ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাস্তার ওপর বাজার বসিয়ে যানজট সৃষ্টির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর


রাস্তার ওপর বাজার বসিয়ে যানজট সৃষ্টির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবৈধভাবে রাস্তার ওপর বাজার বসিয়ে যানজট সৃষ্টি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, "জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে নির্মিত সড়ক দখল করে বাজার বসানো বা যেকোনো অবৈধ কার্যক্রম জনভোগান্তি বাড়ায়।" এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাটোরের লালপুর উপজেলার আরবাব গ্রামে ছয় শ মিটার সড়ক পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি সড়ক দখল করে বাজার বসিয়ে এই উন্নয়নের সুফল নষ্ট করছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আরও পড়ুন: বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরা বিএনপির রাজনীতিতে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন

তিনি বলেন, উন্নয়ন টেকসই করতে হলে সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে সড়কগুলো সব সময় চলাচলের উপযোগী থাকে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিক আলি মিষ্টু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, নাটোরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন এবং লালপুর উপজেলা প্রকৌশলী আওলাদ হোসেন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাকসুর মেয়াদ শেষ, পরবর্তী নির্বাচনের জন্য বাজেট নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


জাকসুর মেয়াদ শেষ, পরবর্তী নির্বাচনের জন্য বাজেট নেই

একদিন পরেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, মাসের শেষের দিকে পরবর্তী জাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি দেখা যায়নি।

এ কারণে, নির্ধারিত সময়ে ১১তম জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

এদিকে, এবারের জাকসু নির্বাচন আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে কোনো অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে জাকসু নির্বাচনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমনকি, নির্বাচন ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এখন পর্যন্ত (বুধবার বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখার সময়) কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করছেন, প্রশাসনিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক চাপের কারণে নির্বাচন দেরি হতে পারে। অন্যদিকে, নির্বাচন আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত প্রশাসনিক জটিলতা এবং ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে প্রশাসন নতুন করে উদ্যোগ নিতে অনাগ্রহী হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।

তবে বর্তমান জাকসু নেতারা বলেছেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় নেতৃত্বশূন্যতা সৃষ্টি না করে যেকোনো মূল্যে নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। তারা উল্লেখ করেছেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না।

বর্তমান কমিটির নেতারা যেকোনো মূল্যে নির্বাচন চান।

১১তম জাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তফসিল ঘোষণাসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে বর্তমান সংসদ। গত ৭ সেপ্টেম্বর জাকসু ভবনের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, নিয়মিত ও নির্ধারিত সময়ে জাকসু নির্বাচন আয়োজনের জন্য সুস্পষ্ট নির্বাচনী ক্যালেন্ডার প্রণয়ন, বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষে দীর্ঘ সময়ের নেতৃত্বশূন্যতা এড়াতে দ্রুত তফসিল ঘোষণা ও নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির গ্রহণ, জাকসুর গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত বিধি অনুযায়ী নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে জাকসুকে আরো কার্যকর করতে প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় ও মতবিনিময়ের ব্যবস্থা করা।

তবে অভিযোগ রয়েছে, জাকসুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বর্তমান জাকসু নেতারাও কোনো উদ্যোগ নেননি।

‎বাজেট হয়নি, তফসিল নিয়েও অনিশ্চয়তা

২০২৫ সালের জাকসু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রাথমিকভাবে এক কোটি ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সম্ভাব্য ব্যয় বেড়ে আনুমানিক দেড় কোটি টাকার কাছাকাছি দাঁড়ায়। তবে এবারের নির্বাচন আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে কোনো অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়নি।

এ কারণে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, বাজেটের বিষয়টি সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তফসিল ঘোষণা থেকে পিছিয়ে যেতে পারে। তবে অন্যদের মতে, বাজেটের এই ঘাটতি নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় বাধা নয়। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে ঘাটতি বাজেট থেকে নির্বাচনের ব্যয় মেটাতে পারে।

জাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান জাকসুর মেয়াদ শেষ হবে। দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার আগে আমরা জাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং পরবর্তী ১১তম জাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছি।’

এ দাবিতে উপাচার্য ও জাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

জাকসু জিএস আরো বলেন, ‘নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট নির্বাচনী ক্যালেন্ডার প্রণয়ন, দ্রুত তফসিল ঘোষণা, প্রয়োজনীয় নির্বাচন কমিটি গঠন, আর্থিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতিগ্রহণ এবং প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময়ের সুযোগ সহজ করার দাবি জানিয়েছি। নিয়মিত জাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব, প্রশাসনের জবাবদিহি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরো শক্তিশালী করবে।

জাকসু নির্বাচনে বাজেট প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সোহেল রানা বলেন, ‘জাকসু নির্বাচনের জন্য কোনো বাজেট রাখা হয়নি। যদি নির্বাচন হয়, সেটা ঘাটতি বাজেট থেকে হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের বক্তব্য জানতে ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির নজরদারি বাড়াতে নতুন দুই টিওবি উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির নজরদারি বাড়াতে নতুন দুই টিওবি উদ্বোধন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির নজরদারি ও অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে নতুন দুটি টিওবি (টেম্পোরারি অপারেশনাল বেস) উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা এলাকায় নবনির্মিত টিওবি দুটির উদ্বোধন করেন বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন।

উদ্বোধনের পর রিজিয়ন কমান্ডার টিওবি দুটির বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন। সেখানে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারি ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

জানা যায়, নতুন দুটি টিওবির মাধ্যমে সীমান্তে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরো কার্যকর ও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং সীমান্তবর্তী মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিজিবির সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার মন্তব্য করেন, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে নতুন টিওবি দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানে বিজিবির রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার-উল-আলম, কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলমসহ বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এফডিসিতে গুণীজনদের সম্মাননায় উদযাপিত হলো ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


এফডিসিতে গুণীজনদের সম্মাননায় উদযাপিত হলো ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’

দেশীয় চলচ্চিত্রে দীর্ঘকাল ধরে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’ উদযাপন করা হলো।

চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উদ্যোগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজনে বাংলা চলচ্চিত্রে দীর্ঘ সময়ের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরকে। দুই শতাধিক চলচ্চিত্র প্রযোজনার মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করার জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

এছাড়া চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য সম্মাননা লাভ করেন পরিচালক কাজী হায়াত, সোহেল রানা, মতিন রহমান, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, আবু মুসা দেবু, মহিউদ্দিন শাকের, আবুল খায়ের বুলবুল ও আওকাত হোসেন। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিরা গুণীজনদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

সম্মাননা গ্রহণের পর ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, “চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও মন্ত্রী মহোদয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এভাবে আমরা সবাই একত্রিত থাকলে আমাদের চলচ্চিত্র আরো এগিয়ে যাবে।”

গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন বলেন, “অনেক পরিচালকের সঙ্গে এই প্রজন্মের অনেকের যোগাযোগ নেই। যারা গুণী নির্মাতা, তাদের চলচ্চিত্র আমাদের চলচ্চিত্রকে এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য করেছে। এ কারণে পরিচালক সমিতি গুণীজনদের সম্মাননা দিয়েছে।”

সমিতির মহাসচিব শাহীন কবির টুটুল বলেন, “যাদের মাধ্যমে আমাদের চলচ্চিত্র সমৃদ্ধ হয়েছে, তাদের অনেকেই হয়তো জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পাননি। আবার অনেকে পেয়েছেন। পরিচালক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা গুণীদের সম্মাননা জানিয়েছি। আমাদের চেষ্টা থাকবে প্রতি বছর ৩ আগস্ট এই দিনটি পালন করার। কারণ এই দিনে ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি পেয়েছিল।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, “আগের সিনেমাগুলো আমরা শুধু দেখতামই না, সেগুলো আমাদের হৃদয়ে থেকে যেত। কোনো না কোনো ইতিবাচক বার্তা আমাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকত। আমরা সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করব, আগামীতে এমন সিনেমা নির্মিত হবে, যেগুলো সবই আমাদের কথা বলবে। আমরা চাই এমন সিনেমা নির্মিত হোক, যেগুলো সমাজকে পরিবর্তন করবে।”

এছাড়া এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা।

আয়োজনের সাংস্কৃতিক পর্বে নৃত্য পরিবেশন করেন চিত্রনায়িকা দিঘী। গান পরিবেশন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী কোনাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রত্যন্ত পাহাড়ি জনপদকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে প্রয়োজনভিত্তিক প্রকল্প: পার্বত্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


প্রত্যন্ত পাহাড়ি জনপদকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে প্রয়োজনভিত্তিক প্রকল্প: পার্বত্যমন্ত্রী

প্রত্যন্ত পাহাড়ি জনপদকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও চাহিদা বিবেচনায় প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, এমনটি জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছানোর জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বান্দরবান সদর উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি উন্নয়নকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

পার্বত্যমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সড়ক, ব্রিজ ও কালভার্টসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমে যাবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগও সহজ হবে।

 

তিনি বলেন, পাহাড়ের উন্নয়ন যদি শহরকেন্দ্রিক হয়, তাহলে এর সুফল প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। তাই দুর্গম ইউনিয়ন ও পাড়াগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের মতামত ও চাহিদা বিবেচনা করার পাশাপাশি কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উদ্বোধন করা প্রকল্প দুটির মধ্যে সদর উপজেলার ত্রুাউ আমতলীপাড়া ব্রিজ ও রাস্তা নির্মাণকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এ ছাড়া ডলুপাড়া সড়ক আরসিসিকরণ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৪৭ লাখ টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে নির্মিত এসব সেতু ও সংযোগ সড়ক দুর্গম পাহাড়ি জনপদের মানুষের চলাচলে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার কারণে যেসব এলাকায় চলাচলে ভোগান্তি ছিল, এসব অবকাঠামো নির্মাণের ফলে তা অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার পথও সহজ হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালে আহম্মাদ, বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা হীরামনি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিট অফিসার আবু বিন ইয়াছির আরাফাত, কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মং প্রু মারমাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%