মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩৬ এম
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার রক্ষা, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সরকারি রাজস্ব আহরণে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়।
মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, জলমহাল ইজারা প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। উন্মুক্ত ও অনলাইনভিত্তিক ইজারা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিগুলোকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯২তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি বলেছেন, প্রান্তিক ও প্রকৃত মৎস্যজীবীরা যাতে কোনো প্রকার বাধা ছাড়া সুবিধা পেতে পারেন, সেদিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারি জলমহালগুলোর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ভূমি মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্ত্রী কোনো প্রকার অন্যায় তদবির গ্রহণ না করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের সরকারি জলমহাল ইজারা সংক্রান্ত সুপারিশ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
সভায় উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০ একরের বেশি আয়তনের সরকারি জলমহাল ছয় বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
মৌলভীবাজারের ১১টি, রংপুরের ১টি, সিলেটের ১৯টি ও কুষ্টিয়ার ৩টিসহ সর্বমোট ৪টি জেলার ৩৪টি জলমহালের প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন করা হয়।
এছাড়া বরিশালের দুর্গাসাগর দিঘি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিল চুড়ইল জলমহাল, মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত নিমগাছি প্রকল্পের ৭৭৯টি পুকুরের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং হবিগঞ্জ জেলার বিল সুতী নদী (বদ্ধ) জলমহাল বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উপস্থাপিত প্রস্তাব যাচাই-বাছাই শেষে সভায় ২৫টি জলমহাল ছয় বছর মেয়াদে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সায়রাত অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মফিজুল ইসলামসহ কমিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া মৌলভীবাজার, সিলেট, রংপুর, বরিশাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসকরা ভার্চুয়ালি সভায় সংযুক্ত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ রামু সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেনাবাহিনী অ্যাসল্ট কোর্স প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, যা ১০ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।
এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ৬৬ পদাতিক ডিভিশন দল, এবং রানারআপ হয় প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড দল। বিশেষ পারদর্শিতা প্রদর্শনের জন্য ১১ পদাতিক ডিভিশন দলের ল্যান্স কর্পোরাল (ডিএমটি) হাবিবুর রহমান শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন, এবং ১০ পদাতিক ডিভিশন দলের সৈনিক মো. জাহিদুল ইসলাম দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
গত ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ১৭টি দল অংশগ্রহণ করে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কক্সবাজার এরিয়া, সেনাসদর ও কক্সবাজার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনাকর্মকর্তাগণ, অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়বৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ আবারও গ্রেপ্তার করেছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেসনশ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বাসসকে।
তিনি জানান, আজ সোমবার সন্ধ্যায় বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপি সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দিলীপ কুমার আগারওয়ালার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল তৎকালীন র্যাব। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা , ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬‘ বাস্তবায়নে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার‘-এর আওতায় নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
গত ৮ অক্টোবর থেকে সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার, নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা কুশিয়ারা‘ বরিশাল জেলার হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, গোবিন্দপুর, লাহারহাট, বাবুগঞ্জ, চরমোনাই, শ্রীপুর এবং পাতারহাট তৎসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে।
এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক জব্দকৃত জাল ধ্বংস করা হয়।
নৌবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাসমূহে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে মোট ৩০ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ মিটার অবৈধ জাল এবং অন্যান্য ৭৪টি জাল জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ টাকা।
সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীসহ জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজননের সম্ভাব্য স্থানসমূহে নৌবাহিনী নিবিড় নিরাপত্তা প্রদান করছে। নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও দ্রুতগতির বোটের মাধ্যমে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে প্রজননকালীন ইলিশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে নৌবাহিনীর সদস্যগণ।
গত ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এ অভিযান আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ এলাকাতেও সব প্রজাতির মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে।
ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলসম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রাচুর্য বৃদ্ধি এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কের হিমছড়ি ঢালায় দিনদুপুরে দুই দফায় সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনায় অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহনের যাত্রী লুটপাটের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। মুখোশধারী ডাকাতেরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তাঁদের পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে নগদ টাকা, মুঠোফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ও দুপুরে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল দুই দফায় সড়কটির নির্জন অংশে অবস্থান নিয়ে ডাকাতি চালায়। ডাকাতদের কবলে পড়া যানবাহনের অধিকাংশই সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। তবে লুটপাটের শিকার যানবাহনের সঠিক সংখ্যা পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি।
একটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি এক সহকর্মীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে মুখোশধারী ১০ থেকে ১২ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। পরে দুজনকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে তাঁদের কাছ থেকে নগদ টাকা, দুটি মুঠোফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
রবিউল ইসলামের দাবি, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাতেরা একের পর এক যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে মালামাল লুট করে। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, ৫০ থেকে ৬০টি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের শতাধিক যাত্রী এ ঘটনার শিকার হন। বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করতে পারেনি।
একই সড়কে ডাকাতির শিকার হয়েছেন আরেকটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার হিসাবরক্ষক আবদুল হাকিম। তিনি জানান, তিনজন একটি অটোরিকশায় ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে সশস্ত্র ডাকাতেরা তাঁদের থামিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে মারধর করে তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকের চেকবই ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
আবদুল হাকিম বলেন, এ সড়কে প্রায়ই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। অথচ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ে না। ফলে এ পথে চলাচল করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।
ডাকাতদের কবলে পড়া ঈদগড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক জানান, সোমবার সকালে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন তিনি। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে ডাকাতেরা অটোরিকশাটির গতিরোধ করে। এ সময় তাঁর মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরিস্থিতি বিপজ্জনক বুঝতে পেরে জীবন বাঁচাতে চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে সড়কটিতে ডাকাতি চললেও ঘটনার সময় সেখানে পুলিশের টহল ছিল না। পাহাড়ি বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে যাওয়া সড়কটির নির্জন অংশে নিরাপত্তার ঘাটতি থাকায় ডাকাতেরা সহজেই যানবাহন থামিয়ে লুটপাট চালানোর সুযোগ পাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের ভাষ্য, ডাকাতির পাশাপাশি অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও দীর্ঘদিনের। ঈদগাঁও, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এদিকে, ঘটনার পর ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার জানান, স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহনে লুটপাট চালিয়ে পাশের জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
ওসি আরও জানান, ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কের গহিন বনাঞ্চল এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ