বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩১ এম
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানের ফলস্বরূপ ৯ জন মাদকসেবীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ অভিযানে তাদের আটক করে।
পরে তাদেরকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াছিন আরাফাতের আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে অতিরিক্ত ২ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী রাত ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সুমিলপাড়া বিহারী কলোনির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শনগর মেলার মাঠসংলগ্ন আমির হোসেনের রিকশার গ্যারেজের সামনে এবং একই এলাকার ৩ নম্বর গলির পাকা সড়কে অভিযান পরিচালনা করে। মাদক স্পটে অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং মাদকসেবীদের আটকের লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যার ফলে ৯ জনকে আটক করা হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জের কোনাপাড়া উত্তর আজিবপুর এলাকার মো. চাঁন বাদশার ছেলে মো. শান্ত (২৮), সানারপাড় এলাকার মো. আরিফুল হোসেনের ছেলে রাতুল (২২), কলাবাগান মাদরাসা রোড এলাকার মৃত বজলুর রহমানের ছেলে হারুন অর রশিদ মুন্না (৩১), রূপগঞ্জের মুগরাকুল এলাকার মৃত খলিল বেপারীর ছেলে মো. আলমগীর (৩৪), একই এলাকার আনোয়ারের ছেলে বুলবুল (৩৩), সিদ্ধিরগঞ্জের চৌধুরীবাড়ী তাঁতখানা এলাকার জব্বার পাহলানের ছেলে মো. খলিল পাহলান নাঈম (২৩), বাগানবাড়ী এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে দ্বীন ইসলাম (২১), নারায়ণগঞ্জ সদরের ঈসা খাঁ রোডের ৩৮ নম্বর বাসা, কিন্ডারপুল এলাকার মহিউদ্দিন তালুকদারের ছেলে মনির হোসেন তালুকদার (৩২) এবং সিদ্ধিরগঞ্জের কোনাপাড়া উত্তর আজিবপুর এলাকার মৃত ওমর আলীর ছেলে মো. সোলাইমান (২৪)।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মাদক স্পটগুলো চিহ্নিত করে অভিযানকে আরও জোরদার করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুরোনো যন্ত্রাংশ ঘোষণার আড়ালে জাপান থেকে আমদানি করা প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল গাড়ির যন্ত্রাংশের চালান আটক করেছে কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। চট্টগ্রাম বন্দরের একটি টার্মিনালে থাকা চালানটিতে লেক্সাস ও বিএমডব্লিউর মতো বিলাসবহুল গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাওয়া গেছে।
সিআইআইডি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চালানটি সোমবার আটক করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে আমদানি করা চালানটিতে ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। এতে লেক্সাস এলএক্স ৬০০, লেক্সাস এসসি ৪৩০ ও বিএমডব্লিউ এম৫ মডেলের বিভিন্ন অংশ, হোন্ডা বি১৮সি টাইপ-আর ইঞ্জিন, ফ্রন্ট হাফ বা হাফ-কাট, টায়ারসহ বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়।
চালানটি বন্দরে পৌঁছানোর এক মাসের বেশি সময় পার হলেও আমদানিকারক কোনো বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেননি। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কনটেইনারটির ওপর নজরদারি শুরু করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। সিল কেটে কায়িক পরীক্ষা চালালে ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
কাস্টমস গোয়েন্দারা জানান, গাড়ি হিসেবে বিবেচনা করলে চালানটির মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা। শুল্ক ফাঁকির উদ্দেশ্যে গাড়ি কেটে যন্ত্রাংশ হিসেবে আমদানি করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় মানি লন্ডারিং হয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুরের মাছ বিতরণের উদ্দেশ্য ছিল এতিম, দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে, কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে তা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন স্বীকার করেছেন যে, মাছের ভাগ উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তাদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, প্রতিবছর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ থেকে ওই পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পোনা বড় হওয়ার পর, পুকুরের মাছ সরকারি সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মাছ আহরণের পর তা এতিম, দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ ছিল।
সম্প্রতি, উপজেলা পরিষদের পুকুরে জাল টেনে মাছ আহরণ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাছগুলো এতিম ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ না করে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি অর্থে পোনা অবমুক্ত করে বড় করা মাছ যদি এতিম ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দ থাকে, তাহলে তা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কীভাবে বণ্টন করা হলো? মাছ আহরণ ও বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো অনুমোদন, তালিকা বা হিসাব রাখা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, পুকুরের পানি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জানার পর মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ নেওয়া হয়। পুকুরের পাশে একটি মসজিদ থাকায় মুসল্লিদের অজু করতেও সমস্যা হচ্ছিল। এই কারণে মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শে পুকুরে জাল টেনে মাছ আহরণ এবং পানিতে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বা বিষক্রিয়া নিধনের ব্যবস্থা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মাছ আহরণের জন্য যারা জাল নিয়ে এসেছিলেন, তাদের মজুরি বাবদ ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। ওই টাকা পরিশোধের জন্য আহরণ করা মাছ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে মাছ বণ্টন করা হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, জাল টানার শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধের জন্য মাছ বিক্রি বা অন্য কোনো ব্যবস্থা না করে কেন সরকারি পুকুরের মাছ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলো। একই সঙ্গে মাছের প্রকৃত পরিমাণ ও বণ্টনের হিসাব প্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হলেও বিষয়টি আমাকে জানানো হয়নি। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। সরকারি পুকুরের মাছ এভাবে ভাগ করে দেওয়ার বিষয়টি অনভিপ্রেত। এটি ঠিক হয়নি। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকারি পুকুরের মাছ এতিম ও গরিব-দুস্থদের বঞ্চিত রেখে কর্মকর্তাদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এমন ঘটনায় প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হয়।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি পুকুরে এডিপির অর্থে অবমুক্ত করা মাছ আহরণ ও বণ্টনের ক্ষেত্রে কী ধরনের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে, মাছের মোট পরিমাণ কত ছিল এবং কার মধ্যে কত পরিমাণ মাছ বিতরণ করা হয়েছে—তা তদন্ত করে প্রকাশ করা হোক।
তারা আরও বলেন, মাছ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকলে দ্রুত তা এতিম, দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণ করা যেত। কিন্তু তা না করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
এই ঘটনায় সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং মাছ আহরণ ও বণ্টনের পুরো প্রক্রিয়া তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি নেতাকর্মীদের অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার ও দুর্নীতি না করার শপথ করিয়েছেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আজ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের কথা দিতে হবে—আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো অন্যায় করব না, অত্যাচার করব না, অবিচার করব না এবং আওয়ামী লীগের মতো দুর্নীতি করব না। আমরা সৎভাবে জীবনযাপন করব। আমাদের হাত দ্বারা কোনো ভাই যেন কষ্ট না পায়— এই শপথ আমাদের নিয়ে যেতে হবে।’
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লার মুরাদনগর সদর বড় মাদ্রাসা মাঠে উপজেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছর আমরা একসঙ্গে বসে কথা বলার সুযোগও পাইনি। আল্লাহ আমাদের একসঙ্গে বসে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন। আজ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল ছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই তাদের জনপ্রিয়তা শেষ হয়ে যায়। অত্যাচার, জুলুম ও নির্যাতনের কারণে জনগণ তাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল-মিটিংয়ের শেষে দোয়া মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আজ আল্লাহর কাছে চাইব। আল্লাহ চেয়েছেন বলেই এই আওয়ামী লীগকে সরিয়ে আমাদের ক্ষমতায় এনেছেন। আল্লাহ আমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে মুক্ত করে দেশে এনেছেন, আপনাদের দোয়ায় ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন এবং আল্লাহর মেহেরবানিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন।’
তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আল্লাহ যেন তাকে হেফাজত করেন। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমানের ছেলে, তার মাতা এ দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার সিদ্ধান্তগুলো যেন বাস্তবায়ন করতে পারেন, সেই দোয়া করবেন।’
তারেক রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে কায়কোবাদ বলেন, ‘এ দেশের মানুষের কল্যাণে ফ্যামিলি কার্ড, বিধবা কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন, যাজক ও পুরোহিতদের জন্য ভাতার উদ্যোগ নিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি তার ব্যক্তিগত দূরদর্শী চিন্তাভাবনা থেকে এগুলো করেছেন।’
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। গ্যাস, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে হাজার হাজার কোটি টাকার লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর ফলে সাধারণ মানুষ এখন নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বাচ্চাকে মা-বাবা ডাকতে শিখতেও একটু সময় দিতে হয়। আমাদেরও আপনারা একটু সময় দিন। দেশকে স্বাভাবিক করতে সময় লাগবে। বিদ্যুতের ঘাটতি দূর করতে, গ্যাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতেও সময় লাগবে। আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংসস্তূপে ফেলে রেখে গেছে। সেই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতে আমাদের সময় দিয়ে আপনারা সহযোগিতা করুন।’
নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের উদ্যোগ ও বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তাদের প্রতি কোনো অত্যাচার করা যাবে না। তারা যেন মাথা উঁচু করে চলাফেরা করতে পারে, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। কোনো রকম অত্যাচার যেন তাদের প্রতি করা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারাও আমাদের ভাই-বোন। তাদের প্রতি অবিচার করা যাবে না। তবে ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’
দোয়া মাহফিলে পবিত্র কুরআন খতম ও দোয়ায়ে ইউনুস পাঠ করা হয়। পরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, আব্দুল আজিজ মোল্লা, নজরুল ইসলাম, ফারুক সরকার মজিব, শাহ আলম সরকার, মির্জা শহিদুল্লাহ, জহির সিদ্দিকী, দুলাল সরকার, হাজী ইদ্রিস, সদস্য সচিব মোল্লা মজিবুল হক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি চৌধুরী রকিবুল হক শিপন বক্তব্য দেন।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সোহেল সামাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা ও সদস্য সচিব সৈয়দ হাসান আহমেদ।
এছাড়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে বিভিন্ন অচেনা ও অস্বাভাবিক মাছ দেখতে পাওয়ায় ভারতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি ভারতের বিহারের গণ্ডক নদী ও আশপাশের প্লাবিত এলাকায় এই বিভিন্ন প্রজাতির অচেনা-অস্বাভাবিক মাছ দেখ গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাজ্য সরকার। খবর: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার বিহারের ডেইরি, ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যানিমেল রিসোর্সেস বিভাগের মৎস্য শাখা পশ্চিম চম্পারণ ও গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দাদের এসব মাছ পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া বা বিক্রি না করার পরামর্শ দিয়েছে।
নেপাল থেকে আসা বন্যার পানি গণ্ডক নদীতে প্রবেশ করে পশ্চিম চম্পারণ ও গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্যার পানিতে পুকুর, নদী ও অন্যান্য জলাশয় থেকে মাছ ভেসে গিয়ে অনেক দূরে চলে যেতে পারে।
এ সময় মাছ দূষিত নালা, মৃত প্রাণী ও বিভিন্ন ধরনের দূষিত পদার্থের সংস্পর্শে আসতে পারে। ফলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের মাধ্যমে মাছ দূষিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরকারি পরামর্শে বলা হয়েছে, অচেনা বা অস্বাভাবিক দেখতে কোনো মাছ খাওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে নিরাপদ হিসেবে নিশ্চিত না করা পর্যন্ত অপরিচিত মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ