ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মকবুল হত্যা মামলায় সুলতান মনসুর ও মঈনউদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখাল আদালত


মকবুল হত্যা মামলায় সুলতান মনসুর ও মঈনউদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

রাজধানীর পল্টনে বিএনপিকর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলার প্রেক্ষিতে সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ এবং সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর পুত্র সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আহাম্মেদ আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই নির্দেশ প্রদান করেন।

এর আগে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন, তাদের গ্রেপ্তার করার জন্য আদালতে আবেদন করেন। শুনানির জন্য উভয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

আরও পড়ুন: সাত মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চীনের তিব্বত

শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর সুমন জানান, আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এই কারণে তিনি তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। অন্যদিকে, আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীনসহ অন্যান্য আইনজীবীরা তাদের গ্রেপ্তার না করার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।

এসময় আদালতের অনুমতি নিয়ে সুলতান মনসুর বলেন, "জুলাই আন্দোলনের সময় আমি সপরিবারে দেশের বাইরে ছিলাম। কোনো অপরাধ করলে আমি দেশে ফিরে আসতাম না। আর এ মামলার ঘটনা ২০২২ সালের। আমি তো তখন গণফোরামের সঙ্গে ছিলাম, আওয়ামী লীগের সঙ্গে না।" তিনি আদালতের কাছে আইনগত সহায়তা কামনা করেন।

শুনানি শেষে আদালত উভয় আসামিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

মকবুল হত্যা মামলা

আরও পড়ুন: নিছিদ্র নিরাপত্তায় দুর্গাপূজা, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি পরিদর্শন করলেন শতাধিক মণ্ডপ

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি এক দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করে। এর পূর্বে ৭ ডিসেম্বর ডিবি পুলিশের তৎকালীন প্রধান হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় কার্যালয়ে ভাঙচুর এবং আশপাশে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, এই হামলায় বিএনপিকর্মী মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান নামে এক ব্যক্তি পল্টন মডেল থানায় এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনকে আসামি করা হয়।

২০২৪ সালের ১ অক্টোবর কানাডা থেকে দেশে ফেরার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে সুলতান মনসুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর গুলশান-২ এলাকা থেকে মঈনউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে তিনিও কারাগারে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ঢাকায় আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ইমাম সম্মেলন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিয়েতনামের সঙ্গে ইউরোপের চার দেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


ভিয়েতনামের সঙ্গে ইউরোপের চার দেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের ফলে বিশ্ববাণিজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় বিকল্প বাজার খুঁজতে ভিয়েতনাম ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরের চারটি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে।

রোববার, ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ ভিয়েতনাম এবং ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য সংস্থার (ইএফটিএ) মধ্যে এই চুক্তিটি সই হয়।

ইএফটিএ’র সদস্য চারটি দেশ হলো— আইসল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড।

এএফপি’র খবর অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় শিল্পপণ্য, মাছ ও কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার অথবা কমানোর ব্যবস্থা করা হবে।

ভিয়েতনামের সর্বোচ্চ নেতা তো লামের উপস্থিতিতে রাজধানী হ্যানয়ে চুক্তিটি সই করেন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতিনিধিরা।

ভিয়েতনাম সরকারের একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে চলমান অস্থিরতার মধ্যে নিয়মভিত্তিক বাণিজ্যব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অঙ্গীকারের প্রতিফলন এই চুক্তি।

সরকারের প্রত্যাশা, এই চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনাম আমদানি ও রপ্তানির বাজার আরও বিস্তৃত করতে সক্ষম হবে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ও উৎপাদনব্যবস্থার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে পারবে।

২০১২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া মুক্ত বাণিজ্য আলোচনা দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর গত জুলাইয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। ২০১৮ সাল থেকে স্থবির হয়ে থাকা আলোচনা গত বছরের সেপ্টেম্বরে আবার শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ব্যাপক শুল্ক আরোপের উদ্যোগের পর এই চুক্তি সই হলো। ওয়াশিংটনের শুল্কনীতিতে বিশ্ববাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে, এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে ভিয়েতনামের রপ্তানি পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্কের বোঝা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দেশটির আলোচনা এখনও চলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই চুক্তি বাণিজ্যিক সম্পর্ক বহুমুখী করার এবং বড় বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের অভিন্ন উদ্যোগের প্রতিফলন।

ইতিহাস ও রাজনীতি বিষয়ে গবেষক দো দিন লাম খাং এএফপিকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যখন ইউরোপের দেশগুলোর ওপর ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক চাপ সৃষ্টি করছে, তখন এই চুক্তি অর্থনৈতিক একীভবনকে আরও বেশি কৌশলগত স্বনির্ভরতায় রূপ দেওয়ার একটি যৌথ প্রচেষ্টা। এর মাধ্যমে সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর এককভাবে নির্ভর না করে বিকল্প বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।’

খাং আরও বলেন, ইএফটিএভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে ভিয়েতনামের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেশটির উচ্চ মূল্য সংযোজনকারী শিল্প ও উৎপাদন কার্যক্রমে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে। অর্থাৎ, সাধারণ পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির পরিবর্তে আরও উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর ও বেশি মূল্যসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

চুক্তিতে পণ্য ও সেবা বাণিজ্য, মেধাস্বত্বের অধিকার, বাণিজ্য প্রতিকার ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে উভয় পক্ষ জানিয়েছে।

ইএফটিএর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে ভিয়েতনামের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৪৮০ কোটি ইউরো, যা প্রায় ৫৪০ কোটি মার্কিন ডলারের সমান।

গত বছর ইএফটিএভুক্ত দেশগুলো থেকে ভিয়েতনামে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হওয়া পণ্যের মধ্যে ছিল বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক যন্ত্রপাতি, মাছ এবং ওষুধজাত পণ্য।

অন্যদিকে, উৎপাদনশিল্পের অন্যতম কেন্দ্র ভিয়েতনাম থেকে ইএফটিএভুক্ত দেশগুলোতে প্রধানত যন্ত্রপাতি, জুতা ও তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হয়েছে।

ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়ের (ইইসি) বিকল্প হিসেবে ইএফটিএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

ইএফটিএ’র চার সদস্যদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঘনিষ্ঠ হলেও তারা এর সদস্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা

লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, বর্ণবাদী প্রচারণা এবং ‘পুনর্বাসন ষড়যন্ত্র’ সংক্রান্ত গুজবের কারণে আফ্রিকার সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর অভিবাসীরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে তাদের জীবনযাপন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে, যেহেতু তারা আগে থেকেই অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন।

রাজধানী ত্রিপোলিতে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা, প্রাণনাশের হুমকি এবং সহায়তা সংস্থার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

১ অক্টোবরকে ত্রিপোলিতে বিদেশি অভিবাসীদের জন্য ‘শেষ সময়সীমা’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজ থেকে লিবীয়দের প্রকাশ্যে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এসব পোস্টে বর্ণবাদী গালিগালাজের পাশাপাশি আফ্রিকার সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয়, আরব ও এশীয় অভিবাসীদের অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করা হয়।

অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘রিফিউজি ইন লিবিয়া’ জানিয়েছে, নির্ধারিত বিক্ষোভের কয়েক দিন আগে তাদের কাছে একটি হাতে লেখা হুমকিপত্র পৌঁছায়, যার সঙ্গে একটি গুলি ছিল। চিঠিতে কৃষ্ণাঙ্গদের লক্ষ্য করে হুমকি দেওয়া হয়।

তবে ১ অক্টোবর ঘিরে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়নি। ওই সময় বেতন বকেয়া থাকার প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দাবাইবার সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের বড় ধরনের ধর্মঘট পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। দাবাইবার নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যের সরকার (জিএনইউ) দেশটির পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে।

এরপরও ২ ও ৯ অক্টোবর ত্রিপোলির শহীদ চত্বরে বিক্ষোভ করেন কয়েক ডজন মানুষ। তাদের স্লোগান ছিল, ‘লিবিয়া লিবীয়দের জন্য’ এবং ‘পুনর্বাসন চাই না’। গত এপ্রিল থেকে ত্রিপোলির কেন্দ্রীয় এলাকায় মাসে একাধিকবার এ ধরনের বিক্ষোভ হচ্ছে, যা অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ক্রমেই বাড়াচ্ছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ত্রিপোলি ও আশপাশের এলাকায় সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার প্রায় ৭ লাখ মানুষ বসবাস করেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার সুদানের নাগরিক, যাঁরা যুদ্ধের কারণে নিজ দেশ ছেড়ে পালিয়ে এসেছেন।

ইউরোপে যাওয়ার আশায় থাকা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়ার রাজধানী এখন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো প্রায় ১৯ হাজার অভিবাসীর ৮০ শতাংশের যাত্রা শুরু হয়েছিল লিবিয়া থেকে। তাদের ৯০ শতাংশেরও বেশি যাত্রা করেছিলেন পশ্চিম লিবিয়ার বিভিন্ন উপকূল থেকে। ত্রিপোলি ও জুয়ারার মধ্যবর্তী উপকূলীয় অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসীদের নৌযাত্রার অন্যতম প্রধান পথ হিসেবে পরিচিত।

অভিবাসীদের সহায়তা কেন্দ্রে হামলা

মানব পাচারকারী চক্রের শোষণ, নির্বিচার আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও দাসত্বের মতো গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন লিবিয়ার অভিবাসীরা। জাতিসংঘের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশটিতে তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের ঘটনা পদ্ধতিগত রূপ নিয়েছে। সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টার সময়ও তাদের সহিংসতার মুখে পড়তে হয়। এ পরিস্থিতির মধ্যে তারা নিজেদের বাসস্থান ও কর্মস্থলেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ত্রিপোলির পূর্বাঞ্চলে বসবাসরত সিয়েরা লিওনের ৩৭ বছর বয়সী অভিবাসী অ্যালবার্ট জি বলেন, লিবীয়রা ক্রমেই অভিবাসীদের সঙ্গে যা খুশি তা করার সুযোগ পাচ্ছেন বলে তার মনে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তাদের আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা যেন নেই।

তিনি বলেন, অভিবাসীদের জন্য নির্যাতন ও কারাবাসের ঝুঁকি আগে থেকেই পরিচিত সমস্যা। এখন এর সঙ্গে যোগ হয়েছে জনসমাগমস্থলে যেতে না পারা এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ খুঁজে পেতে বাধার মতো দৈনন্দিন সংকট। বসন্তকালে প্রথম দফার বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হতে থাকে। গ্রীষ্মের শুরুতে পরিস্থিতি তাঁর কাছে সত্যিকার অর্থেই ভীতিকর হয়ে ওঠে।

গত জুনে বিপুলসংখ্যক লিবীয় প্রথমবারের মতো কথিত ‘পুনর্বাসন পরিকল্পনার’ বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ ছিল, অভিবাসীরা যাতে লিবিয়া ছেড়ে যেতে না পারেন, সে জন্য জাতিসংঘের উদ্যোগে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এ অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে। তা সত্ত্বেও ৪ জুন শত শত বিক্ষোভকারী ত্রিপোলিতে ইউএনএইচসিআরের কার্যালয়ের প্রবেশপথ অবরোধ করেন। তাদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো লিবিয়ার জনমিতিক কাঠামো বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

বিক্ষোভের পাশাপাশি অভিবাসীদের ওপর হামলা এবং তাদের ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনাও ঘটে। পশ্চিম লিবিয়ার বিভিন্ন শহরে পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার বহু মানুষকে আটক করে। এতে অনেকে কয়েক দিন ঘরের বাইরে বের হতেও ভয় পান।

গ্রীষ্মকালে অস্থিরতা কিছুটা কমলেও ছোট ছোট জমায়েত ও বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনা অব্যাহত থাকে। গত ৭ সেপ্টেম্বর পশ্চিম ত্রিপোলিতে আইওএম পরিচালিত অভিবাসী সহায়তা কেন্দ্রে একদল লিবীয় হামলা চালান। এতে হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার অভিবাসীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

অ্যালবার্ট বলেন, কর্তৃপক্ষ যদি আইওএমের একটি শিবিরে হামলার সুযোগ দেয়, তাহলে বহু মানুষের জীবন বিপন্ন হবে। কারণ, অভিবাসীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের জায়গা বলে আর কিছু থাকবে না।

কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন

হামলার পর জাতীয় ঐক্যের সরকার জানায়, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার কখনোই হামলা, ভাঙচুর কিংবা মানুষের জীবন বিপন্ন করার হুমকিকে বৈধতা দেয় না। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করে সরকার। তবে হামলার পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে মিডল ইস্ট আইয়ের প্রশ্নের জবাব দেয়নি লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এদিকে বসন্তকালে তৈরি হওয়া ফেসবুক ও এক্সের বিভিন্ন জনপ্রিয় পেজে এখনও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে এবং বিক্ষোভে অংশ নিতে মানুষকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। ‘লিবিয়ান নিউজ—নো টু দ্য রিসেটেলমেন্ট ইন লিবিয়া’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে প্রায় ৭৬ হাজার সদস্য রয়েছেন। ‘দ্য ত্রিপোলি অ্যাক্টিভিস্টস মুভমেন্ট’ নামের আরেকটি গ্রুপের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার। এসব গ্রুপে প্রতিদিন অভিবাসীদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই আন্দোলনের পেছনে কারা রয়েছেন এবং এর কার্যক্রম কতটা সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিবিসির আগস্টের এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, জুনের বিক্ষোভের পেছনে অনলাইনে ছড়ানো গুজবের ভূমিকা ছিল।

অন্যদিকে আইনজীবী থুরাইয়া আল-তুয়াইবি ও সাংবাদিক সালমা আল-শাবের মতো পরিচিত ব্যক্তিরা বিভিন্ন বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা এসব কর্মসূচিকে ‘শান্তিপূর্ণ’ বলে দাবি করলেও এর ফলে আন্দোলন আরও গতি পাচ্ছে।

লিবিয়ার মানবাধিকারকর্মী আহমেদ হামজা বলেন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত এসব প্রচারণা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের অপরাধমূলক আন্দোলনের পক্ষে প্রচার চালানো কিংবা এর সমন্বয় করার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড লিবিয়ার দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

হামজা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের মধ্যে নিষ্ক্রিয়তা, যোগসাজশ এবং সন্দেহজনক নীরবতা দেখা যাচ্ছে।

অভিবাসীরাও একই ধরনের অভিযোগ করছেন। তাদের ভাষ্য, জাতীয় ঐক্যের সরকার লিবিয়ায় তাঁদের বসবাস ও কাজ করার সুযোগ দিলেও ত্রিপোলিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। কিছু ক্ষেত্রে সরকার তাদের কাজে নিয়োগও দিয়েছে।

‘লিবিয়ায় কখনো নিরাপদ বোধ করিনি’

ক্যামেরুনের এক শরণার্থী কিংসলি (ছদ্মনাম) গত চার বছর ধরে ত্রিপোলিতে বসবাস করছেন। তিনি মিডল ইস্ট আইকে বলেন, লিবিয়ায় কখনোই নিজেকে নিরাপদ মনে হয়নি তার।

২০২৪ ও ২০২৫ সালে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে দুইবার আটক হয়েছিলেন তিনি। কিংসলির অভিযোগ, অর্থ দেওয়ার পরই তিনি মুক্তি পান। তার ভাষায়, যারা তাকে আটক করেছিল, তারা ছিল ‘অপহরণকারী’। অপরাধী চক্রের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধেও সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

কিংসলি বলেন, এখন অধিকাংশ লিবীয়কেই তার কাছে হুমকি বলে মনে হয়।

অনলাইনে বিদ্বেষমূলক প্রচারণার প্রধান লক্ষ্য সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার মানুষ হলেও ফিলিস্তিনি, সিরীয় ও বাংলাদেশি অভিবাসীরাও এর শিকার হচ্ছেন। এসব সম্প্রদায়ের মানুষের উল্লেখযোগ্য অংশ পূর্ব লিবিয়ায় বসবাস করলেও ত্রিপোলিতেও তাদের উপস্থিতি বাড়ছে।

অভিবাসীদের অভিযোগ, বর্তমান বৈরী পরিবেশে স্থানীয়দের কাছ থেকে অধিকার লঙ্ঘন ও অসম্মানজনক আচরণের ঘটনাও বেড়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে সরাসরি ‘পুনর্বাসনবিরোধী’ আন্দোলনের সম্পর্ক না থাকলেও তাদের দুর্ভোগ কমছে না।

অ্যালবার্ট জানান, গত সপ্তাহে একটি নির্মাণস্থলে দুই দিন কাজ করেও তিনি কোনো পারিশ্রমিক পাননি। ফলে খালি পেটে তাকে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।

নতুন করে বিক্ষোভের কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে ‘পুনর্বাসনবিরোধী’ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখনও বিরাজ করছে। পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

মানবাধিকারকর্মী আহমেদ হামজা সতর্ক করে বলেন, কর্তৃপক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এখন পর্যন্ত বৈরী পরিস্থিতির কারণে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী ত্রিপোলি ছেড়ে যাননি। তবে কেউ কেউ বিকল্প গন্তব্যের কথা ভাবছেন।

আইওএমের স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ সালে প্রায় ১৬ হাজার অভিবাসী সহায়তা পেয়েছেন। অন্যদিকে, একই বছর লিবীয় কর্তৃপক্ষ ৩৭ হাজারের বেশি অভিবাসীকে বহিষ্কার করেছে।

অ্যালবার্ট বলেন, তিউনিসিয়া বা আলজেরিয়াতেও পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। তারপরও তিনি লিবিয়ার তুলনায় ওই দেশগুলোতে থাকতে বেশি আগ্রহী। লিবিয়ায় আগামী মাসগুলোতে তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে, তা তিনি জানেন না বলেও জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুই কমিশনারের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুই কমিশনারের সাক্ষাৎ

নবনিযুক্ত প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান এবং তথ্য কমিশনের নবনিযুক্ত দুই সদস্য সাংবাদিক এস. এ. এম মাহফুজুর রহমান ও সাংবাদিক খান মোহাম্মদ আবুল হোসেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এই সাক্ষাৎটি রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম।

সাক্ষাৎকালে নবনিযুক্ত তথ্য কমিশনের সদস্যবৃন্দ জনগণের অবাধ তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এর আগে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে সরকার তথ্য কমিশনের নতুন প্রধান তথ্য কমিশনার হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানকে নিয়োগ দেয়। একইসঙ্গে সাংবাদিক এস. এ. এম মাহফুজুর রহমান এবং সাংবাদিক খান মোহাম্মদ আবুল হোসেনকে তথ্য কমিশনের তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি ‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী তাদের এই পদে নিয়োগ প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জিয়ানগর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ এবং  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ
 
 
পিরোজপুরের জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে অসহায় পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ  এবং উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ করা হয়েছে।
 
রোববার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ওয়ালিউর রহমান রুবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সহায়তা বিতরণ করেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী।
 
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ১২০টি অসহায় পরিবারের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে এবং আরও দুটি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
 
এ ছাড়া সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ করা হয়।
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মহিউদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের বর্তমান আমির মাওলানা আলী হোসেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি তৌহিদুর রহমান রাতুল সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শিক্ষক এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
 
প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী তার বক্তব্যে সরকারি দলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আসুন, আমার কোনো ভুল হলে আমাকে বলুন, আমি নিজেকে শুধরে নেব। ভালো কাজে সহযোগিতা করুন। রাজনীতি হোক দেশ ও মানুষের কল্যাণে।”
 
তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। (মোঃ হাফিজুর রহমান, ০১৯৭৯৩২৯১৮৭)
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%