০৬:৫৮ পি.এম
আদালতের নির্দেশনার দুই বছর অতিবাহিত হলেও কর্ণফুলী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা ও সীমানা জরিপের প্রতিবেদন জমা দিতে সক্ষম হয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে নদীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সীমানা জরিপ সম্পন্ন করে দখলদারদের তালিকা ও প্রতিবেদন দাখিলের জন্য হাইকোর্ট নতুন করে দুই সপ্তাহের সময় নির্ধারণ করেছে।
রোববার বিচারপতি জেবিএম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করে।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) কর্তৃক দায়ের করা জনস্বার্থের মামলায় ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে এবং নদীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সীমানা জরিপের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে, জরিপের মাধ্যমে অবৈধ দখলদারদের তালিকা ও প্রতিবেদন তৈরি করে তিন মাসের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশনাও প্রদান করা হয়। জরিপ অনুযায়ী নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও আদালত প্রদান করে।
আরও পড়ুন: নতুন পররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
কিন্তু নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও প্রতিবেদন জমা না পড়ার কারণে এইচআরপিবি আদালতের দ্বারস্থ হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে করা আবেদনের শুনানি শেষে আদালত নতুন করে দুই সপ্তাহের সময় দেয়।
শুনানির সময় এইচআরপিবির পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, "২০২৩ সালে কর্ণফুলী নদীর সীমানা জরিপ করে অবৈধ দখলদারদের তালিকা ও প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে নদীর দখল ও দূষণ অব্যাহত রয়েছে। এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ওপর।"
মামলায় এইচআরপিবির পক্ষে পিটিশনটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারওয়ার আহাদ চৌধুরী। বিবাদী হিসেবে পরিকল্পনা, নৌপরিবহন, পরিবেশ ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মোট ১৯ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাদীপক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মণ্ডল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) শিহাব উদ্দিন খান।
আরও পড়ুন: বিচারকের বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফ: ব্যারিস্টার সারোয়ারকে ২৬ নভেম্বর হাইকোর্টে তলব
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন