সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০৫ পি.এম
চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে উপজেলা প্রশাসন প্রায় ২০ শতক সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধলই ইউনিয়নের পশ্চিম ধলই এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, ৫ আগস্টের পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে পৌরসভার কলেজগেট থেকে ইছাপুর ফয়জিয়া বাজার, সত্তারঘাট এবং চট্টগ্রাম-নাজিরহাট সড়কের মেডিকেল গেট থেকে নাজিরহাটের হাটহাজারী সীমানা পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কের উভয় পাশে সরকারি সম্পদ দখলের অভিযোগ রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে, পশ্চিম ধলইয়ের মনিয়া পুকুরপাড় সংলগ্ন এলাকায় হাটহাজারী-নাজিরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মালিকানাধীন বিএস খতিয়ান-৬-এর বিএস ২০৮৫৬ দাগের প্রায় ২০ শতক জমিতে অনুমোদন ছাড়াই স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রশাসন সেখানে অভিযান চালিয়ে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, উচ্ছেদ করা জায়গাটির আনুমানিক মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। অভিযানের মাধ্যমে সরকারি ওই সম্পদ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
অভিযানের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহেদ আরমান বলেন, ‘সরকারি জায়গা কেউ দখল করে রাখতে পারবেন না। সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় কিছু ছবি যুক্ত ও সরানোর ঘটনাকে ইতিহাস বিকৃতির প্রচেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। সংগঠনটি এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী এবং সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ একযোগে বলেন, ‘ডাকসুতে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি যুক্ত করা হয়েছে। অথচ তিনি বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বাঙালিদের ওপর উর্দু ভাষা চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, শুধু উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অকুতোভয় ছাত্রসমাজ জিন্নাহর সেই চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সংঘটিত হয় বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। যা পরবর্তীতে ঊনসত্তরের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি গড়ে দেয়। ঐতিহাসিকভাবে ডাকসু ভাষা আন্দোলনসহ স্বাধীনতা সংগ্রামের গোটা কালপর্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’
ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের পর সমালোচনার মুখে ডাকসু নেতারা দাবি করেছেন যে, ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে জিন্নাহ যে অবস্থান নিয়েছিলেন, সেটি দেখানোর উদ্দেশ্যে এই ছবি যুক্ত করা হয়েছে। ছাত্রশিবির সমর্থিত ডাকসু এবং স্বয়ং ছাত্র শিবিরের জিন্নাহ্ নিয়ে সাম্প্রতিক অবস্থান ও বক্তব্য, ‘৪৭ পরবর্তী ‘৭১ পর্যন্ত এদেশের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ভিন্নভাবে তুলে ধরার প্রচেষ্টা’— এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন করে না।
বাস্তবতা হলো, ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার সংগ্রামে ডাকসুর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা এবং ছাত্রসমাজের লড়াইয়ের ইতিহাসের বিরুদ্ধে সংগ্রহশালাকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।
ছাত্রফ্রন্ট স্বাধীনতা সংগ্রামে ও পরবর্তীতে শেখ মুজিবের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মূল্যায়ন হতে পারে, কিন্তু পুরো আন্দোলন থেকে তাঁকে গায়েব করে দিলে ইতিহাসকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।
একই সঙ্গে সংগঠনটি জানাচ্ছে, সংগ্রহশালায় ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি যুক্ত করার কোনো ঐতিহাসিক কারণ নেই বলে তারা মনে করেন।
নেতারা ইতিহাস বিকৃতি, ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের ভূমিকা মুছে ফেলা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধকে কালিমালিপ্ত করার অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর থানার খোরশেদবাগ আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে পুলিশ জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবুল হোসাইনের (৪৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে।
মরদেহটি গতকাল সোমবার সকালে তার নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে।
হালিশহর থানার এসআই মোশাররফ হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর আবুল হোসাইনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে। উদ্ধার হওয়া চিরকুটটিও বিশ্লেষণ করা হবে। এ ঘটনার পর তার স্ত্রী হালিশহর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে খাবার খেয়ে আবুল হোসেন আলাদা কক্ষে ঘুমাতে যান। সোমবার ভোরে তার স্ত্রী ফজরের নামাজের জন্য উঠে কক্ষে প্রবেশ করে আবুল হোসেনকে ফ্যানের সঙ্গে চাদর প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখে। তার চিৎকারে ছেলে ও অন্যান্য স্বজনরা এসে চাদর কেটে তাকে নিচে নামান। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশের দাবি, মৃত্যুর আগে লেখা চিঠিতে আবুল হোসাইন উল্লেখ করেছেন—‘১৪ সেপ্টেম্বর রাত ৩টা। গত কয়েক মাস যাবত নানাবিধ সমস্যার মধ্যে আছি। বিশেষ করে মোহাম্মদপুর শাখার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নানাবিধ পেশার লোন দেওয়া না দেওয়া, বদলি—আরো কত কী?’
পুলিশ জানায়, চিঠিতে তিনি আরো লেখেন, ‘আমার গত কয়েক মাস যাবত বিভিন্ন ব্যবসা, মানুষের কাছে পাওনা টাকা না পাওয়াতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ স্ত্রীর নমিনি ফ্ল্যাটটি গত ৪ আগস্ট বিক্রয় করার জন্য বায়না করছি। আমার স্ত্রীর মতো এত মমতাময়ী, দরদি স্ত্রী পাওয়া আমার সৌভাগ্য। তা ছাড়া গত দুই সপ্তাহ আগে জানতে পারি, ২০২১ সালের একটি চেকের বিষয়ে লালদীঘি শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক (জিবি) হিসেবে আমার নামে ও অন্যান্য সহকর্মীদের নামে সম্প্রতি একটি সিআর মামলা হয়েছে। আমি নির্দোষ ও নিরপরাধ, শতভাগ। এ চিন্তায় গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে আমি ঘুমাতে পারিনি।’
চিঠির শেষ অংশে তিনি লিখেছেন, ‘আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আপনারা দেখে রাখবেন। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমাকে সবাই ক্ষমা করে দিয়েন’ বলে দাবি পুলিশের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন সময়ে ত্রিশাল, নান্দাইল ও গফরগাঁওয়ে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
এসব ঘটনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা ও হাইওয়ে থানার ওসি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরে ত্রিশালের তির্খী কালীবাজার এলাকায় বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের সাথে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণরূপে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে চালক জসিম উদ্দিন (৩৮) মারা যান। পরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাতনামা এক নারী মারা যান। এই ঘটনায় আহত আরও চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে, রবিবার রাতে নান্দাইলের আতকাপাড়া এলাকায় ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় ৩৫ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতনামা পথচারী নারী ঘটনাস্থলে নিহত হন। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে নান্দাইল হাইওয়ে থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। এছাড়া, দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের পাইথল ইউনিয়নে পৃথক আরেকটি সড়ক দুর্ঘটনায় রিফাত (২৫) নামের এক যুবক নিহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের নেতা মাসুদ আজহারের গ্রেপ্তারে সহায়ক তথ্যের জন্য পুরস্কারের অর্থ ৭০ লাখ পাকিস্তানি রুপি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। এই ঘোষণা পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) দ্বারা করা হয়েছে। ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য ফিন্যানশিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) পূর্ণাঙ্গ বৈঠকের কয়েক সপ্তাহ আগে এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থাটির বৈঠকগুলোতে অর্থ পাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং বিশেষ নজরদারিতে থাকা দেশগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের আগে মাসুদ আজহারের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পাকিস্তানের ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে বিশ্লেষকদের দ্বারা।
তবে মাসুদ আজহারকে নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান বরাবরই বিতর্কিত। ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, আজহার পাকিস্তানে নেই এবং তিনি আফগানিস্তানে আত্মগোপন করে আছেন।
এছাড়াও, পাকিস্তানের ২০২৬ সালের আপডেটেড ‘রেড বুক’-এ মাসুদ আজহারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কারের মূল্য ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লাখ পাকিস্তানি রুপি করা হয়েছে। অর্থাৎ, পুরস্কারের অঙ্ক এক ধাক্কায় সাড়ে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানের সরকারি নথিতে তিনি এখন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছেন।
ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, আজাহার পাকিস্তানেই সক্রিয় রয়েছেন। ফলে পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি থাকা জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে সত্যিই কোনো অভিযান চালানো হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ভারতের বুকে ঘটে যাওয়া একাধিক ভয়াবহ জঙ্গি হামলার মূল চক্রী হিসেবে মাসুদ আজহারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সংসদ ভবনে হামলা, পাঠানকোট হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার মতো ঘটনাগুলোর সঙ্গে সংগঠনটির নাম যুক্ত হয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদও তাকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ভারত সরকারের সন্ত্রাসবাদীদের তালিকাতেও তার নাম রয়েছে।
১৯৯৯ সালে আই-৮১৪ বিমান অপহরণকাণ্ডের পর যাত্রীদের মুক্তির বিনিময়ে ভারত তিন জঙ্গিকে জেল থেকে মুক্তি দিয়েছিল, তাদের মধ্যে ছিলেন মাসুদ আজহার। মুক্তির পরেই তিনি জইশ-ই-মোহাম্মদ প্রতিষ্ঠা করেন।
অতএব, এফএটিএফ বৈঠকের ঠিক আগে পাকিস্তানের এই ‘পুরস্কার ঘোষণা’ কতটা বাস্তব পদক্ষেপ এবং কতটা আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল— সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড় হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ