শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৭ এম
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি দেশে ফিরে এসেছেন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে। তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তাঁর সহধর্মিণী প্রফেসর ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইটও তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
বিমানবন্দরে ডা. তাহেরকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা গ্রহণের পর দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা সালাহউদ্দীন নানুপুরী মন্তব্য করেছেন যে, আল্লাহ তায়ালাকে চিনতে এবং অন্তরে আল্লাহর ভয় ধারণ করতে হলে আল্লাহওয়ালাদের সান্নিধ্যে যেতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, নিজেদের পরিশুদ্ধ করতে না পারলে দুনিয়ার মোহে ডুবে থাকতে হবে। মানুষের জীবন-যৌবন দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে এবং মূল্যবান হায়াত শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই হৃদয়ের পরিবর্তন ও আত্মশুদ্ধির জন্য আল্লাহওয়ালাদের সান্নিধ্যে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। আল্লাহওয়ালারা উম্মাহর হৃদয়ের ডাক্তার।
বৃহস্পতিবার রাতে হাটহাজারী পার্বতী মডেল ঐতিহাসিক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আল-আমিন সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী তাফসীর মাহফিলের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহফিলটি শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে, যার সঞ্চালনা করেন মাওলানা রিজওয়ান আরমান ও মাওলানা আইয়ুব জাহাঙ্গীর। তেলাওয়াত করেন কারী আহমদ গণী। মাহফিলের বিভিন্ন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মুফতী হাবিবুর রহমান কাসেমী, মুফতী ওসমান সাঈদী, মাওলানা নাছির উদ্দীন এবং মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী।
তাফসীর মাহফিলে সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসান এবং বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওলিউল্লাহকে আল-আমিন সংস্থার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
তিন দিনব্যাপী মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে আরও তাফসীর পেশ করেন মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী, মাওলানা আবুল হাসান এমপি, মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওলিউল্লাহ এমপি, মাওলানা আনিসুর রহমান আশরাফী, মুফতী হারুন ইজহার, ড. নুরুল আবছার আজহারী, মুফতী রাশেদ, মুফতী সিরাজুল্লাহ মাদানী এবং মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইয়াহইয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপির বিরুদ্ধে কল্পনাপ্রসূত কাহিনি প্রচার করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের ‘তলে তলে খাতির’ আড়াল করা সম্ভব নয়। জামায়াতের পরকীয়া শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের সাথে নয়, বরং তাদের প্রভু দেশের সঙ্গেও এখন ‘ওপেন সিক্রেট’ হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার মুন্সিরহাটে মাদরাসা মাঠে বাঘবেড় ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ওয়ার্ড নেতাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আরও বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের রক্তাক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের ‘তলেতলে খাতির’ ছিল বলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক অসততার প্রকাশ। বিএনপির বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ উত্থাপন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না, যা তাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ও ঐতিহাসিক দায় আড়াল করার চেষ্টা।
তিনি উল্লেখ করেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত সেই নৃশংস সহিংসতার দায় কোনো রাজনৈতিক সমঝোতার কল্পকাহিনি দিয়ে আড়াল করা সম্ভব নয়। বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা রাজনৈতিক অপবাদ দেওয়া কেবল দুঃখজনক নয়, বরং রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টাও বটে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, বিএনপিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড় করানোর অপচেষ্টা আসলে আওয়ামী লীগের অতীত অপকর্মের দায় মুছে দেওয়ার প্রচেষ্টা। যারা আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বিএনপির দীর্ঘ সংগ্রামকে অস্বীকার করতে চায়, তারা ইতিহাসের সত্যকেই অস্বীকার করছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে কল্পিত আঁতাতের গল্প ছড়িয়ে নিজেদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ঢাকার চেষ্টা করবেন না। ইতিহাসকে বিকৃত করা যায়, কিন্তু ইতিহাসের সত্যকে মুছে ফেলা যায় না।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বিচারে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে একজনকেই বিএনপির পক্ষ থেকে সমর্থন দেওয়া হবে। যাকেই দল থেকে সমর্থন দেওয়া হবে, সবাই মিলে তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয়ী করতে হবে। দলের সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে ফ্যাসিবাদের দোসরদের অপতৎপরতা নজরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের কোনো ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।
মতবিনিময় সভায় বাঘবেড় ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক, সাবেক চেয়ারম্যান ফরহাদ রাব্বানী সুমনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস, মাহবুবুল আলম বাবুল, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম ডলার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন নেতা মো. শাজাহান, আবদুস শহীদ আকন্দ, মাহবুবুল আলম মাসুম, আমিনুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, আলাল উদ্দিনসহ ইউনিয়ন, ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। পূজার মৌসুমে একের পর এক হিংসার ঘটনায় সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও নির্যাতনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কিছুদিন আগে চন্দ্রকোনায় তিনটি খ্রিস্টান পরিবারকে জোর করে দুর্গাপূজায় অঞ্জলি দিতে এবং প্রসাদ খাওয়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থানার অধীন এলাকায় একটি মাদরাসা এবং সংলগ্ন কয়েকটি মুসলিম পরিবারের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে ২৫ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি লাঠি, লোহার রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে পাঁশকুড়ার ‘মাদরাসা শাহরে মদিনা’ এবং আশপাশের মুসলিম পরিবারগুলোর বাড়িতে অতর্কিতে প্রবেশ করে। এ সময় হামলাকারীরা মাদ্রাসার দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। পাশাপাশি ধর্মীয় বইপত্র ও সরকারি নথি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে নষ্ট করার অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানের দেওয়ালে প্রদর্শিত নামের ওপর কালি লেপে দেয়। পরে সেখানে ‘জয় মা ভবানী’ ও ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান লিখে দেয়। মাদ্রাসার পাশাপাশি স্থানীয় কয়েকটি মুসলিম পরিবারের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। জানালার কাচ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ঘরের জিনিসপত্র তছনছ করা হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, হামলাকারীরা মুসলিম নারীদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা, মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
বাহারগ্রাম ও সুরাননগরের বাসিন্দাদের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই মাদ্রাসায় আবাসিক ও অনাবাসিক মিলিয়ে প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক এস কে মমতাজ আলির দাবি, প্রায় ৫০ বছর ধরে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানে অতীতে কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি।
এ ঘটনায় গত ২২ অক্টোবর মাদরাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পাঁশকুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জাতীয় উন্নয়ন পার্টির জেলা পর্যায়ের নেতা সাদ্দাম আলি খানও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় দীর্ঘদিনের হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
সাদ্দাম আলি খানের দাবি, পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে পুরো ঘটনা সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপান-বাংলাদেশ শীর্ষ বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, জাপান এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল, যা দেশটির সরকার মিথ্যা আখ্যা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশিত একটি পোস্টে এই তথ্য জানান দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস সেক্রেটারি এবং প্রেস অ্যান্ড পাবলিক ডিপ্লোম্যাসির মহাপরিচালক কিতামুরা তোশিহিরো।
ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাপান সরকার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নিতে সম্মত হয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি আরও জানান, গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাপান-বাংলাদেশ শীর্ষ বৈঠকের আলোচনায়ও এ বিষয়ে কোনো সম্মতি দেওয়া হয়নি।
বৈঠক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে পোস্টে।
এর আগে, জাপানে দক্ষ জনশক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে বছরে এক লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। এই প্রক্রিয়ায় কারিগরি প্রশিক্ষণার্থী, নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী ও পেশাজীবীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
গত বছরের মে মাসে, জাপানের টোকিওতে ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অংশগ্রহণ করেন। সেই সময় জানানো হয়েছিল, ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নেবে জাপান।
তবে, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, বছরে এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার বিষয়ে দেশটির সরকারের সম্মতির তথ্য সঠিক নয়।
উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের সময় দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ