০৩:৫৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত কিশোর গ্যাং নেতা ওয়াকিল হোসেন, যিনি বগা নামেই পরিচিত, আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি ২৩ মামলার আসামি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন করেন তিনি।
আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশের উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) হাসান ইকবাল চৌধুরী জানান, চাঁদাবাজির একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন আসামি ওয়াকিল। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
ওয়াকিলের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি, দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৩টি মামলা রয়েছে।
গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে ওয়াকিলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এই হামলায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিমসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ ঘটনায় ওয়াকিলকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখার উদ্দেশ্যে গঠিত ৬০ হাজার কোটি টাকার ১৫টি অর্থায়ন স্কিমের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ১১ হাজার ৯৫৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এছাড়া, ২ হাজার ৫৫৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বিতরণের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সব মিলিয়ে বিতরণ ও প্রক্রিয়াধীন অর্থের পরিমাণ ১৪ হাজার ৫১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এই হিসাব অনুযায়ী, মোট বরাদ্দের প্রায় ২৪ দশমিক ২০ শতাংশ বিতরণ হয়েছে অথবা বিতরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বাকি প্রায় ৭৫ দশমিক ৮০ শতাংশ অর্থ এখনও বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। গত ১৫ অক্টোবর ১৫টি স্কিমের অগ্রগতির হিসাব থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
দুই ধরনের স্কিম রয়েছে: পুনঃঅর্থায়ন এবং প্রাক্-অর্থায়ন। কিছু স্কিমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বিতরণ হলেও একাধিক স্কিমে বিতরণের অগ্রগতি সীমিত। তিনটি স্কিমের বিপরীতে এখনও কোনো অর্থ বিতরণের তথ্য নেই। তবে প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে ৫ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা।
সর্বোচ্চ বিতরণ তিনটি স্কিমে:
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে বরাদ্দ রয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে বিতরণ দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা, যা বরাদ্দের তুলনায় বেশি।
কটেজ ও মাইক্রো খাতে উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য বিশেষ স্কিমে ৫ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে ৫ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ৯০৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।
বৃহৎ শিল্প ও সেবা খাতের সহায়ক প্রাক্-অর্থায়ন স্কিমে বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে ৫৬০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং ৯২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ১৫টি স্কিমের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ বরাদ্দের স্কিম, তবে বরাদ্দের তুলনায় বিতরণের পরিমাণ এখনও অনেক কম।
কৃষি ও কর্মসংস্থানভিত্তিক স্কিমের অগ্রগতি ধীরগতির:
দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পল্লী অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গঠিত পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে বরাদ্দ রয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা। এ স্কিমের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ২৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। বিপুল বরাদ্দের তুলনায় বিতরণের পরিমাণ কম হওয়ায় এ স্কিমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে অর্থায়ন স্কিমে ১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র সৃষ্টির লক্ষ্যে গঠিত বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে ৩ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ থাকলেও বিতরণ হয়েছে মাত্র ৪৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।
স্টার্টআপ খাতে অর্থায়নের জন্য গঠিত স্কিমে ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ৩২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। সারণিতে এ স্কিমে আরও ৫ কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন দেখানো হয়েছে।
তিন স্কিমে বিতরণ শূন্য:
১৫টি স্কিমের মধ্যে তিনটির বিপরীতে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো অর্থ বিতরণের তথ্য নেই। এগুলো হলো—রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়নের জন্য অর্থায়ন স্কিম এবং হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিমুখী খাতে অর্থায়নের নিমিত্ত স্কিম।
রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে বরাদ্দ রয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা। গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়নের স্কিমে বরাদ্দ ১ হাজার কোটি টাকা। হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিমুখী খাতের স্কিমে বরাদ্দ রয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা।
এই তিন স্কিমে মোট বরাদ্দ ৬ হাজার কোটি টাকা। নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত এসব স্কিমে অর্থ বিতরণ হয়নি।
অন্যান্য স্কিমের চিত্র:
সৃজনশীল অর্থনীতির (ক্রিয়েটিভ ইকোনমি) জন্য গঠিত প্রাক্-অর্থায়ন স্কিমে ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে ৫০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
রপ্তানি ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাতে সহায়তার পাশাপাশি গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং এবং গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিজ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে ১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে ৫২৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে এ স্কিমের বিপরীতে কোনো অর্থ বিতরণ করা হয়নি।
চামড়াজাত পণ্য এবং পাদুকা রপ্তানিমুখী খাতে অর্থায়নের নিমিত্ত গঠিত স্কিমে ২ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে ৯৮ কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে অর্থায়ন স্কিমে ১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে ১ হাজার কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ এ স্কিমের পুরো বরাদ্দই বিতরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
বরাদ্দের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রশ্ন:
১৫টি স্কিমে মোট ৬০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ ও প্রক্রিয়াধীন অর্থের সম্মিলিত পরিমাণ ১৪ হাজার ৫১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ বরাদ্দের তুলনায় অগ্রগতি এখনও এক-চতুর্থাংশেরও কম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে দৃষ্টিনন্দন প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) নতুন একাডেমিক-কাম-প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আধুনিক ও বিশ্বমানের করার লক্ষ্যে। এই বহুতল ভবনটি চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় তৈরি করা হয়েছে এবং এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে সোমবার (১৯ অক্টোবর) তারিখে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই নান্দনিক ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই মেগা প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৬৯ লাখ ৭৮৫ টাকা। খুলনা বিভাগের নির্দিষ্ট কয়েকটি পিটিআই-এর অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ঝিনাইদহে এই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে।
নতুন ভবনটি নান্দনিক নির্মাণশৈলীতে গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। ভবনে আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ আইসিটি ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সুবিশাল কনফারেন্স রুম, সুসজ্জিত লাইব্রেরি এবং প্রশাসনিক দাপ্তরিক কক্ষ রয়েছে। এছাড়া, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর রুম, নান্দনিক সীমানা প্রাচীর, অভ্যন্তরীণ বিনোদন কেন্দ্র এবং বিশাল প্রশিক্ষণ চত্বরও নির্মিত হয়েছে।
ঝিনাইদহ পিটিআই-এর অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট কাউসার আলী নতুন ভবনের উদ্বোধন প্রসঙ্গে জানান, "বহুল প্রতীক্ষিত নতুন ভবন উদ্বোধনের জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের যাবতীয় আয়োজন চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই আধুনিক ভবনটি চালুর মাধ্যমে ঝিনাইদহসহ পার্শ্ববর্তী জেলার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যা মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে এক নতুন যুগান্তকারী মাত্রা যোগ করবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ক্রীড়াঙ্গন ও সাইক্লিং অঙ্গনে উন্মোচিত হলো এক নতুন দিগন্ত। বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে গত ১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) উৎসবমুখর পরিবেশে পর্দা উঠেছে দুই দিনব্যাপী ‘১ম আন্তঃসার্ভিসেস সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এর।
সার্ভিসেস দলগুলোর সাইক্লিস্টদের পেশাদারিত্ব ও নৈপুণ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে দেশের চার শীর্ষ সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনী—বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বাংলাদেশ জেল পুলিশ।
প্রতিযোগিতার পরিধি ও অংশগ্রহণ
আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা যায়, এবারই প্রথম আন্তঃসার্ভিসেস পর্যায়ে এত বড় পরিসরে সাইক্লিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে মোট ৭টি ক্যাটাগরির অধীনে ১৪টি রোমাঞ্চকর ইভেন্টে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষে মাঠে নেমেছেন ১০০ জন প্রতিশ্রুতিশীল অ্যাথলেট। এর মধ্যে ২৯ জন নারী এবং ৭১ জন পুরুষ অ্যাথলেট নিজ নিজ বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করছেন।
প্রতিযোগিতার প্রথম দিন সকালে আর্মি স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনুর রশীদ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি অ্যাথলেটদের ক্রীড়াসুলভ মনোভাব বজায় রাখার পরামর্শ দেন এবং আগামী দিনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের লাল-সবুজের পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
প্রথম দিনের সাফল্য ও সেনাদলের আধিপত্য
প্রতিযোগিতার বহুল কাঙ্ক্ষিত প্রথম ইভেন্ট ছিল ‘১০০০ মিটার টাইম ট্রায়াল (পুরুষ)’। রোমাঞ্চকর ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে গতির ঝড় তুলে এই ইভেন্টে স্বর্ণপদক ছিনিয়ে নেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দ্রুতগতির সাইক্লিস্ট ফয়সাল বিশ্বাস।
একই ইভেন্টে চমৎকার নৈপুণ্য প্রদর্শন করে রৌপ্যপদক অর্জন করেন সেনাবাহিনীর অপর অ্যাথলেট আবদুল্লাহ-আল নোমান। অন্যদিকে সেনাদলের দাপটের মাঝেও দুর্দান্ত লড়াই চালিয়ে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ঝুলিতে ব্রোঞ্জ পদক এনে দেন উদীয়মান অ্যাথলেট আবদুল্লাহ।
দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ১৭ অক্টোবর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে। দেশের ক্রীড়াপ্রেমী ও বিশ্লেষকদের বিশ্বাস, এ ধরনের বৃহৎ আয়োজনের মাধ্যমে আগামীতে জাতীয় দলের জন্য নতুন, দক্ষ ও সম্ভাবনাময় সাইক্লিস্ট খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ