মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
০৭:২৮ পি.এম
শেরপুরে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), শেরপুর জেলা শাখা। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে সংগঠনটি। কর্মসূচিতে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে জেলা জাসাসের উদ্যোগে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে থানার মোড় মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চেতনা সমুন্নত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
র্যালিতে নেতৃত্ব দেন শেরপুর জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এ.কে.এম. এনামুল হক বিপু। পরে থানার মোড় মুক্তমঞ্চে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সদস্য সচিব মোঃ হারুন অর রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জাকির হোসেন, মিলন মিয়া ও সবুজ মিয়া এবং জেলা জাসাসের সদস্য ও দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম জাপি। এ ছাড়া উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ, জাসাসের সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, সমর্থকসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল চেতনার সঙ্গে জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশপ্রেম এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো জড়িয়ে রয়েছে। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে আরও সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কেবল একটি সাংগঠনিক প্ল্যাটফর্ম নয়; এটি জাতীয়তাবাদী দর্শন, দেশীয় সংস্কৃতি, সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পচর্চার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জাতীয় চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, দেশপ্রেম ও মানুষের অধিকারবোধকে ছড়িয়ে দিতে জাসাসের নেতাকর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
তাঁরা বলেন, সাংগঠনিক ঐক্য, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে।
জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এ.কে.এম. এনামুল হক বিপুর নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনাকে ধারণ করে জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও সাংস্কৃতিক ঐক্য সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন শেরপুর জেলা জাসাসের সাংগঠনিক তৎপরতায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নৈতিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে কওমি মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্টের ঘটনায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির বক্তব্য হলো, "কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার দায় ব্যক্তির; এর সঙ্গে পুরো একটি শিক্ষা-ব্যবস্থা বা মাদরাসা প্রতিষ্ঠানকে জড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
শনিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মজলিসে আমেলার অধিবেশনে নেতারা এসব মন্তব্য করেন। কেন্দ্রীয় সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর পরিচালনায় এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
এ অধিবেশনে আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস তালুকদার, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী এবং মাওলানা লোকমান মাযহারী প্রমুখ।
নেতারা উল্লেখ করেন, "কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ থাকলে আইনানুগ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে হবে।" অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে অভিযোগের অজুহাতে কোনো মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করা কিংবা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
তারা আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলো দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতে ঢালাওভাবে কওমি মাদ্রাসাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং হামলার পরিবেশ সৃষ্টি করা একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। তাই, কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে আবেগ, গুজব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণার ওপর নির্ভর না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করতে হবে।
জমিয়ত নেতারা বলেন, "আমরা কোনো অপরাধীর পক্ষাবলম্বন করি না।" অপরাধী যে-ই হোক, তার পরিচয় ও প্রতিষ্ঠান বিবেচনা না করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে নিরপরাধ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের ওপর অন্যায়ের দায় চাপিয়ে দেওয়া কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অভিযোগের নামে দেশের কোনো মাদ্রাসায় হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। "অপরাধীর বিচার চাই, কিন্তু কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস বা একটি বৃহৎ শিক্ষা ব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করার ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, যা মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই প্রার্থীর নাম ও তাদের দলীয় পরিচয় ঘোষণা করা হয়।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানী ঢাকার দুই গুরুত্বপূর্ণ সিটিতে সংগঠন ও তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত এমন দুই শীর্ষ নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে:
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি):
ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মাওলানা মুর্শিদ আলম সিদ্দিকী। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি):
ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে লড়বেন হাফেজ মাওলানা মাহবুবুল হক। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এবং অবিভক্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত আলেম মরহুম শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.)-এর সুযোগ্য সন্তান।
সংবাদ সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দেশব্যাপী পূর্ণ শক্তিতে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং অন্যান্য সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি রাজধানীর দুই সিটিতে সৎ, আদর্শবান ও জনবান্ধব নেতৃত্ব উপহার দেওয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাসুম বলেছেন, সরকার জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে, কারণ তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে শপথ গ্রহণ করেনি। জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে সরকার দেশ পরিচালনা করছে, যার ফলে দেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের ৭ মাসের কর্মকাণ্ডের কারণে জনগণের মধ্যে উৎকণ্ঠা বেড়েছে। দেশের মানুষ এই সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়েছে।
শনিবার দুপুরে চাঁদপুর আল-আমিন একাডেমির ছাত্রী ক্যাম্পাসে জেলা আমিরের শপথ গ্রহণ ও জেলা মজলিশে শুরার সদস্য নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ টি এম মাসুম বলেন, শপথ অনুষ্ঠান একটি আবেগঘন ও গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। শপথ গ্রহণের সময় মনের আবেগ ও দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে শপথ নিতে হবে এবং তা বাস্তবায়নে আন্তরিক হতে হবে। বর্তমান সরকারের সাত মাসের কর্মকাণ্ডে জনগণের মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, সংস্কারের পক্ষে আয়োজিত কর্মশালাগুলোতে জনগণের মধ্যে আশাবাদ ও উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। কিন্তু সরকার সেই সনদ বাস্তবায়নের শপথ গ্রহণ করেনি।
এছাড়া, তিনি বলেন, বর্তমান সংবিধানে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংবিধান বহাল রেখে বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার নেই। সরকার চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দিচ্ছে এবং আগের সরকারের সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ-তিন গুণ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। সরকারের কয়েক মাসের শাসনামলে দেশে খুন, রাহাজানি ও অস্থিরতা বেড়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
বিচার বিভাগকে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিচার বিভাগকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে ইসলামের ওপর আঘাত আনা হচ্ছে এবং শরিয়াহ আইন মানতে অনীহা দেখানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনও দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তার মতে, বর্তমান সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া, এরই মধ্যে চার শতাধিক কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও কুমিল্লা অঞ্চল টিমের সদস্য আব্দুস সাত্তার।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া সম্মেলন পরিচালনা করেন। জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল, সহকারী সেক্রেটারি ডা. আব্দুল মবিন, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, মাওলানা আবুল হোসেন ও হারুনুর রশিদসহ জেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ রেজাউল করীম অভিযোগ করেছেন যে, জামায়াতের কারণে দেশে ইসলামী চেতনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে দলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সীরাত সম্মেলন ও সীরাত গবেষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই অভিযোগ করেন। কাকরাইলের ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
এ সময় বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনাদর্শ, ইতিহাস, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ