শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫১ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকের সন্তান এবং স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার পেছনে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার লোভ ছিল। এই হত্যাকাণ্ড, যা দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, ঘটনার ৩১ দিনের মধ্যে পুলিশ মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে।
গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির আদালতে এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া কর্মকর্তা) মো. লুৎফর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা এই চার্জশিটে চারজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাফ্ফর হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসান হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেয় এবং অপর অভিযুক্ত সিয়াম পুরো ঘটনার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিল। বর্তমানে আসামিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছে। দুইজনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শিশু আইন অনুযায়ী তাদের গাজীপুর শিশু শোধনাগারে রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে সিয়াম ছাড়া বাকি তিনজন আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোনটি নিয়ে ছবি তোলার কথা বলে বের হয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম। এরপর মূল পরিকল্পনাকারী তুহিন কৌশলে অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়সংলগ্ন সানন্দা এলাকার একটি নির্জন বনে নিয়ে যায়। সেখানে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে অপ্রতিম বাধা দেয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় সজোরে আঘাত করে। তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আইফোনটি নিয়ে খুনিরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তুহিনকে আটক করা হয় এবং তার বাসা থেকেই অপ্রতিমের ফোনটি উদ্ধার করা হয়।
তদন্তের দ্রুত সমাপ্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করলেও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অপ্রতিমের পরিবার। নিহত অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, "পুলিশ দ্রুত চার্জশিট দেওয়ায় আমরা আশাবাদী। এখন আমাদের একমাত্র চাওয়া বিচার প্রক্রিয়া যেন দ্রুত শেষ হয় এবং আসামিরা যেন বয়সের ফারাকে আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। আমার একমাত্র সন্তানকে যারা এভাবে কেড়ে নিয়েছে, আদালত যেন তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের ‘ভাইজান’ অভিনেতা সালমান খান, বিগ বসের মঞ্চ থেকে পাপারাজ্জিদের উদ্দেশ্যে অশ্লীল অ্য়াঙ্গেল থেকে নায়িকাদের কুরুচিকর ছবি ও ভিডিও তোলা নিয়ে কিছুদিন আগে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন তাদের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা প্রদান করেছিলেন।
সম্প্রতি মুম্বাইয়ে ‘আইফা ২০২৭’ সালের প্রচার উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এক প্রেস কনফারেন্সে কারিনা কাপুরের সঙ্গে স্টাইলিশ লুকে উপস্থিত হন সালমান। ওই অনুষ্ঠানে ছবি তোলার উজ্জ্বল পরিবেশের মধ্যে, তিনি আবারও পাপারাজ্জিদের উদ্দেশ্যে তার পূর্বের সতর্কবার্তা স্মরণ করিয়ে দেন।
পাপারাজ্জিদের কাছে তারকাদের ছবি তোলার অশালীন অভ্যাসের কঠোর সমালোচনা করে সালমান বলেন, ‘পেছনের দিকের কথা, কিন্তু মনে রেখো— তোমরা সবাই অন্তত এটুকু সম্মান তো নিশ্চয়ই দিতে পারো।’
তিনি আরও বলেন, যেসব অভিনেত্রী পেছনের দিক থেকে ছবি তুলতে নিষেধ করেন এবং যারা আপত্তি জানান না— উভয়ের মধ্যে পার্থক্য বোঝার ক্ষমতা ফটো সাংবাদিকদের থাকা উচিত।
গত সেপ্টেম্বর মাসে ‘বিগ বস ২০’-এর একটি পর্বে, ভাইজান নারীদের কুরুচিকর ছবি তোলার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। সেসময় সালমান খান বলেছিলেন— পেছন থেকে যেসব ছবি নেওয়া হয়, তা কোনো নায়িকা পছন্দ করেন না। ৯০ শতাংশ মেয়ে এবং যারা এখন মা হয়েছেন, তারা কেউই এটা চান না। তিনি মন্তব্য করেন যে, যেসব নারীরা এটা পছন্দ করেন না, তাদের উচিত পেছন ফিরে এমন পাপারাজ্জিদের সপাটে চড় মারা! তিনি তাদের বলার পরামর্শ দেন— নিজেদের মা-বোনের ছবি এভাবে তুলে দেখাতে। এটি একটি জঘন্য মানসিকতা!
অভিনেতা এ ধরনের কুরুচিকর ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও প্রদান করেছিলেন।
উল্লেখ্য, আইফা অ্যাওয়ার্ডসের ২৭তম আসর অনুষ্ঠিত হবে আবুধাবির ইয়াস আইল্যান্ডের ‘ইতিহাদ অ্যারেনা’য়। আগামী বছরের ২২ ও ২৩ জানুয়ারি এই জমকালো অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
বরুণ ধাওয়ান ও অনন্যা পান্ডে যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন করণ জোহর ও মণীশ পল। এছাড়া সালমান খান, কারিনা কাপুর এবং জাহ্নবী কাপুরের মতো প্রথম সারির তারকারাও সেখানে পারফর্ম করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাহিত্যচর্চায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সাহিত্য সংসদ সম্মাননা অর্জন করেছে ঐতিহ্য কার্নিভালে। এই সম্মাননা দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সাহিত্য সংগঠনকে প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ঐতিহ্য প্রকাশনীর কার্নিভালের অষ্টম দিনে ‘ক্লাব-ডে: লিটারেচার ক্লাব সম্মাননা ও ঐতিহ্য রিডার্স ক্লাব গেটটুগেদার’ অনুষ্ঠানে জবি সাহিত্য সংসদকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদের পক্ষে অভিপ্সা দাস সম্মাননা গ্রহণ করেন। সম্মাননাপ্রাপ্ত অন্যান্য ছয়টি সংগঠন হলো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) সাহিত্য সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদ, ইডেন মহিলা কলেজের ‘অপরাজেয়’, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিআইইউ রিডার্স ক্লাব এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ইউএপি লিটারেচার ক্লাব।
অনুষ্ঠানে বুয়েট সাহিত্য সংসদের পক্ষে হাসান মামুন, রাফিদ আনজুম ও আহনাফ তারহাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদের পক্ষে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও কাসিরা সুলতানা এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদের পক্ষে মোস্তাফিজুর রাহমান, তারিন তাসনিম ও তানজিনা তাবাসসুম তন্দ্রা সম্মাননা গ্রহণ করেন।
এছাড়া, ইডেন মহিলা কলেজের ‘অপরাজেয়’-এর পক্ষে সানজিদা হক এবং ইউএপি লিটারেচার ক্লাবের পক্ষে শাহনেওয়াজ শাহিন সম্মাননা গ্রহণ করেন।
সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, "এই ধরনের স্বীকৃতি আমাদের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণার। আমরা যারা সাহিত্যচর্চা করি, তাদের মধ্যে এ ধরনের সম্মাননা নতুন উদ্দীপনা ও উদ্যম তৈরি করে। বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাহিত্য নিয়ে আগ্রহ বা অনুরাগ কিছুটা কমে আসছে, সেখানে ঐতিহ্য প্রকাশনীর এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন চমৎকার ও ভিন্নমাত্রার আয়োজনের জন্য ঐতিহ্য প্রকাশনীকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।"
এদিকে, আয়োজনের অংশ হিসেবে ঐতিহ্য রিডার্স ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেন হাসান মামুন, দ্বিতীয় হন রাফিদ আনজুম এবং তৃতীয় হন মাহবুবুল হাছান। বিজয়ীদের ঐতিহ্য প্রকাশনীর রচনাবলি উপহার দেওয়া হয়।
এছাড়া বিকেলে সাইফ বরকতুল্লাহ সম্পাদিত ‘সংবাদপত্রে খালেদা জিয়ার মৃত্যু’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। কার্নিভালের অষ্টম দিনের আয়োজনে সংগীতসন্ধ্যাও অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মৌজা মূল্যের পরিবর্তে প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণের জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ এবং অপ্রদর্শিত বা কালো টাকা সৃষ্টি রোধের উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়নের জন্য বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা—এই তিন স্তরে বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী চার মাসের মধ্যে তাদের নিজ নিজ এলাকার জমি, আবাসিক প্লট, ফ্ল্যাট এবং অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ করতে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়িত হবে। ইতিমধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার সুপারিশ অনুযায়ী বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জমি ও অন্যান্য সম্পদের বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হবে। তবে, এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কমিটির মাধ্যমে সম্পদের বাজারমূল্য নির্ধারণ একটি অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ। পাশাপাশি, দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের সহায়তায় স্থাবর সম্পদের মূল্যায়নের একটি মডেল তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে সম্পদের প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হবে। এটি একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এজন্য একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে এই উদ্যোগ সম্পন্ন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন আলমগীর লস্কর (৪০) ও বিধান কুমার বিশ্বাস (২৫) নামের দুই যুবক। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু ঘটে।
নিহত আলমগীর লস্কর সব্দালপুর ইউনিয়নের বাকেরবাও গ্রামের আজম লস্করের পুত্র। অপরদিকে, বিধান কুমার বিশ্বাস মালদা গ্রামের বিনয় বিশ্বাসের ছেলে।
স্বজনদের দাবি, বিজয়া দশমীর রাতে উপজেলার জারিয়া গ্রামের সার্বজনীন দুর্গামন্দিরের মেলায় গিয়ে তারা বন্ধুদের সঙ্গে অ্যালকোহলযুক্ত মদ পান করেন। এরপর দুজনেরই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।
স্বজনরা জানান, অসুস্থ অবস্থায় আলমগীরকে তার বন্ধুরা বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, বিধানকে রাতেই অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তার মৃত্যু ঘটে।
আলমগীরের বাবা আজম লস্কর জানান, পূজার মেলায় ঘুরতে গিয়ে তার ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কয়েকজন ব্যক্তি তাকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে মদ্যপানের বিষয়টি জানান। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিধানের কাকিমা সুপ্রিয়া সাহা জানান, বিজয়া দশমীর রাতে বন্ধুদের সঙ্গে মদ পান করার পর বিধান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাগুরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইমরান হোসেন বলেন, দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলী মিয়া জানান, অতিরিক্ত মদ্যপানে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ দুটি মাগুরা সদর হাসপাতালের অস্থায়ী মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ