প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামে দীর্ঘ সময় পর ভারি বৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড করেছে। বৃষ্টির সঙ্গে নদ-নদীর পানির স্তরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রধান চারটি নদী—তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র—এর পানি ধীর গতিতে বাড়ছে। যদিও সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে, তিস্তার পানি বিপৎসীমার মাত্র ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজারহাট উপজেলার তিস্তার চর গতিয়াশাম, চর খিতাবখাসহ কয়েকটি চরের আমন ক্ষেত নিমজ্জিত হয়ে গেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, যদি পানি আরো বাড়ে, তবে ফসলের ক্ষেত তলিয়ে যেতে পারে।
এদিকে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে প্রধান নদীর কিছু পয়েন্টে ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সদর, উলিপুর, ভুরুঙ্গামারী এবং চিলমারীর কয়েকটি চরে ভাঙন বেড়ে গেছে। ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
আরো পড়ুন
সারা দেশে আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জেলার ২০টি পয়েন্টে কম বেশি ভাঙন দেখা যাচ্ছে। তবে ৩-৪টি পয়েন্টকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে তারা প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়েছেন।
অন্যদিকে, অল্প সময়ে অধিক বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম শহরের কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর, জেলা জজ আদালত, পুলিশ সুপার কার্যালয় ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগামী সড়ক নিমজ্জিত অবস্থায় দেখা যায়। এসব এলাকায় হাঁটু পানি ভেঙে অনেককে যানবাহন ও হেঁটে চলাচল করতে দেখা যায়। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
তবে বৃষ্টির কারণে আমন ফসলের ফলন বাড়বে বলে স্থানীয় কৃষি বিভাগের ধারণা। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শষ্য) মেহেদী হাসান জানান, কৃষকের বহু প্রত্যাশিত এই বৃষ্টির ফলে আমনের জমিতে সার অধিক কার্যকর হবে এবং ফলন অনেক ভালো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন