রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৫ পি.এম
বিএনপি সরকার ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষেকে নিরাপদে রেখেছে। আমরা সংখ্যালঘু শব্দ বিশ্বাস করিনা, মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ তেমনি এ সরকারের আমলে সকল ধর্মে মানুষ নিরাপদে বসবাস করছে। স্বাধীনভাবে তারা ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করছে, এই কথাগুলো বলেছেন পিরোজপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি আরো বলেন, বিএনপি সরকার যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে তখন সব ধর্মের মানুষ সম অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারে। সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ও নিরাপত্তার সঙ্গে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন দূর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময়, প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন মন্দিরে উপস্থিত মন্দির কমিটির সদস্য সহ উপস্থিত সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন।তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা মন্দিরের কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা দিচ্ছে। যাতে কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটে। জাতীয়তাবাদী দলকে আরো শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এবং প্রতিটি মানুষের সুখে দুখে পাশে থাকবে। পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রীর সাথে ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আহসান কবীর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম দীন মোহাম্মদ, কাউখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার রেহেনা আক্তার, ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাফিউল আজম দুলাল,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত তালুকদার, রফিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কোনাবাড়ির জরুন এলাকায় কেয়া গ্রুপের ৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে দ্বিতীয় দফায় ৭৩৯ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে কারখানার প্রধান ফটকে এ সংক্রান্ত নোটিশটি টানিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রমিকরা নোটিশটি দেখতে পান।
ছাঁটাই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন কেয়া গ্রুপের নিট কম্পোজিট, স্পিনিং ও কটন ডিভিশন এবং কেয়া ইয়ার্ন মিলস্ লিমিটেডের কর্মীরা।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, ব্যাংকিং জটিলতা সহ বিভিন্ন কারণে গত ৬ জুন থেকে কারখানাগুলো লে-অফে রয়েছে। এরপর কয়েক দফায় লে-অফের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়।
ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের শ্রম আইন অনুযায়ী সব পাওনা পরিশোধের বিষয়টি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, কেয়া গ্রুপের ৪ প্রতিষ্ঠানে ৭৩৯ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারখানার প্রধান ফটকে শিল্প পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তারা রাজশাহীর তাহেরপুরে কৃষিপণ্য কেনার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনায় পড়েন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ার নাটোর-পাবনা মহাসড়কের সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দুর্ঘটনায় বাস ও ট্রাকের সামনের অংশ সম্পূর্ণরূপে দুমড়েমুচড়ে যায়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও উদ্ধারকর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
নিহত পাঁচ ব্যবসায়ীর মধ্যে রয়েছেন জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দি এলাকার জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে সালাল মোল্যা, ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, কাজিরহাট এলাকার ভুসামাল ব্যবসায়ী সামাদ ফকির এবং পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে শাহিন বেপারী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত পাঁচজনই দীর্ঘদিন ধরে জাজিরার কাজিরহাটসহ আশপাশের এলাকায় ব্যবসা করে আসছিলেন। তাদের মধ্যে জুয়েল মাদবর ভুসামাল ব্যবসার পাশাপাশি কাজিরহাটে রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। সামাদ ফকির ভুসামাল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং শাহিন বেপারী হলুদের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে, সালাল মোল্যা ও সোহাগ শিকদার বিভিন্ন কৃষিপণ্য কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে রাজশাহীর তাহেরপুর থেকে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, ধনিয়া ও অন্যান্য কৃষিপণ্য কিনতে যাচ্ছিলেন। তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের প্রাণহানি ঘটে।
একই এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী হওয়ায় তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। পাঁচজনের একসঙ্গে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর স্থানীয় এলাকায় পৌঁছালে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কাজিরহাটের ব্যবসায়ী দিদার সরদার বলেন, ‘ব্যবসার কারণে তাদের সবার সঙ্গেই আমার পরিচয় ও সুসম্পর্ক ছিল। তাদের এমন মৃত্যুর খবর খুবই কষ্টদায়ক।’
এ বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুর্ঘটনার বিষয়টি জেনেছি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের এখনো কিছু জানানো হয়নি। মরদেহ জাজিরায় নিয়ে আসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দিনেশ ত্রিবেদী উল্লেখ করেছেন যে, উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা চলছে।
তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় সর্বজনীন পূজা কমিটির শারদীয় দুর্গোৎসব মণ্ডপ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, অত্যন্ত বর্ণিল পরিবেশে এবারের বাংলাদেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন হচ্ছে। তিনি বলেন, "পূজায় আমি হাইকমিশনার হিসেবে আসিনি, এসেছি পরিবারের সদস্য হিসেবে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করতে।"
এ সময়, বাংলাদেশে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ইস্যুতেও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন দিনেশ ত্রিবেদী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে ট্রাকচালকসহ বাবা-মেয়েসহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৮ জন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক এবং ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময়, জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে প্রধান করে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথাও জানান।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাদপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে সোহেল রানা (৪১), বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে আনোয়ারুল হক (২৯), পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব সুবিধখালী গ্রামের আজহার হাওলাদারের ছেলে শহীদুল ইসলাম (৪৫) ও তার মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮), শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের জহরউদ্দিনের ছেলে জুয়েল (৩৯), একই উপজেলার ডুবি সাহিবর গ্রামের ইউনুস আলী শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার (৩০), জাহান উদ্দিন মোল্লার ছেলে আব্দুস সালাম মোল্লা (৪৫), আরব আলী ফকিরের ছেলে আব্দুস সামাদ ফকির (৭১), পালের চর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ব্যাপারীর ছেলে শাহীন আহমেদ (৩২), ট্রাকচালক ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বড় মান্দারবাড়ীয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে আবু কালাম (৫৫), নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার ঘোনটোলা গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে রাসেল (৩৩) এবং ফরিদপুর সদর উপজেলার বাখোন্দিয়া গ্রামের অমর কুমার জমাদারের ছেলে হিমেশ জমাদার (৩৪)।
আহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন—শরিয়তপুর জেলার আলমগীর মাতবর (৫৬), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আব্দুস সালাম (৩৪), শিবগঞ্জের ওয়াহিদ আলী (২০), মাদারীপুর জেলার নাইম তালুকদার (২১), নার্গিস আক্তার (৩৫), বরগুনার জেসমিন আক্তার (৩৫), নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার চিরঞ্জিত কুমার (২৫), মান্দা উপজেলার মানিক হোসেন (৩৭), শাহাজুল ইসলাম (৩৬), লক্ষীপুর জেলার রাকিব হোসেন (২৫)। অন্য হতাহতদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার এসআই আলমগীর হোসেন জানান, ভোরে নাটোর থেকে বালুবোঝাই ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ট ২২-৬২০৬) সঙ্গে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনাবগঞ্জগামী যাত্রীবাহী বাস আরপি স্পেশালের (ঢাকা মেট্রো ব ১২-৪৪৪৫) মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলেই ৯ জন নিহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানে আরো তিনজন মারা যান। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
নাটোর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আক্তার হামিদ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে নাটোরের স্থানীয় হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পরপরই জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নাটোর সদর হাসপাতালে গিয়ে আহত রোগীদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে প্রধান করে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক, ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস এবং বনপাড়া হাইওয়ে থানার ইনচার্জ উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেনসহ মোট সাত সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির গঠনের ঘোষণা দেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের আজকের দিনে ২০ অক্টোবর বড়াইগ্রামের রেজুর মোড়ে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে দেশের সবচেয়ে বড় বাস দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত হয়। সেই শোকাবহ ১২ বছর পূর্তির দিনেই আবারও ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটল।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ