ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ-ভারত করমর্দনের অপেক্ষা, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও হয়নি


বাংলাদেশ-ভারত করমর্দনের অপেক্ষা, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও হয়নি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একটি করমর্দনের অপেক্ষা চলছে। তবে, এখনো এর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো চূড়ান্ত তারিখ, সফরসূচি বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশ করা হয়নি। সফরের সম্ভাব্য সময় হিসেবে নভেম্বর মাসের কথা বলা হলেও, দুই পক্ষই আগে রাজনৈতিক পরিবেশের অনুকূলতা খুঁজে বের করতে চাইছে।

ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতাদের করমর্দন শুধুমাত্র ছবি তোলার আনুষ্ঠানিকতা নয়। বরং, ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, বাণিজ্য এবং দীর্ঘ অভিন্ন সীমান্তে আবদ্ধ দুই প্রতিবেশীর মধ্যে গভীর অবিশ্বাসের সময় পেরিয়ে কার্যকর সম্পর্ক পুনর্গঠনের সম্ভাবনা নির্দেশ করবে এই সাক্ষাৎ।

বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তারেক রহমানের আবির্ভাব এই সুযোগ তৈরি করেছে। তবে, এই সফর সম্পর্কের মোড় ঘোরানোর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে কি না, তা নির্ভর করবে আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে দুই সরকার কী নিয়ে আলোচনা, সমঝোতা এবং বাস্তবায়ন করতে প্রস্তুত, তার ওপর।

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

নির্বাসন থেকে প্রত্যাবর্তন

প্রায় ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফেরেন তারেক রহমান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে বড় পরিবর্তন আসে, সেই প্রেক্ষাপটে তার প্রত্যাবর্তন ঘটে। তার দেশে ফেরা ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জন্য একটি আবেগঘন মুহূর্ত।

তারেক রহমান এমন সময়ে দেশে ফেরেন, যখন বাংলাদেশ রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চাপের মুখে, অর্থনীতি সংকটে এবং জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। দেশে ফেরার কয়েক দিন পরই মারা যান তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার জানাজায় ঢাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে এবং বিভিন্ন দেশের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তারেক রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার শক্তিশালী হলেও জটিলতামুক্ত নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী ইতিহাসে তার বাবা, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মা বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। এই উত্তরাধিকার বিএনপির ভেতরে তারেক রহমানের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে, বংশানুক্রমিক রাজনীতি, তার নিজস্ব রাজনৈতিক রেকর্ড এবং বিরোধী দলে থাকার সময়কার অভিযোগ নিয়ে তাকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৩৬ জেলায় ১০১ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

নির্বাসিত জীবনে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের কিংস্টনে থাকতেন তিনি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের ব্যস্ততা থেকে দূরে তার জীবনযাপন ছিল তুলনামূলক শান্ত। রিচমন্ড পার্কে হাঁটা এবং ইতিহাসের বই পড়া ছিল তার পছন্দের কাজগুলোর মধ্যে।

টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাকে স্বল্পভাষী ও চিন্তাশীল হিসেবে দেখা গেছে। সেখানে দেশের চ্যালেঞ্জ এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। যুক্তরাজ্যে সাধারণ জীবনযাপনের স্বাধীনতা (যেমন জনসাধারণের ভিড় কিংবা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের চাপ ছাড়াই হাঁটতে পারা) নিয়েও তিনি কথা বলেছেন।

দেশে ফেরার পর আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন তিনি। তবে, এখন তার জীবন নিরাপত্তা, দায়িত্ব ও জন-প্রত্যাশার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। নির্বাসিত জীবনে অর্জিত দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের শাসন পরিচালনায় কতটা কাজে লাগে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এদিকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিএনপি। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন হয়। তবে, এখন তার দায়িত্ব কেবল ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত বোধ করা একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়া নয়; বরং বিভক্ত একটি দেশকে পরিচালনা করা।

আরও পড়ুন: জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন

দিল্লির বার্তা

ভারতের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সংকেত আসে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর। তার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এ সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত শোকবার্তা তার হাতে তুলে দেন।

ওই সময় জয়শঙ্কর আশা প্রকাশ করেন, খালেদা জিয়ার ‘দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ’ দুই প্রতিবেশীর অংশীদারত্বের বিকাশে পথ দেখাবে। কারণ শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ভারতে তার অবস্থান, দেশত্যাগের পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েনের কারণ হয়ে ওঠে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রনীতি দিল্লির সঙ্গে আগের তুলনায় কম ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হয়। নিরাপত্তা, প্রকাশ্য বক্তব্য ও দ্বিপক্ষীয় প্রত্যাশা নিয়েও মতপার্থক্য তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট: এসিল্যান্ডকে সিলেটে সংযুক্তি

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারতের বিভিন্ন কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলোকে স্পষ্ট করা জরুরি ছিল। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। অন্যদিকে, এস জয়শঙ্কর ঢাকায় এসে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুটি ঘটনাই ভারতের আনুষ্ঠানিক শোক প্রকাশের অংশ হলেও এগুলো আলাদা ঘটনা।

নির্বাচনের পরও বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে ভারত। বিএনপির বিজয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে টেলিফোনে তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত থাকবে।’ দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক জোরদার এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে তারেক রহমানের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন মোদি।

এই বক্তব্য সহযোগিতার পথ খুলে দিয়েছে, তবে দুই দেশের কঠিন সমস্যাগুলো মিটে গেছে—এমন ইঙ্গিত দেয়নি। একই সঙ্গে নেতাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের বদলে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বাগত

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন

তারেক রহমানের বিজয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিএনপি ও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আঞ্চলিক সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা এগিয়ে নিতে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ওয়াশিংটন। চীনও নির্বাচনে বিজয়কে স্বাগত জানিয়ে নতুন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করার প্রস্তুতির কথা জানায়। এসব বার্তা থেকে বোঝা যায়, বড় শক্তি ও আঞ্চলিক অংশীদাররা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়।

তারেক রহমানের জন্য এই আন্তর্জাতিক মনোযোগ যেমন সুযোগ তৈরি করেছে, তেমনি চাপও বাড়িয়েছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন বিনিয়োগ, রপ্তানি বাজার, জ্বালানি নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান। একই সঙ্গে কোনো একটি বহিরাগত শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে নিজস্ব স্বার্থে নীতি গ্রহণের সুযোগও ধরে রাখতে হবে।

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কোনো একটি শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এড়ানোর কথা বলেছেন। দিল্লি, বেইজিং ও ওয়াশিংটন তার এই ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি দেশটির নিজস্ব অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে; শুধু ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে ভারত রাজনৈতিক সমন্বয় ধরে রাখতে পারে না। একইভাবে, বাংলাদেশের পক্ষেও সবচেয়ে বড় প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কের বাস্তবতা উপেক্ষা করা সম্ভব নয়।

ভারতের প্রতি তারেক রহমানের অবস্থান মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বক্তব্যের পাশাপাশি তার সরকারের পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে নয়াদিল্লিতে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।

আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার ৫ লাখ টাকা ছিনতাই

অন্যদিকে, বিএনপির ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি এবং কোনো একটি শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এড়ানোর প্রতিশ্রুতি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির ইঙ্গিত দেয়। সেই ভারসাম্যের পরীক্ষায় থাকবে তিস্তার পানিবণ্টন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের মতো অমীমাংসিত বিষয়।

দূত নিয়োগ ও নতুন সম্ভাবনা

বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দীনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দেওয়া দিল্লির পক্ষ থেকে সম্পর্ককে নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব দেওয়ার আরেকটি সংকেত। ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ত্রিবেদীর মতো একজন রাজনীতিবিদের এ পদে নিয়োগ ব্যতিক্রমী, কারণ সাধারণত পেশাদার কূটনীতিকেরাই এ দায়িত্ব পালন করেন। দুই দেশ যখন আগের সময়ের টানাপোড়েন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে, তখনই ঢাকায় আসেন তিনি।

বাংলাদেশও কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগে ভারতের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। তিনি এম রিয়াজ হামিদুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হবেন। হামিদুল্লাহ জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।

দায়িত্বরত পররাষ্ট্রসচিবকে নয়াদিল্লিতে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানো হলে ওই পদে কূটনৈতিক গুরুত্ব বাড়ে। এতে একজন জ্যেষ্ঠ পেশাদার কূটনীতিক দুই দেশের নিয়মিত যোগাযোগ পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং অমীমাংসিত মতপার্থক্য সমাধানের প্রচেষ্টার কেন্দ্রে থাকবেন। গত ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়োগে অনুমোদনের খবর প্রকাশিত হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় তখনো নিশ্চিত হয়নি।

তবে, শুধু দূত নিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক বিরোধের সমাধান সম্ভব নয়। নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে দুই সরকার ধারাবাহিকভাবে এবং প্রকাশ্য বিরোধ কমিয়ে কঠিন বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে পারলে এ নিয়োগের সুফল পাওয়া যাবে।

এদিকে সম্ভাব্য নভেম্বরের সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হাইকমিশনার ত্রিবেদী সংযতভাবে বলেন, ভারতের আমন্ত্রণ এখনো বহাল রয়েছে এবং তাড়াহুড়ার প্রয়োজন নেই।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও জানিয়েছেন, আলোচনা চলছে। তবে সফরের জন্য দুই পক্ষের অনুকূল পরিবেশ ও পারস্পরিক সম্মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তারিখ নিয়ে জল্পনার চেয়ে এসব বক্তব্য বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। এতে বোঝা যায়, অর্থবহ ফল পেতে প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফরের আগে প্রস্তুতি প্রয়োজন বলে দুই পক্ষই স্বীকার করছে। তাড়াহুড়ো করে আয়োজিত বৈঠক সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম তৈরি করতে পারে; আর সতর্ক প্রস্তুতির মাধ্যমে আয়োজিত বৈঠক পরবর্তী কাজের জন্য কার্যকর কাঠামো তৈরি করতে পারে।

ছবির বাইরেও সম্পর্কের বাস্তবতা

আরও কার্যকর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক থেকে দুই দেশ নানা বাস্তব সুবিধা পেতে পারে। উন্নত পরিবহন যোগাযোগ ব্যবসার ব্যয় কমাতে এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে পারে। নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সহযোগিতা শিল্প ও গৃহস্থালি—উভয় ক্ষেত্রেই সহায়ক হতে পারে। শিক্ষার্থী, রোগী, পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ করতে পারে পূর্বানুমানযোগ্য ভিসাব্যবস্থা। ভৌগোলিক নৈকট্যের সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক বাধাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করা সম্ভব।

তবে অগ্রগতির জন্য পারস্পরিক ছাড় ও সহযোগিতা প্রয়োজন। পানিবণ্টন, বাণিজ্য এবং বিদ্যমান চুক্তিগুলো থেকে সুবিধা পাওয়ার ভারসাম্য নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ শুনতে হবে ভারতকে। অন্যদিকে, নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ মোকাবিলা করতে হবে বাংলাদেশকে। দ্বিপক্ষীয় মতপার্থক্য যেন বৈরিতার অজুহাত না হয়ে ওঠে, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো দেশই অপর পক্ষের কাছে প্রতিটি দাবি মেনে নেওয়ার প্রত্যাশা করতে পারে না; তবে সুনির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য ফল বয়ে আনে—এমন প্রক্রিয়া উভয়ের জন্যই লাভজনক হতে পারে।

যোগাযোগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পানিবণ্টন, ভিসা ও যাতায়াত এবং দুই দেশের নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ—সবকিছু নিয়েই ধারাবাহিক মনোযোগ প্রয়োজন। তিস্তার পানিবণ্টন বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে সংবেদনশীল বিষয়। অন্যদিকে, আন্তসীমান্ত নিরাপত্তা ও বৃহত্তর আঞ্চলিক ভারসাম্য নিয়ে ভারতেরও উদ্বেগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেফাজতের নেতৃত্বে ৭ দলের ঐক্য অযোগ্য: মনির হোসাইন কাসেমী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


হেফাজতের নেতৃত্বে ৭ দলের ঐক্য অযোগ্য: মনির হোসাইন কাসেমী

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী মন্তব্য করেছেন যে, কওমিভিত্তিক সাতটি রাজনৈতিক দলের ঐক্যের প্রচেষ্টা হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তিনি এই উদ্যোগকে ‘ভুল পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, কারণ এটি সংগঠনটির মূল আদর্শের পরিপন্থি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই এই ঐক্য সম্ভব বলে আমি মনে করি না। বাকি যদি কোনো মিরাকল বা অলৌকিক কিছু ঘটে যায়, তবে সেটার জন্য সাধুবাদ জানাব।’ তিনি উল্লেখ করেন যে, হেফাজতে ইসলামের দায়িত্বে থাকা কিছু ব্যক্তি—যাঁরা সরাসরি রাজনীতি করেন না—হয়তো সরলতা, উদারতা বা অনভিজ্ঞতার কারণে দলগুলোকে এক করার চেষ্টা করছেন। তবে, এই উদ্যোগ বর্তমান সময়ের বাস্তব চাহিদা নয় এবং হেফাজতে ইসলামের চরিত্রের সাথে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

হেফাজতের স্বাতন্ত্র্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে একটি অরাজনৈতিক ও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এই সংগঠনের ব্যানারে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে পারে না এবং এটাই বাস্তব সত্য। যারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন বা নিচ্ছেন, তা অতীতেও ভুল ছিল, এখনও ভুল এবং ভবিষ্যতেও ভুল হিসেবেই গণ্য হবে। এই ভুল পদক্ষেপের খেসারত একসময় আমাদের দিতে হতে পারে।’

তিনি আরো জানান যে, রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার বা ঐক্য গড়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ব্যক্তিগত বা দলীয়ভাবে যে কেউ আলোচনা চালিয়ে যেতে পারেন। তবে, সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নাম বা তত্ত্বাবধান যুক্ত করা সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করেন যে, দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের সাধারণ নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা সংগঠনটিকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলাকে কখনোই ভালো চোখে দেখবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

যশোর, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ২৫০ শয্যার যশোর জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি থাকায় চিকিৎসা সামগ্রীর সংকট সমাধানের জন্য ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ যশোর সার্কিট হাউসে সিভিল সার্জন এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কাছে এসব চিকিৎসা সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

হিউম্যান অ্যাপিল ইউএসএ’র সহযোগিতায় সরবরাহিত এসব সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ব্যথানাশক ইনজেকশন, বয়স্ক রোগীদের জন্য প্যাম্পার্স, গ্লাভস, ক্যানোলা, চিকিৎসকদের পোশাক এবং অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন যে, বিতরণ করা চিকিৎসা সামগ্রী যেন হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা যথাযথভাবে বিনামূল্যে গ্রহণ করতে পারেন। তিনি চিকিৎসা উপকরণের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং রোগীদের কাছে সেবা পৌঁছানোর বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে নিয়মিতভাবে রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে থাকে। অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর সংকট দেখা দেয়। এ অবস্থায় সরবরাহ করা এসব উপকরণ রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদানে সহায়ক হবে।

চিকিৎসা সামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত এবং সিভিল সার্জন মাসুদ রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদে নিহত বাংলাদেশি শ্রমিক মো. শাহেদ আহমেদের মরদেহ গ্রহণ করলেন শামা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


রিয়াদে নিহত বাংলাদেশি শ্রমিক মো. শাহেদ আহমেদের মরদেহ গ্রহণ করলেন শামা

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১০ অক্টোবরের হামলায় নিহত বাংলাদেশি শ্রমিক মো. শাহেদ আহমেদের মরদেহ গ্রহণ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

মরদেহ বহনকারী ফ্লাইটটি আজ সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে  হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

মরদেহ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় শামা ওবায়েদ বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত মরদেহটি দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তিনি (শাহেদ) বগুড়ার শাহজাহানপুরের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর দুই সন্তান রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর এ পর্যন্ত আমরা ১০ জন প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনেছি। তিনি ১১তম।’

শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহটি তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সৌদি আরবে চার কোটিরও বেশি বাংলাদেশি বসবাস করেন। ‘সে কারণেই সেখানে কোনো ঘটনা ঘটলে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন থাকি,’ বলেন তিনি।

সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়ে জানতে চাইলে শামা বলেন, ওই দুই ব্যক্তির বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে সরকার আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি দেশের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে অনেক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনাটি ২০২৩ সালে ঘটেছিল।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি কারাগারে রয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো নাগরিকের সাজা হওয়ার খবর মন্ত্রণালয় জানতে পারলেই তাঁদের রক্ষার উপায় খুঁজতে আমরা দ্রুত চেষ্টা শুরু করি।’

বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের গন্তব্য দেশের আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে আগে থেকেই জানার আহ্বান জানান শামা।

তিনি বলেন, ‘আমরা এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি এবং আমাদের মিশনগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।’

বিদেশে কর্মী নিয়োগের ব্যয় প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দালালদের কারণে অভিবাসী কর্মীদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রী তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জর্ডানে গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৭ নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


জর্ডানে গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৭ নিহত

জর্ডানের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি গির্জায় আয়োজিত শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল 'আল-মামলাকা' এই ঘটনার খবর প্রকাশ করেছে।

শুক্রবার, কারাক গভর্নরেটের হামুদ গির্জায় একটি শেষকৃত্যের মিছিল চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি গাড়ি থেকে দুই বন্দুকধারী নেমে হামুদ গির্জায় এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।

হামলার সময় সেখানে উপস্থিত থাকা খালেদ বুরকান নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী আল-মামলাকাকে জানান, সেখানে বহু মানুষের সমাগম ছিল। হঠাৎ রাইফেল ও পিস্তল হাতে দুই ব্যক্তি এসে তাদের ওপর কয়েক মিনিট ধরে টানা গুলি বর্ষণ করে।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গির্জায় উপস্থিত হয়ে এলাকাটি ঘিরে ফেলেন এবং হামলাকারীদের ধরতে অভিযান শুরু করেন।

এ হামলার দায় এখনো কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। জর্ডান কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে হামলাকারীদের পরিচয় বা দায়ীদের বিষয়ে কিছু জানায়নি।

সাধারণত, জর্ডানে এ ধরনের সহিংসতার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে তুলনামূলক স্থিতিশীল এই দেশটি ক্রমাগত ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%