বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৫ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে চান। সরকারের সহযোগিতা করার জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।
বুধবার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফর সংক্রান্ত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রুমন উল্লেখ করেন, ‘নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন। সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়েছে। রাত পর্যন্ত তার সঙ্গে আমাদের কাজ করতে হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের সফলতা আড়ালের চেষ্টা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘দেশে ফিরে এসে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সফলতা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ হবে, টকশোতে আলোচনা হবে, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তখনই এমন সব ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ফলে সব গণমাধ্যম সেই ঘটনাগুলো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের সাফল্য আড়ালের চেষ্টা হয়েছে।’
রুমন বলেন, ‘পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকারের দেশ চালানোর যে সূত্র ছিল, আমাদের বিরোধী গোষ্ঠীও সেই মন্ত্রেই চলছে।’
সরকারের কার্যক্রমে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি একজনকে বলেন নদী পার হও, আর তার হাত-পা বেঁধে দেন, উনি কি নদী পার হতে পারবেন? সম্ভব না।’
এবারের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল, কারণ দীর্ঘদিন পর এবার বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার জাতিসংঘে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। তাই, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব ও আলোচনা, জলবায়ুতে ন্যায়বিচার ও অর্থায়নের দাবি, বাংলাদেশের পুনর্গঠনে থ্রি আর (3R) প্রস্তাব উপস্থাপনসহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের বিষয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়। তবে, এসব বিষয় কয়টি গণমাধ্যমে বিস্তারিত ঠাঁই পেয়েছে?
রুমন দাবি করেন, এসব অর্জনকে ম্লান করতে একটি গোষ্ঠী সংঘবদ্ধভাবে পরিকল্পিত কিছু অপকর্ম ঘটিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশের হাল ধরেছেন। সরকারকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সত্যিই একটি শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশ গড়তে চান। আপনারা সরকারকে সহযোগিতা করুন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্ট্যান্ড-আপ কমেডিতে অবদান ও দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘গ্রিনলিফ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ ‘জনপ্রিয় স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার অর্জন করেছেন শাওন মজুমদার।
শাওন এই নতুন স্বীকৃতিকে তার ক্যারিয়ারের একটি বিশেষ অর্জন হিসেবে বিবেচনা করছেন। তিনি স্ট্যান্ড-আপ কমেডিতে নিজের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে আরো ভালো কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে উচ্ছ্বসিত শাওন বলেন, ‘এই স্বীকৃতি আমার জন্য খুবই বিশেষ। আমার কাজের প্রতি দর্শকদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণেই এতদূর আসতে পেরেছি। এই পুরস্কার আমাকে সামনে আরো ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেবে।’
২০১০ সালে ‘হা-শো’র মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন শাওন। এরপর তিনি মিরাক্কেল, রেডিও, নাটক, ওটিটি, চলচ্চিত্র ও স্ট্যান্ড-আপ কমেডিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করেছেন। এই শিল্পী তার স্বতন্ত্র রসবোধ ও উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শক-শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি লাভ করেছেন। শাওন রেডিওতেও দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। ক্যাপিটাল এফএমের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘নাট-বল্টু’র আরজে হিসেবে তিনি প্রায় এক দশক ধরে শ্রোতাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, দেশের চিকিৎসকরা বহু সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দিনরাত সেবা প্রদান করে চলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, দেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। চীন ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা ও অগ্রগতির মাধ্যমে তাদের জন্য উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং ফেলোশিপ সুবিধার পরিধি সম্প্রসারণের কাজ চলছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে জাতীয় নাক, কান, গলা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান যে, চিকিৎসকদের কাজের বাস্তব চিত্র এবং প্রতিকূলতা অনুধাবন করতে হবে। তিনি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন যে, কোনো কাজের ঘাটতি বা ভুল-ত্রুটি থাকলে তা গণমাধ্যমের গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন করার ইতিবাচক মানসিকতা রাখতে হবে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "একটি সুস্থ ও সবল জনগোষ্ঠী ছাড়া সমৃদ্ধ অর্থনীতি গড়ে তোলা অসম্ভব।" তাই চিকিৎসা পেশার মহৎ মর্যাদা রক্ষা করে দেশের প্রান্তিক মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আরও আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে ৭ কোটি ৫৯ লাখ ২৬ হাজার ৮৯৩ টাকা প্রদান করেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) এবং ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেড (ইউসিএল), যা দেশের শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে।
এই অর্থের মধ্যে ইউনিলিভার বাংলাদেশ ৭ কোটি ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৫২০ টাকা এবং ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার ৫১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৩ টাকা প্রদান করেছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে দুইটি পৃথক চেকের মাধ্যমে এই অর্থ হস্তান্তর করা হয়। ইউনিলিভার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চেক হস্তান্তর করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রুহুল কুদ্দুস খান এবং এইচআর ডিরেক্টর সৈয়দা দুরদানা কবির। অন্যদিকে, ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের পক্ষে চেক দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাহারুল ইসলাম মোল্লা। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা এবং বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ইউবিএল ও ইউসিএল ফাউন্ডেশনের তহবিলে অবদানের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এছাড়া, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মক্তবের ছুটি শেষ হওয়ার পর ৯ বছরের একটি শিশু কন্যাকে মসজিদের ভেতরে আটকে রেখে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, যিনি বেলাল মুন্সি নামেও পরিচিত (৫৫) এর বিরুদ্ধে।
ঘটনার তিন দিন পর, আজ বুধবার, উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি নান্দাইল উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের সংগ্রামখেলি গ্রামের বাসিন্দা এবং একই ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান সভাপতি।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সকালে সংগ্রামখেলি গ্রামের একটি মসজিদে প্রতিদিনের মতো এলাকার অন্তত ৩০ জন শিশু আরবি পড়তে যায়। বেলাল মুন্সি দীর্ঘদিন ধরে ওই মসজিদে সকালের মক্তব পড়াতেন। পড়া শেষে অন্যান্য শিশুদের ছুটি দিলেও ভুক্তভোগী ওই শিশু কন্যাকে কৌশলে আটকে রাখেন তিনি।
সব শিশু চলে যাওয়ার পর মসজিদের দরজা বন্ধ করে বেলাল মুন্সি শিশুটিকে নিজের কাছে ডাকেন। ভুক্তভোগী শিশু জানায়, ওই সময় হুজুর তার হাত ধরে কাছে টেনে নেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা চালান। শিশুটি বাধা দিলে এবং চিৎকার করতে চাইলে অভিযুক্ত জোরপূর্বক তার মুখ চেপে ধরার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে শিশুটি কোনোমতে তার হাত থেকে ফসকে দৌড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি চলে যায়।
কান্না করতে করতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বিস্তারিত জানায়। পরে মা স্থানীয় মাতবরকে বিষয়টি জানান।
জানা যায়, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর জামায়াত নেতা বেলাল মুন্সি নিজের প্রভাব খাটিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে পাড়ায় একটি সালিস বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু তিন দিন পেরিয়ে গেলেও পরিবারটি কোনো সুষ্ঠু বিচার পায়নি।
আজ স্থানীয় জনতা দলবদ্ধ হয়ে অভিযুক্ত বেলাল মুন্সির বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করেন। তবে বেগতিক দেখে তিনি আগেই এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দেওয়ায় তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বেলাল মুন্সি বলেন, ওই দিন তিনি মেয়েটিকে নিজের মোবাইলে একটি নাম্বার প্রবেশ করাতে বলেন। কিন্তু না পারায় তিনি একটি চড় দিয়েছিলেন। এরপরই রাগ করে মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে মিথ্যা অপবাদ ছড়ায়।
বাড়ি ছেড়েছেন কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, জানের ভয়ে।
এ বিষয়ে নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ