ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান


প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত অংশীজন সংলাপে অংশগ্রহণ করে তারা দেশে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারণের তাগিদ দিয়েছেন। পাশাপাশি, প্রান্তিক জনগণের সুরক্ষায় তাদের জন্য আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এই সংলাপের সভাপতিত্ব করেন আসকের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমান।

তিনি নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগণের সুরক্ষায় বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাহমিনা রহমান মন্তব্য করেন, "মানবাধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন আইন, নীতি এবং সরকারি ও বেসরকারি সেবা ব্যবস্থা থাকলেও কার্যকর বাস্তবায়ন, দ্রুত প্রতিকার, সহজলভ্য সেবা এবং আন্তঃপ্রতিষ্ঠানিক সমন্বয়ে এখনও কিছু ঘাটতি লক্ষ করা যাচ্ছে।" দেশে শেল্টার হোমের সংখ্যা খুবই নগণ্য এবং অপ্রতুল। নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগণের পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিকদের শেল্টার সাপোর্টের প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

সংলাপে বক্তারা উল্লেখ করেন, অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগণের প্রকৃত সুরক্ষা প্রদান সম্ভব। তাই, কেউ যেন তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে দেশের ৪৭টি জেলা সদর হাসপাতাল ও ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেবা চালু রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের পর্যাপ্ত সুরক্ষায় এই সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

তারা আরও বলেন, শুধু নারী ও শিশু নয়; সমাজে পিছিয়ে থাকা প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের আইনি ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টিকেও এখন সমান গুরুত্ব দিতে হবে। নারী, শিশু ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগণের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, নাগরিক সমাজ ও অন্যান্য অংশীজনের সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান জানান তারা।

সংলাপে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি রেজভী সুলতানা, ডিএমপির উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোছা. লিজা বেগম, মহিলা ও শিশুবিষয়ক অধিদপ্তরের আইন কর্মকর্তা আইভী আক্তার, ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারের সমন্বয়কারী ডা. তাইয়েবা সুলতানা, নাগরিকতা-সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-এর ডেপুটি টিম লিডার ক্যাটরিনা কইনিগ, ঢাকা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক প্রবীর দত্ত, নারীপক্ষের প্রোগ্রাম ম্যানেজার কামরুন্নাহার, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের কর্মকর্তা রোকনুজ্জামানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন হাজার হাজার ইসরাইলি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে ভারত চক্রান্তের জাল তৈরি করছে : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে ভারত চক্রান্তের জাল তৈরি করছে : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি চক্রান্তের জাল তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, যদিও ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু আসলে দেশটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ষড়যন্ত্রের কাজ করছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, ‘আপনারা (ভারত) আর্মস ক্যাডার, সন্ত্রাসী পাঠিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের হত্যার চক্রান্ত করেন। তারপরও আপনাদের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলেন, সামনাসামনি কথা হলে অনেক সুমধুর কথা বলেন। কিন্তু ভেতরে ভেতরে আপনারা শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে যে চক্রান্তের জাল তৈরি করছেন, সেটা অত্যন্ত সুস্পষ্ট।’

তিনি ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ না করার বিষয়েও কথা বলেন। রিজভী জানান, তারেক রহমানকে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি; বরং তাকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ না পেয়ে তারেক রহমান সম্মেলনে যাননি বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।

রিজভীর ভাষ্যমতে, তারেক রহমানের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছে। এটি তার ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিষয় নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ভারতের আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানোর পরদিনই আদানির একটি পাওয়ার প্ল্যান্টের ইউনিট নষ্ট হওয়ার খবর আসে। তিনি দুটি ঘটনার সময়ের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

ভারতের সমালোচনা করে রিজভী আরো বলেন, ভারতকে বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধু বলা হলেও বন্ধুত্বের প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তার অভিযোগ, বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফেরত চাইলেও ভারত তাদের হস্তান্তর করছে না।

রিজভী বলেন, একসময় শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার আসামি একজন সাবেক মেজর ভারতে পালিয়ে ছিলেন এবং পরে তাকে আটক করে বাংলাদেশের তৎকালীন সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। বর্তমানে যাদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে বাংলাদেশে বিচার চলছে, তাদের কেন হস্তান্তর করা হচ্ছে না—এ প্রশ্নও তিনি তোলেন।

ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলে রিজভী বলেন, এ অবস্থানের পেছনে ভারতের কোনো গভীর উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় জাহাজে পাকিস্তানি জাহাজের ধাক্কা, পাকিস্তানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


ভারতীয় জাহাজে পাকিস্তানি জাহাজের ধাক্কা, পাকিস্তানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব

ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজকে পাকিস্তানি নৌবাহিনীর একটি জাহাজের ধাক্কার ঘটনায় নয়াদিল্লি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় উত্তর আরব সাগরে নিয়মিত নজরদারি অভিযানে থাকা ভারতের একটি সম্মুখসারির নৌ-যুদ্ধজাহাজের খুব কাছাকাছি চলে আসে একটি পাকিস্তানি জাহাজ। জানা যায়, ওমানের প্রায় ২২০ কিলোমিটার পূর্বে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজটি ভারতীয় জাহাজটিকে ‘ঘেঁষে’ চলে যায়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনার জন্য পাকিস্তানের আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য এবং অপেশাদার’ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। নয়াদিল্লি পাকিস্তানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সাদ আহমেদ ওয়ারাইচকে তলব করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘পাকিস্তানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে সংশ্লিষ্ট পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে এটি জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে, এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সমস্ত সামরিক ইউনিটের যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা এবং উভয় পক্ষের মধ্যকার প্রাসঙ্গিক চুক্তির বিধানগুলোকে সম্মান করা প্রয়োজন।’

পাকিস্তানি কূটনীতিককে ভারতের এই বার্তাটি পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকেও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একই ধরনের প্রতিবাদ জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

জানা গেছে, পাকিস্তানি কূটনীতিককে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনপথ কার্যালয়ে তলব করা হয়েছিল এবং সেখানে তিনি প্রায় ৩০ মিনিট অবস্থান করেন।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, ঘটনাটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ঘটেছে এবং এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে, মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে যে পাকিস্তানি নৌজাহাজের এই আচরণটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পাদিত ১৯৯১ সালের চুক্তির ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের সরাসরি পরিপন্থী, যা সামরিক মহড়া, রণকৌশল এবং সেনা চলাচলের আগাম নোটিশ দেওয়ার বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানি জাহাজটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এসে অপেশাদার এবং অনিরাপদভাবে রণকৌশল প্রদর্শন করছিল, যার ফলে এই সংঘর্ষ ঘটে। ঠিক কোন কোন জাহাজ জড়িত ছিল তা এখনো নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা যায়নি। তবে, সূত্রগুলো জানিয়েছে যে এটি ছিল পাকিস্তানের একটি ‘হুনাইন-ক্লাস কর্ভেট’, যা ভারতের একটি সম্মুখসারির যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

সূত্র জানায়, ঘটনার সময় সমুদ্র বেশ উত্তাল ছিল এবং পরে উভয় জাহাজই সেখান থেকে সরে যায়। সূত্রগুলো মন্তব্য করেছে, ‘উত্তাল সমুদ্রে কিভাবে গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় তা না জেনে পাকিস্তানি নৌবাহিনী আক্রমণাত্মক, হুমকিস্বরূপ এবং অপেশাদার আচরণ দেখিয়েছে।’

এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০১১ সালের জুনে পাকিস্তানি নৌবাহিনীর ‘বাবর’ এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর ‘আইএনএস গোদাবরী’ একই ধরনের একটি সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাস্তার ওপর বাজার বসিয়ে যানজট সৃষ্টির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


রাস্তার ওপর বাজার বসিয়ে যানজট সৃষ্টির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবৈধভাবে রাস্তার ওপর বাজার বসিয়ে যানজট সৃষ্টি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, "জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে নির্মিত সড়ক দখল করে বাজার বসানো বা যেকোনো অবৈধ কার্যক্রম জনভোগান্তি বাড়ায়।" এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাটোরের লালপুর উপজেলার আরবাব গ্রামে ছয় শ মিটার সড়ক পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি সড়ক দখল করে বাজার বসিয়ে এই উন্নয়নের সুফল নষ্ট করছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, উন্নয়ন টেকসই করতে হলে সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে সড়কগুলো সব সময় চলাচলের উপযোগী থাকে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিক আলি মিষ্টু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, নাটোরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন এবং লালপুর উপজেলা প্রকৌশলী আওলাদ হোসেন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাকসুর মেয়াদ শেষ, পরবর্তী নির্বাচনের জন্য বাজেট নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


জাকসুর মেয়াদ শেষ, পরবর্তী নির্বাচনের জন্য বাজেট নেই

একদিন পরেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, মাসের শেষের দিকে পরবর্তী জাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি দেখা যায়নি।

এ কারণে, নির্ধারিত সময়ে ১১তম জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

এদিকে, এবারের জাকসু নির্বাচন আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে কোনো অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে জাকসু নির্বাচনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমনকি, নির্বাচন ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এখন পর্যন্ত (বুধবার বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখার সময়) কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করছেন, প্রশাসনিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক চাপের কারণে নির্বাচন দেরি হতে পারে। অন্যদিকে, নির্বাচন আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত প্রশাসনিক জটিলতা এবং ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে প্রশাসন নতুন করে উদ্যোগ নিতে অনাগ্রহী হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।

তবে বর্তমান জাকসু নেতারা বলেছেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় নেতৃত্বশূন্যতা সৃষ্টি না করে যেকোনো মূল্যে নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। তারা উল্লেখ করেছেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না।

বর্তমান কমিটির নেতারা যেকোনো মূল্যে নির্বাচন চান।

১১তম জাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তফসিল ঘোষণাসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে বর্তমান সংসদ। গত ৭ সেপ্টেম্বর জাকসু ভবনের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, নিয়মিত ও নির্ধারিত সময়ে জাকসু নির্বাচন আয়োজনের জন্য সুস্পষ্ট নির্বাচনী ক্যালেন্ডার প্রণয়ন, বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষে দীর্ঘ সময়ের নেতৃত্বশূন্যতা এড়াতে দ্রুত তফসিল ঘোষণা ও নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির গ্রহণ, জাকসুর গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত বিধি অনুযায়ী নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে জাকসুকে আরো কার্যকর করতে প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় ও মতবিনিময়ের ব্যবস্থা করা।

তবে অভিযোগ রয়েছে, জাকসুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বর্তমান জাকসু নেতারাও কোনো উদ্যোগ নেননি।

‎বাজেট হয়নি, তফসিল নিয়েও অনিশ্চয়তা

২০২৫ সালের জাকসু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রাথমিকভাবে এক কোটি ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সম্ভাব্য ব্যয় বেড়ে আনুমানিক দেড় কোটি টাকার কাছাকাছি দাঁড়ায়। তবে এবারের নির্বাচন আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে কোনো অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়নি।

এ কারণে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, বাজেটের বিষয়টি সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তফসিল ঘোষণা থেকে পিছিয়ে যেতে পারে। তবে অন্যদের মতে, বাজেটের এই ঘাটতি নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় বাধা নয়। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে ঘাটতি বাজেট থেকে নির্বাচনের ব্যয় মেটাতে পারে।

জাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান জাকসুর মেয়াদ শেষ হবে। দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার আগে আমরা জাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং পরবর্তী ১১তম জাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছি।’

এ দাবিতে উপাচার্য ও জাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

জাকসু জিএস আরো বলেন, ‘নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট নির্বাচনী ক্যালেন্ডার প্রণয়ন, দ্রুত তফসিল ঘোষণা, প্রয়োজনীয় নির্বাচন কমিটি গঠন, আর্থিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতিগ্রহণ এবং প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময়ের সুযোগ সহজ করার দাবি জানিয়েছি। নিয়মিত জাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব, প্রশাসনের জবাবদিহি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরো শক্তিশালী করবে।

জাকসু নির্বাচনে বাজেট প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সোহেল রানা বলেন, ‘জাকসু নির্বাচনের জন্য কোনো বাজেট রাখা হয়নি। যদি নির্বাচন হয়, সেটা ঘাটতি বাজেট থেকে হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের বক্তব্য জানতে ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%