ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সোনারগাঁয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন


সোনারগাঁয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয় এলাকাবাসী মিথ্যা অভিযোগ, বানোয়াট সংবাদ এবং চাঁদাবাজির অভিযোগের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) মামুরদী ও হরিহরদী গ্রামের জনগণের উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, মামুরদী গ্রামের আল আমিন, শাহ জালাল, জাকির, শাহ আলম, গিয়াসউদ্দিন, সাইদ ও শফিকুল এবং হরিহরদী গ্রামের আল আমিন, মাসুম, সামসুল ডাক্তার ও সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এবং বানোয়াট সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। তারা আরও দাবি করেন যে, এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগও তোলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ, তেমনি এ সরকারের আমলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ’ প্রতিমন্ত্রী আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি

যাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তারা সবাই মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। তারা এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি করেন।

বক্তারা বলেন, "কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথভাবে তদন্ত ও প্রমাণের মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করা উচিত।" যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ বা অভিযোগ প্রচার করা হলে এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিকভাবে সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে বলে তারা উল্লেখ করেন।

মানববন্ধন শেষে উপস্থিত লোকজন একটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল থেকে তারা মিথ্যা অভিযোগ এবং বানোয়াট সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

আরও পড়ুন: সিলেটের কানাইঘাটে যুবক শাহাব উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একসময় ছিলেন বলিউডের দাপুটে অভিনেত্রী, এখন কাজের খোঁজে অনিতা কানওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১০ এম


একসময় ছিলেন বলিউডের দাপুটে অভিনেত্রী, এখন কাজের খোঁজে অনিতা কানওয়াল

অনিতা কানওয়াল, যিনি একসময় বলিউডের একজন প্রভাবশালী অভিনেত্রী ছিলেন, বর্তমানে কাজের সন্ধানে রয়েছেন। তার হাতে যে সঞ্চয় রয়েছে, তা দিয়ে তিনি আর বড়জোর এক বছর চলতে পারবেন। কাজের প্রয়োজন শুধু অর্থের জন্য নয়, বরং মানসিক সুস্থতার জন্যও অপরিহার্য বলে মনে করেন তিনি। যদিও তার সন্তানরা আর্থিকভাবে সহায়তা করতে প্রস্তুত, তবুও তাদের ওপর নির্ভরশীল হতে চান না এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল বিকি লালওয়ানির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অনিতা কানওয়াল তার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি জানান, তার হাতে থাকা সঞ্চয় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দৈনন্দিন খরচ সামলানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

অভিনেত্রী বলেন, “আমাকে আয় করতে হবে। হয়তো আরও ১০ বছর বাঁচব, কিংবা ২০ বছর। এই সময়টাতে আমি কী করব? আমি একটি সুন্দর বাড়িতে থাকি। বাড়িটির কিছু অংশ আমার বাবা-মা তৈরি করেছিলেন। বাকি অংশের জন্য ঋণ নিয়েছিলাম, যা পরে শোধ করেছি। এটিই আমার একমাত্র সম্পদ। কিছু সঞ্চয় আছে, তবে জানি, এক বছরের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাবে। তাই আমার কাজ প্রয়োজন। আমার তহবিল ফুরিয়ে আসছে।”

অনিতা জানান, তার সন্তানরা তাকে নিয়ে প্রায়ই উদ্বিগ্ন থাকেন। তারা আর্থিকভাবে পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। কিন্তু তিনি চান না সন্তানদের ওপর নির্ভর করে জীবন কাটাতে। বরং আগের মতোই সন্তানদের উপহার দেওয়ার এবং প্রয়োজনের সময় অন্যদের সাহায্য করার সামর্থ্য ধরে রাখতে চান।

তিনি বলেন, “আমি কখনোই এমন অবস্থায় পৌঁছাতে চাই না, যখন সন্তানদের ওপর নির্ভর করতে হবে কিংবা তাদের কাছে কিছু চাইতে হবে। আমি সব সময়ের মতো তাদের দিয়ে যেতে চাই। তারা মাঝেমধ্যে আমাকে জিজ্ঞেস করে, ‘মা, তুমি এখনো আমাদের জন্মদিনে উপহার দাও কেন?’ তারা এমন কথা বললে আমার কষ্ট হয়। কারণ, উপহার দিতে আমার ভালো লাগে। আমি এমন অবস্থানে থাকতে চাই, যেন সেটা চালিয়ে যেতে পারি।”

অভিনেত্রীর ভাষ্য, তার দাদা ছোটবেলায় তাকে শিখিয়েছিলেন, মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়ার পরিবর্তে অন্যদের সাহায্য করার চেষ্টা করা উচিত। তার দাদা হিমাচল প্রদেশের একজন কৃষক ছিলেন। সেই শিক্ষা এখনও তার মনে রয়েছে।

খরচের বিষয়ে সতর্ক থাকলেও মূল্যবৃদ্ধির কারণে হিসাব মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। নিজের পাশাপাশি যারা তার জন্য কাজ করেন, তাদের দায়িত্বও পালন করতে হয়।

কাজে ফেরার বিষয়ে অনিতা বলেন, তিনি কাজের জন্য মরিয়া নন। তবে তিনি চান তার অভিজ্ঞতা ও প্রতিভার যথাযথ মূল্যায়ন হোক। তার অভিযোগ, বিনোদনজগতের অনেক তরুণই তার আগের কাজ সম্পর্কে জানেন না। আবার কখনও কখনও তার কাছে এমন চরিত্রের প্রস্তাব আসে, যেগুলো তার চেয়ে অনেক কম বয়সি নারীদের উপযোগী।

অডিশন দেওয়ার পর এবং কাস্টিং পরিচালকদের সঙ্গে দেখা করার পরও এখন পর্যন্ত বড় কোনো অভিনয়ের প্রস্তাব পাননি তিনি। তবে আর্থিক সংকটের মধ্যেও নিজের আত্মসম্মান ও স্বাবলম্বিতা ধরে রেখে কাজ চালিয়ে যেতে চান এই অভিনেত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ভালোবাসি’ বললেই কি যথেষ্ট? সম্পর্কে ৫টি বিষয়ও জরুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১১ এম


‘ভালোবাসি’ বললেই কি যথেষ্ট? সম্পর্কে ৫টি বিষয়ও জরুরি

ভালোবাসার মানুষটি হয়তো প্রতিদিনই বলেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ কিন্তু কখনো কি মনে হয়েছে, কথাটি শুনেও মনের ভেতর কোথাও একটা শূন্যতা রয়ে গেছে? সঙ্গী ভালোবাসেন, অথচ তার আচরণে সেই ভালোবাসার নিশ্চয়তা খুঁজে পাওয়া যায় না। কখনো উত্তর দিতে দেরি করা, কখনো হঠাৎ চুপ হয়ে যাওয়া, আবার কখনো মনোমালিন্যের পর দূরত্ব তৈরি হওয়া— এসব ছোট ঘটনাও সম্পর্কে জন্ম দিতে পারে অনিশ্চয়তা।

সম্পর্কে শুধু ভালোবাসার কথা বলাই যথেষ্ট নয়, সেই ভালোবাসার অনুভূতি সঙ্গীর কাছে পৌঁছে দেওয়াও জরুরি। ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারস্পরিক আশ্বাস সম্পর্ককে নিরাপদ ও স্থিতিশীল অনুভব করতে সাহায্য করে। কঠিন সময়ে সঙ্গীর পাশে থাকার কথা জানানো কিংবা ছোট্ট একটি খোঁজ নেওয়াও সম্পর্কের গভীরতায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্পর্কে মানসিক নিরাপত্তা তৈরি করে

একটি সুস্থ সম্পর্কে দুজন মানুষই চান, তাদের অনুভূতি গুরুত্ব পাক। সঙ্গী যখন ব্যস্ততার মধ্যেও খোঁজ নেন, কোনো কাজের প্রশংসা করেন কিংবা ভালোবাসার কথা মনে করিয়ে দেন, তখন অন্যজন বুঝতে পারেন যে তিনি এই সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ।

তবে শুধু মুখের কথায় নয়, আচরণেও সেই ভালোবাসার প্রতিফলন থাকা জরুরি। কথার সঙ্গে কাজের মিল থাকলে সম্পর্কের প্রতি আস্থা বাড়ে। তখন নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা কিংবা দুর্বল মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেওয়াও সহজ হয়।

ছোট সন্দেহ বড় সমস্যা হওয়ার আগেই থামায়।

সঙ্গী হঠাৎ মেসেজের উত্তর দিতে দেরি করছেন, স্বাভাবিকের চেয়ে কম কথা বলছেন কিংবা কোনো কারণে চুপচাপ আছেন। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়। তিনি কি রাগ করেছেন? আগের মতো ভালোবাসেন না? নাকি সম্পর্ক থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন?

অথচ এর পেছনে থাকতে পারে কাজের চাপ, ব্যক্তিগত সমস্যা কিংবা মানসিক ক্লান্তি। বিষয়টি পরিষ্কার করে জানালে অপ্রয়োজনীয় ভুল-বোঝাবুঝি এড়ানো যায়।

‘আজ খুব ব্যস্ত আছি, তবে তোমার কথা মনে আছে’— এমন একটি ছোট বার্তাও সঙ্গীর মনে স্বস্তি এনে দিতে পারে। অনুমানের ওপর নির্ভর না করে খোলামেলা কথা বলাই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর।

মনোমালিন্যের সময় সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার ভয় কমায়।

মতবিরোধ যেকোনো সম্পর্কের স্বাভাবিক অংশ। কিন্তু ঝগড়ার সময় অনেকেই ভয় পান, এই মতবিরোধের কারণে সঙ্গী হয়তো সম্পর্ক ছেড়ে চলে যাবেন। ফলে মূল সমস্যা নিয়ে কথা বলার পরিবর্তে তারা সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

এমন সময়ে আশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সঙ্গীকে বলা যায়, ‘আমাদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে, কিন্তু আমি চাই আমরা কথা বলে এর সমাধান করি।’

এ ধরনের কথা দুজনকেই বুঝতে সাহায্য করে, মতের অমিল মানেই ভালোবাসার অবসান নয়। এতে একে অপরকে দোষারোপ না করে সমস্যার সমাধানে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়।

সঙ্গীকে নিজের গুরুত্ব অনুভব করায়

দীর্ঘদিনের সম্পর্কে অনেক সময় একে অপরের উপস্থিতি এতটাই স্বাভাবিক হয়ে যায় যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাই কমে আসে। সঙ্গী প্রতিদিন যে পরিশ্রম করছেন, যত্ন নিচ্ছেন কিংবা ছোট ছোট দায়িত্ব পালন করছেন, সেগুলো আর আলাদা করে চোখে পড়ে না।

কিন্তু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে এসব প্রচেষ্টার স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি। ‘আজ আমার জন্য এত কিছু করেছ, ধন্যবাদ’ কিংবা ‘তুমি পাশে থাকলে আমার ভালো লাগে’— এমন কথাগুলো সঙ্গীকে তার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে সাহায্য করে।

ভালোবাসা প্রকাশের জন্য জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী কিংবা বিশেষ কোনো দিনের অপেক্ষা করতে হয় না। প্রতিদিনের ছোট ছোট স্বীকৃতিই সম্পর্ককে প্রাণবন্ত রাখতে পারে।

কঠিন সময়ে দূরত্ব তৈরি হতে দেয় না।

কাজের চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব কিংবা ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা— জীবনের নানা পরিস্থিতিতে সঙ্গীকে সময় দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তখন অনিচ্ছা সত্ত্বেও দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।

এমন সময়ে নিজের পরিস্থিতি খোলাখুলি জানানো এবং সঙ্গীর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ। সব সময় দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাটানো সম্ভব না হলেও, আন্তরিকভাবে খোঁজ নেওয়া কিংবা কিছুটা সময় কথা বলার মাধ্যমে সম্পর্কের সংযোগ ধরে রাখা যায়।

সঙ্গীকে বোঝানো প্রয়োজন, বর্তমান সময়টা কঠিন হলেও সম্পর্কটি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এতে সাময়িক ব্যস্ততা বা দূরত্বকে ভালোবাসার অভাব বলে মনে করার আশঙ্কা কমে।

ভালোবাসার কথা নয়, আচরণেও চাই আশ্বাস

সম্পর্কে আশ্বাস দেওয়ার অর্থ এই নয় যে প্রতিটি সন্দেহের জবাব দিতে হবে কিংবা সব সময় ভালোবাসার প্রমাণ দিতে হবে। বরং এর অর্থ হলো, দুজনের মধ্যে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে কেউ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে ভয় পাবেন না।

একটি ‘আমি আছি’, সময়মতো খোঁজ নেওয়া, মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা কিংবা ভুল হলে তা স্বীকার করা— এসব ছোট আচরণই ভালোবাসাকে বাস্তব করে তোলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ৩০টি উড়োজাহাজ ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১১ এম


ইরানের ৩০টি উড়োজাহাজ ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ধ্বংস

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানের ২০ থেকে ৩০টি উড়োজাহাজ ধ্বংস হয়েছে। যুদ্ধের সময় দেশটির ৭০ থেকে ৮০টি উড়োজাহাজ হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইরান এয়ারের প্রধান নির্বাহী তাহের আবদোলহাই এই তথ্য প্রকাশ করেন। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আবদোলহাই উল্লেখ করেন, ইরানের বিমান চলাচল খাতের চাহিদা পূরণের জন্য প্রায় এক হাজার যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে দেশটির বিমান বহরে ৩০০টির মতো উড়োজাহাজ রয়েছে।

তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পূর্বে উড়োজাহাজগুলোর মধ্যে ১৩০ থেকে ১৪০টি সচল ছিল। সংঘাত চলাকালে ২০ থেকে ৩০টি উড়োজাহাজ ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইরানের জাতীয় বিমান সংস্থা ইরান এয়ার, যা ‘হোমা’ নামেও পরিচিত, এর প্রধান দাবি করেন, ইসরাইলের হামলায় তাদের উড়োজাহাজ বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্য কয়েকটি সংস্থার উড়োজাহাজে একটি করে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলেও ইরান এয়ারের একটি উড়োজাহাজ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে বলে তিনি জানান।

আবদোলহাই আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে ইরান এয়ারের কার্যক্রম ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর ফলে সংস্থাটির সচল উড়োজাহাজের সংখ্যা কমেছে এবং লাভজনক আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে।

বিমান সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী জানান, উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ সংগ্রহে জটিলতা, আর্থিক সংকট এবং কর্মীসংক্রান্ত নানা সমস্যা তাদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরো জানান, ইরান এয়ারে ৯ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছেন। সচল উড়োজাহাজের সংখ্যা কমে যাওয়ায় সংস্থাটির দক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

ইরান এয়ারকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন আবদোলহাই। তিনি মনে করেন, এই জাতীয় বিমান সংস্থা শুধুমাত্র বাণিজ্যিক পরিবহন সেবা প্রদান করে না; বরং দেশটির কৌশলগত জাতীয় স্বার্থ রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অতএব, সংস্থাটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক লাভের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধের ফলে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা দেশটির বিমান চলাচল খাতকে চাপের মধ্যে রেখেছে।

২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে দাঁড়ানোর পর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এর ফলে বোয়িং ও এয়ারবাসের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ সেবার অভাবে কিছু উড়োজাহাজ স্থগিত রাখতে হয়েছে, এবং পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে গেছে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোরশায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় নারীদের মাঝে ৩৬টি শাড়ি বিতরণ করেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ পোরশা উপজেলা শাখা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


পোরশায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় নারীদের মাঝে ৩৬টি শাড়ি বিতরণ করেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ পোরশা উপজেলা শাখা।

 

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নওগাঁর পোরশা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ৩৬ টি শাড়ি বিতরণ করেছে পোরশা উপজেলা জাতীয় আদিবাসী পরিষদ পোরশা উপজেলা শাখা। দুর্গাপূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।জাতীয় আদিবাসী পরিষদ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের অসহায় ও দরিদ্র নারীদের মধ্যে এসব শাড়ি বিতরণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে ১ নম্বর নিতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ছয়জন নারীকে শাড়ি দেওয়া হয়।শাড়ি সহায়তা পাওয়া নারীরা হলেন—কাপালির মোড় টিয়াপাড়ার শ্রীমতি অনুবালা, মনোহরপুরের শ্রীমতি শেফালী মারডী, সাঁকো দিঘীর শ্রীমতি গোলাপি পাহান, বিজলী পাড়ার শ্রীমতি ঝারো উড়াও, বিষ্ণপুর, শ্রীমতি মঙ্গলি উড়াও এবং নিতপুর সদরের শ্রীমতি মনসা রানী ঋষি।এ উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্গাপূজার আনন্দ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।পোরশা উপজেলা জাতীয় আদিবাসী পরিষদের পোরশা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে সহযোগিতাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে সবার আশীর্বাদ ও শুভকামনা কামনা করা হয়।ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%