মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:১৭ এম
‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরের দ্বিতীয় প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত লক্ষ্যে কালকিনি ও ডাসার উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। ইনশাআল্লাহ, বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’—এমন স্লোগানসংবলিত একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার উপজেলায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) কালকিনি পৌরসভার সাবেক মেয়র এনায়েত হোসেনের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে পোস্টটি প্রকাশ করা হয়। পোস্টের সঙ্গে যুক্ত ভিডিওতে কালকিনি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক, সাবেক পৌর মেয়র এনায়েত হোসেনসহ কালকিনি ও ডাসার এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাঁদের স্লোগান দিতে ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।
পোস্টে শেখ হাসিনার ডিসেম্বর মাসে দ্বিতীয়বার প্রত্যাবর্তনের আশাবাদ ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে ভিডিওটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে পোস্টে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। একই সঙ্গে ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও প্রত্যাবর্তনসংক্রান্ত দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্যও পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন। এ অবস্থায় দলটির নেতাকর্মীদের এমন স্লোগানসংবলিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে সাবেক মেয়র এনায়েত হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য নেতাকর্মীদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার রক্ষা, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সরকারি রাজস্ব আহরণে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়।
মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, জলমহাল ইজারা প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। উন্মুক্ত ও অনলাইনভিত্তিক ইজারা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিগুলোকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯২তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি বলেছেন, প্রান্তিক ও প্রকৃত মৎস্যজীবীরা যাতে কোনো প্রকার বাধা ছাড়া সুবিধা পেতে পারেন, সেদিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারি জলমহালগুলোর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ভূমি মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্ত্রী কোনো প্রকার অন্যায় তদবির গ্রহণ না করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের সরকারি জলমহাল ইজারা সংক্রান্ত সুপারিশ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
সভায় উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০ একরের বেশি আয়তনের সরকারি জলমহাল ছয় বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
মৌলভীবাজারের ১১টি, রংপুরের ১টি, সিলেটের ১৯টি ও কুষ্টিয়ার ৩টিসহ সর্বমোট ৪টি জেলার ৩৪টি জলমহালের প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন করা হয়।
এছাড়া বরিশালের দুর্গাসাগর দিঘি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিল চুড়ইল জলমহাল, মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত নিমগাছি প্রকল্পের ৭৭৯টি পুকুরের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং হবিগঞ্জ জেলার বিল সুতী নদী (বদ্ধ) জলমহাল বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উপস্থাপিত প্রস্তাব যাচাই-বাছাই শেষে সভায় ২৫টি জলমহাল ছয় বছর মেয়াদে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সায়রাত অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মফিজুল ইসলামসহ কমিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া মৌলভীবাজার, সিলেট, রংপুর, বরিশাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসকরা ভার্চুয়ালি সভায় সংযুক্ত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ রামু সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেনাবাহিনী অ্যাসল্ট কোর্স প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, যা ১০ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।
এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ৬৬ পদাতিক ডিভিশন দল, এবং রানারআপ হয় প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড দল। বিশেষ পারদর্শিতা প্রদর্শনের জন্য ১১ পদাতিক ডিভিশন দলের ল্যান্স কর্পোরাল (ডিএমটি) হাবিবুর রহমান শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন, এবং ১০ পদাতিক ডিভিশন দলের সৈনিক মো. জাহিদুল ইসলাম দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
গত ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ১৭টি দল অংশগ্রহণ করে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কক্সবাজার এরিয়া, সেনাসদর ও কক্সবাজার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনাকর্মকর্তাগণ, অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়বৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ আবারও গ্রেপ্তার করেছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেসনশ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বাসসকে।
তিনি জানান, আজ সোমবার সন্ধ্যায় বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপি সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দিলীপ কুমার আগারওয়ালার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল তৎকালীন র্যাব। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা , ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬‘ বাস্তবায়নে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার‘-এর আওতায় নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
গত ৮ অক্টোবর থেকে সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার, নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা কুশিয়ারা‘ বরিশাল জেলার হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, গোবিন্দপুর, লাহারহাট, বাবুগঞ্জ, চরমোনাই, শ্রীপুর এবং পাতারহাট তৎসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে।
এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক জব্দকৃত জাল ধ্বংস করা হয়।
নৌবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাসমূহে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে মোট ৩০ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ মিটার অবৈধ জাল এবং অন্যান্য ৭৪টি জাল জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ টাকা।
সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীসহ জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজননের সম্ভাব্য স্থানসমূহে নৌবাহিনী নিবিড় নিরাপত্তা প্রদান করছে। নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও দ্রুতগতির বোটের মাধ্যমে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে প্রজননকালীন ইলিশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে নৌবাহিনীর সদস্যগণ।
গত ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এ অভিযান আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ এলাকাতেও সব প্রজাতির মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে।
ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলসম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রাচুর্য বৃদ্ধি এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ