১২:১১ পি.এম
ভেনেজুয়েলার দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল শোধনাগার কার্দোনে আগুন ও বিস্ফোরণের কারণে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার, ফ্যালকন রাজ্যের পুন্তো ফিখো এলাকায় অবস্থিত শোধনাগারটিতে এই ঘটনা ঘটে। একটি গ্যাসলাইনে সমস্যা দেখা দেওয়ার পর আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্যাসলাইনে আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর শোধনাগারের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগে সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। নিরাপত্তার কারণে শোধনাগারের কর্মীদেরও সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
কার্দোন শোধনাগারের দৈনিক প্রায় ৩ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। এটি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ (PDVSA) দ্বারা পরিচালিত পারাগুয়ানা রিফাইনিং সেন্টারের একটি অংশ। ওই কমপ্লেক্সে কার্দোন ছাড়াও আমুয়াই শোধনাগার অবস্থিত।
আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেখ পদবিধারীদের নামের সংখ্যা সর্বাধিক
স্থানীয় সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ডিজেল উৎপাদনকারী একটি ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত গ্যাসলাইনে ত্রুটির পর আগুনের সূত্রপাত ঘটে। নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো শোধনাগার এবং এর বয়লারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
একটি সূত্র জানিয়েছে, এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় কোনো শ্রমিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ তাৎক্ষণিকভাবে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি।
কার্দোন শোধনাগারটি ভেনেজুয়েলার জ্বালানি পরিশোধন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এর দৈনিক পরিশোধন সক্ষমতা প্রায় ৩ লাখ ব্যারেল হওয়ায় দীর্ঘ সময় কার্যক্রম বন্ধ থাকলে দেশটির জ্বালানি উৎপাদন ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়তে পারে।
ভেনেজুয়েলার তেল শিল্প দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণ ঘাটতি, যন্ত্রপাতির সমস্যা ও কাঁচামালের সংকটসহ নানা সমস্যার মুখোমুখি। এর আগে কার্দোন শোধনাগারের কয়েকটি ইউনিটও বিভিন্ন সময়ে কারিগরি সমস্যা ও অপর্যাপ্ত কাঁচামালের কারণে বন্ধ ছিল।
আরও পড়ুন: জার্মানির আইনমন্ত্রী: সহিংসতা সত্ত্বেও জেন-জিদের বিক্ষোভের পক্ষে
ঘটনার পর শোধনাগারটি পুনরায় চালুর প্রস্তুতি ও ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের কাজ শুরু হয়েছে। তবে আগুনে শোধনাগারের অবকাঠামোর কতটা ক্ষতি হয়েছে এবং স্বাভাবিক উৎপাদন কবে নাগাদ ফিরবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন