প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রত্যন্ত পাহাড়ি জনপদকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও চাহিদা বিবেচনায় প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, এমনটি জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছানোর জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বান্দরবান সদর উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি উন্নয়নকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্যমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সড়ক, ব্রিজ ও কালভার্টসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমে যাবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগও সহজ হবে।
তিনি বলেন, পাহাড়ের উন্নয়ন যদি শহরকেন্দ্রিক হয়, তাহলে এর সুফল প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। তাই দুর্গম ইউনিয়ন ও পাড়াগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের মতামত ও চাহিদা বিবেচনা করার পাশাপাশি কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উদ্বোধন করা প্রকল্প দুটির মধ্যে সদর উপজেলার ত্রুাউ আমতলীপাড়া ব্রিজ ও রাস্তা নির্মাণকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এ ছাড়া ডলুপাড়া সড়ক আরসিসিকরণ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৪৭ লাখ টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে নির্মিত এসব সেতু ও সংযোগ সড়ক দুর্গম পাহাড়ি জনপদের মানুষের চলাচলে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার কারণে যেসব এলাকায় চলাচলে ভোগান্তি ছিল, এসব অবকাঠামো নির্মাণের ফলে তা অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার পথও সহজ হবে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালে আহম্মাদ, বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা হীরামনি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিট অফিসার আবু বিন ইয়াছির আরাফাত, কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মং প্রু মারমাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন