বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৫ এম
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুরের মাছ বিতরণের উদ্দেশ্য ছিল এতিম, দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে, কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে তা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন স্বীকার করেছেন যে, মাছের ভাগ উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তাদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, প্রতিবছর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ থেকে ওই পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পোনা বড় হওয়ার পর, পুকুরের মাছ সরকারি সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মাছ আহরণের পর তা এতিম, দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ ছিল।
সম্প্রতি, উপজেলা পরিষদের পুকুরে জাল টেনে মাছ আহরণ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাছগুলো এতিম ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ না করে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি অর্থে পোনা অবমুক্ত করে বড় করা মাছ যদি এতিম ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দ থাকে, তাহলে তা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কীভাবে বণ্টন করা হলো? মাছ আহরণ ও বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো অনুমোদন, তালিকা বা হিসাব রাখা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, পুকুরের পানি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জানার পর মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ নেওয়া হয়। পুকুরের পাশে একটি মসজিদ থাকায় মুসল্লিদের অজু করতেও সমস্যা হচ্ছিল। এই কারণে মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শে পুকুরে জাল টেনে মাছ আহরণ এবং পানিতে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বা বিষক্রিয়া নিধনের ব্যবস্থা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মাছ আহরণের জন্য যারা জাল নিয়ে এসেছিলেন, তাদের মজুরি বাবদ ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। ওই টাকা পরিশোধের জন্য আহরণ করা মাছ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে মাছ বণ্টন করা হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, জাল টানার শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধের জন্য মাছ বিক্রি বা অন্য কোনো ব্যবস্থা না করে কেন সরকারি পুকুরের মাছ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলো। একই সঙ্গে মাছের প্রকৃত পরিমাণ ও বণ্টনের হিসাব প্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হলেও বিষয়টি আমাকে জানানো হয়নি। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। সরকারি পুকুরের মাছ এভাবে ভাগ করে দেওয়ার বিষয়টি অনভিপ্রেত। এটি ঠিক হয়নি। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকারি পুকুরের মাছ এতিম ও গরিব-দুস্থদের বঞ্চিত রেখে কর্মকর্তাদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এমন ঘটনায় প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হয়।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি পুকুরে এডিপির অর্থে অবমুক্ত করা মাছ আহরণ ও বণ্টনের ক্ষেত্রে কী ধরনের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে, মাছের মোট পরিমাণ কত ছিল এবং কার মধ্যে কত পরিমাণ মাছ বিতরণ করা হয়েছে—তা তদন্ত করে প্রকাশ করা হোক।
তারা আরও বলেন, মাছ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকলে দ্রুত তা এতিম, দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণ করা যেত। কিন্তু তা না করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
এই ঘটনায় সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং মাছ আহরণ ও বণ্টনের পুরো প্রক্রিয়া তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি নেতাকর্মীদের অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার ও দুর্নীতি না করার শপথ করিয়েছেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আজ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের কথা দিতে হবে—আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো অন্যায় করব না, অত্যাচার করব না, অবিচার করব না এবং আওয়ামী লীগের মতো দুর্নীতি করব না। আমরা সৎভাবে জীবনযাপন করব। আমাদের হাত দ্বারা কোনো ভাই যেন কষ্ট না পায়— এই শপথ আমাদের নিয়ে যেতে হবে।’
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লার মুরাদনগর সদর বড় মাদ্রাসা মাঠে উপজেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছর আমরা একসঙ্গে বসে কথা বলার সুযোগও পাইনি। আল্লাহ আমাদের একসঙ্গে বসে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন। আজ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল ছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই তাদের জনপ্রিয়তা শেষ হয়ে যায়। অত্যাচার, জুলুম ও নির্যাতনের কারণে জনগণ তাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল-মিটিংয়ের শেষে দোয়া মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আজ আল্লাহর কাছে চাইব। আল্লাহ চেয়েছেন বলেই এই আওয়ামী লীগকে সরিয়ে আমাদের ক্ষমতায় এনেছেন। আল্লাহ আমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে মুক্ত করে দেশে এনেছেন, আপনাদের দোয়ায় ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন এবং আল্লাহর মেহেরবানিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন।’
তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আল্লাহ যেন তাকে হেফাজত করেন। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমানের ছেলে, তার মাতা এ দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার সিদ্ধান্তগুলো যেন বাস্তবায়ন করতে পারেন, সেই দোয়া করবেন।’
তারেক রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে কায়কোবাদ বলেন, ‘এ দেশের মানুষের কল্যাণে ফ্যামিলি কার্ড, বিধবা কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন, যাজক ও পুরোহিতদের জন্য ভাতার উদ্যোগ নিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি তার ব্যক্তিগত দূরদর্শী চিন্তাভাবনা থেকে এগুলো করেছেন।’
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। গ্যাস, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে হাজার হাজার কোটি টাকার লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর ফলে সাধারণ মানুষ এখন নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বাচ্চাকে মা-বাবা ডাকতে শিখতেও একটু সময় দিতে হয়। আমাদেরও আপনারা একটু সময় দিন। দেশকে স্বাভাবিক করতে সময় লাগবে। বিদ্যুতের ঘাটতি দূর করতে, গ্যাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতেও সময় লাগবে। আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংসস্তূপে ফেলে রেখে গেছে। সেই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতে আমাদের সময় দিয়ে আপনারা সহযোগিতা করুন।’
নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের উদ্যোগ ও বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তাদের প্রতি কোনো অত্যাচার করা যাবে না। তারা যেন মাথা উঁচু করে চলাফেরা করতে পারে, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। কোনো রকম অত্যাচার যেন তাদের প্রতি করা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারাও আমাদের ভাই-বোন। তাদের প্রতি অবিচার করা যাবে না। তবে ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’
দোয়া মাহফিলে পবিত্র কুরআন খতম ও দোয়ায়ে ইউনুস পাঠ করা হয়। পরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, আব্দুল আজিজ মোল্লা, নজরুল ইসলাম, ফারুক সরকার মজিব, শাহ আলম সরকার, মির্জা শহিদুল্লাহ, জহির সিদ্দিকী, দুলাল সরকার, হাজী ইদ্রিস, সদস্য সচিব মোল্লা মজিবুল হক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি চৌধুরী রকিবুল হক শিপন বক্তব্য দেন।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সোহেল সামাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা ও সদস্য সচিব সৈয়দ হাসান আহমেদ।
এছাড়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে বিভিন্ন অচেনা ও অস্বাভাবিক মাছ দেখতে পাওয়ায় ভারতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি ভারতের বিহারের গণ্ডক নদী ও আশপাশের প্লাবিত এলাকায় এই বিভিন্ন প্রজাতির অচেনা-অস্বাভাবিক মাছ দেখ গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাজ্য সরকার। খবর: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার বিহারের ডেইরি, ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যানিমেল রিসোর্সেস বিভাগের মৎস্য শাখা পশ্চিম চম্পারণ ও গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দাদের এসব মাছ পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া বা বিক্রি না করার পরামর্শ দিয়েছে।
নেপাল থেকে আসা বন্যার পানি গণ্ডক নদীতে প্রবেশ করে পশ্চিম চম্পারণ ও গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্যার পানিতে পুকুর, নদী ও অন্যান্য জলাশয় থেকে মাছ ভেসে গিয়ে অনেক দূরে চলে যেতে পারে।
এ সময় মাছ দূষিত নালা, মৃত প্রাণী ও বিভিন্ন ধরনের দূষিত পদার্থের সংস্পর্শে আসতে পারে। ফলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের মাধ্যমে মাছ দূষিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরকারি পরামর্শে বলা হয়েছে, অচেনা বা অস্বাভাবিক দেখতে কোনো মাছ খাওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে নিরাপদ হিসেবে নিশ্চিত না করা পর্যন্ত অপরিচিত মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি ও জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল মন্তব্য করেছেন, "আমাদের সরকারের আমলে মানুষ শান্তিতে ঘুমোতে পারবে। এ জনপদে কোনো সন্ত্রাস থাকবে না।"
মঙ্গলবার বিকেলে ভাঙ্গা পৌরসভার দক্ষিণপাড় বাসস্ট্যান্ডে বিএনপির শোভাযাত্রা-পূর্ব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসনের উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
এ সময় তিনি গত ছয় মাসে ৬০টি রাস্তার কাজ, ভাঙ্গায় ট্রমা সেন্টার স্থাপন এবং ভাঙ্গা মহিলা কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। পরে, তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি শোভাযাত্রা বের করেন। এই শোভাযাত্রাটি ভাঙ্গা বাজারের প্রধান সড়ক ঘুরে উত্তরপাড় ইন্টারসেকশন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল নদী, খাল-বিল ও জলাশয় রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের নিজ ভাসবনে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময় ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল উল্লেখ করেন, "নদী, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা শুধু কোনো একটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; এটি আমাদের সবার সামাজিক ও নাগরিক দায়িত্ব।" তিনি বলেন, জেলার নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয় রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। নোঙর বাংলাদেশ যেভাবে নদী ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। জনসচেতনতা সৃষ্টি, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো উদ্যোগগুলো সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। তিনি সকলকে জনকল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি মো. মনির হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ছগির আহমেদ কাজল, সহ-সভাপতি শিক্ষক মোশারফ হোসেন, উম্মে সালমা হেপি, অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বিল্লাল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল চৌধুরী, শাহ মাহমুদা আক্তার সুখী, শিক্ষক এম.এ. মোমেন, ফরহাদ সরকারসহ অনেকে।
নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জানান, নদী, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তারা জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিবেশ সচেতনতা, বৃক্ষরোপণ, নদী-খাল রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি, মানবিক সহায়তা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ