বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩৫ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল এবং জাতীয় ইমাম সম্মেলন আগামী শনিবার সকাল ১১টায় আগারগাঁওস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রধান কার্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী আবু হোরায়রা।
প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীন বক্তব্য রাখবেন।
এছাড়া ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি, ড. এনামুল হক চৌধুরী, মুফতি আবুল হাসান এমপি, মাওলানা নুরুল আমিন এমপি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী এবং ইফা পরিচালক মো.মুহিউদ্দিনও বক্তব্য রাখবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের কারাগারে বর্তমানে বন্দি অবস্থায় রয়েছেন ২ হাজার ৪৬১ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ২২ জনের নামের পাশে উল্লেখ করা হয়েছে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’। তবে তাদের শাস্তির প্রকৃতি, কত বছরের কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড, সৌদি সরকারের পাঠানো তালিকায় এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। এমনকি জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেটও এ ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেনি।
এই ২২ জনের মধ্যে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তার উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর বাংলাদেশের জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। তাদের মতো আরো ২০ জনের ভাগ্য এখন অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। তাই তাদের শাস্তির বিষয়ে জানতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট।
গত ১৯ অক্টোবর, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জেদ্দা শাখায় চিঠিটি প্রেরণ করে। বাংলাদেশি দণ্ডিত নাগরিকদের কনস্যুলার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে স্পষ্ট তথ্য চাওয়া হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৪৬১ বাংলাদেশি বন্দির একটি তালিকা পাঠিয়েছিল। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মপরিধির আওতাধীন কারাগারগুলোতে বন্দিদের মধ্যে কেউ আদালতের রায়ের সম্মুখীন হয়েছে, আবার কেউ মামলা চলমান। তালিকাটি বিশ্লেষণ করে কনস্যুলেট লক্ষ্য করে, কিছু বন্দির ‘অবস্থা’ কলামে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’ লেখা থাকলেও ‘রায়ের সারসংক্ষেপ’ কলামটি খালি। শাস্তির ধরন বা মেয়াদ সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।
এ অবস্থায়, ১৯ অক্টোবর কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা অঞ্চল শাখাকে (জেদ্দা) অনুরোধ জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত রায়ের সারসংক্ষেপ পাঠানোর জন্য। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কনস্যুলার দায়িত্ব পালনের জন্য এ তথ্য প্রয়োজন। চিঠির সঙ্গে ৯ পাতার তালিকায় বন্দিদের বিবরণও সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে চিঠিতে কতজনের কলাম খালি রয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। যদিও সংযুক্ত তালিকা গুনে দেখা গেছে, সেই সংখ্যা ২২ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে কুমিল্লার মুরাদনগর ও বাঙ্গরা বাজার উপজেলায় নির্বাচনী কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দুই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ২২টি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দলের পক্ষে লড়তে ইচ্ছুক সম্ভাব্য প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রার্থীদের সরাসরি সাক্ষাৎকার নেবেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মুরাদনগর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ওবায়দুল হক সিদ্দিকী ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষাৎকার পর্বটি আগামী ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার বিকেল ৩টায় বাঙ্গরা বাজার উপজেলার আকুবপুর ইউনিয়নের আমতলী বাজারসংলগ্ন এনসিপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া স্বয়ং উপস্থিত থেকে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততা যাচাই করবেন, যাতে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশীদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও গতিশীল হয়।
মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার বোর্ডে উপস্থিত হওয়ার সময় তাঁদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), রাজনৈতিক পরিচয় এবং নিজ নিজ এলাকার জন্য তৈরি করা জনবান্ধব কর্মসূচির বিস্তারিত রূপরেখা সঙ্গে আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে, সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়ার বিষয়ে এনসিপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে তাঁদের অতীত সম্পৃক্ততা, সততা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তাঁদের বাস্তবমুখী পরিকল্পনাকে সবচেয়ে বেশি মূল্যায়ন করা হবে। তরুণ ও ত্যাগী নেতৃত্বকে সামনে এনে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি মডেল ইউনিয়ন পরিষদ উপহার দেওয়াই দলের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে এনসিপির এই আনুষ্ঠানিক ও সুশৃঙ্খল প্রার্থী বাছাইয়ের উদ্যোগকে মুরাদনগর ও বাঙ্গরার রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন জেলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপির এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী উঠে আসার পথ সুগম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা তদারকির জন্য ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার শতাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রেঞ্জ ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি ঢাকা, টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। বুধবার সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে দুর্গাপূজা শেষ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ঢাকা রেঞ্জ পুলিশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা রেঞ্জের ১৩ জেলায় ৭ হাজার ৬২১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৯ হাজার ৬৫৩ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় পূজামণ্ডপগুলোকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৯৯টি পূজামণ্ডপকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ২ হাজার ৪৪০টি পূজামণ্ডপকে গুরুত্বপূর্ণ এবং ৩ হাজার ৭৮২টি পূজামণ্ডপকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ঢাকা রেঞ্জে পূজামণ্ডপের সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ২৫২টি। চলতি বছরে তা বেড়ে ৭ হাজার ৬২১টিতে দাঁড়িয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে পূজামণ্ডপের সংখ্যা ৩৬৯টি বেড়েছে, যা প্রায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ।
পূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালনকারী ৯ হাজার ৬৫৩ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ৪৬৭ জন সাদাপোশাকে এবং ৯ হাজার ১৮৬ জন পোশাকে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া আট প্লাটুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং পাঁচ প্লাটুন রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যদেরও দায়িত্বে রাখা হয়েছিল।
ঢাকা রেঞ্জ পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ, গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি এবং প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা ঠেকাতে সাইবার নজরদারি চালানো হয়েছে।
পূজামণ্ডপে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইভ টিজিং ও মাদক সেবন প্রতিরোধ, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং অগ্নিকাণ্ডসহ জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ব্যবস্থা ছিল নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ। প্রতিমা বিসর্জনের সময় নির্ধারিত রুট অনুসরণ, বিসর্জনস্থলে পর্যাপ্ত আলো এবং ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স ও নৌ পুলিশের প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পাশাপাশি রেঞ্জ ডিআইজি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করেন। পূজা উদ্যাপন কমিটি, বিভিন্ন ধর্মের গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা রেঞ্জ পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পূজামণ্ডপকেন্দ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, নিয়মিত তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতিতে এবারের দুর্গাপূজার পরিবেশ আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের তিব্বত অঞ্চলে একটি সাত মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিটে এই ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় বলে তথ্য প্রদান করেছে চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি)।
তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগকুতে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত। এর মাত্র কয়েক মিনিট পর, রাত ৮টা ২৯ মিনিটের দিকে চীনের অরুণাচল প্রদেশ থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। এই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার।
আগস্ট মাসে নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে বিধ্বংসী আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ১ হাজার ৪শ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল, তার কয়েক সপ্তাহ পরেই এই ভূমিকম্পগুলো সংঘটিত হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ