বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৮ এম
ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়রকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছে দেশটির ক্রীড়া বিচার ট্রাইব্যুনাল। সান্তোসের অধিনায়ক এই শাস্তি পেয়েছেন প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে তর্কের সময় মুখ ঢেকে রাখার কারণে।
বুধবার ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট অব স্পোর্টস জাস্টিস (এসটিজেডি) এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। শনিবার ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে বাহিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে সান্তোস। ম্যাচে বাহিয়ার মিডফিল্ডার রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে ৩৪ বছর বয়সী নেইমার লাল কার্ড দেখেন।
ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাঠে বিবাদের সময় মুখ ঢেকে রাখার নিয়ম ভঙ্গ করেছেন তিনি। ফুটবলারদের এমন আচরণ ঠেকাতে চালু হওয়া এই নিয়মটি ‘ভিনিসিয়ুস জুনিয়র রুল’ নামে পরিচিত।
ম্যাচের রেফারির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লাল কার্ড দেখার পর নেইমার প্রতিপক্ষের বেঞ্চের দিকে ছুটে যান। সেখানে তিনি নেস্তরের মুখোমুখি হওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পরে সতীর্থরা তাকে থামান।
এই ঘটনার পর নেইমারের শাস্তির বিষয়টি ট্রাইব্যুনালে উত্থাপিত হয়। শুনানি শেষে মুখ ঢেকে তর্ক করার নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে তাকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
নেইমারের নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সান্তোসের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে পড়বে। বুধবার পালমেইরাসের বিপক্ষে লিগের ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না। তিনটি হলুদ কার্ড পাওয়ার কারণে এই ম্যাচে নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি।
নতুন দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা যোগ হওয়ায় সান্তোসের পরবর্তী তিনটি ম্যাচে নেইমার খেলার সুযোগ পাবেন না। তবে নেইমার ও সান্তোসের আপিল করার সুযোগ রয়েছে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।
সাবেক ব্রাজিল অধিনায়কের মাঠে ফেরার সম্ভাব্য সময় নভেম্বরের শেষ ভাগে হতে পারে। তবে আপিলের ফল এবং পরবর্তী পরিস্থিতির ওপর তার প্রত্যাবর্তনের সময় নির্ভর করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবলের দুই মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং লিওনেল মেসির মধ্যে প্রতিযোগিতায় আবারও এগিয়ে গেলেন রোনালদো। এবার ব্যালন ডি’অর জয়ীদের মধ্যে সেরাকে বেছে নেওয়ার ভোটে পর্তুগিজ তারকা মেসিকে পরাজিত করেছেন।
উয়েফা এবং ফ্রান্স ফুটবল যৌথভাবে ‘বোট’ (BOAT) নামে একটি পুরস্কার চালু করেছে। এই পুরস্কারের পুরো অর্থ হচ্ছে ‘বেস্ট অব অল টাইম’। পুরস্কারটি ব্যালন ডি’অর অন্তত দুবার জয়ী ১০ জন ফুটবলারকে নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে। তাদের সেরা মৌসুম কোনটি, সেটি নির্বাচিত করা হয়েছে।
সমর্থকদের ভোটে প্রথম স্থান দখল করেছেন রোনালদো। তার ২০০৮ মৌসুমটি এই তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেসি, যার ২০১২ মৌসুম এই স্থান অর্জন করেছে। তৃতীয় স্থানে আবারও রোনালদো, তবে এবার তার ২০১৭ সালের ব্যালন ডি’অর জয়কে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে।
২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জিতে রোনালদো এই ভোটে প্রথম স্থান লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬ এবং ২০১৭ সালেও পুরস্কারটি জেতেন। এর মধ্যে শেষ চারটি জয় আসে রিয়াল মাদ্রিদে খেলার সময়।
অন্যদিকে, মেসি ২০১২ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। আর্জেন্টাইন এই তারকা রেকর্ড আটবার পুরস্কারটি জিতেছেন, যেখানে রোনালদো পেয়েছেন পাঁচবার।
এই ভোটে অংশ নিতে সমর্থকদের প্রতিটি ভোটের জন্য ১ ইউরো দিতে হয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবারের মধ্যবর্তী রাতে ব্যালন ডি’অরের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে ভোট গ্রহণ শেষ হয়।
ভোটদাতাদের জন্য ছিল আরেকটি সুযোগ। উয়েফা জানিয়েছে, ভোটে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ২০২৭ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট জিততে পারেন।
এই ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন ব্যালন ডি’অর অন্তত দুবার জেতা ১০ জন কিংবদন্তি ফুটবলার।
তালিকায় ছিলেন আটবারের জয়ী মেসি এবং পাঁচবারের জয়ী রোনালদো। এছাড়া ছিলেন তিনবারের জয়ী মার্কো ফন বাস্তেন, মিশেল প্লাতিনি এবং ইয়োহান ক্রুইফ।
দুবার করে ব্যালন ডি’অর জেতা রোনালদো নাজারিও, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, কেভিন কিগান, আলফ্রেডো দি স্তেফানো এবং কার্ল-হাইনৎস রুমেনিগেও ছিলেন এই তালিকায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের তারকা হামজা চৌধুরীর উদ্যোগের মাধ্যমে গাজার শিশুদের জন্য ১ লাখ পাউন্ডেরও বেশি তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
এই অর্থটি গাজার অসহায় শিশুদের চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হবে। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তরের কাজে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
হামজা চৌধুরী জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের সফলতা অর্জনে যারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন, অর্থ প্রদান করেছেন এবং সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন নুজুম স্পোর্টসকে, যেটি এই আয়োজন বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে আসছে।
সংগৃহীত অর্থটি ‘চিলড্রেন নট নাম্বার্স’ নামের একটি সংস্থার কাছে যাবে। এই প্রতিষ্ঠান গাজায় শিশুদের জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করে। সংস্থাটির মাধ্যমে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।
যদিও এই উদ্যোগ সফল হয়েছে, হামজা মনে করেন, গাজার শিশুদের দুর্ভোগের তুলনায় এই সহায়তা খুবই সামান্য। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, অনেক কিছু করার প্রয়োজন রয়েছে। তার মতে, ছোট উদ্যোগও মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।
পোস্টের শেষাংশে হামজা ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য প্রার্থনা করেছেন। তিনি তাদের কষ্ট দূর করার পাশাপাশি শক্তি, ধৈর্য এবং স্থায়ী শান্তির কামনা করেছেন বাংলাদেশের এই ফুটবলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান নাইম কাসেম জানিয়েছেন, ইসরাইলের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই। তিনি বলেন, নির্বাচনে যেই ক্ষমতায় আসুক, প্রতিবেশী দেশটির বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধ’ অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠীর প্রধান।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নাঈম কাসেম উল্লেখ করেন, ‘ইসরাইল কে শাসন করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। তবে পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, ইসরাইল তার দখলদারিত্ব অব্যাহত রাখতে পারে না। আমাদের ভূখণ্ড ছেড়ে তাদের চলে যেতেই হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিরোধ সংগ্রাম চলবে। আমাদের এবং লেবাননের বিরুদ্ধে চালানো আগ্রাসনের মোকাবিলা করা হবে। যত দিন দখলদারিত্ব ও আগ্রাসন চলবে, তত দিন হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই।’
গত জুনে লেবানন এবং ইসরাইলের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি সই হয়। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা, লেবাননের যেসব এলাকা ইসরাইলের দখলে রয়েছে সেখান থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার এবং ওই এলাকায় লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা।
তবে দক্ষিণ লেবাননে নিজেদের দখলে থাকা এলাকা ও এর আশপাশে ইসরাইল এখনো মাঝে মাঝে হামলা ও স্থাপনা ধ্বংসের অভিযান চালাচ্ছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে গোষ্ঠীটি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকে ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ সবকিছুর। ইতিহাসই আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে পথ দেখায়।
আজ ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার), ২০২৬। বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। আসুন, একনজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
ঘটনাবলি
৩১২ - কনস্টানটাইন দ্য গ্রেট মিলভিয়ান ব্রিজের যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে রোমে প্রবেশ করেন এবং জনতার উচ্ছ্বাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রবেশ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন। ম্যাক্সেন্টিয়াসের মরদেহ তাইবার থেকে তুলে শিরশ্ছেদ করা হয়।
৪৩৭ - তৃতীয় ভ্যালেন্টিনিয়ান, পশ্চিম রোমান সম্রাট, তার চাচাতো ভাই দ্বিতীয় থিওডোসিয়াস, পূর্ব রোমান সম্রাটের কন্যা লিসিনিয়া ইউডোক্সিয়াকে কনস্টান্টিনোপলে বিয়ে করেন।
১৩৯০ - প্যারিসে ডাকিনীবিদ্যার অভিযোগে প্রথম বিচার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিন জনের মৃত্যুদণ্ড হয়।
১৪৬৭ - ব্রাস্টেমের যুদ্ধে চার্লস দ্য বোল্ড লিয়েজের প্রিন্স-বিশপের বাহিনীকে পরাজিত করেন।
১৬১১ - পোল্যান্ডের রাজা তৃতীয় সিগিসমুন্ড ভাসার প্রতি রাশিয়ার আনুগত্য প্রকাশ ঘটে।
১৬২১ - এডওয়ার্ড বারখামের দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে লন্ডনে পেজ্যান্ট উদযাপন করা হয়।
১৬৫৮ - দ্বিতীয় উত্তর যুদ্ধে ওলন্দাজ প্রজাতন্ত্রের নৌবাহিনী সাউন্ডের যুদ্ধে সুইডেনকে পরাজিত করে।
১৬৬৫ - পর্তুগিজ বাহিনী আম্বুইলার যুদ্ধে কঙ্গো রাজ্যকে পরাজিত করে এবং রাজা প্রথম আন্তোনিওকে শিরশ্ছেদ করে।
১৬৭৫ - গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিজ প্রথমবার ক্যালকুলাসে সমাকলনের প্রতীক হিসেবে লং এস (∫) ব্যবহার করেন।
১৭৬২ - ফ্রেইবার্গে দ্বিতীয় ফ্রেডেরিকের নেতৃত্বে প্রুশীয়দের কাছে অস্ট্রীয়দের পরাজয় ঘটে।
১৭৯২ - লেফটেন্যান্ট উইলিয়াম ব্রটন উইলামেট নদীর মোহনার কাছে পর্বতটি দেখে স্যামুয়েল হুডের নামে মাউন্ট হুডের নামকরণ করেন।
১৮৫১ - রাধাকান্ত দেব ও দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে কলকাতায় ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৬৩ - আঠারোটি দেশ জেনেভায় মিলিত হয়ে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস গঠনে সম্মত হয়।
১৮৬৩ - আমেরিকার গৃহযুদ্ধে ওয়াউহ্যাচির যুদ্ধে ইউনিয়ন জেনারেল ইউলিসিস এস. গ্রান্টের বাহিনী কনফেডারেট জেনারেল জেমস লংস্ট্রিটের আক্রমণ প্রতিহত করে।
১৮৭৬ - কেশবচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ইন্ডিয়ান রিফর্ম অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৮৮ - কনস্টানটিনোপল চুক্তি অনুযায়ী সুয়েজ খাল অবরোধ মুক্ত হয়।
১৮৮৯ - ব্রিটিশ দক্ষিণ আফ্রিকা কোম্পানি কার্যক্রমের সনদপত্র পায়।
১৯১৪ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে উসমানীয় সাম্রাজ্য কেন্দ্রীয় শক্তির পক্ষে যুদ্ধে প্রবেশ করে।
১৯১৮ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মান সাম্রাজ্যের হাই সিজ ফ্লিটের নাবিকরা ভিলহেল্মসহাফেনে বিদ্রোহ করে, যা জার্মান বিপ্লবের সূচনা করে।
১৯২০ - ভারতের জাতীয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, আলিগড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৩ - ঐতিহাসিক ওসমানী সাম্রাজ্যের (১২৯৯ - ১৯২৩) বিলুপ্তি ঘটিয়ে মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র হিসেবে “তুরস্ক” রাষ্ট্রের পত্তন ঘটান।
১৯২৫ - সুইজারল্যান্ডের লোকোর্নোয় ১২ দিনব্যাপী বৈঠকে লোর্কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯২৯ - ব্ল্যাক টিউডে: নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে ধস নামে, যা মহামন্দার কারণ হয়।
১৯৪১ - হলোকাস্টে কাউনাস ঘেটোতে নবম দুর্গে নাৎসি জার্মানির দখলদার বাহিনী ১০ হাজারের বেশি ইহুদিকে হত্যা করে।
১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নেদারল্যান্ডসের ব্রেডা শহর ১ম পোলিশ সাঁজোয়া ডিভিশন দ্বারা মুক্ত হয়।
১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত লাল ফৌজ হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করে।
১৯৪৮ - সাফসাফ গণহত্যা: ইসরায়েলি সৈন্যরা গালিলির ফিলিস্তিনি গ্রাম সাফসাফ দখল করে এবং ৫২ থেকে ৬৪ জন গ্রামবাসীকে হত্যা করে।
১৯৫৩ - বিসিপিএ ফ্লাইট ৩০৪ সান ফ্রান্সিসকোর কাছে বিধ্বস্ত হয়।
১৯৫৫ - সোভিয়েত যুদ্ধজাহাজ নভোরোসিয়স্ক সম্ভবত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাইনে আঘাত লেগে সেভাস্তোপোল বন্দরে ডুবে যায়, ৬০০ জনের বেশি নাবিক নিহত হন।
১৯৫৬ - সুয়েজ সংকট শুরু হয়: ইসরায়েলি বাহিনী সিনাই উপদ্বীপে প্রবেশ করে এবং মিশরীয় বাহিনীকে সুয়েজ খালের দিকে পিছু হটতে বাধ্য করে।
১৯৫৭ - ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী দাভিদ বেন-গুরিয়ন এবং পাঁচ মন্ত্রী মোশে দ্বেক নেসেটে গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে আহত হন।
১৯৬০ - ক্যাল পলি ফুটবল দল বহনকারী বিমান ওহাইওর টলেডোতে উড্ডয়নের সময় বিধ্বস্ত হয়।
১৯৬৪ - টাঙ্গানিকা ও জাঞ্জিবারের একত্রীভূত নাম ঘোষিত হয় তাঞ্জানিয়া।
১৯৬৪ - আমেরিকান মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি থেকে স্টার অফ ইন্ডিয়া সহ মূল্যবান রত্ন চুরি হয়, যা আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রত্ন চুরি।
১৯৬৭ - মন্ট্রিয়লের বিশ্ব মেলা এক্সপো ৬৭ ৫ কোটির বেশি দর্শনার্থী নিয়ে সমাপ্ত হয়।
১৯৬৯ - আরপানেটে প্রথমবার দুটি কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হয়, যা ইন্টারনেটের পূর্বসূরি।
১৯৭২ - মিউনিখ গণহত্যার তিন জীবিত অপরাধীকে লুফথানসা ফ্লাইট ৬১৫ ছিনতাইয়ের জিম্মিদের বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়।
১৯৭৪ - জর্জ ফোর ম্যানকে পরাজিত করে মোহাম্মাদ আলী ক্লে শ্রেষ্ঠ বিশ্ব মুষ্টিযোদ্ধা খেতাব অর্জন করেন।
১৯৮০ - ইরান জিম্মি সংকট উদ্ধার অভিযানের জন্য গোপনে পরিবর্তিত সি-১৩০ হারকিউলিস বিমানের প্রদর্শনী ফ্লাইট ফ্লোরিডার এগলিন বিমান ঘাঁটিতে বিধ্বস্ত হয়, ফলে অপারেশন ক্রেডিবল স্পোর্ট বাতিল হয়।
১৯৮৫ - মেজর জেনারেল স্যামুয়েল ডো লাইবেরিয়ার প্রথম বহুদলীয় নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষিত হন।
১৯৮৬ - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এম২৫ মোটরওয়ের শেষ অংশ উদ্বোধন করেন।
১৯৯১ - মার্কিন মহাকাশযান গ্যালিলিও ৯৫১ গাসপ্রা গ্রহাণুর সবচেয়ে কাছে পৌঁছায়, প্রথমবার কোনো গ্রহাণু পরিদর্শন করে।
১৯৯৪ - ফ্রান্সিসকো মার্টিন দুরান হোয়াইট হাউসে দুই ডজনের বেশি গুলি চালায়, পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়।
১৯৯৮ - দক্ষিণ আফ্রিকায় সত্য ও পুনর্মিলন কমিশন তাদের প্রতিবেদন উপস্থাপন করে, যেখানে উভয় পক্ষের নৃশংসতার নিন্দা করা হয়।
১৯৯৮ - স্পেস শাটল ডিসকভারি এসটিএস-৯৫ মিশনে ৭৭ বছর বয়সী জন গ্লেনকে নিয়ে উৎক্ষেপিত হয়, যিনি তখন সবচেয়ে বেশি বয়সী মহাকাশচারী।
১৯৯৮ - যুক্তরাষ্ট্রে এটিএসসি এইচডিটিভি সম্প্রচার এসটিএস-৯৫ মিশনের সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে শুরু হয়।
১৯৯৮ - হারিকেন মিচ হন্ডুরাসে আঘাত হানে, যা আটলান্টিকের ইতিহাসে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী হারিকেন।
১৯৯৮ - সুইডেনের গোথেনবার্গে ডিস্কোথেকে অগ্নিকাণ্ডে ৬৩ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়।
১৯৯৯ - ওড়িশায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।
২০০২ - হো চি মিন সিটির বিলাসবহুল ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে অগ্নিকাণ্ডে ৬০ জনের বেশি নিহত এবং ১০০ জনের বেশি নিখোঁজ হয়।
২০০৪ - আরবি সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ওসামা বিন লাদেনের ভিডিওর একটি অংশ প্রচার করে, যেখানে সে প্রথমবার ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার দায় স্বীকার করে।
২০০৫ - ভারতের দিল্লিতে বোমা হামলায় ৬৭ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়।
২০০৬ - রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বাংলাদেশের তত্ত্বাবধ্যায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
২০০৬ - এডিসি এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ০৫৩ নাইজেরিয়ার আবুজার নামদি আজিকিওয়ে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর বিধ্বস্ত হয়, ৯৬ জন নিহত হয়।
২০০৮ - ডেল্টা এয়ার লাইন্স নর্থওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের সাথে একীভূত হয়ে বিশ্বের বৃহত্তম বিমান সংস্থা গঠন করে।
২০০৮ - পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে জোড়া ভূমিকম্পে ২১৫ জন নিহত হয়।
২০১২ - হারিকেন স্যান্ডি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানে, শতাধিক মানুষ নিহত হয় এবং প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়।
২০১৪ - শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলে বাদুল্লা ভূমিধসে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ নিখোঁজ হয়।
২০১৫ - চীন ৩৫ বছর পর এক-সন্তান নীতি বাতিলের ঘোষণা দেয়।
২০১৮ - ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা থেকে উড্ডয়নের পর লায়ন এয়ার ফ্লাইট ৬১০ বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স বিমান বিধ্বস্ত হয়, ১৮৯ জন নিহত হয়।
২০২০ - সাবেক লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনকে ইহুদি-বিদ্বেষ বিষয়ক প্রতিবেদনে প্রতিক্রিয়ার জেরে লেবার পার্টি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
২০২২ - দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের ইতায়েওনে হ্যালোইন উদযাপনের সময় পদদলিত হয়ে অন্তত ১৫৬ জন নিহত হয়।
২০২২ - সোমালিয়ার মোগাদিশুতে জোড়া গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত ১০০ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়।
জন্ম
১৮৭৭ - উইলফ্রেড রোডস, ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।
১৮৭৯ - ফ্রাঞ্জ ভন পাপেন, জার্মান সৈনিক,রাজনীতিবিদ ও চ্যান্সেলর।
১৮৮২ - জাঁ গিরাউডউক্স, ফরাসি লেখক ও নাট্যকার।
১৮৯৭ - হিটলারের সহযোগী ও প্রচারক গোয়েবলস।
১৯০৫ - হেনরি গ্রীন, ইংরেজ লেখক।
১৯১১ - অনাথবন্ধু পাঁজা, ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।
১৯১৮ - কবি তালিম হোসেন।
১৯২০ - বারুজ বেনাসেরাফ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভেনেজুয়েলার বংশোদ্ভূত আমেরিকান ঔষধ আবিষ্কারক।
১৯২৬ - নাজমউদ্দিন এরবাকান, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী।
১৯৩৫ - ইসাও টাকাহাটা, জাপানি পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৪১ - মতিউর রহমান (বীরশ্রেষ্ঠ), বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
১৯৪৭ - রবার্ট সার্ভিস, ইংরেজ ঐতিহাসিক।
১৯৪৮ - বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, বাঙালি ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯৬৪ - ইয়াসমিন লে বন, ইংরেজ মডেল।
১৯৭১ - ম্যাথু হেডেন, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
১৯৮১ - রিমা সেন, ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৮৫ - বিজেন্দর সিং, অলিম্পিক পদকজয়ী ভারতীয় বক্সার।
১৯৮৮ - কৃতি খরবন্দা, ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৯৬ - স্বপ্না বর্মণ, বাঙালি ভারতীয় অ্যাথলিট
মৃত্যু
১২৬৮ - কনরাডিন, ইতালিয়ান রাজা।
১৭৮৩ - জাঁ লে রন্ড ডি’আলেম্বেরট, ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ ও দার্শনিক।
১৯১০ - কালীপ্রসন্ন ঘোষ,বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী।
১৯১১ - জোসেফ পুলিৎজার, হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রকাশক, আইনজীবী ও রাজনীতিক।
১৯৩৩ - ফ্রান্সের পল পাইনলেভে, ফরাসি গণিতবিদ ও রাজনীতিবিদ, ৮৪ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯৪৯ - জর্জ গার্দিজিয়েফ, আর্মেনিয় ফরাসি সন্ন্যাসী, মনোবৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক।
১৯৭১ - আর্নে ভিলহেল্ম কাউরিন টিসেলিয়ুস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ প্রাণরসায়নী।
১৯৮৬ - মিমিস ফোটোপুলোস, গ্রিক অভিনেতা, গায়ক ও অ্যাকাডেমিক।
১৯৮৮ - কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক।
১৯৯২ - অশোক রুদ্র, বিশিষ্ট বাঙালি অর্থনীতিবিদ।
১৯৯৮ - ব্রিটিশ কবি টেড হিউজ।
১৯৯৯ - বিষ্ণু বসু, ভারতীয় বাঙালি নাট্যকার, নাট্য সমালোচক, প্রাবন্ধিক ও গল্পকার।
১৯৯৯ - গ্রেগ, বেলজিয়ান লেখক ও চিত্রকর।
২০১৩ - শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
২০১৩ - গ্রাহাম স্টার্ক, ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
অন্যান্য
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
আন্তর্জাতিক যত্ন ও সহায়তা দিবস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ