ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চরের স্কুলে বেরোবি রোভার স্কাউটের বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষবিতরণ আয়োজন


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চরের স্কুলে বেরোবি রোভার স্কাউটের বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষবিতরণ আয়োজন

‎
‎প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যোগে  "বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি-২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎২৮ আগস্ট  শুক্রবার  লালমনিরহাটের চর ফলিমারীর স্মৃতি রায় ক্রিস্টাইল স্কাউট প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষক ও রোভার স্কাউটের সভাপতি ও সিনিয়র রোভারমেট সহ পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর গুরুত্ব ও শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণাদায়ক কথা বলেন।
‎
‎শিক্ষার্থীরা জানায়,গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়। একটি গাছ রোধন হলে গাছ আরও লাগাবো।আমরা চাই ভাইয়াদের মতো বড় হতে। এলাকার দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে চাই।
‎
‎সিনিয়র রোভারমেট বিক্রম কুমার সিং বলেন,আপনারা জানেন আমরা অক্সিজেন গাছ থেকে পাই। গাছে কিন্তু পৃথিবী প্রাণ।আমরা গ্রামে বা শহরে একটি গাছ কাটলে নতুন করে রোপণ করিনা।নিয়ম হচ্ছে তিনটি গাছ রোপণ করা।আপনারা দেখবেন বাংলাদেশে হঠাৎ করে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। আবহাওয়া অনুযায়ী যেটা ঘটার কথা সেটা ঘটছে না।
‎
‎রোভার স্কাউটের বেরোবির সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন,  বিশ্ববিদ্যালয় যারা পড়াশোনা করে তারা নানা প্রতিকূলতা পরিবেশের উপেক্ষা করে ।আমরা তাদেরকে নিয়ে এসেছি আপনাদের সাথে সম্পৃক্ততা অর্জন করার জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদযাপন করার লক্ষ্যে আমরা এখানে এসেছি।আমরা এসেছি আপনাদেরকে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য।
‎
‎তিনি আরো বলেন, একটা সময় যখন বিদ্যুৎ ছিল না তখন কি মানুষ বেঁচে ছিল না। এখন দুই ঘন্টা কারেন্ট না থাকায় মানুষের কি অবস্থা হচ্ছে। আপনারা যে চরাঞ্চলে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে খাপ খেয়ে নিয়েছেন।আপনারা সে সম্পর্কে অবহিত হবেনই পাশাপাশি আমরা আসছি সচেতনতামুলক কার্যক্রম করতে।
‎
‎সাবেক সিনিয়র রোভার মেট সাইফুদ্দিন নূরী বলেন,স্যাররা ও ম্যামরা যে স্বপ্ন নিয়ে তোমাদের কাছে আসেন। তোমরা যেন মানুষ হয়েই গড়তে পারো।
‎
‎
‎শিক্ষার্থীর উদ্দোশ্য বলেন,তোমরা বললা  ডাক্তার হবে ইঞ্জিনিয়ার হবা। এটার জন্য তোমাদের চেষ্টা করতে হবে।
‎
‎স্কুলটির প্রধান শিক্ষক তাসলিমা খাতুন জানান,প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী যে বেগম রোকেয়া  বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কাউট এসেছে। তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। তিনি আরও বলেন,গাছ লাগান,পরিবেশ বাঁচান।
‎উল্লেখ্য বক্তব্যের পরবতীতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে বৃক্ষবিতরণ ওই স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন করা হয় । এছাড়াও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রোববারে স্কাউটরা তাদের সাথে খেলাধুলায় অংশগ্রহণও করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানি ড্রোনের অনুপ্রবেশ, সতর্ক ভারতীয় বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ এম


জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানি ড্রোনের অনুপ্রবেশ, সতর্ক ভারতীয় বাহিনী

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে। রাজৌরি অঞ্চলে সীমান্তের ওপার থেকে একটি নতুন ড্রোনের কার্যকলাপ শনাক্ত হওয়ার পর বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

 

সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট রাতের দিকে প্রায় ৮টা ৫ মিনিটে পাকিস্তানের দিক থেকে একটি চালকবিহীন আকাশযান বা ড্রোনের চলাচল ধরা পড়ে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা রাজৌরির বেহরুটি এলাকার আকাশে ড্রোনটিকে ঘুরতে দেখেন। এই এলাকা ২২ জম্মু ও কাশ্মীর রাইফেলসের দায়িত্বাধীন অভিযানের অন্তর্ভুক্ত। সেনাসদস্যরা ড্রোনটির গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

 

এক পর্যায়ে ড্রোনটি মঙ্গলনার-দাবরোতে এলাকার দিকে অগ্রসর হয়। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী এটি সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের ঘটনা হিসেবে নথিভুক্ত করে।

এরপর নিয়ন্ত্রণরেখার সামনের পুরো এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আকাশ ও স্থল- উভয় পথেই পরিস্থিতি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

 

নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্দেশ্য হলো, ড্রোনের মাধ্যমে মাদক, অস্ত্র বা অন্য কোনো অবৈধ পণ্য সীমান্তের এপারে ফেলা হয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করা। পাশাপাশি নতুন করে কোনো অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্তের কাছের এলাকায় তল্লাশি অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। সন্দেহজনক বস্তু বা ব্যক্তির সন্ধান পেতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

 

তবে ড্রোনটির কার্যকলাপের উদ্দেশ্য বা এর মাধ্যমে কোনো কিছু সীমান্তের এপারে পাঠানো হয়েছিল কি না, সে সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়ে আরও সরকারি তথ্যের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় বিদেশি সহায়তা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বদল করল নেপাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


বন্যায় বিদেশি সহায়তা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বদল করল নেপাল

নেপাল সরকার বিদেশি সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ সীমান্তবর্তী হিমালয় এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের খুঁজে বের করতে হবে। আন্তর্জাতিক চাপের প্রেক্ষিতে, সরকার আগের অবস্থান থেকে সরে এসে সীমিত পরিসরে বিদেশি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল এবং বিশেষজ্ঞদের কাজের অনুমতি দিয়েছে।

 

বুধবার নেপাল সরকার জানায়, বন্যার পর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য নেপালি উদ্ধারকারী দলগুলোর যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। তাই বিদেশি উদ্ধারকারী দলকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে তারা জানিয়েছিল। তবে এক দিনের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। সরকার বিশেষ কিছু কাজে বিদেশি সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

এই সহায়তার মধ্যে রয়েছে টানেলের ভেতর থেকে উদ্ধারকাজ, ডিএনএ পরীক্ষা এবং ফরেনসিক পরীক্ষা। নেপালের এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, "আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে নেপালের ওপর ব্যাপক চাপ ছিল।" কারণ, বন্যার পর বিভিন্ন দেশের নাগরিক নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের খুঁজে বের করার জন্য অন্তত অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল এবং কিছু বিশেষজ্ঞকে নেপালে কাজ করার অনুমতি দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়।

 

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সীমিতসংখ্যক বিদেশি বিশেষজ্ঞকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল রয়টার্সকে জানান, চীনের সঙ্গে হিমালয় সীমান্তে ভয়াবহ বন্যার পর কিছু বিশেষায়িত ও কারিগরি কাজে নেপালের বিদেশি সহায়তা প্রয়োজন। তিনি বলেন, "এসব ক্ষেত্রে নেপালের প্রয়োজনীয় দক্ষতা নেই।" তবে সাধারণ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের জন্য বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই বলে তিনি জানান। ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ধ্বংস সাধিত হয়েছে।

 

বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিধসের কারণে অনেক এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত বন্যায় ৫৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আরও ১ হাজার ৯২৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালের দুর্যোগ কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নেপাল পর্যটন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভারতীয়। তাদের সংখ্যা ২৮৮ জন। এ ছাড়া ১০০ জন চীনা, ৬৫ জন মার্কিন, ৫৩ জন ইউক্রেনীয়, ৩৫ জন অস্ট্রেলীয় এবং ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মূল্যায়নের ভিত্তিতে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় কমিটি ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। এই চার দেশের বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি কর্মীরা টানেলের ভেতর থেকে উদ্ধারকাজ, ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক পরীক্ষায় সহায়তা করবেন। এ ছাড়া আরো কয়েকটি দেশ নেপালকে ত্রাণ দেওয়ার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর আগ্রহ জানিয়েছে। তবে নেপাল সব দেশের প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। কাঠমান্ডুতে অন্তত দুটি বিদেশি দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিখোঁজ নাগরিকদের খুঁজে বের করতে তারা বারবার বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর অনুমতি চেয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা ইতিবাচক সাড়া পাননি।

বন্যায় সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আপার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে। ২১৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই প্রকল্পে শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত ৫৭৬ জন শ্রমিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। দুর্যোগের সময় প্রকল্পটিতে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। নেপালের স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদকদের সংগঠনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি উত্তম ভ্লোম বলেন, ৫৭৬ জনের সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, "নিখোঁজ শ্রমিকদের কেউ যদি টানেলের ভেতরে আটকা পড়ে থাকেন এবং উদ্ধারকারী দল দ্রুত সেখানে পৌঁছাতে পারে, তাহলে তাদের বাঁচানোর সুযোগ রয়েছে।" তবে বন্যা ও ভূমিধসে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় মোবাইল ও টেলিফোন নেটওয়ার্কও বন্ধ হয়ে গেছে। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করা এবং তারা জীবিত আছেন কি না, তা জানার কাজও কঠিন হয়ে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে ব্যক্তিমালিকানাধীন হেলিকপ্টার ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনা করছে নেপাল সরকার। তবে অনেক জায়গায় হেলিকপ্টার নামানোর মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এ ছাড়া কারিগরি ও নিরাপত্তার সমস্যাও রয়েছে। ফলে আকাশপথে উদ্ধার অভিযান চালানোও সহজ হচ্ছে না। নেপালকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। এর মধ্যে রয়েছে একটি টানেল উদ্ধারকারী দল, একটি চিকিৎসক দল এবং ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সদস্য। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানিয়েছেন। শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি নেপালকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানান। জয়শঙ্কর আরো জানান, মানবিক সহায়তার তৃতীয় চালান নিয়ে একটি বিমান কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ওই চালানে ১০ টন ত্রাণসামগ্রী রয়েছে। এর মধ্যে বহনযোগ্য জেনারেটর, মর্যাদা কিট, খাবারের প্যাকেট এবং পানি বিশুদ্ধ করার ট্যাবলেট রয়েছে। ভারতের চতুর্থ দফার ত্রাণসামগ্রীর সঙ্গে ১১ সদস্যের একটি দলও নেপালে পাঠানো হয়েছে। দলটিতে চিকিৎসক, প্যারামেডিক এবং টানেলের ভেতর থেকে উদ্ধারকাজে বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়াও নেপালকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। দেশটির নয়জন নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর সিউল এই প্রস্তাব দেয়। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে থাকা কর্মকর্তাদের তিনি কোরীয় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দলের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নিশ্চিত করতে বলেছেন। যাতে দলটি নেপালে গিয়ে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজে অংশ নিতে পারে। তিনি আরো জানিয়েছেন, সিউল কোরিয়ার দুর্যোগ সহায়তা দল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিদেশি বিশেষজ্ঞদের প্রধান কাজ হবে রাসুভা ও নুয়াকোট জেলার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর টানেলে উদ্ধার অভিযান চালানো। এই দুই জেলায় মোট ১৪টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিখোঁজ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করতেও বিদেশি সহায়তা নেবে নেপাল। দেশটির নিজস্ব পরীক্ষাগারগুলোর সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় বিপুলসংখ্যক ডিএনএ নমুনা দ্রুত পরীক্ষা করা কঠিন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খানাল জানিয়েছেন, বিদেশি বিশেষজ্ঞরা বিপুলসংখ্যক নমুনা পরীক্ষায় নেপালকে সহায়তা করবেন। এর ফলে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। পরে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা যাবে। ভয়াবহ বন্যার পর নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় নেপালের ওপর উদ্ধারকাজ দ্রুত শেষ করার চাপও বাড়ছে। বিশেষ করে বিদেশি নাগরিকদের অবস্থান শনাক্ত করতে ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞদের সহায়তা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় বৃষ্টির আভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


ঢাকায় বৃষ্টির আভাস

রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে আজ আকাশের অবস্থা আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বিদ্যমান।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, এই সময়ের মধ্যে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে, দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডলারনির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান খামেনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ এম


ডলারনির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান খামেনির

দেশের ভেতরে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি।

তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশি চাপ ও নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ইরানকে আরও বেশি স্বনির্ভর হতে হবে।

 

এ উদ্দেশ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি করে ‘প্রতিরোধ অর্থনীতি’ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে খামেনি বলেন, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়া কেবল সরকারের একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়। বিদেশি আর্থিক চাপ মোকাবেলা এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এটি একটি জাতীয় প্রয়োজন। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।

 

এছাড়া উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন থেকে ধীরে ধীরে মার্কিন ডলারকে সরিয়ে আনতে হবে। দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে ‘প্রতিরোধ অর্থনীতি’ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

খামেনি বলেন, ইরানের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর সমাধানের প্রধান উপায় হলো দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর যতটা সম্ভব নির্ভর করা। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি তার বিস্তারিত বক্তব্য প্রকাশ করেছে।

 

সেখানে বলা হয়েছে, দেশের ভেতরের উৎপাদন বৃদ্ধি করাই অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবেলার মূল চাবিকাঠি। তবে যদি কোনো পণ্য দেশের ভেতরে পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদন করা সম্ভব না হয়, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানি করতে হবে। খামেনি এ ক্ষেত্রে ‘সঠিকভাবে ও বিচক্ষণতার সঙ্গে’ আমদানি করার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, অর্থনীতির উন্নতির জন্য মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, পণ্য ও সেবার দাম এবং বাজার ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলোতে ধারাবাহিকভাবে নজর দিতে হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

 

তবে শুধু বিনিয়োগ বৃদ্ধি করলেই হবে না, সেই অর্থ প্রয়োজনীয় ও উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করতে হবে বলেও জানান তিনি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা অর্থনীতিতে মার্কিন ডলারের ব্যবহার কমানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লেনদেনে ধীরে ধীরে ডলারের ভূমিকা কমাতে হবে। পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে এবং দেশের প্রয়োজনীয় খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে। খামেনির মতে, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরান এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে, যা বিদেশি চাপের ওপর কম নির্ভরশীল হবে। তিনি অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার উদ্যোগের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপের বিষয়টিও তুলে ধরেন। খামেনি বলেন, ইরানের শত্রুরা দেশটির জনগণকে বোঝাতে চায়, তাদের দাবি মেনে নিলেই অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথ খুলবে। কিন্তু ইসলামী বিপ্লবের আগে ও পরে ইরান এবং দেশটির সম্পদের সঙ্গে ওই দেশগুলো কী আচরণ করেছে, তা দেখলেই এর বিপরীত চিত্র পাওয়া যায়।

খামেনির এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরো বাড়াচ্ছে। ওয়াশিংটন ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছে। এর লক্ষ্য ইরানের আন্তর্জাতিক আর্থিক যোগাযোগ আরো দুর্বল করা এবং দেশটির সরকারের অর্থের উৎস বন্ধ করা। খামেনির বক্তব্য প্রকাশের কিছুক্ষণ আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এই অভিযান পুরো শক্তিতে চালু রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ব্যাংক মেল্লির দুবাই শাখার ব্যবস্থাপক রেজা মোহাম্মদ তাইয়েদি এবং হংকংভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, হংকংভিত্তিক ওই প্রতিষ্ঠানটি ইরানের নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে সহায়তা করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ব্যাংক মেল্লি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছে। এর মধ্যে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের কুদস ফোর্স এবং ইরানের প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনীর রসদ মন্ত্রণালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান আগেই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের হয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনে সহায়তা করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক অপরাধ দমন নেটওয়ার্ক নতুন একটি নিয়মের প্রস্তাব করেছে। এর মাধ্যমে ব্যাংক মিসর ইউএইর মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিনিধি ব্যাংকিং সুবিধা বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ব্যাংক মিসর ইউএই ইরান সরকারের মার্কিন ডলার ব্যবহারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেছেন, ইরান সরকার যখন জনগণের প্রয়োজনের চেয়ে নিজেদের কর্মকাণ্ডকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, তখন ওয়াশিংটন তাদের অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকার পথগুলো বন্ধ করবে। তিনি বলেন, ইরান সরকারের হয়ে অবৈধ আর্থিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যে বিদেশে ইরানি ব্যাংকের হয়ে কাজ করা ব্যক্তিরাও থাকবেন। এর আগে ২৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ শুরুর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বজুড়ে ইরানের আর্থিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং ইরান সরকারকে সহায়তা করা অর্থের উৎস বন্ধ করে দেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%