বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৭ পি.এম
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মহসেন রেজায়ি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দেশটির বিন্দুমাত্র আস্থা বা বিশ্বাস নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তেহরানের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হলে ওয়াশিংটনকে কেবল কথার মাধ্যমে নয়, বরং বাস্তবমুখী এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
একটি বিবৃতিতে সাবেক রেভল্যুশনারি গার্ডস কমান্ডার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে চলা টানাপোড়েন এবং অবিশ্বাসের অবসান ঘটানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আচরণগত পরিবর্তন অপরিহার্য। তিনি সতর্ক করে দেন যে, ফাঁকা বুলি বা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে কোনো আলোচনা হতে পারে না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন এবং ইরানের ওপর অব্যাহত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে তেহরানের মনে গভীর সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে যেকোনো দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতা বা আলোচনা শুরু করার জন্য ওয়াশিংটনকে অবশ্যই নিজেদের সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে হবে এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং পরমাণু সমঝোতা নিয়ে চলমান অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে ইরানি শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকে এমন কঠোর বার্তা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক শীতলতা আরো স্পষ্ট করে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, "উন্নয়ন হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সবার জন্য।" তিনি উল্লেখ করেছেন, উন্নয়ন সম্ভব নয় যদি কাউকে পিছিয়ে রাখা হয়। সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছানো আবশ্যক। একই সঙ্গে, উন্নয়নকে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি হতে হবে, যাতে বর্তমান প্রজন্মের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এর সুফল ভোগ করতে পারে।
ঝালকাঠি জেলা পরিষদ সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত ‘ঝালকাঠি জেলার উন্নয়ন ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জিয়াউদ্দিন হায়দার আরও বলেন, জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের সময় স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোসহ সকল খাতের উন্নয়ন সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি বলেন, ঝালকাঠির সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। পর্যটনসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরো জোরদার করা প্রয়োজন।
জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা, সম্ভাবনা ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন, পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়না এবং প্রেসক্লাব সভাপতি অ্যাডভোকেট আককাস সিকদার। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা সভায় অংশ নেন।
সভায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা জেলার বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বারবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগের পরেও কোনো কার্যকরী প্রতিকার পাওয়া যায়নি। অবশেষে, পথকুকুরের সমস্যা সমাধানে ছয় মাসের অবহেলার বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদে নামলেন ভারতের শিবসেনার (ইউবিটি) যুব শাখার সদস্যরা। ক্ষুব্ধ কর্মীরা নগর পঞ্চায়েতের প্রধান কর্মকর্তার অফিসে প্রবেশ করে, সরাসরি তার কাজের টেবিলে চারটি বস্তাবন্দী পথকুকুর ছেড়ে দেন। এই ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার নিফাদ নগর পঞ্চায়েত দপ্তরে।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঘটনার একটি ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে এই খবর প্রকাশ করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, শিবসেনার যুব শাখার জেলা প্রধান বিক্রম রনধাভে একটি বস্তার মুখ খুলে কর্মকর্তা ধীরজ ভামরের টেবিলের ওপর একটি কুকুর ছেড়ে দিচ্ছেন। এমন আচরণে আতঙ্কিত হয়ে ওই কর্মকর্তা তার আসন থেকে উঠে যান। এরপর আরও তিনটি পথকুকুর কক্ষে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কুকুরগুলো ছেড়ে দেওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। বিক্রম রনধাভে অভিযোগ করেন, গত ছয় মাস ধরে ছবি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও প্রধান কর্মকর্তা কোনো গুরুত্ব দেননি। এলাকায় গণেশ উৎসব চলাকালীন পথকুকুরের তাড়া ও কামড়ে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে ছোট শিশুরা আতঙ্কিত হয়ে দিন কাটাচ্ছে। প্রতিবাদকারীরা জানান, কর্মকর্তা জনসেবার পরিবর্তে টেন্ডারের কাজে ব্যস্ত থাকায় তারা এই প্রতিবাদে বাধ্য হয়েছেন।
প্রতিবাদী যুব নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি আগামী আট দিনের মধ্যে নিফাদ এলাকায় পথকুকুর নিয়ন্ত্রণে কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে পঞ্চায়েত দপ্তরে আরও বিপুল সংখ্যক কুকুর ছেড়ে দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামে দীর্ঘ সময় পর ভারি বৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড করেছে। বৃষ্টির সঙ্গে নদ-নদীর পানির স্তরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রধান চারটি নদী—তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র—এর পানি ধীর গতিতে বাড়ছে। যদিও সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে, তিস্তার পানি বিপৎসীমার মাত্র ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজারহাট উপজেলার তিস্তার চর গতিয়াশাম, চর খিতাবখাসহ কয়েকটি চরের আমন ক্ষেত নিমজ্জিত হয়ে গেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, যদি পানি আরো বাড়ে, তবে ফসলের ক্ষেত তলিয়ে যেতে পারে।
এদিকে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে প্রধান নদীর কিছু পয়েন্টে ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সদর, উলিপুর, ভুরুঙ্গামারী এবং চিলমারীর কয়েকটি চরে ভাঙন বেড়ে গেছে। ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
আরো পড়ুন
সারা দেশে আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জেলার ২০টি পয়েন্টে কম বেশি ভাঙন দেখা যাচ্ছে। তবে ৩-৪টি পয়েন্টকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে তারা প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়েছেন।
অন্যদিকে, অল্প সময়ে অধিক বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম শহরের কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর, জেলা জজ আদালত, পুলিশ সুপার কার্যালয় ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগামী সড়ক নিমজ্জিত অবস্থায় দেখা যায়। এসব এলাকায় হাঁটু পানি ভেঙে অনেককে যানবাহন ও হেঁটে চলাচল করতে দেখা যায়। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
তবে বৃষ্টির কারণে আমন ফসলের ফলন বাড়বে বলে স্থানীয় কৃষি বিভাগের ধারণা। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শষ্য) মেহেদী হাসান জানান, কৃষকের বহু প্রত্যাশিত এই বৃষ্টির ফলে আমনের জমিতে সার অধিক কার্যকর হবে এবং ফলন অনেক ভালো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন।
সভায় ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীমসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভাটি তিনটি পৃথক পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। এরপর দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা ও পরিচালকদের সঙ্গে এবং সর্বশেষ বেলা ১টা পর্যন্ত কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন উপাচার্য।
পৃথকভাবে তিন সভাতে উপাচার্য সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এসময় উপস্থিত শিক্ষকেরা জানান, উপাচার্যের এমন উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা উদঘাটন, পরিকল্পনা নিরূপণ ও সমস্যার সমাধানে সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কাজ করে যাবে বলে জানান তারা।
শিক্ষকদের সাথে সভায় বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সৌন্দর্যের মধ্যে নয়। এর মূল শক্তি হলো শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রতিটি মানুষের মেধা, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সততার সমবেত প্রচেষ্টা।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় তার শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রস্তুত হয়। তাই বাকৃবিকে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক, গতিশীল ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে সবাইকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও ঐক্যের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।”
তিনি উল্লেখ করেন, “খাদ্য এবং পুষ্টি নিরাপত্তায় বাকৃবির ভূমিকা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় একটু দূরে ময়মনসিংহে থাকাতে আমরা সুযোগ একটু কম পাই। যারা ঢাকায় আশেপাশে থাকে, তারা সুযোগ বেশি পায়। সেজন্য আমাদের এদিকে একটু খেয়াল রেখে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের শিক্ষকরা বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করছেন। এত গবেষণা বাংলাদেশের কোথাও হয় না। এত মাস্টার্স, পিএইচডি বাংলাদেশের কোনো ভার্সিটিতে হয় না। এটা আমাদের একটা বড় একটা অর্জন এবং সুযোগ। এই সুয়োগ কাজে লাগিয়ে আমরা এগিয়ে যাব।”
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশৃঙ্খল, সৎ ও দক্ষ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাব নেই। আমি তাঁদের কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করতে চাই। তবে কেউ যদি মনের অজান্তে নিজেকে কোনো ভুল পথে পরিচালিত করে থাকেন, তাঁরা নিজের দুর্বলতাগুলো দূর করে নিজেদের খাঁটি মানবসম্পদে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করবেন। সময়মতো অফিসে আসা, ক্লাস নেওয়া, গবেষণা পরিচালনা করা, এটাই আমাদের আসলে মূল উদ্দেশ্য।”
তিনি সকলকে বলেন, “আপনারা আপনাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন। আমরা প্রতিজ্ঞা করি, আজ থেকে আমরা হাতে হাত মিলিয়ে ন্যায়নীতির ওপর প্রস্তুত থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও উন্নত করে যেন আমাদের প্রতিটি ঐতিহ্য আরও গৌরবময় ইতিহাসে রূপান্তর করতে পারি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ