ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর সিলেবাস অনুযায়ী, এই পরীক্ষা ১১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন পরীক্ষার শুরু সময় দুপুর ১টায় নির্ধারিত হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বুধবার (৭ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার অধিকার সংরক্ষণ করে, এবং এ জন্য কোনো কারণ উল্লেখ করতে হবে না।

আরও পড়ুন: কবি নজরুল কলেজে পানির ফিল্টার নষ্ট, শিক্ষার্থীরা বিপাকে

বিস্তারিত পরীক্ষার সময়সূচি দেখুন এখানে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে জমিয়তের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে জমিয়তের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

বেসরকারি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের ন্যায্য দাবি আদায়ে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা উল্লেখ করেন, মাদরাসা শিক্ষা ও শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিকার আদায়ে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তারা বিশ্বাস করেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সংগঠনের নেতৃত্বেই শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি আদায় হবে ইনশাআল্লাহ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ভোলা আলিয়া মাদরাসার হলরুমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ভোলা সদর উপজেলা সম্মেলন–২০২৬-এ বক্তারা এসব কথা বলেন। সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ভোলা সদর উপজেলা সভাপতি অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল লতিফ।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব, বরিশাল অঞ্চল সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব এবং ভোলা দারুল হাদিস কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মদ মোবাশ্বিরুল হক নাঈম।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভোলা জেলা জমিয়াতুল মোদাররেছীনের সভাপতি ও বোরহানউদ্দিন কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহাম্মদ উল্লাহ আনছারী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সাবেক জেলা সভাপতি ও করিমজান মহিলা কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল খালেক, জেলা জমিয়াতের সহ সভাপতি ও লালমোহন ইসলামি কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ মোশাররফ হোসেন এবং জেলা জমিয়াতের সহ সভাপতি ও দিদারুল্লাহ ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস ছামাদ।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন জেলা জমিয়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রামগঞ্জ তোফায়েলিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ হোসেন, তজুমদ্দিন উপজেলা জমিয়াতের সভাপতি ও পূর্ব গোলকপুর আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আইউব আলী, বোরহানউদ্দিন উপজেলা জমিয়াতের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মজমের হাট ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ ফয়জুল আলম, সদস্য সচিব ও হাজিরহাট ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ ইউসুফ, চরফ্যাশন উপজেলা জমিয়াতের সদস্য সচিব ও হাচানগঞ্জ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ আবুল কালাম, ভোলা সদর উপজেলা জমিয়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ কোড়ালিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ হারুন এবং সহ সভাপতি ও দক্ষিণ রুহিতা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ মুছা কালিমুল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মদ মোবাশ্বিরুল হক নাঈম বলেন, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদাররেছীন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মাদরাসা শিক্ষা, শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিকার এবং দ্বীনি শিক্ষার স্বকীয়তা রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে।

তিনি জানান, ১৯৩৭ সালের ২ মার্চ মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের ঐতিহ্যবাহী পেশাজীবী সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাদরাসা শিক্ষার অস্তিত্ব রক্ষা, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, বেতন কাঠামো উন্নয়ন, ইনক্রিমেন্ট, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের স্বায়ত্তশাসন, ফাজিল ও কামিলের উচ্চতর ডিগ্রির মর্যাদা, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংগঠনটি একক ভাবে আন্দোলন ও ভূমিকা রেখে আসছে।

তিনি আরও বলেন, জমিয়াতের দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, মাদরাসা শিক্ষার জন্য পৃথক অধিদপ্তর, জনবল কাঠামো প্রণয়ন, মাদরাসা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা-নীতিমালা, নন-এমপিও মাদরাসা এমপিওভুক্তকরণসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ অর্জন এসেছে।

প্রধান অতিথি বলেন, অতীতে মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের যেসব ন্যায্য দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের আন্দোলন ও ঐক্যের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে, ইনশাআল্লাহ বর্তমানের চাকরি জাতীয়করণের দাবিও জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হবে।

তিনি জানান, চলতি অক্টোবর মাসের শেষদিকে ঢাকায় বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের একটি বৃহৎ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতির পরিকল্পনা রয়েছে। এ সম্মেলনকে সফল করতে দেশের মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি আদায়ের এই সময়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বা ষড়যন্ত্রে পা না দিয়ে সংগঠনের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখতে হবে। বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ্ব এ এম এম বাহাউদ্দীন ও সংগ্রামি মহাসচিব অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা সাব্বির আহমেদ মোমতাজীর নেতৃত্বে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কারও কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে, কোনো অপপ্রচারে কান না দিয়ে জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতের সকল ন্যায্য দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মাধ্যমেই পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ।

দেশ স্বাধীনতারপর মরহুম মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.) যখন জমিয়তের হাল ধরেন তখন থেকেই তিনি সাধারণ শিক্ষার সাথে মাদরাসা শিক্ষার বৈষম্য দূরকরণের আপ্রান চেষ্টা করেছেন। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা সৃষ্টির শুরুতেই তাঁর মাধ্যমে এ শিক্ষা স্তরের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করণে জোর দাবি উত্থাপিত হয়েছে। ১৯৮৪ সাল থেকে দীর্ঘ ৪০ বছর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার জন্য কোন নীতিমালা নেই, ২০১৯ সালের ৮ মে বিগত সরকার প্রধান স্বাক্ষরিত নীতিমালা গৃহীত হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। অনতিবিলম্বে ইবতেদায়ী নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে ২৬ হাজার প্রাইমারী স্কুলের ন্যায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাকে জাতীয়করণ করতে হবে।

পশচিম ধনিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ শামছুল আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় মাদরাসা শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। একই শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করে চাকরি জাতীয়করণ করা সময়ের ন্যায্য দাবি। এজন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে কার্যকর আলোচনা এবং সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষক-কর্মচারীদের স্বার্থে ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই বিভ্রান্তি ও বিভাজন পরিহার করে ঐতিহ্যবাহী পেশাজীবী সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে দাবি আদায়ের আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে।

সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন চরফ্যাশন উপজেলা আহবায়ক ও আবুবকরপুর আমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মাজহারুল ইসলাম, দৌলৎখান উপজেলা সেক্রেটারি ও চরপাতা বায়তুল ফালাহ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, তজুমুদ্দিন উপজেলা সেক্রেটারি ও উত্তর চাঁদপুর মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ কামাল উদ্দিন, মনপুরা উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও মনপুরা ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা অজিউল্লাহ ফরহাদ, ভোলা সদর উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সহ সভাপতি ও পরানগঞ্জ ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার আলহাজ্ব মাওলানা মীর মোঃ বেলায়েত হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক ও চরনোয়াবাদ মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ মোশারেফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও রামদাসপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ বাদশাহ আলম, দপ্তর সম্পাদক ও দড়িরাম শংকর মনির উদ্দিন মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন, প্রচার সম্পাদক ও ইলিশা বাঘারহাওলা নেছারিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ মহিববুল্লাহ।

সন্মেলন ভোলা সদর উপজেলার মাদরাসান প্রধান, শিক্ষক ও কর্মচারিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। সন্মেলনকে ঘিরে মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে উৎসাহ- উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

সম্মেলনে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের ভোলা জেলা যুগ্ম সম্পাদক ও ভোলা সদর উপজেলার কোষাধ্যক্ষ এবং দক্ষিণ জামিরালতা ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মরহুম মাওলানা মোঃ শাহজাহানসহ মৃত্যুবরণকারী সকল শিক্ষক-কর্মচারীর রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কটিয়াদীতে ডেঙ্গুর হানা, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ১৬ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


কটিয়াদীতে ডেঙ্গুর হানা, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ১৬ জন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন করে ১৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পেলেও, কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে এখানে একজন মাত্র ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

৬ই অক্টোবর মঙ্গলবার কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক সপ্তাহে জ্বর ও ডেঙ্গুর উপস্বর্গ নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগীদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে ১৬ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এখানে ডেঙ্গু সনাক্তকরণের কীট ও এন এস -১(ঘঝ-১) পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি, ডেঙ্গু রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মশারির ভিতরে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে এবং চিকিৎসক ও নার্সদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সৈয়দ শাহরিয়ার অনিক বলেন, "আবহাওয়া পরিবর্তন ও থেমে থেমে বৃষ্টি আসার কারণে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি ঘটছে।" তিনি আরও বলেন, "ডেঙ্গু রোগের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই মুহূর্তে সামাজিক সচেতনা বাড়ানোই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।"

তিনি আরও বলেন, "বাড়ির আশেপাশে ঝুপঝার, ফুলের টপ কিংবা যেকোনো পাত্রে জমে থাকা পানি তিন দিনের বেশি রাখতে দেওয়া যাবে না।" তাছাড়া, কারো তীব্র জ্বর, শরীর ব্যথা বা বমি ভাব দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পুলিশের ৩ বিশেষ টিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পুলিশের ৩ বিশেষ টিম

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৮৯টি পূজামণ্ডপে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের তিনটি বিশেষ টিম মাঠে কাজ করবে। এর পাশাপাশি ৫৫৪ জন আনসার সদস্যও দায়িত্ব পালন করবেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদের বজ্রকণ্ঠ হলরুমে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ দিদারুল আলম। সভায় উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুকদেব মণ্ডল, সম্পাদক দুলাল চন্দ্র সিকদার, পাঁচ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী, উপজেলা আনসার কর্মকর্তা সালমা আক্তার, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, পূজামণ্ডপের আশপাশের সড়কে কোনো দোকানপাট বা মেলা বসানো যাবে না। যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মণ্ডপগুলোতে দুই শিফটে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, জেনারেটর ও এসি-ডিসি বাতির ব্যবস্থা, রেজিস্টার সংরক্ষণ এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের ডিউটি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এছাড়া, পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ইউএনও মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, টুঙ্গিপাড়ার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এবারের দুর্গাপূজা ৮৯টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। পূজামণ্ডপগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক প্রবেশপথের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

উপজেলা আনসার কর্মকর্তা সালমা আক্তার জানান, ৮৯টি পূজামণ্ডপে মোট ৫৫৪ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি মণ্ডপে আটজন করে মোট ৮০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

ওসি আইয়ুব আলী বলেন, পূজার সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশের তিনটি বিশেষ টিম মাঠে কাজ করবে। এছাড়া ১৬টি কেন্দ্রে ১৬ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৮৯টি মণ্ডপের মধ্যে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভায় ৩টি, পাটগাতী ইউনিয়নে ১১টি, ডুমুরিয়া ইউনিয়নে ২০টি, গোপালপুর ইউনিয়নে ৪৭টি, কুশলী ইউনিয়নে ৪টি এবং বর্ণী ইউনিয়নে ৪টি মণ্ডপ রয়েছে।

আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পূজা শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহেশপুরে ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে কলা ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


মহেশপুরে ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে কলা ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও প্রবল শিলাবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গতকাল রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া এই শিলাবৃষ্টিতে কলা ও বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চাষিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মাঠে মাঠে শিলার আঘাতে লাউ, শিমসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত তছনছ হয়ে গেছে।

​

উপজেলা কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রচণ্ড ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। বিশেষ করে উপজেলার স্বরূপপুর ও শ্যামকুড় ইউনিয়নে ক্ষতির তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। রাতভর বৃষ্টির পর আজ সকালে কৃষকেরা মাঠে গিয়ে এক হাহাকার দৃশ্য দেখতে পান। শিলার আঘাতে কলার পাতা চিরে গেছে এবং অনেক গাছ ভেঙে পড়েছে। একই সঙ্গে শিম, লাউসহ অন্যান্য সবজির মাচা ভেঙে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, ফলে শিলার আঘাতে পচে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে ফলন।

ক্ষতিগ্রস্ত সবজি চাষি নাজমুল হোসেন হতাশা প্রকাশ করে বলেন, "হঠাৎ রাতে এমন শিলাবৃষ্টি হবে তা কল্পনাও করতে পারিনি। সকালে মাঠে গিয়ে দেখি সব শেষ। ঋণের টাকায় চাষ করা সবজি ক্ষেত এক রাতের শিলাবৃষ্টিতে শেষ হয়ে গেল।"

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন সুলতানা জানান, হঠাৎ ঝড় ও শিলাবৃষ্টির ফলে উপজেলার বিশেষ দুটি ইউনিয়নে কলা ও শীতকালীন সবজির ক্ষতি হয়েছে। কতটুকু জমিতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ধারণে কৃষি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মাঠে নেমে কাজ শুরু করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%