ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

উত্তর প্রদেশে নির্বাচনের আগে মুসলিম বিদ্বেষ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে


উত্তর প্রদেশে নির্বাচনের আগে মুসলিম বিদ্বেষ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে

ভারতের উত্তর প্রদেশে ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, গ্রেপ্তার ও উচ্ছেদের একটি উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে নতুন একটি প্রতিবেদনে। সাউথ এশিয়া জাস্টিস ক্যাম্পেইন প্রকাশিত ‘ইলেকশন ওয়াচ উত্তর প্রদেশ ২০২৭’-এর প্রথম সংস্করণে ২০২৬ সালের ১ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই মাসের ঘটনাবলি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই দুই মাসে ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকে সংঘটিত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে—এমন হামলায় অন্তত চারজন মুসলিম নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ বছর বয়সী এক যুবক রয়েছেন, যাকে তার এক আত্মীয়ের বোরকা পরা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি মারধর করে হত্যা করেন। অন্য এক ঘটনায় ‘লাভ জিহাদ’ ষড়যন্ত্রতত্ত্বের উল্লেখ করে এক স্কুলশিক্ষককে গুলি করে হত্যা করেন এক ব্যক্তি।

এই চারটি হত্যাকাণ্ডের পর ২০২৬ সালে উত্তর প্রদেশে সন্দেহভাজন ধর্মীয় বিদ্বেষজনিত হত্যার ঘটনায় নিহত মুসলিমের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে নয়জনে। ২০২৫ সালের পুরো বছরে এ ধরনের ঘটনায় সাতজন মুসলিম নিহত হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ৫ আগস্ট শামলিতে পুলিশের গুলিতে এক মুসলিম ব্যক্তি নিহত হন।

আরও পড়ুন: ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার জন্য ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নামতে হলো’

গ্রেপ্তারের আগে পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনা, যা সাধারণত ‘হাফ এনকাউন্টার’ নামে পরিচিত, তাও প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, উত্তর প্রদেশের ৭৫টি জেলার মধ্যে ২৭টিতে এ ধরনের ঘটনায় অন্তত ৭০ জন মুসলিম গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫২ জনের বিরুদ্ধে গরু জবাই বা গবাদিপশু চুরির অভিযোগ ছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই দুই মাসে অন্তত ১৫২ জন মুসলিমকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজন নারী রয়েছেন। এছাড়া অনলাইনে মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করায় কয়েকজনকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনাও নথিভুক্ত করা হয়েছে।

একই সময়ে অন্তত আরো ১৬ জন মুসলিম হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরও রয়েছে, যে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে অস্বীকার করায় হামলার শিকার হয়।

প্রতিবেদনে নথিভুক্ত ১৪টি হামলার ঘটনার কোনোটি‌তেই হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। বরং দুটি ঘটনায় পুলিশ উল্টো ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাগাতিপাড়ায় মাদক ও বাল্যবিবাহের কুফল নিয়ে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রতিবেদনটি। এতে ওই দুই মাসে অন্তত ২১টি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বক্তব্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে দায়ী করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজেপির এই নেতা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ‘বাবরের অনুসারী’ হিসেবে অভিহিত করেন। অন্যদিকে, রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের মানসিকতা সন্ত্রাসবাদীদের মতো হয়ে যায়। রাজ্যের এক মন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘আমাদের মুসলিম শব্দের প্রয়োজন নেই।’

এসব বক্তব্যের পর কোনো পদাধিকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে একটি আদালত ২০১৩ সালের মুজাফফরনগর সহিংসতার আগে দেওয়া বক্তব্যের ঘটনায় বিজেপি নেতা ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দেন। ওই সহিংসতায় ৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন মুসলিম।

আরও পড়ুন: অ্যাপল গ্লোবাল টেলরের এমডি-চেয়ারম্যানকে ২২ বছরের কারাদণ্ড, ৯২৬ কোটি টাকা জরিমানা

মুসলিমদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, অন্তত নয়টি ঘটনায় মুসলিমদের ৩৪টি বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।

এছাড়া উত্তর প্রদেশ সরকার রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ডিগ্রি প্রদানের ক্ষমতা প্রত্যাহার করেছে। এর ফলে প্রায় ৩৭ হাজার মুসলিম শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার স্বীকৃতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিরোধী নেতাদের গৃহবন্দি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা

আরও পড়ুন: গাড়ি থেকে সরকারি লোগো খুলে ফেললেন ইশরাক

প্রতিবেদনে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের চলাফেরা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অন্তত ১০টি জেলার ১২টি ঘটনায় বিরোধী নেতাদের গৃহবন্দি রাখা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

পুলিশি হেফাজতে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা, উচ্ছেদ অভিযানের মুখে পড়া মানুষের কাছে যাওয়া কিংবা মুখ্যমন্ত্রীর সফর চলাকালে প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ঠেকাতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই তিনবার আটক হন।

নির্বাচন ঘিরে সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে উদ্বেগ

ভারতের সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে দেশটির মুসলিম জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশেরও বেশি মানুষের বসবাস। সাউথ এশিয়া জাস্টিস ক্যাম্পেইন জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার প্রাক্কালে সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অখণ্ডতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগের প্রমাণভিত্তিক নথি তৈরি করাই তাদের মাসিক প্রতিবেদন প্রকাশের উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য অধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে আগাম সতর্কতা ও কার্যকর পদক্ষেপের ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব হবে বলে সংগঠনটি মনে করে।

আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে বিনা খরচে ট্যাক্স ফাইলিং, বাংলায় সহায়তা পাবেন যেভাবে

সূত্র: মাকতুব মিডিয়া

আরএ

সূত্র: মাকতুব মিডিয়া

আরএ

আরও পড়ুন: ১ ডিসেম্বর ইউএনও সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সর্বজনীন পেনশনে সুখবর, গ্রাহকেরা লাভবান হবেন ১১.৬৮% থেকে ১১.৭২% মুনাফায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


সর্বজনীন পেনশনে সুখবর, গ্রাহকেরা লাভবান হবেন ১১.৬৮% থেকে ১১.৭২% মুনাফায়

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমের গ্রাহকদের বিনিয়োগ মুনাফা বণ্টনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই অর্থবছরে বিনিয়োগের বিপরীতে সর্বনিম্ন ১১.৬৮ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১১.৭২ শতাংশ মুনাফা অর্জিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় বিনিয়োগ করা অর্থের বিপরীতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মোট ২৮ কোটি ৯৬ লাখ ৫৫ হাজার ৪৮ টাকা ৮০ পয়সা মুনাফা অর্জিত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় এই মুনাফা গ্রাহকদের মধ্যে বণ্টনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী, প্রত্যেক গ্রাহকের জমার পরিমাণ এবং জমার সময়কালের ভিত্তিতে অর্জিত মুনাফা তাদের নিজ নিজ পেনশন হিসাবে (করপাস হিসাবে) যোগ করার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, "সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করা এবং গ্রাহকদের জমাকৃত অর্থের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও যৌক্তিক মুনাফা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। মুনাফা বণ্টনের ফলে এ স্কিমের গ্রাহকেরা সরাসরি উপকৃত হবেন এবং কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।"

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের পেনশন হিসাবে অর্জিত মুনাফার হিসাব যোগ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুরে ২৮০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ, ভালো ফলনের আশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


মাধবপুরে ২৮০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ, ভালো ফলনের আশা

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে শিম চাষ নিয়ে কৃষকেরা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। এ বছর উপজেলায় প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। মাঠজুড়ে সবুজ শিমগাছ, সাদা ফুল ও গাছে ঝুলন্ত শিম দেখে স্থানীয় চাষিরা এবার বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শিমখেতে গিয়ে দেখা গেছে, কৃষকেরা গাছের নিবিড় পরিচর্যা ও আগাছা পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গাছে প্রচুর ফুল ও কচি শিম আসায় তাঁদের মধ্যে দারুণ আশাবাদ তৈরি হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো বাজারদর বজায় থাকলে এ মৌসুমে শিম চাষ থেকে বিপুল লাভের আশা করছেন তাঁরা।

উপজেলার জগদীশপুর এলাকার শিমচাষি সাইফুল ইসলাম বলেন, "বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এই বাজারদর শেষ পর্যন্ত বজায় থাকলে শিম চাষে এবার ভালো সফলতা আসবে বলে আশা করছি।"

স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় সবজি হিসেবে শিম চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে বীজ, সার, শ্রমিকের মজুরি ও জমি পরিচর্যার খরচ মেটানোর পর ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ওপরই কৃষকের প্রকৃত লাভ নির্ভর করছে।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি অর্থাৎ মোট ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। শিম চাষে কৃষকদের এই আগ্রহ কৃষি খাতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। সঠিক পরিচর্যা, সুষম সার প্রয়োগ ও রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া সম্ভব। কৃষকেরা যাতে উৎপাদিত শিমের ন্যায্যমূল্য পান, সেদিকে খেয়াল রাখার পাশাপাশি কৃষি বিভাগ থেকে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

মৌসুমজুড়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বাজারে শিমের ন্যায্য দাম বজায় থাকলে এবার আর্থিকভাবে লাভবান হবেন মাধবপুরের কৃষকেরা-এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমের গুঞ্জন পেরিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে অনিরুদ্ধ-কাব্য?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


প্রেমের গুঞ্জন পেরিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে অনিরুদ্ধ-কাব্য?

দক্ষিণ ভারতীয় সংগীতজগতের জনপ্রিয় সুরকার অনিরুদ্ধ রবিচন্দর এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাব্য মারানের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা আলোচনা। দুজনেই ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন। তবে এবার তাঁদের সম্ভাব্য বিয়ের খবর নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। গ্রিসে বিয়ের আয়োজন এবং চেন্নাইয়ে জমকালো সংবর্ধনার খবর সামনে আসতেই আলোচনায় উঠে এসেছে তাঁদের সম্পর্কের নানা অধ্যায়।

২০২৫ সালে অনিরুদ্ধ ও কাব্যকে ঘিরে প্রেমের গুঞ্জন জোরালো হতে শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় বিয়ের খবর নিয়ে মজার ছলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন অনিরুদ্ধ। গুঞ্জন থামাতে তিনি সকলকে এমন আলোচনা বন্ধ করার আহ্বানও জানান। তবে এরপরও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে মানুষের আগ্রহ কমেনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ১১ নভেম্বর ২০২৬ গ্রিসে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হতে পারে। এরপর ২১ নভেম্বর চেন্নাইয়ে আয়োজন করা হতে পারে বিয়ের সংবর্ধনা। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যেও চেন্নাইয়ে ২১ নভেম্বর সংবর্ধনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে গ্রিসে বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখসহ আয়োজনের সব তথ্য এখনো অনিরুদ্ধ ও কাব্য নিজেদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি।

সম্ভাব্য এই আয়োজন ঘিরে তারকাদের উপস্থিতি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। সংগীত, চলচ্চিত্র, ক্রিকেট ও ব্যবসায়িক জগতের পরিচিত ব্যক্তিদের পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরাও আমন্ত্রণ পেতে পারেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে সম্ভাব্য অতিথিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা কিংবা কারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

অনিরুদ্ধ রবিচন্দর তামিল চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত সংগীত পরিচালক। অন্যদিকে, কাব্য মারান সান গ্রুপের চেয়ারম্যান কালানিধি মারানের মেয়ে এবং আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বিনোদন ও ক্রিকেট জগতের দুই পরিচিত মুখকে ঘিরে বিয়ের খবরটি তাই বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে। এখন ভক্তদের অপেক্ষা, কবে নিজেদের সম্পর্ক ও বিয়ের বিষয়ে সরাসরি মুখ খুলবেন অনিরুদ্ধ ও কাব্য।

টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অবলম্বনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবি প্রশাসনে চারটি পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


ইবি প্রশাসনে চারটি পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসনের চারটি পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান দ্বারা স্বাক্ষরিত চারটি পৃথক অফিস আদেশে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।

নিযুক্তদের মধ্যে আইসিটি সেলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম। শিক্ষক ছাত্র সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (টিএসসিসি) পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুর রহমান। প্রেস প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. গাজী মোহাম্মদ মাহবুব মুর্শিদ এবং সেন্ট্রাল ল্যাবের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন ভূঁইয়া।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আইসিটি সেলের পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান আলীর মেয়াদ ২১ অক্টোবরে শেষ হবে। তাই তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। টিএসসিসির পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাকির হোসেনের মেয়াদ ১৮ অক্টোবর শেষ হওয়ায় তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রেস প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মফিজুল ইসলামের মেয়াদ ২০ অক্টোবরে শেষ হবে; তাই তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. গাজী মো. মাহবুব মোর্শেদকে উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছেন।

এছাড়া, সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরির পরিচালক আইসিটি অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামকে ১৭ অক্টোবর থেকে সেন্ট্রাল লাইব্রেরির পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রুহুল আমিন ভূঁইয়াকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%