০৭:২৩ পি.এম
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাড়াটিয়াদের প্রাণনাশের হুমকি এবং জমির মালিককে কুপিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রইছ মিয়া ও রতন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের ও ভাড়াটিয়াদের নিরাপত্তা চেয়ে ভৈরব থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন অভিযোগকারী মুজিবুর রহমান।
(৭ নভেম্বর) শনিবার সন্ধায় ভৈরব থানায় এই অভিযোগ করা হয়।
জানাযায়, গেল ৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের গোছামারা এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমিতে এ ঘটনা ঘটে বলে জিডির আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জিডি সূত্রে জানা যায়, মুজিবুর রহমানের সঙ্গে একই এলাকার মো. রইছ (৬০) ও মো. রতন মিয়া (৩৭) নামের দুই জনের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন অভিযুক্তরা বিরোধপূর্ণ জমিতে গিয়ে সেখানে বসবাসরত ভাড়াটিয়াদের জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জ নগর খানপুর গোয়ালপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
জিডিতে মুজিবুর রহমান উল্লেখ করেন, ভাড়াটিয়ারা জমি ছেড়ে না গেলে তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখার হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁকে সুযোগমতো যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানে কুপিয়ে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় আলমগীর হোসেন (৩৫) ও আজিজুর রহমান (৫৮)সহ স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন আবেদনকারী। অভিযুক্তদের হুমকিতে তিনি ও তাঁর জমিতে বসবাসরত ভাড়াটিয়ারা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জিডিতে দাবি করা হয়েছে।
এবিষয়ে মুজিবুরের ভাড়াটিয়া সজল বলেন, আমি আগেও ছিলাম এখনও মুজিবুর রহমান এর ভাড়াটিয়া আছি। কিন্তু ৬ নভেম্বর শুক্রবার রতন মিয়া বলে গেলো আমরা যেন ভাড়াটিয়া দোকান ছেড়ে চলে যেতে।
এদিকে, যেকোনো সময় হামলা ও প্রাণহানির আশঙ্কা থেকে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করার জন্য ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানিয়েছেন মুজিবুর রহমান।
আরও পড়ুন: খুলনায় ‘নূর আজিম গ্রুপের’ ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার
এবিষয়ে অভিযুক্ত রতন মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি কাউকে যেতেও বলিনি হুমকিও দেয়নি। এগুলো মিথ্যা অভিযোগ। তারা এমনিতেই চলে যাবে।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, এ বিষয়ে থানায় সাধারন ডায়েরি হয়েছে। তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন