বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১৭ পি.এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য একটি বিনামূল্যে পবিত্র কোরআন শিক্ষা কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এই কোর্সটি আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে কোর্সটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম কোর্সটির উদ্বোধন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য উল্লেখ করেন, "পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম স্থান হচ্ছে মসজিদ। আর মসজিদে কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের মতো একটি উদ্যোগে উপস্থিত হতে পেরে আমরা নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করি।"
তিনি আরও বলেন, "মহান আল্লাহ মানুষকে তার বান্দা হিসেবে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে বহু আউলিয়া-দরবেশের আগমন ঘটেছে এবং তাদের মাধ্যমে এ দেশে ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচার ও প্রসার লাভ করেছে।"
উপাচার্য বলেন, "বাংলাদেশের সমাজে সত্যিকার অর্থে ইসলামের শিক্ষা ও মূল্যবোধকে এগিয়ে নিতে কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পবিত্র কোরআন শুদ্ধভাবে পড়া ও শেখার সুযোগ সৃষ্টির এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।" তিনি এই কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।
উদ্বোধকের বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও কোরআনের শিক্ষা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, "শুধু কোরআন তেলাওয়াত করাই নয়, এর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও অন্তর্নিহিত শিক্ষা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করাও প্রয়োজন।" তিনি সকলকে নিয়মিত পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও কোরআনের শিক্ষা অনুসরণের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বিনামূল্যে পবিত্র কোরআন শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে এই কোর্স চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আগ্রহীরা শুদ্ধভাবে পবিত্র কোরআন পড়া, তেলাওয়াতের প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন শেখা এবং কোরআন শিক্ষার সুযোগ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথে ১৮৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন, উপজেলা লামাকাজি ইউনিয়নের মির্জারগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামের মো. আরশদ আলীর ছেলে মংলা মিয়া (৫৬) এবং অন্যজন হলেন মির্জারগাঁও মাঝপাড়া গ্রামের মো. মিয়ার ছেলে সৈয়দ মিয়া (৪৫)।
বুধবার দুপুরে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে তাদের সিলেট আদালতে সোর্পোদ করা হয়। এর আগে, গত মঙ্গলবার (১লা সেপ্টেম্বর) রাতে নিজ গ্রাম এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় উভয়ের দেহ তল্লাশি করে ১৮৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত দুইজন পেশাদার মাদক কারবারি। গত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। গ্রেফতারের পর মংলা মিয়ার কাছ থেকে ১০০ পিস এবং সৈয়দ মিয়ার কাছ থেকে আরও ৮৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ গাজী মো. মাহবুবুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃত কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ “পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও তৃতীয় স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, “পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধ করা কেবল একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের নৈতিক অঙ্গীকার। মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী অধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তার পক্ষে সোচ্চার থাকা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।
উপাচার্য দেশে ইভটিজিং, অনলাইন সাইবার হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কেবল আইন বা প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালাই যথেষ্ট নয়, বরং মানসিকতার পরিবর্তন ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যেখানে কোনো নারী, শিক্ষার্থী বা কর্মী ভয়ের মধ্যে থাকবেন না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ, সমতাভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেরোবি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম। বেরোবি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াছ প্রামানিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউএন ওমেন বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম এনালিস্ট তশিবা কাশেম, আইন ও শালিস কেন্দ্রের উপদেষ্টা মুবারক মোহাম্মদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে সচেতনতামূলক কর্মশালা এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, দেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বাংলাদেশি উদ্ভাবন, ঐতিহ্যবাহী পণ্য ও সৃজনশীল শিল্পের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে মেধাস্বত্ব (আইপি) সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা জোরদারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে সিলেট-৫ আসনের খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসানের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের উদ্ভাবন, ঐতিহ্যবাহী পণ্য ও সৃজনশীল শিল্পের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন, ২০২৩ এবং শিল্প নকশা আইন, ২০২৩ প্রণয়নের মাধ্যমে মেধাস্বত্বের আইনি কাঠামো আধুনিকায়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিদ্যমান ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ এবং কপিরাইট আইন, ২০২৩-এর আওতায় উদ্ভাবন, ব্র্যান্ড ও সৃজনশীল সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
শিল্পমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী ও অঞ্চলভিত্তিক পণ্যের স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠায় সেগুলোকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন ও সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে। জিআই লোগোর ব্যবহার এসব পণ্যের ব্র্যান্ডিং, বিপণন ও মূল্য সংযোজনের ক্ষেত্রে সহায়তা করছে।
তিনি আরও জানান, পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক ও শিল্প নকশার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) কার্যক্রম ধীরে ধীরে ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। একইসঙ্গে দেশীয় উদ্ভাবক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প উদ্যোক্তাদের মেধাস্বত্ব নিবন্ধনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ওষুধ, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, প্লাস্টিক, হস্তশিল্প, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং সৃজনশীল শিল্পসহ উদীয়মান রপ্তানি খাতে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ও ব্র্যান্ডিংয়ে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে শিল্প ক্লাস্টার গড়ে তোলা, প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।
এলডিসি থেকে উত্তরণের পরেও বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে স্থানীয় গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা জোরদারে ‘ট্রিপস’ চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নীতিগত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান শিল্পমন্ত্রী।
মেধাস্বত্ব সুরক্ষার ইতিবাচক ফলাফল তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাড়ায় দেশের ব্র্যান্ড পরিচিতি ও বিদেশি বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক ও শিল্প নকশার নিবন্ধন দেশীয় উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও ব্র্যান্ডের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। এর ফলে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের মূল্য সংযোজন ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ছে।
তিনি বলেন, জিআই নিবন্ধিত পণ্যের উৎপাদক ও উদ্যোক্তারা বেশি বাজারমূল্য এবং নতুন রপ্তানি সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, চামড়া, প্লাস্টিক ও কৃষিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্যসহ বিভিন্ন খাতে রপ্তানি সম্প্রসারণে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে রপ্তানি বহুমুখীকরণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ায় বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং উদ্ভাবননির্ভর শিল্পায়নের সম্ভাবনা বেড়েছে, যা টেকসই রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকার মেধাস্বত্ব সুরক্ষাকে রপ্তানি বহুমুখীকরণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। নতুন রপ্তানি খাত গড়ে তুলতে আইন সংস্কার, জিআই নিবন্ধন, পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক সুরক্ষা, ব্র্যান্ড উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনে সহায়তার মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুলনার ভৈরব নদে ফেরি-ট্রলারের সংঘর্ষের ফলে নিখোঁজ যুবক রাকিব খানকে উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে নৌবাহিনী, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড এবং ফায়ার বিভাগের সদস্যরা।
নিখোঁজ যুবক রাকিব রূপসা উপজেলার সেনের বাজার এলাকার হাজী গ্রামের বাসিন্দা বাকের খানের ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে ভৈরব নদীতে ফেরি ও ট্রলারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার ফলে ট্রলারটি মাঝ নদীতে ডুবে যায়। ট্রলারে উপস্থিত সকল যাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রাকিব নিখোঁজ রয়েছেন।
নৌ পুলিশ রূপসা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের বাসস’কে জানিয়েছেন, "রাত ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আমরা রাকিবের সন্ধানে নদীতে উদ্ধার অভিযান চালাই। এরপর আজ সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে আবারও অভিযান শুরু করা হয়েছে।" এই অভিযানে নৌ পুলিশের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড এবং নৌ বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মাসুদ সরদার বলেছেন, "রাতভর অভিযান চালানোর পরও রাকিবকে খুঁজে না পাওয়ায়, আজ সকালে তার পরিবারের সদস্যরা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে ডুবরীর একটি দল ঘটনাস্থল ও আশপাশে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।"
এছাড়া, ডুবে যাওয়া ট্রলারটির অবস্থানও এখনও জানা যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ