শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২৬ এম
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি প্রবাসী মো. শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শাহেদের মরদেহ পৌঁছালে তা গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ বহনকারী উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে বিমানবন্দরে তাঁর মরদেহ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
এর আগে শাহেদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে মরদেহ দেশে ফেরানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হয়।
গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় নিহত ১৩ জনের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক শাহেদ আহম্মেদ ছিলেন। ওই ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি প্রাণ হারান। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরি। তিনি ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। হামলায় আহত হন আরও ২৭ বাংলাদেশি।
হামলার ঘটনায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হতাহত হওয়ার পর নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আহতদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে তাঁর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে নিহত শাহেদ আহম্মেদের পরিবারের আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শাহেদের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সা’দ আল ঈসা কন্ট্রাক্টিং কোম্পানি তাঁর বকেয়া বেতন-ভাতা ও সার্ভিস বেনিফিটের অর্থ বাবদ ২৭ হাজার ৩৯৫ দশমিক ৬২ সৌদি রিয়াল রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যাংক হিসাবে জমা দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৭৫ সালের মধ্যে বিশ্বের অগভীর পানির প্রায় সব প্রবালপ্রাচীর চরম বিপন্ন হওয়ার অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন)।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বৈশ্বিক মূল্যায়নের প্রথম এ ধরনের প্রতিবেদনে, বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বিশ্বের ৯৬ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর ব্যবস্থাকে ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। এটি ঝুঁকি মূল্যায়নের সর্বোচ্চ শ্রেণি।
প্রবাল তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীল এবং মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশেষভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে এবং প্রবালের ক্ষতিকর ব্লিচিং বা বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটছে ও তীব্র হচ্ছে।
আইইউসিএনের প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্রের লাল তালিকা মূল্যায়নের বৈজ্ঞানিক প্রধান মিশাল গুদকা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ভবিষ্যৎ হুমকি ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে এবং তা অত্যন্ত গুরুতর। এর ফলে এসব বাস্তুতন্ত্রের টিকে থাকার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।’
জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্যবিষয়ক কপ-১৭ সম্মেলনে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রাকৃতিকভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া ‘সুপার’ এল নিনো পরিস্থিতির উদ্ভবও এ বছর প্রবালের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
আইইউসিএন কপ-১৭ সম্মেলনে তাদের এ মূল্যায়ন তুলে ধরেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় বন্ধ ও তা পুনরুদ্ধারে ঐতিহাসিক চুক্তির বাস্তবায়নে অগ্রগতি অর্জনের জন্য সম্মেলনে সরকারগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।
মূল্যায়নের জন্য আইইউসিএন জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মধ্যম মাত্রার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ২১০০ সালের মধ্যে শিল্পায়ন-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেওয়া গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে বর্তমান আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হলে চলতি শতাব্দীতে তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বলে বুধবার জাতিসংঘ সতর্ক করেছে।
আইইউসিএন এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট তাপীয় চাপ বিশ্বজুড়ে প্রবালপ্রাচীরের অবক্ষয়ের সবচেয়ে ধারাবাহিক হুমকি।’
সংস্থাটি জানায়, অতিরিক্ত মাছ ধরাও প্রবালের ক্ষতি করছে। কারণ, কিছু তৃণভোজী মাছ ও শিকারি প্রাণী শৈবালের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
প্যারটফিশ ও অন্যান্য গ্রুপার মাছ অতিরিক্ত আহরণের ফলে বিশ্বের ৬৩ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্র হুমকির মুখে রয়েছে। উপকূলীয় উন্নয়ন, দূষণ, পর্যটন এবং ঘন ঘন শক্তিশালী ঝড়ও প্রবালপ্রাচীরের জন্য বড় হুমকি।
চরম বিপন্ন প্রবালপ্রাচীর
আইইউসিএনের বিশ্লেষণে ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের ১২৭টি প্রবালপ্রাচীর ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এসব প্রবালপ্রাচীরের মোট আয়তন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৬২ বর্গকিলোমিটার।
বিশ্বের বৃহত্তম ও সর্বাধিক জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ কয়েকটি প্রবালপ্রাচীরকেও ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কোরাল ট্রায়াঙ্গল, ক্যারিবীয় অঞ্চলের মেসোআমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ ব্যবস্থা এবং লোহিত সাগরের প্রবালপ্রাচীর।
শক্ত প্রবাল, যেগুলো প্রবালপ্রাচীরের জীবন্ত ভিত্তি তৈরি করে, বেশির ভাগ বিলুপ্ত হয়ে সেখানে শৈবাল, ভাঙা প্রবালের টুকরো ও স্পঞ্জের আধিক্য দেখা দিলে একটি প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্র ধসে পড়েছে বলে বিবেচিত হয়।
গত সপ্তাহে ‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক প্রবাল প্রজাতি বিলুপ্তির ‘বর্ধিত আপেক্ষিক ঝুঁকিতে’ ছিল। এ অবক্ষয়ের প্রধান কারণ ছিল জলবায়ু পরিবর্তন।
এখনো ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে
গুরুতর সতর্কতা সত্ত্বেও আইইউসিএন বলেছে, বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলের প্রবালপ্রাচীর এখনো পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি।
সংস্থাটির মতে, ভবিষ্যৎ জলবায়ু পরিবর্তনের পূর্বাভাস বাদ দিয়ে শুধু গত ৫০ বছরে ঘটে যাওয়া পরিবর্তন বিবেচনা করলে বিশ্বের ২৪ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্রকে ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হতো। ভবিষ্যৎ উষ্ণায়নের প্রভাব যুক্ত করায় এ হার বেড়ে ৯৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
গুদকা বলেন, ‘সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে সংরক্ষণ প্রচেষ্টা ও জলবায়ু কার্যক্রম জোরদার করার জন্য এটি আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা দাঁড় করেছে।’
তিনি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উপকূলীয় সমুদ্র গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা কর্ডিও ইস্ট আফ্রিকার গবেষণা পরিচালকও।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী কয়েক বছরে আমরা যে পদক্ষেপ নেব, তা নির্ধারণ করবে শতাব্দীর শেষভাগে এসব বাস্তুতন্ত্র কেমন থাকবে—আমরা যেভাবে এগুলোকে চিনি, সেভাবে টিকে থাকবে, নাকি সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তুতন্ত্রে রূপান্তরিত হবে, যার মূল্য প্রকৃতি ও মানুষের কাছে কম হবে।’
আইইউসিএনের মহাপরিচালক গ্রেথেল আগুইলার বলেন, প্রবালপ্রাচীরকে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেওয়ার সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, কী করা প্রয়োজন—নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং সহনশীল উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র ও এগুলোর ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জন্য ধারাবাহিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদির কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ অবতরণ করে।
এর আগে, গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত হামলায় মো. শাহেদ আহম্মেদ নিহত হন। তিনি বগুড়ার শাহজাহানপুরের রফিকুল ইসলামের পুত্র ছিলেন।
২২ অক্টোবর রিয়াদ সময় রাত ১১টা ১০ মিনিটে জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহটি নিয়ে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট (নম্বর BS 362) যাত্রা শুরু করে। পরে, ফ্লাইটটি ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১২ জনের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন শাহেদ আহম্মেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৩৩ বছর বয়সী মার্কিন ওপেন-ওয়াটার সাঁতারু ক্যাথরিন ব্রিড অসাধ্য সাধন করেছেন। তিনি মাত্র ১১১ দিনের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার ৯০০ মাইল দীর্ঘ উপকূল সাঁতরে পার হয়ে একটি অবিশ্বাস্য ইতিহাস গড়েছেন। এই দীর্ঘ ও চ্যালেঞ্জিং যাত্রা শুরু হয়েছিল গত ১ জুলাই ওরেগন সীমান্ত থেকে এবং সফলভাবে শেষ হয় ১৯ অক্টোবর মেক্সিকোর টিজুয়ানা সীমান্তে।
ক্যাথরিন প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে আট ঘণ্টা খোলা সমুদ্রে সাঁতার কাটতেন। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস ও নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "এই অর্জন আমার কাছে এখনো স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে।"
চার মাসের এই রোমাঞ্চকর যাত্রা মোটেও সহজ ছিল না। বিশেষ করে ‘এল নিনো’র প্রভাবে সমুদ্রের বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাকে বারবার দিক পরিবর্তন করতে হয়েছে। এতে তার সাঁতারের সময় ও দূরত্ব উভয়ই বেড়ে যায়। এছাড়াও, সমুদ্রের দ্রুততম শিকারি ‘মাকো হাঙর’-এর মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাকে।
হাঙর দেখার মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই দলের ক্যাপ্টেন মেইসি ব্রিস্টো তাকে নিরাপদে ৫২ ফুট দীর্ঘ নৌকায় তুলে নেন। ওয়ার্ল্ড ওপেন ওয়াটার সুইমিং অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক কুইন ফিটজগেরাল্ড জানান, এল নিনোর প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এমন উচ্চাভিলাষী অভিযান সফল করা ক্যাথরিনের অসাধারণ প্রতিভার প্রমাণ।
ঐতিহাসিক এই অর্জনের পর ক্যাথরিন ব্রিড তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে পুরো ক্রু দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। সমুদ্রের বুকে টানা প্রায় চার মাস কাটানোর পর তিনি মধ্য আমেরিকায় এক বন্ধুর বিয়ের অনুষ্ঠানে ছুটি কাটাতে যাবেন। এরপর সমুদ্র সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষকে বড় লক্ষ্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করতে নিজের এই রোমাঞ্চকর যাত্রার গল্প সবার কাছে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে এই অদম্য সাঁতারুর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ