বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৫ পি.এম
দেশীয় চলচ্চিত্রে দীর্ঘকাল ধরে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’ উদযাপন করা হলো।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উদ্যোগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনে বাংলা চলচ্চিত্রে দীর্ঘ সময়ের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরকে। দুই শতাধিক চলচ্চিত্র প্রযোজনার মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করার জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
এছাড়া চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য সম্মাননা লাভ করেন পরিচালক কাজী হায়াত, সোহেল রানা, মতিন রহমান, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, আবু মুসা দেবু, মহিউদ্দিন শাকের, আবুল খায়ের বুলবুল ও আওকাত হোসেন। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিরা গুণীজনদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
সম্মাননা গ্রহণের পর ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, “চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও মন্ত্রী মহোদয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এভাবে আমরা সবাই একত্রিত থাকলে আমাদের চলচ্চিত্র আরো এগিয়ে যাবে।”
গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন বলেন, “অনেক পরিচালকের সঙ্গে এই প্রজন্মের অনেকের যোগাযোগ নেই। যারা গুণী নির্মাতা, তাদের চলচ্চিত্র আমাদের চলচ্চিত্রকে এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য করেছে। এ কারণে পরিচালক সমিতি গুণীজনদের সম্মাননা দিয়েছে।”
সমিতির মহাসচিব শাহীন কবির টুটুল বলেন, “যাদের মাধ্যমে আমাদের চলচ্চিত্র সমৃদ্ধ হয়েছে, তাদের অনেকেই হয়তো জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পাননি। আবার অনেকে পেয়েছেন। পরিচালক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা গুণীদের সম্মাননা জানিয়েছি। আমাদের চেষ্টা থাকবে প্রতি বছর ৩ আগস্ট এই দিনটি পালন করার। কারণ এই দিনে ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি পেয়েছিল।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, “আগের সিনেমাগুলো আমরা শুধু দেখতামই না, সেগুলো আমাদের হৃদয়ে থেকে যেত। কোনো না কোনো ইতিবাচক বার্তা আমাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকত। আমরা সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করব, আগামীতে এমন সিনেমা নির্মিত হবে, যেগুলো সবই আমাদের কথা বলবে। আমরা চাই এমন সিনেমা নির্মিত হোক, যেগুলো সমাজকে পরিবর্তন করবে।”
এছাড়া এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা।
আয়োজনের সাংস্কৃতিক পর্বে নৃত্য পরিবেশন করেন চিত্রনায়িকা দিঘী। গান পরিবেশন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী কোনাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রত্যন্ত পাহাড়ি জনপদকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও চাহিদা বিবেচনায় প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, এমনটি জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছানোর জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বান্দরবান সদর উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি উন্নয়নকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্যমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সড়ক, ব্রিজ ও কালভার্টসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমে যাবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগও সহজ হবে।
তিনি বলেন, পাহাড়ের উন্নয়ন যদি শহরকেন্দ্রিক হয়, তাহলে এর সুফল প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। তাই দুর্গম ইউনিয়ন ও পাড়াগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের মতামত ও চাহিদা বিবেচনা করার পাশাপাশি কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উদ্বোধন করা প্রকল্প দুটির মধ্যে সদর উপজেলার ত্রুাউ আমতলীপাড়া ব্রিজ ও রাস্তা নির্মাণকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এ ছাড়া ডলুপাড়া সড়ক আরসিসিকরণ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৪৭ লাখ টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে নির্মিত এসব সেতু ও সংযোগ সড়ক দুর্গম পাহাড়ি জনপদের মানুষের চলাচলে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার কারণে যেসব এলাকায় চলাচলে ভোগান্তি ছিল, এসব অবকাঠামো নির্মাণের ফলে তা অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার পথও সহজ হবে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালে আহম্মাদ, বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা হীরামনি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিট অফিসার আবু বিন ইয়াছির আরাফাত, কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মং প্রু মারমাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা সম্পর্কে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ-ভারতীয় মডেল সোফিয়া হায়াত। অতীতে তাদের প্রেম এবং বিচ্ছেদের খবর নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। তবে এবার তিনি সরাসরি ভারতীয় এই ক্রিকেট তারকাকে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
সম্প্রতি ‘স্ট্রেইট টক কোয়ের উইজডম’ নামক একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে অতীতের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে সোফিয়া জানান, ক্রিকেট সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না; ম্যানেজারের পরামর্শেই মূলত তিনি ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। সেই সময় জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য নিজের বয়স নিয়ে মিথ্যা বলার কথাও অকপটে স্বীকার করেন ‘বিগ বস’খ্যাত এই অভিনেত্রী।
কথা প্রসঙ্গে ভারতীয় তারকা ব্যাটারকে উল্লেখ করে সোফিয়া দাবি করেন, ‘রোহিত শর্মার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল।’ রোহিতকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটার (গট) হিসেবে প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমাকে দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে যে ও বিছানায় একদমই ভালো ছিল না।’
রোহিত শর্মার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে সোফিয়া অবশ্য এই প্রথম মুখ খুললেন না। এর আগে একাধিকবার তিনি দাবি করেছিলেন, ২০১২ সালে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সূত্রপাত হয় এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত তা চলেছিল। তবে তাঁদের সেই সম্পর্ক বিচ্ছেদে রূপ নেওয়ার কারণ হিসেবে সোফিয়া জানিয়েছিলেন, মিডিয়ার সামনে রোহিত তাঁকে প্রেমিকা হিসেবে স্বীকার না করে স্রেফ একজন ফ্যান হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। এই ঘটনায় প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করে তিনি রোহিতকে সমস্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে ব্লক করে সম্পর্ক শেষ করেন।
সোফিয়ার সাম্প্রতিক এই পডকাস্ট মন্তব্য নিয়ে তাঁর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য জানানো হয়নি।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ মডেলের এমন লাগাতার ও বিতর্কিত দাবি নিয়ে রোহিত শর্মা কখনোই প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি।
উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবনে রোহিত শর্মা ২০১৫ সালে দীর্ঘদিনের বান্ধবী ও ক্রীড়া ম্যানেজার রীতিকা সজদেকে বিয়ে করেন। ২০১৮ সালে তাঁদের সংসারে প্রথম সন্তান কন্যা সামাইরার জন্ম হয় এবং ২০২৪ সালে তাঁদের কোল আলো করে আসে পুত্রসন্তান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতিতে উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। এই উন্নতির ফলে জেলার বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন, যাতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন এবং উৎপাদন কার্যক্রমের অবস্থা জানা যায়। তিনি স্প্যারো ফ্যাশন, ডিবিএল গার্মেন্টস, জয়দেবপুর গ্রিড এবং তিতাসের আঞ্চলিক বিপণন কেন্দ্র (স্টেশন) পরিদর্শন করেন।
সম্প্রতি, জেলার বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। এর ফলে শিল্প মালিকদের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে গিয়েছিল এবং নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর সরকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর ফলে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিদ্যুতের লোডশেডিংও কমেছে।
গাজীপুরের শিল্পকারখানার গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। পূর্বে প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে তা প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া পরিদর্শনকালে জানান, শিল্পখাতের উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "শিল্পের স্বার্থে বর্তমান পরিস্থিতি আরো স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।"
তিনি গ্যাসের চাপ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, লোডশেডিং এবং শিল্পকারখানার উৎপাদন পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান, পল্লী বিদ্যুৎ ও তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। শিল্পের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এদিকে, শিল্প মালিকরা চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং শিল্পখাতে ক্ষতির পরিমাণও হ্রাস পাবে।
জেলা প্রশাসন জানায়, গাজীপুর দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল। তৈরি পোশাক, ডায়িং, স্পিনিং, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতের বিপুলসংখ্যক শিল্পকারখানা এ জেলায় অবস্থিত। এসব শিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসন শিল্পখাতের স্বার্থে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ ভারতে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে অব্যাহত রয়েছে। তবে ভারত সরকারের কাছ থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব আসেনি। তাদের পক্ষ থেকেও একটি আইনি প্রক্রিয়া চলছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা একটি চলমান প্রক্রিয়া।’ তিনি আইনি বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি এবং বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো— প্রচলিত আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভারতে অবস্থানরত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী কাজ চলছে। এ বিষয়ে চিঠিপত্রের আদান-প্রদানও চলছে।’
সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাত নেতার বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া রায় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘রায়টি যেহেতু সদ্য হয়েছে, তাই আদালতের আনুষ্ঠানিক সব কাগজপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে পাওয়ার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভারতে অবস্থানরত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরাতে এর আগে পাঠানো চিঠির অগ্রগতি জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে। ভারত সরকারের কাছ থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দিক থেকেও একটি আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বাংলাদেশ জানতে পেরেছে। এই কার্যক্রম চলমান থাকবে, যতক্ষণ না তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ