সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১২ পি.এম
জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা সুশীল সমাজের উদ্দেশে তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাস ও মানবতা নিয়ে একটি বার্তা প্রদান করেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রতি নিজের গভীর ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরে তিনি রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট প্রকাশ করেন।
পোস্টের শুরুতে তিনি উল্লেখ করেন—‘আমি রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। আমি একজন বাংলাদেশি, বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক এবং একজন গর্বিত মুসলমান। আমার একটি সংগীত জগত আছে, আছে কোটি কোটি প্রিয় ভক্ত যারা আসলে আমার ভালোবাসার আয়না। আমি তাদের এতটাই ভালোবাসি ও সম্মান করি যতটা করি আমার নিজেকে।’
নিজের পরিচয় তুলে ধরে তিনি জানান, ‘আমার বাবা আজিজুল হক মোর্শেদ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডেপুটি ডিরেক্টর এবং সৌখিন সব্যসাচী মানুষ ছিলেন এবং মা মোমেনা জাহান একজন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ এবং সমাজ সেবক। তাদের জন্ম সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে, তবে আমি ঢাকা শহরে জন্ম গ্রহণ করেছি এবং বেড়ে উঠেছি। আমি সমাজসচেতন একজন মানুষ বটে। আমার স্বামী মইনুল ইসলাম খান একজন সুরকার, সংগীত পরিচালক। আমার বিদ্যাশিক্ষায় খুবই আগ্রহ। সারা পৃথিবীর অনেক বিষয়েই আমার প্রবল আগ্রহ। আমি এখনো একজন নিষ্ঠাবান ছাত্রের মতো পড়াশোনা করি।’
কনকচাঁপা বলেন, ‘আমি আমার নিজ ধর্মের মৌলিকত্বে খুবই বিশ্বাস করি। অন্য সব ধর্মকেই আমি সম্মান করি কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি আমার নিজ ধর্ম ইসলামকে, আমার স্রষ্টা আল্লাহকে, এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মোহাম্মদ (স.) কে। আমার এই ভালোলাগা, ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং তা বলার মধ্যে কোন জড়তা নেই, নেই কোন কুণ্ঠাবোধ। আমি ক্ষণে ক্ষণে আল্লাহকে মনে করতে ভালোবাসি, এমনকি মৃত্যুকেও। কারণ আল্লাহকে পেতে হলে আবশ্যম্ভাবী মৃত্যুর দরোজা পার হতেই হবে। সে কারণে আমি মৃত্যুকে আকাঙ্খা করার স্পর্ধা তৈরি করছি খুব ধীরে ধীরে হলেও।’
‘আমি খুব শক্ত ভাবে কেয়ামত, রোজ হাসরের ময়দান, আল্লাহর বিচার এবং বিচার ভোগ করার পরে অনন্ত শান্তিতে বিশ্বাসী। আমার মনে বেহেশতের ছবিও আঁকা। এই পৃথিবী এবং পৃথিবীর সব প্রাণ যেমন ভালোবাসি তেমন বেহেশতের আনন্দিত জীবনও আমাকে অনেক আশান্বিত করে। এই ভাবনা নিয়ে আমার কখনও কোন লজ্জাবোধ নেই।’
জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী বলেন, ‘যারা আমাদের নবীজিকে ব্যাঙ্গ করে, আমার বিশ্বাস নবীজিকে তা জানলে তারা কখনও এই গর্হিত কাজ করতো না। আর এতে ইসলামের এবং নবীজির এবং আমাদের কিছু আসে যায় না। যারা ইসলামের আদবকেতা নিয়ে কটাক্ষ করে তাদেরও আমি গোনায় ধরি না। তাদের জন্য আমার মাছি তাড়ানো তাচ্ছিল্যও নাই।’
‘পড়ার বইয়ের বাইরে আমি অনেক বই পড়েছি এবং পড়ে যাই প্রতিনিয়ত তবে আমাদের নিজস্ব ধর্মগ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন অনেকের মতোই আমার বিস্ময়। আমি আরবীতে কুরআন পড়ি, বাংলাতে আরও বেশি পড়ি এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে। আমি পড়তেই থাকি, পড়তেই থাকি।’
‘অনেকে বলে মানবতাই বড় ধর্ম। অবশ্যই মানুষের মানবিক গুণ থাকতেই হবে কিন্তু আমি যদি ধার্মিক বা ধর্মভীরু হয়ে মানবতার জন্য কাজ করি তাতে আমি কোনো অসুবিধা দেখি না। মানব সেবার অজুহাতে ধর্মীয় বিধি-নিষেধ এড়িয়ে চলা আমার কাছে ফাঁকিবাজি মনে হয়।’
সবশেষ তিনি লেখেন, ‘ধর্মীয় অনুশাসন কখনো অন্যায় কিছু বলে না। সব ধর্মেরই মূল কথা শান্তি। ধর্ম শান্তির কথাই বলে। তবে স্পষ্টতই আমি শান্তির জন্য অন্য ধর্মের অনুশাসন, সাজসজ্জা, উৎসব এগুলো খুঁজি না। মানবতার জন্য কাজ করতে সুশীল হতে হবে আর সুশীল হলেই ধর্মকে অস্বীকার করতে হবে এই ভাবনা গুলো আমার মনে করুণামিশ্রিত হাস্যরসের উদ্রেক করে।’
‘আমি বিশ্বাস করি আমার পরিবারের চেয়ে অন্য পরিবার অনেক স্বচ্ছল অভিজাত হতে পারে কিন্তু আমার পরিবারের, আমার অভিভাবকের বেঁধে দেওয়া নিয়মই আমার শিরোধার্য। আমি মুক্ত কণ্ঠে বলতে চাই মুসলমানের ঘরে জন্মেছি বলে নয়, আমার মনের দৃঢ় বিশ্বাস থেকেই, খুব ভালোবেসে আমি ইসলাম ধর্ম নিজের ক্কলবে ধারণ করেছি। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আপনাদের সবাইকে ভালো রাখুক। আমার জন্য আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপহরণ ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. ইরফান (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি-১৫)।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-২, হোয়াইক্যংয়ের একটি আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
এসআরবি-১৫-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতার ইরফান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপহরণ ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তিনি বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা সৈয়দ আলম ও ফাতেমা খাতুনের ছেলে।
অভিযানকালে তাঁর কাছ থেকে নগদ ১১ হাজার ৫০০ টাকা, পাঁচটি অস্ট্রেলীয় ডলার এবং একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতার ইরফানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এসআরবি-১৫।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলির সংকটের কারণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং দায়িত্বরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান জামিনের জন্য আবেদন করেছেন।
আজ সোমবার মহানগর দায়েরা জজ আদালতে তার জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। জামিন আবেদনের শুনানি পরিচালনা করবেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির।
এর আগে ২ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দুপুরিরপাড় গ্রামে পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আক্তার হোসেন (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি ওই গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে।
রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের পক্ষ থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজমান গণি।
নিহতের পরিবার জানায়, আক্তার হোসেন ও জাহাঙ্গীর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে মাছ ধরার জন্য মেশিন দিয়ে পানি সেচ দিচ্ছিলেন। রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিবেশী আবদুল হালিম এসে মাছ ধরতে নিষেধ করেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে উপস্থিত বাড়ির নারীরা আক্তার ও জাহাঙ্গীরকে বাড়িতে নিয়ে আসার সময় আবদুল হালিমের ছেলে এবং অন্যরা তাদের ওপর হামলা চালায়, ফলে আক্তার হোসেন ও জাহাঙ্গীর আহত হন।
আহত আক্তারকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলমও আহত হয়েছেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজমান গণি জানান, পুকুর থেকে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সিলেট থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি জোট দাবি করেছে যে, তারা হুথিদের সুড়ঙ্গ ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান সমর্থিত হুথিদের হুমকির উৎসগুলো নির্মূল করার উদ্দেশ্যে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
জোটটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করে, অভিযানের ফলে হুথিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত পাঁচটি সুড়ঙ্গ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের চারটি প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে যে, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণের একটি গুদামেও হামলা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোর মধ্যে সরবরাহব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার ওপর অভিযানটির বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জোটটি জানায়, ইয়েমেনের বিভিন্ন সম্মুখযুদ্ধের অবস্থানে হুথিদের প্রতিরক্ষা স্থাপনা, সদস্যদের সমাবেশস্থল এবং সামরিক সরঞ্জামও অভিযানের লক্ষ্যবস্তু ছিল।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ