বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৫ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার জন্য সরকার কাজ করছে। বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরো শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘দীর্ঘায়ুর যুগ : দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা (দ্য এইজ অব লংজিভিটি : রিথিংকিং সিস্টেমস ফর লংগার লাইভস)।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতি ও অগ্রগতির ফলে বিশ্বের দেশে দেশে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাচ্ছে। দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হচ্ছে; একই সঙ্গে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলোকে সময়োপযোগী করে তোলার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসছে।
তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় সরকার সচেতন ও সতর্ক রয়েছে। একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রবীণ নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জীবনচক্রের প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি প্রবীণ বয়সে নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি, বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরো কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লিখিত কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের ধারণার আলোকে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। প্রবীণদের অবহেলা না করে তাঁদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী প্রবীণ জনগণের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বলেন, বয়স্ক ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং উপকারভোগীর সংখ্যা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে।
প্রবীণ ব্যক্তিদের পরিবার ও সমাজের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই একটি কল্যাণমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রবীণ জনগণের প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।
তিনি বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র- তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখা জরুরি। প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রবীণ নাগরিকদের স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে রাষ্ট্র ও সমাজে আবহমান কালের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ যত বেশি বজায় থাকবে, সমাজে প্রবীণদের যত্ন, সম্মান ও মর্যাদা তত বেশি সুরক্ষিত থাকবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের এ শুভক্ষণে দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা তাঁর সরকারের লক্ষ্য, যেখানে বয়সে তরুণ কিংবা প্রবীণ প্রতিটি মানুষ তাঁর সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে। তিনি ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস, ২০২৬-এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে চান। সরকারের সহযোগিতা করার জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।
বুধবার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফর সংক্রান্ত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রুমন উল্লেখ করেন, ‘নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন। সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়েছে। রাত পর্যন্ত তার সঙ্গে আমাদের কাজ করতে হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের সফলতা আড়ালের চেষ্টা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘দেশে ফিরে এসে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সফলতা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ হবে, টকশোতে আলোচনা হবে, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তখনই এমন সব ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ফলে সব গণমাধ্যম সেই ঘটনাগুলো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের সাফল্য আড়ালের চেষ্টা হয়েছে।’
রুমন বলেন, ‘পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকারের দেশ চালানোর যে সূত্র ছিল, আমাদের বিরোধী গোষ্ঠীও সেই মন্ত্রেই চলছে।’
সরকারের কার্যক্রমে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি একজনকে বলেন নদী পার হও, আর তার হাত-পা বেঁধে দেন, উনি কি নদী পার হতে পারবেন? সম্ভব না।’
এবারের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল, কারণ দীর্ঘদিন পর এবার বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার জাতিসংঘে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। তাই, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব ও আলোচনা, জলবায়ুতে ন্যায়বিচার ও অর্থায়নের দাবি, বাংলাদেশের পুনর্গঠনে থ্রি আর (3R) প্রস্তাব উপস্থাপনসহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের বিষয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়। তবে, এসব বিষয় কয়টি গণমাধ্যমে বিস্তারিত ঠাঁই পেয়েছে?
রুমন দাবি করেন, এসব অর্জনকে ম্লান করতে একটি গোষ্ঠী সংঘবদ্ধভাবে পরিকল্পিত কিছু অপকর্ম ঘটিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশের হাল ধরেছেন। সরকারকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সত্যিই একটি শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশ গড়তে চান। আপনারা সরকারকে সহযোগিতা করুন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্ট্যান্ড-আপ কমেডিতে অবদান ও দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘গ্রিনলিফ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ ‘জনপ্রিয় স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার অর্জন করেছেন শাওন মজুমদার।
শাওন এই নতুন স্বীকৃতিকে তার ক্যারিয়ারের একটি বিশেষ অর্জন হিসেবে বিবেচনা করছেন। তিনি স্ট্যান্ড-আপ কমেডিতে নিজের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে আরো ভালো কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে উচ্ছ্বসিত শাওন বলেন, ‘এই স্বীকৃতি আমার জন্য খুবই বিশেষ। আমার কাজের প্রতি দর্শকদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণেই এতদূর আসতে পেরেছি। এই পুরস্কার আমাকে সামনে আরো ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেবে।’
২০১০ সালে ‘হা-শো’র মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন শাওন। এরপর তিনি মিরাক্কেল, রেডিও, নাটক, ওটিটি, চলচ্চিত্র ও স্ট্যান্ড-আপ কমেডিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করেছেন। এই শিল্পী তার স্বতন্ত্র রসবোধ ও উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শক-শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি লাভ করেছেন। শাওন রেডিওতেও দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। ক্যাপিটাল এফএমের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘নাট-বল্টু’র আরজে হিসেবে তিনি প্রায় এক দশক ধরে শ্রোতাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, দেশের চিকিৎসকরা বহু সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দিনরাত সেবা প্রদান করে চলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, দেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। চীন ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা ও অগ্রগতির মাধ্যমে তাদের জন্য উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং ফেলোশিপ সুবিধার পরিধি সম্প্রসারণের কাজ চলছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে জাতীয় নাক, কান, গলা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান যে, চিকিৎসকদের কাজের বাস্তব চিত্র এবং প্রতিকূলতা অনুধাবন করতে হবে। তিনি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন যে, কোনো কাজের ঘাটতি বা ভুল-ত্রুটি থাকলে তা গণমাধ্যমের গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন করার ইতিবাচক মানসিকতা রাখতে হবে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "একটি সুস্থ ও সবল জনগোষ্ঠী ছাড়া সমৃদ্ধ অর্থনীতি গড়ে তোলা অসম্ভব।" তাই চিকিৎসা পেশার মহৎ মর্যাদা রক্ষা করে দেশের প্রান্তিক মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আরও আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে ৭ কোটি ৫৯ লাখ ২৬ হাজার ৮৯৩ টাকা প্রদান করেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) এবং ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেড (ইউসিএল), যা দেশের শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে।
এই অর্থের মধ্যে ইউনিলিভার বাংলাদেশ ৭ কোটি ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৫২০ টাকা এবং ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার ৫১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৩ টাকা প্রদান করেছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে দুইটি পৃথক চেকের মাধ্যমে এই অর্থ হস্তান্তর করা হয়। ইউনিলিভার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চেক হস্তান্তর করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রুহুল কুদ্দুস খান এবং এইচআর ডিরেক্টর সৈয়দা দুরদানা কবির। অন্যদিকে, ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের পক্ষে চেক দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাহারুল ইসলাম মোল্লা। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা এবং বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ইউবিএল ও ইউসিএল ফাউন্ডেশনের তহবিলে অবদানের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এছাড়া, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ