বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২১ পি.এম
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)'র অধিবেশনের ফাঁকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
আজ এখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এ আগ্রহ প্রকাশ পায়, যা মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকের সময় উভয় পক্ষ আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন নিয়ে মতবিনিময় করে এবং অধিবেশনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করে।
তারা বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করে, যাতে এই দীর্ঘস্থায়ী বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা যায়।
মাইকেল মিলার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশ এবং ইইউর দীর্ঘদিনের পারস্পরিক কল্যাণকর অংশীদারিত্বে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং বহুমুখী সম্পৃক্ততা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
হুমায়ুন কবির বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে ইইউর ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বহুপক্ষীয়তাবাদ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ঢাকার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইইউ'র গঠনমূলক সম্পৃক্ততার জন্যও তিনি প্রশংসা করেন। এর মধ্যে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন মোতায়েন এবং চলমান সংস্কারপ্রক্রিয়ায় ইইউর সহায়তার বিষয়টিও রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ এবং ইইউর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও গভীর করার উপায় নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা করে। এ সময় বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর লক্ষ্যে প্রাথমিক অগ্রগতির বিষয়টিও উঠে আসে।
অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়েও বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য অব্যাহত মানবিক সহায়তা দেওয়ায় প্রতিমন্ত্রী ইইউকে ধন্যবাদ জানান।
উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ-ইইউ সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মের ওপর নির্ভরশীল। শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরু থেকেই নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে জ্ঞান, মেধা ও দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হতে হবে। পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন এবং কর্মজীবনের প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ২১তম আবর্তনের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জবি শাখার উদ্যোগে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমান বিশ্বের প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কারিগরি শিক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবটিক্স, ন্যানোটেকনোলজিসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করা গেলে, পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মজীবনের প্রস্তুতিও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবসম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রেও নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদেরই গড়ে নিতে হবে। শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, মেধা ও পরিশ্রমের সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য মানবসম্পদ হিসেবে প্রস্তুত করার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সক্রিয় থাকতে হবে।
শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত ও সময়োপযোগী পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারেও প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে।
আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ পরিচালনায় ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে নবীনদের নিজেদের মেধা, জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল। এ সময় ছাত্রদলের জবি শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএসটিআই লাইসেন্স ছাড়াই উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগ; দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ করে, একটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই মশার কয়েল উৎপাদন, বিক্রি ও বাজারজাতের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভৈরব উপজেলার তাঁতারকান্দি-লক্ষ্মীপুর এলাকায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আঞ্চলিক কার্যালয়, নরসিংদীর উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে আলাদিন কেমিক্যাল ওয়ার্কস অ্যান্ড মার্কেটিং গ্রী স্টার কেমিক্যাল কোম্পানি এবং রাফি কেমিক্যাল প্রোডাক্টস প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ছাড়াই মশার কয়েল উৎপাদন, বিক্রি ও বাজারজাতের অভিযোগ পাওয়া যায়।
পরে বিএসটিআই আইন, ২০১৮ অনুযায়ী আলাদিন কেমিক্যাল ওয়ার্কস অ্যান্ড মার্কেটিংকে ২ লাখ টাকা, গ্রী স্টার কেমিক্যাল কোম্পানিকে ২ লাখ টাকা এবং রাফি কেমিক্যাল প্রোডাক্টসকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্টদের মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ এবং বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিএসটিআই প্রধান কার্যালয়, ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল ইসলাম।
অভিযানে সহযোগিতা করেন বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, নরসিংদীর উপপরিচালক (মেট্রোলজি) ও অফিস প্রধান মো. শফিকুল আলম, সহকারী পরিচালক (সিএম) নিখিল রায় এবং সহকারী পরিচালক (মেট্রোলজি) কামরুল পলাশ।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফিল্ড অফিসার (সিএম) সারোয়ার হোসাইন ও পরিদর্শক (মেট্রোলজি) অনিন্দ্য দে।
বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বার্থে মানহীন ও অনুমোদনবিহীন পণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণীর বিনামূল্যে বিতরণ যোগ্য এক টন চোরাই পাঠ্যবই বুধবার সন্ধ্যায় নরকোনা গ্রামের ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ইব্রাহিমের বাড়ী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার নরকোনা গ্রামবাসিরা বুধবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ইব্রাহীম হোসেনের নিকট থেকে এসব বই উদ্ধার করে। দুটি রিকসা ভ্যানে করে বাড়ি থেকে অন্যত্র পাচার করছিলেন। মধুপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বাবুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
গ্রামবাসি হোসেন মোবারক জানান, ইব্রাহীম হোসেন মাঝে মধ্যে মধুপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের গুদাম থেকে ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর বিনামূল্যের পাঠ্য বই কেজি দরে কিনে এনে বিক্রি করছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার সে বেশ কয়েক ভ্যান পাঠ্য বই ওই গুদাম থেকে কিনে আনে। তারপর বাড়িতে থেকে আজ বুধবার অন্যত্র পাচারের চেষ্টা করে। সন্দেহবশতঃ গ্রামের কতিপয় যুবক খোঁজ নিয়ে দেখতে পান, সবই নবম-দশম শ্রেণীর বিনামূল্যের পাঠ্য বই। তারা স্থানীয় সংবাদকর্মী এবং থানা পুলিশকে খবর দেন। ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ইব্রাহীম হোসেন জানান, তিনি মধুপুর শিক্ষা অফিসের অনুমোদন সাপেক্ষে নাইটগার্ড তোফায়েল আহমেদের সহযোগিতায় গুদাম থেকে এসব বই কেজি দরে কিনে এনেছেন। কাজেই তার কোন দোষ নেই। বই বিতরণের দায়িত্বে থাকা একাডেমিক অফিসার মোঃ মহিউদ্দীন জানান, তার অগোচরে নাইটগার্ড এ কুকর্ম করেছে। পরে মধুপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ নঈম উদ্দীন ঘটনাস্থলে যান এবং পাঠ্য বই জব্দ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ইব্রাহীম হোসেনকে আটক করে থানায় প্রেরণ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, বিনামূল্যের এসব পাঠ্য বই কিভাবে কোথা থেকে এলো তা তদন্ত করে দেখা হবে। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাবুল হাসান বাদি হয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত অংশীজন সংলাপে অংশগ্রহণ করে তারা দেশে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারণের তাগিদ দিয়েছেন। পাশাপাশি, প্রান্তিক জনগণের সুরক্ষায় তাদের জন্য আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এই সংলাপের সভাপতিত্ব করেন আসকের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমান।
তিনি নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগণের সুরক্ষায় বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাহমিনা রহমান মন্তব্য করেন, "মানবাধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন আইন, নীতি এবং সরকারি ও বেসরকারি সেবা ব্যবস্থা থাকলেও কার্যকর বাস্তবায়ন, দ্রুত প্রতিকার, সহজলভ্য সেবা এবং আন্তঃপ্রতিষ্ঠানিক সমন্বয়ে এখনও কিছু ঘাটতি লক্ষ করা যাচ্ছে।" দেশে শেল্টার হোমের সংখ্যা খুবই নগণ্য এবং অপ্রতুল। নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগণের পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিকদের শেল্টার সাপোর্টের প্রয়োজন রয়েছে।
সংলাপে বক্তারা উল্লেখ করেন, অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগণের প্রকৃত সুরক্ষা প্রদান সম্ভব। তাই, কেউ যেন তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে দেশের ৪৭টি জেলা সদর হাসপাতাল ও ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেবা চালু রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের পর্যাপ্ত সুরক্ষায় এই সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
তারা আরও বলেন, শুধু নারী ও শিশু নয়; সমাজে পিছিয়ে থাকা প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের আইনি ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টিকেও এখন সমান গুরুত্ব দিতে হবে। নারী, শিশু ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগণের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, নাগরিক সমাজ ও অন্যান্য অংশীজনের সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান জানান তারা।
সংলাপে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি রেজভী সুলতানা, ডিএমপির উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোছা. লিজা বেগম, মহিলা ও শিশুবিষয়ক অধিদপ্তরের আইন কর্মকর্তা আইভী আক্তার, ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারের সমন্বয়কারী ডা. তাইয়েবা সুলতানা, নাগরিকতা-সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-এর ডেপুটি টিম লিডার ক্যাটরিনা কইনিগ, ঢাকা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক প্রবীর দত্ত, নারীপক্ষের প্রোগ্রাম ম্যানেজার কামরুন্নাহার, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের কর্মকর্তা রোকনুজ্জামানসহ অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ