মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:১৬ পি.এম
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় একটি বহুতল ভবনের নিচতলার কক্ষ থেকে মোহাম্মদ শাহবাজ (২৬) নামে এক পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে দক্ষিণ বনশ্রীর এফ ব্লকের একটি বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, মৃত্যুর পূর্বে তিনি একটি চিরকুট লিখে গেছেন। ওই চিরকুটে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দুটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে মৃত্যুর পর ওই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন।
নিহত শাহবাজ পাকিস্তানের মুলতান জেলার জালালপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম নাজির আহমেদ। তিনি দক্ষিণ বনশ্রীর এফ ব্লকের ৯/৫ নম্বর সড়কের ৩৮ নম্বর বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেশায় ব্যবসায়ী শাহবাজ বিদেশে লোক পাঠানোর কাজে যুক্ত ছিলেন।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শাহবাজ ওই ভবনের একটি কক্ষ ভাড়া নেন। সেখানে সাত থেকে আট দিন একসঙ্গে বসবাসের পর তার স্ত্রী চলে যান। এরপর থেকে শাহবাজ ওই কক্ষে একাই থাকতেন। জানা গেছে, তার স্ত্রী চট্টগ্রামের মারমা জনগোষ্ঠীর একজন নারী, তবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, স্ত্রীর সঙ্গে শাহবাজের আগেই বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল।
এদিকে, শাহবাজ বিদেশে লোক পাঠানোর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকায় তার কাছে বেশ কয়েকজনের টাকা পাওনা ছিল বলে জানা গেছে। তবে কতজন তার কাছে টাকা পেতেন কিংবা পাওনা টাকার পরিমাণ কত, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মৃত্যুর আগে শাহবাজের লিখে যাওয়া একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। চিরকুটে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দুটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ রয়েছে। এর একটি বাংলাদেশে থাকা তার সাবেক স্ত্রীর এবং অন্যটি পাকিস্তানে থাকা তার ভাইয়ের বলে জানা গেছে। মৃত্যুর পর লাশের বিষয়ে ওই দুটি নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে চিরকুটে। তবে বাংলাদেশে থাকা তার সাবেক স্ত্রীর মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
খিলগাঁও থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে শাহবাজকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান লোকজন। পরে ভবনের দারোয়ান থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে শাহবাজ আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি দলীয় পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক লাখ টাকা ও তিনটি খাসি গ্রহণ করেছেন। এই অভিযোগের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভাওরখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. মোসলেম মোল্লা কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
লিখিত অভিযোগে মোসলেম মোল্লা উল্লেখ করেন যে, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক পদ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে রমিজ উদ্দিন লন্ডনী তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা নেন। তিনি আরও জানান, তাকে তিনটি খাসি উপহার দেওয়া হয়। অভিযোগে তিনি দাবি করেন যে, এ-সংক্রান্ত প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।
তিনি আবেদন করেছেন যে, অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে সত্যতা পাওয়া গেলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশেম বলেন, "আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ভিডিওটিও আমাদের নজরে এসেছে। তবে এ ঘটনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।"
প্রসঙ্গত, ১১ অক্টোবর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেনকে (৭২) লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বিএনপি নেতা রমিজ উদ্দিন লন্ডনীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশেম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটি, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে, রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া এলাকায় বন বিভাগের উদ্ধার করা প্রায় ১০ একর উঁচু-নিচু পাহাড়ি জমিতে ১০ হাজারের অধিক বৃক্ষরোপণ করে দৃষ্টিনন্দন বনায়ন গড়ে তুলেছে রাঙ্গামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ।
এই তথ্যটি বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান।
তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কার্যক্রমের ঘোষণার পরপরই রাঙ্গামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের পক্ষ থেকে জেলায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়।
তবিবুর রহমান আরও জানান, এই কর্মসূচি বর্তমানে চলমান রয়েছে। বর্তমানে বন বিভাগের পক্ষ থেকে পরিত্যক্ত পাহাড় পরিষ্কার করার পাশাপাশি রোপণকৃত চারাগুলোর পরিচর্যা করা হচ্ছে।
রাঙ্গামাটি জেলা শহর থেকে কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া সৃজনী স্কুলের রাস্তা দিয়ে মূল সড়ক থেকে প্রায় ২-৩ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে যাওয়ার পর, কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া মৌজার কলমপতি বিটের খাসখালী রেঞ্জের দখলমুক্ত ১০ একর বনভূমিতে দেখা যায় হাজার হাজার প্রায় ৫০ প্রজাতির রোপণকৃত গাছের চারা। এখানে বনজ, ফলদ ও ওষুধি গাছের চারাসহ বিলুপ্ত বিভিন্ন প্রজাতির চারা নিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে সংরক্ষণমূলক বাগান।
এই বাগানে লাগানো চারার মধ্যে রয়েছে গোদা, গুটগুটিয়া, বৈয়লাম, চাপালিশ, ঢেউয়া, সিভিট কদম, চারমুগড়া, বাঁশপাতা, বট, পাকুড়, জগডুমুর, অর্জুন, সোনালু, উদাল, মায়লারম, ঐরিয়াম ও মুহুয়া, ‘শরিফা, আতা, গোলাপ জাম, ঢাকি জাম, ত্রিপলা, আমলকি, বহেরা, চালতা, কাঁঠাল, দেশী আম, জারুল, দেশী গাব, বিলাতি গাবসহ নানা প্রজাতির গাছ।
এই বাগান তৈরির ফলে স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। এখানে কাজ করছে স্থানীয় অনেক শ্রমিক।
বাগানে কাজ করা শ্রমিকরা জানিয়েছেন, পাহাড়ের পরিত্যক্ত জমিতে এ ধরনের বাগান তৈরির ফলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তারা বলেন, "আমরা এই বাগানে দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে কাজ করছি।" শ্রমিকরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এ ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য।
ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান বাসস’কে আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়াতে গড়ে তোলা বাগানটি ভবিষ্যতে গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাহাড়ি বনজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ও বীজ উৎপাদন নিয়ে গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি খাসখালী রেঞ্জ এলাকায় বীজ ও নতুন চারা উৎপাদন করা হচ্ছে এবং উৎপাদিত নতুন চারাগুলো জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, দখলমুক্ত ১০ একর বনভূমিটি এখন সবুজায়নের আওতায় আসার পাশাপাশি পাহাড়ে বিলুপ্ত প্রায় গাছের প্রজাতি সংরক্ষণে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া খাসখালী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল জলিল বাসস’কে জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এই রেঞ্জের আওতায় ১০ একর জমিতে প্রায় ১০ হাজার ৫শ’ চারা রোপণ করা হয়েছে। অন্যান্য জবরদখলকৃত বনভূমি দখলমুক্ত করে সেসব জমিও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে এই রেঞ্জের মাধ্যমে বীজ ও নতুন চারা উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যে সব চারা লাগানো হয়েছে সেগুলো নিয়মিত পরিচর্যার জন্য সার্বক্ষণিক বন বিভাগের লোকজন কাজ করছে।
আমরা আশা করছি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ আশানুরূপ বৃক্ষরোপণের টার্গেট পূরণ করতে পারবে।
রাঙ্গামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান বাসস’কে আরও বলেন, বন বিভাগের এ বাগানটি সরকার প্রধান ঘোষিত ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি জানান, ইতঃপূর্বে এই বাগানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের জাতীয় বৃক্ষরোপণ সেলের সদস্য ও টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশির জেবি। তিনি এই বাগানটি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান আরও বলেন, বর্তমান সরকারের কয়েকটি কর্মসূচির মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো সারাদেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ।
বৃক্ষরোপণের অংশ হিসেবে সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। সরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে এসব বৃক্ষ লাগানো হয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে কর্মসূচি তদারকি করা হচ্ছে। বেতবুনিয়ার এই বাগানটি সম্পর্কে সবসময় সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
পরিকল্পিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করা গেলে রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ার বাগান ভবিষ্যতে পাহাড়ি বনজ উদ্ভিদের বীজ ও চারা সংরক্ষণ, গবেষণায় এবং পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দেশের এক দশমাংশ অঞ্চল জুড়েই পার্বত্য চট্টগ্রামের অবস্থান। এই অঞ্চলের অব্যবহৃত ও জবরদখলকৃত ভূমি বৃক্ষ রোপণের আওতায় আনা গেলে, তারেক রহমান ঘোষিত সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে টার্গেট রয়েছে, তার অনেকাংশ টার্গেট পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
জীববৈচিত্র্য রক্ষা, সবুজায়নসহ বৃক্ষরোপণে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে পাহাড়ের সম্ভাবনাময় অঞ্চলকে কাজে লাগাতে এখন প্রয়োজন সরকারের কার্যকর উদ্যোগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের আধিপত্য প্রতিরোধ এবং উত্তর সমুদ্রপথকে (নর্দান সি রুট) অবাধ রাখতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নতুন একটি কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই তথ্যটি দ্য টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইইউ-এর পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস প্রকাশ করেছেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই নতুন পরিকল্পনার আওতায়, এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ রুটের ওপর এককভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না মস্কো ও বেইজিং। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিতিশীলতার কারণে সুয়েজ খালের বিকল্প হিসেবে উত্তর সমুদ্রপথের গুরুত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এশিয়ার সাথে যাতায়াতকে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দ্রুততর করে। কালাস উল্লেখ করেছেন, রাশিয়া ও চীনের একক আধিপত্য প্রতিরোধে ইইউ যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
আগামী মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশন তাদের নতুন আর্কটিক বা মেরু কৌশল প্রকাশ করতে যাচ্ছে। ২০২১ সালের পর এটি প্রথম কৌশলগত নীতি আপডেট হবে। নতুন পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
নতুন আইসব্রেকার বা বরফ ভাঙার জাহাজ নির্মাণে বিনিয়োগ। আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নতুন সামরিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। আর্কটিক অঞ্চলে অফশোর তেল ও গ্যাস উত্তোলনের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা।
এর আগে ব্লুমবার্গ রিপোর্ট করেছে যে, ২০২৭ সালের মধ্যে ইইউর কোপার্নিকাস ও গ্যালিলিও স্যাটেলাইট সিস্টেম ব্যবহার করে একটি আর্কটিক নজরদারি কর্মসূচি চালু করা হবে, যা জল ও স্থলের যেকোনো হুমকি শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউরোপীয় বিভাগের পরিচালক ভ্লাদিস্লাভ মাসলনিকভ ইইউ-এর এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে মন্তব্য করেছেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন উত্তর মেরুতে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে চাচ্ছে এবং উচ্চ উত্তরের সহযোগিতাকে অযথা রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে। সূত্র: দ্য টাইমস, ব্লুমবার্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গোলাবারুদ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত আটজন সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে গুলি চালানোর প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানান এক কর্মকর্তা।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ওই কর্মকর্তা জানালেন, রোববার গভীর রাতে সরাসরি গুলি চালানোর প্রশিক্ষণ চলাকালীন এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহত ব্যক্তিরা দেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি নিরাপত্তা বাহিনীতে যোগদান করেছিলেন।
শহরের নিরাপত্তা বিভাগের ওই কর্মকর্তা বলেন, জাওয়িয়ার উপকণ্ঠে নিরাপত্তা সংস্থাটির প্রশিক্ষণস্থলে সদস্যরা সরাসরি গুলি চালানোর অনুশীলন করছিলেন। এই সময় প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত একটি গোলাবারুদ বিস্ফোরিত হলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, ‘গত রাতে দুর্ঘটনাজনিত বিস্ফোরণে নিরাপত্তা প্রশিক্ষণকেন্দ্রে আটজন প্রশিক্ষণার্থী নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।’
এ ঘটনাকে ‘মর্মান্তিক’ উল্লেখ করে ওই কর্মকর্তা জানান, বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আরব নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ