, উন্নয়নকে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি হতে হবে, যাতে বর্তমান প্রজন্মের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এর সুফল ভোগ করতে পারে।
ঝালকাঠি জেলা পরিষদ সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত ‘ঝালকাঠি জেলার উন্নয়ন ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জিয়াউদ্দিন হায়দার আরও বলেন, জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের সময় স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোসহ সকল খাতের উন্নয়ন সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি বলেন, ঝালকাঠির সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। পর্যটনসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরো জোরদার করা প্রয়োজন।
জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা, সম্ভাবনা ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন, পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়না এবং প্রেসক্লাব সভাপতি অ্যাডভোকেট আককাস সিকদার। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা সভায় অংশ নেন।
সভায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা জেলার বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ